Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২২ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ মার্চ, ২০১৯ ২৩:৫৫

ডিএনসিতে নতুন যন্ত্র

স্পর্শ ছাড়াই হচ্ছে মাদক পরীক্ষা

আলী আজম

স্পর্শ ছাড়াই হচ্ছে মাদক পরীক্ষা

হাতের স্পর্শ এবং মানুষের অনুপস্থিতি ছাড়াই চলছে মাদক পরীক্ষা। ২০০ থেকে ৩০০ মাদকের নমুনা একসঙ্গে প্রবেশ করালে দুই-এক মিনিট পর পর প্রতিটি মাদকের বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে আসছে। এটা সম্ভব হচ্ছে গ্যাস ক্রোমাটোগ্রাফি মাস স্টেপটো ফটোমিটার (জিসিএমএস) মেশিনের সাহায্য। সম্প্রতি আধুনিক এ মেশিনটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরে (ডিএনসি) যুক্ত হয়েছে। মেশিনটি পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় অবস্থিত ডিএনসি’র রাসায়নিক পরীক্ষাগারে সংযুক্ত করা হয়েছে। ডিএনসি’র প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক ড. দুলাল কৃষ্ণ সাহা জানান, ২০১৮ সালের ৭ অক্টোবর ডিএনসিতে মাদক শনাক্তের অত্যাধুনিক জিসিএমএস যন্ত্রটি যুক্ত হয়েছে। এর সাহায্য ৫ হাজার মাদক শনাক্ত করা হয়েছে। এটি বিশ্বের সর্বাধুনিক মাদক শনাক্ত মেশিন। অপরিচিত মাদকদ্রব্য শনাক্তে সক্ষম এ মেশিনটি হাতের স্পর্শ এবং মানুষের অনুপস্থিতি ছাড়াই কাজ করতে পারে। বিদ্যুৎ ছাড়াও অটো জেনারেটর সংযুক্ত করায় এ যন্ত্রটি ২৪ ঘণ্টা সার্ভিস দিতে পারে। নতুন মাদক খাতও এই মেশিনে শনাক্ত করা হয়েছে। আমেরিকা থেকে আমদানিকৃত জিসিএমএস মেশিন একনাগারে একাধিক পরীক্ষা করতে সক্ষম। জিসিএমএস মেশিনের একটি ঢাকায় এবং আরেকটি চট্টগ্রামের স্থাপন করা হয়েছে। ঢাকায় কাজ শুরু হলেও চট্টগ্রামে উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। এই মেশিনের মাধ্যমে চিহ্নিত মাদকের অরজিন প্রোফাইলিং করা হচ্ছে। এতে অনায়াসে মাদক শনাক্ত করা যাবে এবং সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা যাবে। এই সঙ্গে এ মাসেই ডিএনসিতে যুক্ত হচ্ছে দুইটি রেমন স্পেকট্রস কপি, যা রেমন নামে পরিচিত। এ মেশিন আমেরিকা থেকে আমদানি করা হয়েছে।

 ল্যাব এবং ফিল্ডে বহনযোগ্য এ মেশিনটি বস্তুতে স্পর্শ করা মাত্রই মাদক শনাক্ত করতে পারবে। লেজারের সাহায্যে চালিত মেশিনটি ডিএনসিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। রেমন মেশিন একদিকে যেমন কাজে গতি আনবে, ঠিক তেমনি মাদক নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখবে। সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮’ কার্যকর করা হয়। নতুন আইনে আলোচিত ইয়াবা ‘ক’ শ্রেণির মাদকদ্রব্য। এর রাসায়নিক নাম অ্যামফিটামিন। নতুন আইন অনুযায়ী এ মাদকদ্রব্যের পরিমাণ ১০০ গ্রামের বেশি থেকে ২০০ গ্রাম পর্যন্ত হলে ৫ থেকে ১০ বছরের কারাদ- এবং অর্থদ  ও মাদকদ্রব্যের পরিমাণ ২০০ গ্রামের বেশি হলে মৃত্যুদ- বা যাবজ্জীবন কারাদ- ও অর্থদ- হবে। এ আইনে সিসাকে মাদক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর