শিরোনাম
প্রকাশ : ২১ এপ্রিল, ২০১৯ ১১:৫৬
আপডেট : ২১ এপ্রিল, ২০১৯ ১৫:০৪

রাহুল গান্ধীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন বিজেপি'র

অনলাইন ডেস্ক

রাহুল গান্ধীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন বিজেপি'র
ফাইল ছবি

নরেন্দ্র মোদির স্নাতক ডিগ্রির খোঁজ পাওয়া যায়নি। তার মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হয়েছে। তাই এবার রাহুল গান্ধীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললো বিজেপি। 

আমেঠিতে রাহুলের বিরুদ্ধে বিজেপি'র গোঁজ প্রার্থী, নির্দল ধ্রুব লাল সম্প্রতি আদালতে গেছেন রাহুলের পড়াশোনা এবং নাগরিকত্ব নিয়ে সংশয় নিরসন করতে। তারপরই তৎপর হয়ে উঠেছে বিজেপি। দিল্লির সদর দপ্তরে দলের মুখপাত্র জিভিএল নরসিংহ রাও রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে শনিবার বলেন, ‘‌কংগ্রেস সভাপতি এবং টার আইনজীবী রাহুল কৌশিক আমেঠির রিটার্নিং অফিসারকে এ সংক্রান্ত প্রশ্নের উপযুক্ত জবাব দিতে পারেননি। রাহুলের প্রতিনিধি ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সময় চেয়েছেন। রাহুল এবং কংগ্রেস এখনই জানাক ওদের বক্তব্য। শোনার জন্য সারা দেশ মুখিয়ে আছে।’‌

কী প্রশ্ন তুলছে বিজেপি?‌ পুরোটাই অনুমানভিত্তিক। ২০০৪ সালে নির্বাচনী হলফনামা দেওয়ার সময় রাহুল জানিয়েছিলেন, তিনি ব্যাকঅপ্‌স লিমিটেড নামে লন্ডনের একটি সংস্থায় অর্থলগ্নি করেছেন, যে প্রতিষ্ঠানের তিনি অন্যতম ডিরেক্টর। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের কাছে এই সংস্থার সাংগঠনিক নথি এবং আগস্ট ২০০৫ পর্যন্ত হিসেব জমা দেওয়া আছে। 

বিজেপি'র দাবি, ওই নথিতে রাহুলকে ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবে দেখানো আছে। সেটা যদি ঠিক হয়, তা হলে রাহুলের ভারতের নাগরিকত্ব তখনই খারিজ হয়ে যাওয়ার কথা। কারণ ১৯৫৫ সালের ভারতীয় নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী, কোনো ভারতীয় দ্বিতীয় কোনও দেশের নাগরিকত্ব নিলে ভারতীয় নাগরিক থাকার অধিকার হারান। 

কাজেই বিজেপি'র প্রশ্ন, ২০০৫ সালের আগে বা পরে রাহুল কি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়েছিলেন? তা হলে কি তিনি আদৌ আর ভারতের নাগরিক থাকতে পারেন?‌‌ আর রাহুল নাকি প্রতিটি হলফনামায় নতুন ডিগ্রি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা জানিয়েছেন। ২০০৪ সালে রাহুল ১৯৮৯ সালের সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুল পাশ, এবং ১৯৯৫ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিনিটি কলেজ থেকে উন্নয়ন অর্থনীতিতে এমফিল ডিগ্রি পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। 

এর মাঝে আর কোনও ডিগ্রির কথা ছিল না। কিন্তু ২০০৯ সালের হলফনামায় রাহুল ১৯৯৪ সালে ফ্লোরিডার রলিন্স কলেজ থেকে বিএ পাশ করার তথ্য দিয়েছেন। আবার ২০১৪ সালের হলফনামায় ট্রিনিটি কলেজের নাম এক থাকলেও তার এমফিলের বিষয় ‘‌ডেভেলপমেন্ট ইকনমিক্স’ থেকে হয়ে গেছে ‘‌ডেভেলপমেন্টাল স্টাডিজ’। এরপর বিজেপি'র মুখপাত্রের কটাক্ষ, আসলে কংগ্রেস সভাপতি এত পড়াশোনা করেছেন যে, কখন কী ডিগ্রি পেয়েছেন, নিজেই মনে রাখতে পারেন না।‌


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ তাফসীর


আপনার মন্তব্য