শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১১:৪২
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১১:৪৫
প্রিন্ট করুন printer

কোথায় হারিয়ে গেল দুই বোন দোলা আর বৃষ্টি

অনলাইন ডেস্ক

কোথায় হারিয়ে গেল দুই বোন দোলা আর বৃষ্টি
সংগৃহীত ছবি

‘একা থাকার এই ভালো লাগায় হারিয়ে গিয়েছি, নিঃসঙ্গতা আমাকে আর পাবে না...’ গত ৩ জানুয়ারি ফেসবুকে এমন একটি লেখা পোস্ট করেছিলেন রেহেনুমা তারান্নুম দোলা।

অথচ তার প্রায় দেড় মাস পর বোন ফাতেমা-তুজ জোহরা বৃষ্টিকে নিয়ে সত্যিই হারিয়ে গেছেন দোলা।

দুই বোনের চালচলনে ছিল অদ্ভূত কিছু মিল। এর মধ্যে শাড়ি ছিল তাদের   দু’জনের ভীষণ প্রিয়। উৎসব, উপলক্ষ কিংবা যেকোনো আয়োজনে শাড়ি থাকতো তাদের পছন্দের তালিকায়। দোলা আর বৃষ্টির ফেসবুক টাইমলাইনজুড়ে থাকা বেশিরভাগ শাড়ি পরা ছবি তারই প্রমাণ দেয়। 

দু’জনেই চশমা পরতেন, তাও প্রায় একই রকম ফ্রেমের। শিল্প-সাহিত্যেও আগ্রহ ছিল বেশ। আবৃত্তিতে ঝোঁক কিছুটা বেশি।

দু’বোন মিলে ভর্তিও হয়েছিলেন প্রজন্মকণ্ঠ নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির একটি আবৃত্তি সংগঠনে। শিল্প-সাহিত্যের প্রতি দারুণ ঝোঁক থাকায় পরিবারও দু’জনকে বেশ উৎসাহ দিতো। 

গত বুধবার রাতে চকবাজারের চুড়িহাট্টার আগুনের ঘটনার পর থেকে দোলা আর বৃষ্টিকে হন্যে হয়ে খুঁজছে তাদের পরিবার। 

দলিলুর রহমান দুলাল ও সুফিয়া কামালের কন্যা রেহনুমা তারান্নুম দোলা থাকতেন ১৩৮/৯ লালবাগ রোড এলাকায়। এর ঠিক পাশেই ৪১/১ হাজী রহিম বক্স লেনে থাকতো জসিম উদ্দিন ও শামসুন্নাহারের মেয়ে ফাতেমাতুজ জোহরা বৃষ্টি।

বৃষ্টি পড়তেন গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের তৃতীয় বর্ষে। আর দোলা আইন নিয়ে পড়তেন মিরপুরের বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে।

চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের দিন বিকালে সেগুনবাগিচার শিল্পকলা একাডেমিতে নিজেদের আবৃত্তি সংগঠন প্রজন্ম কণ্ঠের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে একসঙ্গে বাসা থেকে বের হয় দোলা ও বৃষ্টি। সেদিনও দু’জনে শাড়ি পরাই ছিলেন। খোঁপায় ছিল ফুলও।

দুপুরের পর বাসা থেকে চলে যান শিল্পকলা একাডেমির অনুষ্ঠানে। দ্রুত অনুষ্ঠান শেষ করে বাসায় ফিরে আসবে বলেও জানায় দু’জনে। অনুষ্ঠান শেষ করে রাতে রিকশায় করে বাসায় ফিরছিলেন দুই বোন। কেবি রুদ্র রোড এলাকায় পৌঁছালে মুঠোফোনে কথা হয় ভাই সাজিদুল ইসলাম সাজিদের সঙ্গে। ১০টার কিছুক্ষণ পরেই তাদের সঙ্গে কথা হয় বলে জানান সাজিদ। তিনি বলেন, আমাকে ফোনে বলেছিল আর মিনিট দশেকের মধ্যে তারা বাসায় চলে আসবে। অথচ দু’দিন হয়ে গেল এখনো আমার বোনদের খুঁজে পেলাম না। 

প্রজন্মকণ্ঠ আবৃত্তি সংগঠনের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুমন জামান জানান, বুধবার শিল্পকলায় একুশের প্রথম প্রহর উদযাপনের অনুষ্ঠান ছিল। অনুষ্ঠান শেষ করে বাসার ফিরে যাবার সময় রাত সাড়ে ১০টার দিকে লালবাগ শাহী মসজিদ এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় দু’জনে। মাঝে আমার সঙ্গে কথা হয়। ওরা শিল্পকলা একাডেমি থেকে রিকশায় করে যাচ্ছিল। দোয়েল চত্বর দিয়ে ঢুকতে না পেরে চানখারপুল, হোসেনি দালান ও লালবাগ মসজিদ হয়ে বাসার দিকে যাচ্ছিল তারা। দোলা ও বৃষ্টি দু’জনের মুঠোফোনের সবশেষ লোকেশন লালবাগ শাহী মসজিদ এলাকাতেই দেখাচ্ছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গের সামনে অশ্রুসজল নয়নে বোনদের ফেরার অপেক্ষায় ভাই সাজিদ। কথা বলতে গিয়েই ঢুকরে কেঁদে উঠেন। জানান পড়াশোনা নিয়ে তেমন খুনসুটি ছিল না দু’জনের। তবে, কবিতা ও আবৃত্তি নিয়ে দোলা ও বৃষ্টি বেশ প্রতিযোগিতা করতো। অনেক সময় বাসাতেই নিজেরা অনুশীলন করতো। কোনোখানে ভুল করলে একজন আরেকজনকে বেশ ক্ষেপাতো। আর টিভিতে কারো আবৃত্তি দেখলে এক বোনকে আরেক বোনকে বলতো, একদিন দেখিস আমিও এরকম হবো...

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:২৩
প্রিন্ট করুন printer

পিকে হালদারের ৫৯ একর জমি ক্রোকের আদেশ

অনলাইন ডেস্ক

পিকে হালদারের ৫৯ একর জমি ক্রোকের আদেশ
পিকে হালদার

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারের (পিকে হালদার) ৫৯ একর জমি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ আজ এ আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বলেন, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামি পিকে হালদার ও তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্টদের মোট ৫৯ একর জমি ক্রোকের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আসামির ওই জমি ক্রোকের আদেশ দেন।

এ বছরের ৮ জানুয়ারি পিকে হালদারের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করে ইন্টারপোল। এরও আগে ৫ জানুয়ারি পিকে হাদারের মা লীলাবতী হালদারসহ ২৫ ব্যক্তির দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত বছরের ২ ডিসেম্বর পিকে হালদারকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা জারির আদেশ দেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ। 

পিকে হালদার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আইএলএফএসএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। গ্রাহকদের অভিযোগের মুখে বছরের শুরুতেই পিকে হালদার বিদেশ পালান। এরপর ৮ জানুয়ারি ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ২৫৫ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এ মামলায় আরও দুই দফায় পিকে হালদারের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও ফ্রিজের আদেশ দেন আদালত।

আর্থিক খাত থেকে আত্মীয়-স্বজন চক্রের মাধ্যমে অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নেয়ার কারিগর পিকে হালদারের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৪০০ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অফিশিয়াল তথ্য পাওয়া গেছে। দুদক ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ পিকে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছে। এছাড়া দুদকের ক্যাসিনো দুর্নীতির মামলায় চার্জশিট তালিকায় লিজিং কোম্পানি ও আর্থিক খাত থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা পাচারে জড়িত পিকে হালদারের নামও রয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:১৫
প্রিন্ট করুন printer

চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের দেনা ৮ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের দেনা ৮ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)-এর বর্তমানে দায় ও দেনার পরিমাণ ৮ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক ঋণ সাত হাজার ১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা, ডিএসএল ও পাকিস্তানি ঋণ ৯৬৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির গত ৫ বছরে লোকসান তিন হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির অষ্টম বৈঠকে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। 

কমিটি চিনিশিল্পে লোকসানের মূল কারণ উদঘাটন, অপ্রয়োজনীয় জনবল ছাঁটাই করে বন্ধ চিনিকলগুলো চালুকরণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করে। 

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি আমির হোসেন আমু। শিল্প মন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, এ, কে এম ফজলুল হক, আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন, মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান, কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ এবং মো. শফিউল ইসলাম বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। 

বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা যায়, বর্তমানে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনে শূন্য পদ রয়েছে ছয় হাজার ৩১টি। জনবল কাঠামোয় মোট পদ সংখ্যা ১৭ হাজার ২৬৩টি। বৈঠকে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের বর্তমানে দায় দেনার পরিমাণসহ চিনিশিল্পে লোকসানের আটটি মূল কারণ চিহ্নিত করা হয়। সেখানে বিসিআইসির অধীনস্থ ইউরিয়া সার কারখানাসমূহের ডিলারদের কাছ থেকে সংগৃহিত নিরাপত্তা জামানত হিসেবে পাওয়া একশত এগারো কোটি ৮৫ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা কোন কোন ব্যাংকে রাখা হয়েছে, তার বিবরণ চাওয়া হয়। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের দায়-দেনার মধ্যে রয়েছে, ব্যাংক ঋণ সাত হাজার ১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা, ডিএসএল ও পাকিস্তানি ঋণ ৯৬৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা, আখের দাম ৩৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা, বেতন বাকি ৯২ কোটি ৩ লাখ টাকা, প্রভিডেন্ট ফান্ড খাতে ১০৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা, গ্র্যাইচুইটি ২৫৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা, সরকরাহকারীদের পাওনা ১৩৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকা, আয়কর বাবদ ১১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, ভ্যাট ৯ কোটি টাকা, ডিলার জামানত ৩৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

গংসদেও গণসংযোগ বিভাগ জানায়, কমিটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন সকল অধিদপ্তরের কেনাকাটায় মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন গ্রহণের পাশাপাশি সকল কারখানায় ইউরোপ, আমেরিকা ও জাপান থেকে যন্ত্রপাতি ক্রয়ের সুপারিশ করে। একইসঙ্গে ওইসব কোম্পানির অতিরিক্ত যন্ত্রাংশ (স্পেয়ার পার্স) ক্রয় করার জন্য সুপারিশ করে কমিটি।

বৈঠকে আয়োডিনযুক্ত লবণ বিল, ২০২১, চিনি শিল্পের সার্বিক বিষয় এবং বিসিআইসির অধীনস্থ ইউরিয়া সার কারখানাসমূহের ডিলারদের নিকট থেকে নিরাপত্তা জামানত হিসেবে প্রাপ্ত অর্থ ১১১,৮৫,৮০,০০০/= (একশত এগারো কোটি পঁচাশি লক্ষ আশি হাজার) টাকা কোন কোন ব্যাংকে রাখা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।  

বৈঠকে “আয়োডিনযুক্ত লবণ বিল, ২০২১” সম্পর্কে পর্যালোচনা শেষে গৃহীত কতিপয় সংযোজন, সংশোধন ও পরিমার্জনের পর সংশোধিত আকারে সংসদে বিলটির রিপোর্ট প্রদানের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব, বিভিন্ন সংস্থা প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:০৪
প্রিন্ট করুন printer

দেশে ফিরে হুইল চেয়ারে চড়ে গাড়িতে উঠলেন মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

দেশে ফিরে হুইল চেয়ারে চড়ে গাড়িতে উঠলেন মির্জা ফখরুল
সংগৃহীত ছবি

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে শাহজালাল বিমানবন্দরে নামার পর হুইল চেয়ারে চড়ে গাড়িতে ওঠেন তিনি। তার সঙ্গে থাকা স্ত্রী রাহাত আরা বেগমও ছিলেন আরেকটি হুইল চেয়ারে।

হুইল চেয়ারে বসেই বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

শরীরের অবস্থা কেমন প্রশ্ন করা হলে ফখরুল বলেন, ভালো না। আই অ্যাম সিক। আমি অসুস্থ, এখনো সুস্থ নই। সিঙ্গাপুরে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থেকে তারপরে ডাক্তারদের সঙ্গে দেখা করে সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ফিরেছি।

গত ৩০ জানুয়ারি স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান বিএনপি মহাসচিব। সেখানে ফারার পার্ক হসপিটালে তার চিকিৎসা হয়। ২০১৫ সালে কারাবন্দি অবস্থায় ঘাড়ে ইন্টারনাল ক্যারোটিভ আর্টারিতে ব্লক ধরা পড়লে সিঙ্গাপুরে তার চিকিৎসা করেছিলেন ৭৩ বছর বয়সী এই বিএনপি নেতা। 

এর চিকিৎসা বাংলাদেশে না থাকায় প্রতি বছরই ফলোআপ করতে তাকে সিঙ্গাপুর যেতে হয়। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ৪ অক্টোবর তিনি সিঙ্গাপুর যান।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৪২
প্রিন্ট করুন printer

চালের ‘আমদানি নির্ভরতা’ কমাতে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

চালের ‘আমদানি নির্ভরতা’ কমাতে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ
ফাইল ছবি

চালের ‘আমদানি নির্ভরতা’ কমাতে আউশের বিভিন্ন ভ্যারাইটি উৎপাদন ও গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। একইসঙ্গে মাঠ পর্যায় থেকে কৃষি উৎপাদন ও মজুদ সম্পর্কিত সঠিক তথ্য পাওয়ার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়কে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। এছাড়া কৃষি সম্পর্কিত সরকারি যে কোন কর্মসূচিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে সম্পৃক্ত করার জন্য সুপারিশ করে কমিটি।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ‘কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি’র ১৫তম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। 

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মতিয়া চৌধুরী। কৃষি মন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রাং, মো. মোসলেম উদ্দিন, মো. মামুনুর রশীদ কিরন, আনোয়ারুল আবেদীন খান, উম্মে কুলসুম স্মৃতি এবং হোসনে আরা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

সংসদের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, বৈঠকে কৃষকদের কল্যাণে কাজের সুযোগ তৈরি করতে কৃষি সম্পর্কিত স্থানীয় বিভিন্ন কমিটিতে কৃষি বিষয়ক পদধারী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে সম্পৃক্ত রাখার সুপারিশ করা হয়। 

বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভিন্ন দপ্তর সংস্থার প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।                                                      

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৩৩
প্রিন্ট করুন printer

সোশ্যাল মিডিয়ায় মুঠোফোন নম্বর ও ই-মেইল না রাখার পরামর্শ

অনলাইন ডেস্ক

সোশ্যাল মিডিয়ায় মুঠোফোন নম্বর ও ই-মেইল না রাখার পরামর্শ

শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের প্রতি জরুরি কিছু পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তাতে ইন্টারনেট ব্যবহারে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ঝুঁকি ও সুবিধা সম্পর্কে অভিভাবকদের নিজে সতর্ক থাকার পাশপাশি শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

সেখানে বলা হয়, জ্ঞান অর্জন এবং বিনোদনের লক্ষ্যে সঠিক ওয়েবসাইট ও অনলাইন গেম নির্বাচনে অভিভাবকরা সচেতন থাকুন।

বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস তথা মোবাইল ফোন, ট্যাব অথবা কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিবারের মধ্যে সুনির্দিষ্ট নিয়ম-নীতি নির্ধারণ করে তা অনুসরণের জন্য সন্তানদের উৎসাহিত করুন। এক্ষেত্রে নিজেদের সন্তানদের জন্য আদর্শ হিসেবে গড়ে তুলুন।

ইন্টারনেটের ক্ষতিকারক কনটেন্ট থেকে সন্তানকে নিরাপদ রাখার জন্য বিনামূল্যে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের প্যারেন্টাল গাইডেন্স সুবিধা নিন।

শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা নিজেদের পাসওয়ার্ড যেন কখনও কারো সঙ্গে শেয়ার না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড এবং Two Factor Authentication প্রক্রিয়া ব্যবহারে সন্তানদের উৎসাহিত করুন।

বাক্তিগত তথ্য যেমন- জন্ম তারিখ, ফোন নম্বর, ই-মেইল আইডি, স্কুল-কলেজের নাম, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, বাড়ির ঠিকানা, লোকেশন ইত্যাদি ইন্টারনেটে/সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে না ব্যবহার করার বিষয়টি নিশ্চিত করুন।

ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত ছাড়া অপরিচিত কাউকে ইন্টারনেটে বন্ধুত্বের অনুরোধ অথবা কারো বন্ধুত্ব গ্রহণ করার বিষয়ে সন্তানদের নিরুৎসাহিত করুন। পাশাপাশি অনলাইন বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা থেকে সন্তানদের বিরত রাখুন। 

বিটিআরসি জানিয়েছে, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট বিষয়ের উপর ফেসবুক লাইভে থাকবেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর