শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:২৫
প্রিন্ট করুন printer

মনিবের জন্য কুকুরের কাণ্ড!

অনলাইন ডেস্ক

মনিবের জন্য কুকুরের কাণ্ড!

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মনিব। আর মনিবের জন্য হাসপাতালের বাইরে দিনের পর দিন অপেক্ষা করছে একটি কুকুর। মনিবের প্রতি এমন নিষ্ঠাবান এক কুকুরের সন্ধান মিলেছে তুরস্কে। 

জানা গেছে, কুকুরটির নাম বনকুক। প্রাণীটি তার মনিব সেমাল সেনতুর্ককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্স অনুসরণ করে প্রতিদিনই হাসপাতালে আসতে থাকে।

কিন্তু ভেতরে ঢুকতে পারেনি। মনিব সেনতুর্ককে হুইলচেয়ারে করে বাইরে নিয়ে আসা হলে বনকুক অবশেষে তার মনিবের দেখা পায়।

সেনতুর্ককে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হলে মনিবের সঙ্গে কুকুরটি বাড়ি ফিরে যায়।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:১২
প্রিন্ট করুন printer

মোবাইলের নেটওয়ার্ক পেতে নাগরদোলায় চড়লেন মন্ত্রী!

অনলাইন ডেস্ক

মোবাইলের নেটওয়ার্ক পেতে নাগরদোলায় চড়লেন মন্ত্রী!
সংগৃহীত ছবি

মোবাইলে কথা বলতে বলতে সমস্যা হচ্ছিল। তাই নেটওয়ার্ক পেতে অদ্ভুত উপায় অবলম্বনও করলেন ভারতেরর মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী ব্রজেন্দ্র সিং। উঠে বসলেন ৫০ ফুট উঁচু নাগরদোলায়। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তার সেই ছবি এবং ভিডিও ভাইরাল হয়। এমনকী সংবাদপত্রেও প্রকাশিত হয়েছে সেই ছবি।

জানা গেছে, সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের আমখো গ্রামে নামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সঙ্গে একটি মেলাও বসেছে। সেখানেই মূল আকর্ষণ ওই নাগরদোলাটি। এদিকে, মন্ত্রী ব্রজেন্দ্র সিং মেলায় যেতেই অনেকেই তাঁর কাছে নানান সমস্যার কথা জানাতে শুরু করেন। সেই সমস্যা সমাধানে এরপরই ফোন করার চেষ্টা করতে থাকেন তিনি। কিন্তু কিছুতেই মোবাইলে নেটওয়ার্ক পাননি। এরপরই নাগরদোলায় উঠে বসেন। আর তারপর সেই ছবিটিই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। ভারতের প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে ফোনের নেটওয়ার্কের অবস্থা এতটাই খারাপ যে এর আগেও এই ধরনের ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:০৬
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:০৮
প্রিন্ট করুন printer

যে দ্বীপে মৃত্যুর কথাও ‘ভুলে’ যায় মানুষ!

অনলাইন ডেস্ক

যে দ্বীপে মৃত্যুর কথাও ‘ভুলে’ যায় মানুষ!
ইকারিয়া দ্বীপের এভডিলস গ্রাম। ছবি: সংগৃহীত

“জন্মিলে মরিতে হবে”- এটি চির সত্য। এই কথার খেলাপ আজও  হয়নি। এমনকি এই গল্পেও ব্যতিক্রম কিছু নেই। তবে শিরোনামের কথাটিও মিথ্যা নয়। এমন জায়গাও আছে যেখানে মরতে হবে সত্য, তবে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার পর। বলা যায়, ১০০ বছর বয়সেও মৃত্যু কী জিনিস তা নিয়ে চিন্তা করেন না সেখানকার বাসিন্দারা। 

করোনার পর মানুষের রোগ-ব্যাধির পরিমাণ যেমন বেড়েছে তেমনই বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যাও। তবে পৃথিবীর মধ্যেই এমন দ্বীপ আছে যেখানে ব্যাধির কোনও আঁচ পড়েনি। শত বছর বয়স হলেও অনেকে সেই দ্বীপে বাস করছেন সুস্থ-সবলভাবে। সেখানকার মানুষের গড় আয়ু ১০০ বছর। গ্রিসের একটি ছোট দ্বীপ ইকারিয়ার গল্প এটি।
 
২৫৪ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে দ্বীপটি। এই দ্বীপের মানুষ দীর্ঘজীবী হওয়ার কারণ হল পরিবেশ আর আবহাওয়া। জানা গেছে, স্তামাতিস মোরাইতিস নামে এক লোক মারণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ইকারিয়া দ্বীপে এসে দীর্ঘদিন বেঁচেছিলেন। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, তিনি কোনও রকম চিকিৎসা ছাড়াই সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন, এমনটাই লোকমুখে প্রচারিত। মানুষের গড় আয়ু যে শুধু ১০০ বছর তা নয়, বরং তার চেয়েও অবাক করার মতো বিষয় হল এই দ্বীপের বৃদ্ধদের সঙ্গে মিল নেই সারা বিশ্বের বাকি বৃদ্ধদের। কারণ ১০০ বছর বয়সেও তারা দিব্যি পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত গির্জার সিঁড়ি পার করে ফেলেন। এখনও এই দ্বীপের বাসিন্দারা জীবন নির্বাহের জন্য ঘড়ির ওপর নির্ভর করেন না।
 
তবে প্রশ্ন এটাই জাগে যে কী খেয়ে তারা দীর্ঘ জীবন লাভ করেছেন? তারা নাকি জীবনের কোনও সমস্যা নিয়েই মাথা ঘামান না। কেউ মাথা ঘামান না টাকা পয়সা নিয়েও। এখানকার বাসিন্দাদের খাদ্যাভ্যাসের মধ্যে রয়েছে বেশি পরিমাণে টাটকা শাক-সবজি এবং ফল-মূল। তাদের খাদ্যাভ্যাসে নেই কোনওরকম ফাস্টফুডের জায়গা। এমনকি তাদের খাদ্যের তালিকায় মাছ-মাংসের পরিমাণও খুবই নগণ্য। এখানকার ভূ-প্রকৃতি পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় আলাদা করে শরীরচর্চা করেন না তারা। ঠান্ডা পরিবেশে শরীর গরম রাখতে এখানকার লোকেরা নিজেদের তৈরি স্থানীয় মদ খান। তবে তাও ২ গ্লাসের বেশি না। পর্যাপ্ত ঘুমের জন্যে তাদের ভরসা এক ধরনের হার্বাল চা। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, বিবিসি

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৬:১৩
প্রিন্ট করুন printer

২০০ টাকার খাবার কিনতে গিয়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা!

অনলাইন ডেস্ক

২০০ টাকার খাবার কিনতে গিয়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা!
প্রতীকী ছবি

নাতির জন্য ২০০ টাকার খাবার কিনতে গিয়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হলো ইংল্যান্ডের এক প্রবীণ নাগরিককে। ম্যাকডোনাল্ডে খাবার কিনতে গিয়ে পার্কিং নিয়ে তাকে অভিযোগের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিল ট্রাফিক পুলিশ। যার জেরে নিরানন্দে পরিণত হল ম্যাকডোনাল্ডের তথাকথিত খাবার।

৭৫ বছরের জন বাবেজ ইংল্যান্ডের লুটনের বাসিন্দা। নাতি টেলরকে নিয়েই ম্যাকডোলান্ডের আউটলেটে গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে নাতির জন্য ২০০ টাকার সুস্বাদু খাবার কেনেন বাবেজ। প্যাকেট ভর্তি সেই খাবার নিয়ে গাড়িতে গিয়ে বসেন ৭৫ বছরের ওই ব্রিটিশ নাগরিক। তখন গাড়ি থেকে নেমে পাশের মাঠে খেলতে চলে যান ওই বৃদ্ধের নাতি টেলর। 

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, নাতিকে বেশ কয়েকবার গাড়িতে ফিরে আসার জন্য অনুরোধ করেন বাবেজ। কিন্তু বৃদ্ধের কথায় কর্ণপাত না করে খেলায় মত্ত থাকে টেলর। ইতিমধ্যে তাকে ডেকে সাড়া না পেয়ে ক্লান্ত হয়ে যান প্রবীণ বাবেজ। এরপর গাড়িতেই তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। এভাবে দীর্ঘ সময় কেটে যাওয়ার পর বাবেজের ঘুম ভাঙে পুলিশের ডাকে। ৭৫ বছরের বৃদ্ধকে পার্কিং নিয়ম ভাঙার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

পুলিশের দাবি, ম্যাকডোনাল্ড আউটলেটের বাইরে ফ্রি পার্কিংয়ের জন্য যে সময় নির্ধারিত, তা অতিক্রম হয়ে যাওয়ায় জন বাবেজকে মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে। ৭৫ বছরের বৃদ্ধকে জরিমানা হিসেবে ২ লাখ টাকা দিতে হয়। নাতির জন্য আনন্দ করতে গিয়ে এভাবে যে বিপদে পড়তে হবে, তা ভাবতেই পারেননি ইংল্যান্ডের জন বাবেজ। যদিও তিনি নিজের অপরাধ কবুল করতে রাজি হননি বলেই জানা গেছে।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:২৩
প্রিন্ট করুন printer

প্রেমিকাকে জন্মদিনে উপহার দিতে উট চুরি করল যুবক!

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমিকাকে জন্মদিনে উপহার দিতে উট চুরি করল যুবক!
ফাইল ছবি

জন্মদিনে সঙ্গীকে উপহার দেওয়া সব মানুষের কাছেই খুব বিশেষ একটা ব্যাপার। মনের মানুষের বিশেষ দিনটিকে আরও আনন্দদায়ক করে তোলার চেষ্টা সকলেরই থাকে। উপহার কেমন হবে, কোনটা সঙ্গীর ভালো লাগবে সেই নিয়ে পরিকল্পনা থাকে বিস্তর। কেউ হাতে বানানো জিনিস দিয়ে খুশি করে, কেউ আবার সঙ্গীর পছন্দের কোনও জিনিস দিয়ে। অনেক ক্ষেত্রে সঙ্গী আবার নিজেই চেয়ে নেয় কী উপহার লাগবে। 

এমনই এক সঙ্গীর ইচ্ছে মেটাতে গিয়ে, তাকে তার পছন্দ মতো উপহার দিতে উটের বাচ্চা চুরি করলেন দুবাইয়ের এক যুবক। ওই যুবক বোধ হয় স্বপ্নেও ভাবেননি যে তার প্রেমিকা তার জন্মদিন উপলক্ষ্য়ে একটা উটের বাচ্চা চেয়ে বসবেন। জানা গেছে, চলতি মাসে জন্মদিন ছিল ওই যুবকের প্রেমিকার। জন্মদিন উপলক্ষ্যে উট উপহার দিতে হবে, এমনই অদ্ভুত দাবি জানিয়েছিলেন ওই তরুণী। প্রেমিকাকে খুশি করতে উট উপহার দিতে হবে, কিন্তু কিনে দেওয়ার ক্ষমতা নেই। যা কেনার ক্ষমতা নেই, তা চুরি করলেই হয়। এমনই ভাবনা থেকে একটি উট খামার থেকে এক সদ্যজাত উটকে চুরি করেন ওই যুবক।

খামারের মালিক পরের দিন সকালে উটের বাচ্চাটিকে দেখতে না পেয়ে খোঁজা শুরু করেন। কোথাও না পাওয়ায় পুলিশে খবর দেন। একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন তিনি। পুলিশ খামারে পৌঁছে উটের বাচ্চাটির সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে কোথাও সেটার খোঁজ না পাওয়ায় বুঝতে পারে যে উটের বাচ্চাটি চুরি হয়েছে। এরপর শুরু হয় তদন্ত।

কয়েকদিন পর পুলিশের কাছে ওই যুবক জানায়, তার ফার্মের কাছে একটি উট পাওয়া গেছে। পরে পুলিশ তার খামারে একটি দল পাঠায়। কিন্তু তারা তার কথা শুনে বিশ্বাস করেনি। পুলিশ আরও তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়। উটটি চুরি হওয়া ফার্ম ও ওই যুবকের ফার্মের মধ্যে তিন কিলোমিটারের দূরত্ব রয়েছে। তবে ওই বাচ্চা উটটি হেঁটে এত দূর আসতে পারে না, এমনটাই দাবি পুলিশের।

পরে পুলিশের জেরায় ওই যুবক চুরির কথা স্বীকার করে জানান, বিরল প্রজাতির উটটির দাম বেশি। তাই প্রেমিকার জন্মদিনে উটটি উপহার হিসেবে দেওয়া হয়। রাতে ফার্ম থেকে উটটি চুরি করেছেন এবং নিজের ফার্মের কাছে উটটি পাওয়া গেছে এমন গল্প সাজান।  শেষ পর্যন্ত ওই যুগলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:০৪
প্রিন্ট করুন printer

মঙ্গল থেকে আর হয়তো ফেরা হবে না ১৮ বছরের এই এলিজার!

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গল থেকে আর হয়তো ফেরা হবে না ১৮ বছরের এই এলিজার!

মার্কিন কিশোরী এলিজা কারসন কিছুদিন আগেই মঙ্গলগ্রহ অভিযানে যোগদান করার ইচ্ছাপ্রকাশ করে খবরের শিরোনামে ছিলেন। নাসার কনিষ্ঠতম এই সদস্য পৃথিবী থেকে মিলিয়ন মাইল দূরের ভিন্ন গ্রহের নাগরিক হওয়ার নেশায় মত্ত। সব কিছু অনুকূলে থাকলে এলিজা হবে ২০৩৩ সালে মঙ্গলে যাওয়া পৃথিবীর প্রথম মানুষ। নাসা বলছে, সে যেহেতু মঙ্গলে গেলে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম তাই নাসার কাছে যৌনতা, বিয়ে বা সন্তানধারণের নিষেধাজ্ঞাপত্রতে স্বাক্ষর করতে হয়েছে তাকে।

জানা গেছে, ছোটবেলাতেই মাকে হারিয়েছেন এলিজা, তার বেড়ে ওঠা বাবার কাছেই। বাবার হাত ধরেই মাত্র ৭ বছর বয়সে এলিজার স্পেস ক্যাম্পে যাওয়া, আর সেখান থেকেই স্বপ্ন বুনতে শেখা ছোট্ট কিশোরীর। পরে ১২ বছর বয়সে এলিজা সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে আলবামা, কানাডার কুইবেক ও তুরস্কের ইজমিরে নাসার তিনটি ভিন্ন স্পেস ক্যাম্পে অংশ নেয়। তাকে সাহায্য করেছিলেন নাসা’র এক মহাকাশচারী সান্ড্রা ম্যাগনাস। মহাকাশের বেসিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন মিশন কিভাবে পরিচালিত হয়, তা শিখে নিয়েছে এলিজা। 

এর আগে, এলিজার যখন ৯ বছর বয়স তখন তার সাথে দেখা হয় নাসা’র এক মহাকাশচারী সান্ড্রা ম্যাগনাসের। এই নারী মহাকাশচারী তাকে জানিয়েছিলেন ছোটবেলাতেই তিনি মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। এই কথা ছোট্ট এলিজার চোখে মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন গাঢ় ও দৃঢ় করেছিলো। 

এলিজা জানে, সে হয়তো আর ফিরে আসবেনা এই পৃথিবীতে। আর মাত্র ১৪ বছর পরে একমাত্র নিঃসঙ্গ মানুষ হিসেবে কোটি কোটি মাইল দূরের লোহার লালচে মরিচায় ঢাকা প্রচণ্ড শীতল নিষ্প্রাণ গ্রহের ক্ষীয়মাণ নীল নক্ষত্রের নিচে হারিয়ে যাবে। তবে তাতে ভীত নয় সে। পোজামের মহাকাশ গবেষক এলিজার সাহসিকতা নিয়ে বলেন, ‘এ বয়সে মহাকাশ যানে ঘুরে বেড়ানো বা ভিন্ন গ্রহে যাওয়ার ইচ্ছা থাকাটা স্বাভাবিক। এলিজাই প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এতো কম বয়েসে নাসার ১৪ টি দর্শনার্থী কেন্দ্র যাওয়ার এবং ঘুরে দেখার সুযোগ পেয়েছেন। এছাড়াও “মার্স ওয়ান” নামের এক বেসরকারি সংস্থা তাকে তাদের সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর করে। কোনো ছোট খাটো স্বপ্ন এলিজা যে দেখেনি তা সে খুব ভালোই জানে। আর এই স্বপ্নপূরণ করাও সহজ নয়, কিন্তু সে বিশ্বাস করে এই স্বপ্নপূরণ করা আবার দুঃসাধ্যও নয়। তার কথায়- ‘Always Follow Your Dream and Don’t let Anyone Take it From You’।

সূত্র : সংবাদ অনলাইন।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর