শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ ডিসেম্বর, ২০২০ ২২:৪৯
আপডেট : ২২ ডিসেম্বর, ২০২০ ২২:৫০
প্রিন্ট করুন printer

খাগড়াছড়ি পৌরসভায় মেয়র পদে চারজনের মনোনয়ন বৈধ

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি পৌরসভায় মেয়র পদে চারজনের মনোনয়ন বৈধ

খাগড়াছড়ি পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নির্মলেন্দু চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়র মো: রফিকুল আলম, বিএনপির প্রার্থী ইব্রাহিম খলিল ও জাতীয় পার্টির ফিরোজ আহমেদ-এর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।   

মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন নির্বাচন অফিসার মো: রাজ আহমেদ এ ঘোষণা দেন। এছাড়া সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১০ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৪ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

খাগড়াছড়ি পৌরসভায় মনোনয়নপত্র বাছাই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ ডিসেম্বর ও প্রতীক বরাদ্দ ৩০ ডিসেম্বর। খাগড়াছড়ি পৌরসভায় মোট ভোটার ৩৭  হাজার ৮৭ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২০ হাজার ৩৫১ জন ও নারী ভোটার ১৬ হাজার ৭৩৬। খাগড়াছড়ি পৌরসভায় ভোট কেন্দ্র ১৮ আর বুথ ১০৯টি।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:৫৭
প্রিন্ট করুন printer

চরফ্যাশন পৌর নির্বাচন: প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা

এম আবু সিদ্দিক, চরফ্যাশন (ভোলা) থেকে:

চরফ্যাশন পৌর নির্বাচন: প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোলার চরফ্যাশন পৌরসভা নির্বাচন। এখানে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মো. মোরশেদ ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শিকদার হুমায়ুন কবির এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর মোহাম্মদ শরীফ হোসেন। 

শেষ মুহূর্তে প্রার্থীরা ভোটের মাঠ গোছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভোটারদের কাছে কুশল বিনিময়ে ভোট চেয়ে লিপলেট বিতরণ করছেন প্রার্থীরা। 

কাল শুক্রবার রাত ১২টা থেকে সকল প্রকার প্রচার প্রচারণা বন্ধ হচ্ছে। গণমাধ্যমকর্মীদের যান ব্যতীত শনিবার থেকে শহরে সকল প্রকার যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। শেষ মুহূর্তে পাড়ায় মহল্লায়, অলি-গলিতে জমে উঠেছে নির্বাচন। 
দিনরাত প্রার্থীরা ছুটছে ভোটারদের কাছে। শহরের আনাছে কানাছে ব্যানার- পোস্টার ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। চলছে গণসংযোগ মোটরসাইকেল মহড়া আর স্লোগান। মাইকে বাজছে মনকাড়া সুরে হরেক রকম গান। 

আগামী রবিবারের ভোটকে ঘিরে চরফ্যাশনে আওয়ামী লীগ, বিএনপির জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতারা প্রতিনিয়ত গণসংযোগে অংশ নিচ্ছেন আর দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাচ্ছেন।

চরফ্যাশন পৌর নির্বাচনে এই প্রথম ইভিএমএ ভোট হবে। ভোটারদের কাছে এই পদ্ধতি নতুন, ফলে কিভাবে ভোট দিবে এ নিয়ে টেনশনে রয়েছে। এদিকে সহকারী রিটার্নি অফিসার কাল শুক্রবার চরফ্যাশনে দিনব্যাপী ইভিএমএ ভোটদান পদ্ধতি সম্পর্কে ভোটারদের প্রাক্ মহড়া আয়োজন করেছেন। শেষ মুহুর্তে জয় পেতে প্রার্থীরা ভোটারের বাড়ি বাড়ি দোকানে দোকানে ছুটছেন। ভোটারদের কাছে তুলে ধরছেন তাদের যোগ্যতা।

চরফ্যাশন পৌরসভায় নৌকা প্রতীকে নতুন প্রার্থী। তিনি চরফ্যাশন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নৌকার মনোনীত প্রার্থী মো. মোরশেদ জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।

অপরদিকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সিকদার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির। তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আমাদের অনুকূলে নেই। জনগণের ব্যাপক সমর্থন আমাদের পক্ষে রয়েছে। অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হলে আমার কাঙ্খিত বিজয় সম্ভব। 

এদিকে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী হয়েছেন মীর মোহাম্মদ শরীফ হোসেন। এলাকায় রয়েছে তার ব্যক্তি ইমেজ। তিনি একটি পলিটেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ। নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে তিনি লড়ছেন। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী না হলেও শহরে নিজ পরিচিতি পেতে ভোটারদের মাঝে প্রতিনিয়ত গণসংযোগ করে যাচ্ছেন। 

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, নির্বাচনে পৌরসভা মেয়র প্রার্থী ৩ জন, ওয়ার্ড কাউন্সিলর ২৩ জন  সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোট হবে ইবিএমএ। শেষ মুহুর্তে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া এলাকার পরিবেশ অনেকটা শান্ত রয়েছে। অবাদ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:২১
প্রিন্ট করুন printer

জামালপুরে পৌর নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলন

জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুরে পৌর নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলন

জামালপুরের ৪টি পৌর নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা ও সার্বিক কর্মকান্ড নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ। বুধবার বিকেলে শহরের বকুলতলাস্থ দলীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহর সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী।

এ সময় বক্তারা বলেন, আগামী ২৮ ফেব্রæয়ারি জামালপুর পৌরসভাসহ ইসলামপুর, মাদারগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এসব পৌরসভায় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জামালপুর পৌর নির্বাচনে বিএনপি দলীয় মেয়র প্রার্থী ওয়ারেছ আলী মামুন সাংবাদিক সম্মেলন করে যেসব অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক, ভিত্তিহীন। 

অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে তাদের দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিএনপি নেতার শহরে ঝাড়– মিছিল করেছে। দলের সাংগঠনিক অবস্থা দুর্বল হওয়ায় নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি প্রার্থীর কোন পোস্টার, প্রচার-প্রচরণা, মাইকিং বা নির্বাচনী কেন্দ্র নেই। আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য বিজয়ে তারা ভীত ও ঈর্ষান্বিত হয়ে বিভিন্নভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান করছে। 

সংবাদ সম্মেলনে পৌর মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ.ব.ম জাফর ইকবাল জাফু, মেয়র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন ছানু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:৫৯
প্রিন্ট করুন printer

শপথ নিলেন রাজশাহী বিভাগের ১২ পৌরসভার মেয়র-কাউন্সিলর

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:

শপথ নিলেন রাজশাহী বিভাগের ১২ পৌরসভার মেয়র-কাউন্সিলর
রাজশাহী বিভাগের ১২টি পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলররা শপথ গ্রহণ করেছেন। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজশাহী জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে বিভাগীয় কমিশনার ড. হুমায়ুন কবীর তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
 
যেসব পৌরসভার জনপ্রতিনিধিরা শপথ গ্রহণ করেছেন সেগুলো হলো- রাজশাহীর মুণ্ডমালা ও তানোর; পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর, নাটোরের সিংড়া, নওগাঁ ও ধামইরহাট; বগুড়ার শিবগঞ্জ, ধুনট, নন্দীগ্রাম, গাবতলী এবং কাহালু।
 
বিভাগীয় কমিশনার প্রথমে মুণ্ডমালা পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র সাইদুর রহমান, কেশরহাটের শহিদুজ্জামান শহিদ, কাহালুর আবদুল মান্নান, গাবতলীর সাইফুল ইসলাম, নন্দীগ্রামের আনিসুর রহমান, ধুনটের এজিএম বাদশা, শিবগঞ্জের তৌহিদুর রহমান মানিক, ধামইরহাটের আমিনুর রহমান, নওগাঁর নজবুল হক, সিংড়ার জান্নাতুল ফেরদৌস ও রহনপুরের মতিউর রহমান খানকে শপথবাক্য পাঠ করান।
 
এরপর বিভাগের এই ১২ পৌরসভার ৩৯ জন সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলরকে শপথ বাক্য পাঠ করান। শেষে এসব পৌরসভার ১১৭ জন সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরকে শপথ করানো হয়।
 
শপথবাক্য পাঠ করানো শেষে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘পৌরসভা স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের চেয়েও এটি বড়। কিছু পৌরসভা অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হলেও সীমিত সম্পদ নিয়ে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।’
 
পৌরসভা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে গত ৩০ জানুয়ারি রাজশাহী বিভাগের এই ১২ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বুধবার নবনির্বাচিতরা শপথ গ্রহণ করলেন। তাদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার বিভাগের রাজশাহী বিভাগের পরিচালক মো. জিয়াউল হক ও উপপরিচালক ড. চিত্রলেখা নাজনীন উপস্থিত ছিলেন।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 

 

আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:৫৯
প্রিন্ট করুন printer

বগুড়া পৌর নির্বাচনে নারী ভোটার বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

বগুড়া পৌর নির্বাচনে 
নারী ভোটার বেশি

বগুড়া পৌরসভার নির্বাচনী সময় ঘনিয়ে এসেছে। প্রতীক নির্বাচন করে ভোটাররাও ভোট দিতে প্রস্তুতি সেরেছে। ২৮ ফেব্রæয়ারি ভোট গ্রহণের পর ফলাফলে জানা যাবে বগুড়া পৌরসভায় মেয়র হচ্ছেন কে। তবে মেয়র হতে গেলে নারী ভোটারদের ভোট নিয়েই মেয়র হতে হবে। বগুড়া পৌরসভায় এবার পুরুষ ভোটরের চেয়ে নারী ভোটারই বেশি। নারী ভোটাররাই এবার বগুড়া পৌরসভার ফলাফল এনে দেবে। 

কে হচ্ছেন বগুড়া পৌরসভার মেয়র আর কারা হবেন পৌর কাউন্সিলর। সর্বত্র চলছে নির্বাচনী আলোচনা। বগুড়া পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি, আওয়ামী লীগে ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পাশাপাশি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীরাও  প্রচার প্রচারণা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।   

বগুড়া পৌরসভা ২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত বগুড়া পৌরসভা প্রায় ৭০ বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যা রয়েছে প্রায় ৮ লাখের বেশি। নতুন ভোটার নিয়ে চলতি বছরে এসে ভোটার দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ৭৫ হাজার ৮৭০ জন। এরমধ্যে বগুড়া পৌরসভায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯০৬ জন পুরুষ ও ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৬৪ জন মহিলা ভোটার রয়েছেন। ‘ক’ শ্রেণীর এই পৌরসভাটি আয়তন বড় হলেও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় অন্যান্য পৌরসভার মতই বরাদ্দ পেয়ে থাকে। বগুড়া পৌরসভায় কার্পেটিং রাস্তা আছে ২২৯ কিলোমিটার। এছাড়া কাঁচা সড়ক, সিসি, আরসিসি, সেলিংসহ অন্যান্য রাস্তা রয়েছে আরো প্রায় ৬শ কিলোমিটার। সব মিলিয়ে প্রায় ৯শ কিলোমিটারের রাস্তা আছে। বগুড়া পৌরসভায় প্রায় ৯০০ কর্মকর্তা ও কর্মচারি রয়েছে। 

বগুড়া পৌরসভার সর্বশেষ ২০২১ সালের নির্বাচনে বগুড়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনিত পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু ওবায়দুল হাসান ববি নৌকা প্রতীক, বিএনপি থেকে মনোনিত জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা ধানের শীষ প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যবসায়ি আব্দুল মান্নান আকন্দ জগ প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বগুড়ার সহ সভাপতি মাওলানা আব্দুল মতিন হাতপাখা প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হয়েছেন। চার প্রার্থীই বগুড়ার বিভিন্ন ওয়ার্ডে নিয়মিত প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। মেয়র প্রার্থীদের কর্মীরা প্রচারণায় ঘাম ছুটিয়ে দিচ্ছেন। পোস্টার লিফলেট দিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। 

বগুড়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুব আলম শাহ্ জানান, আগামী ২৮ ফেব্রæয়ারি সকাল ৮টা থেকে ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হবে ইভিএম-এ। নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় সংখ্যাক কাজ করে যাবে। সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বগুড়া পৌরসভায় ১১৩টি কেন্দ্রের ৮৩০টি বুথে ২ হাজার ৬০৩ ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তা কাজ করবেন। মেয়র পদে ৪জন, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর (মহিলা) ৫০ জন, সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ১৩০ জন প্রার্থী হয়েছেন।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৩:৫৫
প্রিন্ট করুন printer

রায়পুর পৌরসভা নির্বাচনে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:

রায়পুর পৌরসভা নির্বাচনে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা

৫ম ধাপে আগামী ২৮ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রায়পুর পৌরসভার নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে উত্তাপ উত্তেজনা বিরাজ করছে রায়পুরে। বিএনপি ও স্বতন্ত্র মেয়র পদের একাধিক প্রার্থী তাদের প্রচারণায় বাধা দেয়াসহ সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠান নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় প্রশাসন বলছেন সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠানে সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়েছেন তারা।

 
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ইভিএম পদ্ধতিতে রায়পুর পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এখানে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ ৬ জন ও ৯টি ওয়ার্ডে মোট ৫৭ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। মোট ২৩৬৩১ ভোটার রয়েছে এ পৌরসভায়। নির্বাচনকে ঘিরে এখন পুরো পৌর এলাকা ছেয়ে গেছে ব্যানার ফেষ্টুনে। প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণাও চলছে। তবে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চলছে বেশী। কেন্দ্রীয় নেতারাও এ প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। 

মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট, বিএনপি’র এ বি এম জিলানী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মনির আহমদ (মোবাইল ফোন), নাছির উদ্দিন ছগির (পানির জগ) মো. মাসুদ উদ্দিন (নারিকেল গাছ) ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা আব্দুল খালেক (হাতপাখা)।

এদিকে বুধবার দুপুরে সকল প্রার্থীদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে তাদের সব ধরণের প্রস্তুতি রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন তারা। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ, পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিন চৌধূরী প্রমুখ।

বিএনপি’র মেয়র পদে প্রার্থী ও দু’বারের সাবেক পৌর মেয়র এ বি এম জিলানী অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনের কোন পরিবেশ নেই এখানে। তার প্রচারণায় বাধা দেয়া, কর্মীদের বাড়ীতে গিয়ে হামলাসহ হুমকি ধামকি দিয়ে সরকার দলের লোকজন নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করছে বলে অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে কাউন্সিলরদের নিয়ে মিটিং করে প্রকাশ্য নৌকায় ভোট দেয়ার অভিযোগ তোলেন সরকার দলের লোকজনের বিরুদ্ধে। এমন পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠানের বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

একই অভিযোগ করেন মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী (মোবাইল ফোন প্রতিক) অধ্যাপক মনির আহমদ।

এদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বলছেন সকলেই সমানতালে প্রচারণা চালাচ্ছেন। শান্তি প্রিয় রায়পুরকে তারা অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সুষ্ঠু ভোটে নৌকার বিজয়ে শতভাগ আশাবাদী তিনি।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর