শিরোনাম
প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল, ২০২১ ১৭:৪০
আপডেট : ১৩ এপ্রিল, ২০২১ ১৯:০৮
প্রিন্ট করুন printer

সিগারেটে কর বাড়ালে পাওয়া যাবে ৩ হাজার ৪শ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সিগারেটে কর বাড়ালে পাওয়া যাবে ৩ হাজার ৪শ কোটি টাকা

তামাক পণ্য ও বিড়ি সিগারেটে কর বাড়ালে অতিরিক্ত ৩ হাজার ৪শ কোটি টাকা পাওয়া যাবে বলে তামাক বিরোধী একটি বেসরকারি সংস্থার প্রস্তাবে ওঠে এসেছে। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যদি বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২২ অর্থবছরে সুপারিশ অনুযায়ী তামাকপণ্যের বিদ্যমান কর ব্যবস্থা সংস্কার করে, তাহলে চলতি অর্থবছরের চেয়ে সম্পূরক শুল্ক, স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ এবং ভ্যাট বাবদ ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আয় অর্জিত হবে। অর্থাৎ প্রথম বছরে সিগারেট খাত থেকে ১২ শতাংশ বাড়তি রাজস্ব আয় হবে।

আজ সকালে তামাক বিরোধী সংগঠন প্রজ্ঞা এক ভারচুয়াল অনুষ্ঠানে আগামী অর্থবছরের জন্য তামাক কর প্রস্তাব ও বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরে। সংগঠনটি সিগারেটের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকা প্যাকেটের নিম্নস্তরে খুচরা মূল্য ৫০ টাকা নির্ধারণ করে ৩২.৫০ টাকা, মধ্যমস্তরে খুচরা মূল্য ৭০ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫.৫০ টাকা, উচ্চস্তরে খুচরা মূল্য ১১০ টাকা নির্ধারণ করে ৭১.৫০ টাকা এবং প্রিমিয়ামস্তরে ১৪০ টাকা খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে ৯১ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করে।

অপরদিকে ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করে ১১.২৫ টাকা এবং ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ২০ টাকা নির্ধারণ করে ৯.০০ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করে।  এছাড়া প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার খুচরা মূল্য ৪৫ টাকা নির্ধারণ করে ২৭.০০ টাকা এবং প্রতি ১০ গ্রাম গুলের খুচরা মূল্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করে ১৫.০০ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করে সংগঠনটি। 

এরফলে সিগারেটের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত খুচরা মূল্যের ৬৫ শতাংশ, বিড়ির ক্ষেত্রে ৪৫ শতাংশ এবং ধোয়াবিহীন তামাক জর্দা ও গুলের ক্ষেত্রে সেটি ৬০ শতাংশ হবে বলে জানানো হয়। সবক্ষেত্রেই খুচরা মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল থাকবে।

প্রজ্ঞার এ অনুষ্ঠানে তামাক-কর সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ক্যাম্পেইন ফর টোবাকো ফ্রি কিডস (সিটিএফকে)’র লিড পলিসি এডভাইজর মোস্তাফিজুর রহমান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার ড. সৈয়দ মাহফুজুল হক, প্রজ্ঞার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এবিএম জুবায়ের এবং প্রজ্ঞার হেড অব প্রোগ্রাম হাসান শাহরিয়ার।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন

এই বিভাগের আরও খবর