শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:৩৮, বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫ আপডেট: ০১:১৮, বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫

রাষ্ট্রপতির ছবি থাকা না থাকা নিয়ে ব্যস্ত সরকার : রুমিন ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
রাষ্ট্রপতির ছবি থাকা না থাকা নিয়ে ব্যস্ত সরকার : রুমিন ফারহানা

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, রাষ্ট্রপতির ছবি থাকবে কি থাকবে না, সেটা নিয়ে সরকার যত ব্যস্ত, তার চেয়ে যদি বাংলাদেশের ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশনটা ঠিক করার দিকে সরকার মনোযোগী হতো, মানুষের নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যাপারে সরকার মনোযোগী হতো, তাহলে আমার মনে হয় দেশটা আরেকটু রাইট ট্র্যাকে যেত।

বুধবার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মাসুদ কামালের সঞ্চালনায় ‘অন্য মঞ্চে’র অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, গত এক বছরে রাষ্ট্রকে ঐক্যবদ্ধ রাখা, মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করা ১৫ বছর যে বিভাজনের চাষ হয়েছে সেটাকে বন্ধ করা, ল অ্যান্ড অর্ডারকে স্থীতিশীল করা, প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা এদিকে মনোযোগ না দিয়ে সরকার অন্যান্য অনেক নিচে গিয়ে ছোট ছোট ব্যাপারে মনোযোগ দিয়েছে। ধরুন, এই যে রাষ্ট্রপতির পোর্ট্রেট ব্যাপারটাই ধরুন।

এই পোর্ট্রেট সরানো কেন হলো, আমরা কেউ জানি না। আপনি জানেন না। আমি জানি না, রাজনৈতিক দলগুলো জানে কি না আমি জানি না। এই যে কেউ না জানলেও চুপে চুপে একটা মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হলো, এটার অর্থটা কী? যদি ‘নো পোর্ট্রেট’ নীতি নিয়ে থাকে তাহলে সেটা প্রজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের জানাও।

তাহলে কারো পোর্ট্রেট থাকবে না, ওয়েল, এনাফ। আর কোনো পলিটিক্যাল পার্টি যদি সেটাকে সাপোর্ট করে তাহলে আমি আশা করব সেই পলিটিক্যাল পার্টিও যখন ভবিষ্যতে ক্ষমতায় যদি যায় তাহলে তারাও নো পোর্ট্রেট নীতি নেবে। ডেফিনেটলি আমরা সেটা আশা করব।

তিনি বলেন, আমরা এখন পিস মিল বেসিসে কাজ করছি। মানে যেটা সামনে আসছে ওটা নিয়ে কাজ করছি। কিন্তু সরকারের আসল যে গুরু দায়িত্বটা ছিল, ৫ আগস্ট ২০২৪ সাল থেকে আজকে ২৫ সালের আগস্ট মাস অলমোস্ট শেষ হতে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত সেই আসল জায়গাগুলোতে আমরা হাত দিতে দেখলাম না। রাষ্ট্রপতির ছবি থাকবে কি থাকবে না, সেটা নিয়ে সরকার যত ব্যস্ত, তার চেয়ে যদি বাংলাদেশের ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশনটা ঠিক করার দিকে সরকার মনোযোগী হতো, যদি মানুষের নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যাপারে সরকার মনোযোগী হতো, যদি একজন ভালো উপদেষ্টাকে স্বরাষ্ট্রের দায়িত্ব দেওয়া হতো। যদি নির্বাচন সামনে রেখে কিভাবে তারা রোডম্যাপ তৈরি করবে সেটা নিয়ে মানুষের সামনে একটা ক্লিয়ার পিকচার দিত। যদি রাজনৈতিক পলিটিক্যাল পার্টিগুলোর মধ্যে ঐকমত্যের ব্যাপারে আরেকটু জোর দিত এবং যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের ব্যাপারে একটা ফয়সালা করতে পারত। তাহলে আমার মনে হয়, দেশটা আরেকটু বোধহয় রাইট ট্র্যাকে যেত।

তিনি আরও বলেন, আপনি যদি সাধারণ মানুষের দিকে কান পাতেন, যারা কোনো পলিটিক্স করে না, তারা কিন্তু ভীত এবং তারা বলেন, দ্রুত একটা পলিটিক্যাল গভর্মেন্ট আসুক। সেই গভর্মেন্ট যেমনই হোক ‘ইজ বেটার দেন আনইলেক্টেড গভর্মেন্ট’। আমরা তো দেখলাম, রাজনৈতিক নেতাদের শাসনও ৫৩ বছর দেখলাম, আবার আমরা অরাজনৈতিক বিশ্ববিখ্যাত অতি উচ্চশিক্ষিত মানুষের শাসনও এই এক বছরে দেখলাম। মানুষ তো তার কম্পেয়ার নিজেরা নিজেদেরটা করতে পারে।

রুমিন ফারহানা বলেন, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে হবে কি না এটা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করার অনেক কারণ আছে। নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে এক ধরনের প্রত্যাশা অপেক্ষা ও উচ্ছ্বাস আছে। বাংলাদেশের মানুষ ১৭ বছর কোনো ভোট দিতে পারেনি। এত বছর পর একটা নির্বাচন হবে সেটার যে একটা আমেজ চারপাশে থাকার কথা, আমরা কিন্তু সেই আমেজ এখনো লক্ষ করছি না। যদিও ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্টই বলেছেন যে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন হবে এবং ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে হবে। প্রথমে বলেছেন প্রথম দিকে, তারপরে বলেছেন, রমজানের আগেই নির্বাচন হবে। মানে মধ্যভাগের মধ্যে নির্বাচন হয়ে যাবে। কিন্তু মানুষ এই কথাটি বিশ্বাস করছে না। 

তিনি বলেন, এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন, কেন করছে না? করছে না তার অনেকগুলো কারণ আছে। আপনি জানেন, সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া যেটা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো দফায় দফায় বসছে। ঐকমত্যে পৌঁছবার চেষ্টা করছে। কিন্তু অনেকগুলো ব্যাপারে তারা যেমন একমত হয়েছে, আবার বেশ কিছু ব্যাপারে তাদের মধ্যে অনৈক্য খুব স্পষ্ট। এবং কোনো কোনো পলিটিক্যাল পার্টি যদি সেই অনৈক্যকে পুঁজি করে নির্বাচনটিকে পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে তাহলে, সেখানে খুব একটা অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, আমি আরো খোলাখুলি বলি। ফর এক্সাম্পল, জামায়াত পিআর পদ্ধতির নির্বাচন চাইছে। এনসিপি এখনো নিবন্ধন পায়নি। অন্যদিকে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজেই ঘোষণা করেছেন, এনসিপি তার দল। তার দল বলতে তিনি একটি দল তৈরি করতে বলেছেন ছাত্রদের, যার ফলশ্রুতিতে এনসিপি গঠিত হয়েছে। এবং এনসিপির সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যে ঘনিষ্ঠতা সেটা এখন নতুন করে আর বলবার কিছু নাই। কিন্তু এনসিপির নিবন্ধন এখনো হয় নাই।

রুমিন ফারহানা বলেন, আবার জামায়াত চাইছে, পিআর পদ্ধতির নির্বাচনটি কিভাবে হবে সেটা নিয়েও কিন্তু এখন পর্যন্ত খুব ঐকমত্যে আসা গেছে, এটি বলা যাবে না। আপনি যদি গ্রাউন্ড রিয়েলিটির কথা চিন্তা করেন, মাঠের পরিস্থিতির দিকে তাকান, আপনি দেখবেন, এমন এমন একটা দিন যায় না যেদিন কোথাও না কোথাও কেউ না কেউ মবের মাধ্যমে কিংবা কোনো না কোনোভাবে মানে পলিটিক্যাল হত্যাকাণ্ড কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ব্যবসায়ীরা টাকা-পয়সার জন্য হত্যাকাণ্ড কোথাও না কোথাও হচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যতটুকু স্মুথ হলে একটা নির্বাচন বাংলাদেশে হতে পারে আমি কখনোই আশা করব না, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ইংল্যান্ডের মতো বা ফিনল্যান্ডের মতো বা পশ্চিমের দেশগুলোর মতো হবে। তবে বাংলাদেশের মানদণ্ড অনুযায়ী নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেমন হওয়া উচিত তেমন না।

তিনি বলেন, আজকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, ঢাকায় মব কিছুটা কমলেও যদিও উনি মবজাস্টিস শব্দটা বলেছেন, এই জাস্টিস শব্দটা নিয়ে আমার ভীষণ আপত্তি আছে। আমি জাস্টিস বলব না। এই মবের সহিংসতা ঢাকায় কিছুটা কমলেও ঢাকার আশপাশে এবং দেশের অন্যান্য জায়গায় মব কিন্তু চলমান আছে। মানুষের মধ্যে যে একটা ভীতি একটা আশঙ্কা এগুলো দূর হচ্ছে এবং নির্বাচন যত এগিয়ে আসতে থাকবে, তত কিন্তু আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যাবে। 

তিনি বলেন, আমি আপনাকে আরেকটা বাস্তবতা বলি। ধরুন, জামায়াত আর এনসিপিকে যদি আমরা একপাশে সরিয়েও রাখি, মোটামুটি ৩০০টা আসনের প্রতিটি আসনে বিএনপির পাঁচ থেকে ১০ জন নেতা আছেন যারা নমিনেশন প্রত্যাশী। যেই মুহূর্তে একজনকে নমিনেশন দেওয়া হবে সেই মুহূর্তে দুজন-তিনজন স্বতন্ত্রে দাঁড়িয়ে যাবে। বাকিরা এক ধরনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা সেই জায়গা থেকেও আমরা করছি। সেই জায়গা থেকেও তৈরি হতে পারে। তারপরে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে আসবে কি আসবে না। এটা নিয়ে কিন্তু দুই রকমের মত আপনি দেখবেন দেশে প্রচলিত আছে। মানে একটা গ্রুপ অব পিপল বলছে যে আওয়ামী লীগ কোনো পলিটিক্যাল পার্টি না। আওয়ামী লীগ হচ্ছে, এমন একটা দল যেটাকে আমরা মাফিয়া বা গ্যাংস্টারের মতো, মানে গ্রুপ অব পিপল যাদের নির্বাচনে আসা না আসায় আসলে কিছু যায় আসে না। কিন্তু আরেকটা মত হচ্ছে যে না, আওয়ামী লীগ পুরাতন রাজনৈতিক দল। আওয়ামী লীগকে ছাড়া যদি আপনি নির্বাচনে যান দ্যাট উইল বি রিপিটেশন অব ১৪ অর ২০২৪টা যদি বাদও রাখি, ১৪ এবং ২৪ এর ইলেকশনের রিপিটেশন হবে।

এতগুলো ভিন্ন ভিন্ন অ্যাসপেক্ট যখন মাঠে ক্রিয়াশীল থাকে, তখন আপনি কিভাবে একটা স্মুথ ইলেকশন আশা করেন? আপনি দেখুন, আমি আজকে লক্ষ করছিলাম, অন্ততপক্ষে সরকারের তরফে চারজন, আমি যদি ভুল না করি দুজন উপদেষ্টা এবং দুজন সরকারের রীতি নির্ধারণী মহলের তারা বারবার কিরা-কসম কেটে বলতেছে, ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে। কোন দল কী বলল কোন দল নির্বাচনে আসল বা না আসল তাতে কিচ্ছু যায় আসে না। সরকার ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করেছে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে। অর্থাৎ তারা নিজেরাও জানে যে কতটা ভলেটাইল একটা সিচুয়েশন এখন বাংলাদেশে প্রিভেল করছে। তারা নিজেরাও কিন্তু খুব একটা কনফিডেন্ট না যে কেমন ইলেকশন। বাট তারা রিপিটেডলি কথাটা বলছে।

আপনি যখন একটা কথা বারংবার বলবেন, তখন ওটা আপনার নিজের প্রতি আস্থাহীনতারই একটা বহিঃপ্রকাশ। না হলে একই কথা আসলে বারবার বলার দরকার নাই। এবং বাংলাদেশ বিশ্বের সম্ভবত অল্প কয়েকটা দেশের একটা যেখানে নির্বাচন আসলেই অবাধ-সুষ্ঠ-নিরপেক্ষ এবং স্মরণকালের সবচেয়ে ভালো ইলেকশন কোনোদিন হয় নাই। আমরা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ইলেকশন দেব। এইসব উদ্ভট এবং বাজে কথা নির্বাচনের আগে যুক্ত করা হয়। আরে ভাই, নির্বাচন মানেই তো ফ্রি ফেয়ার ইনক্লুসিভ অ্যান্ড নিউট্রাল হওয়ার কথা। তো এটাকে আবার এতগুলো বিশেষণ দিতে হয় কেন? আমি তো এটাও বুঝি না।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
‘সবাইকেই তো দেখলাম, এবার জামায়াতকে দেখব’ —কথাটির গোমর ফাঁস করলেন হামিম
‘সবাইকেই তো দেখলাম, এবার জামায়াতকে দেখব’ —কথাটির গোমর ফাঁস করলেন হামিম
কয়েক সপ্তাহে দেশে রাজনৈতিক আবহাওয়া বদলেছে দ্রুত: জিল্লুর রহমান
কয়েক সপ্তাহে দেশে রাজনৈতিক আবহাওয়া বদলেছে দ্রুত: জিল্লুর রহমান
অনেকেই জাতীয় নির্বাচনকে দেখছেন প্রতিশ্রুতির পরীক্ষা হিসেবে: জিল্লুর রহমান
অনেকেই জাতীয় নির্বাচনকে দেখছেন প্রতিশ্রুতির পরীক্ষা হিসেবে: জিল্লুর রহমান
তফসিলের কাউন্টডাউন শুরু হতেই ফুটে উঠছে রাজনৈতিক রোগের পুনরাবৃত্তি
তফসিলের কাউন্টডাউন শুরু হতেই ফুটে উঠছে রাজনৈতিক রোগের পুনরাবৃত্তি
‘মাইনাস টু বা ফোর’ কার্যকর করার সক্ষমতা কারো নেই: রুমিন ফারহানা
‘মাইনাস টু বা ফোর’ কার্যকর করার সক্ষমতা কারো নেই: রুমিন ফারহানা
বাংলাদেশের বর্তমান চিত্রটা ভয়াবহভাবে স্পষ্ট : জিল্লুর রহমান
বাংলাদেশের বর্তমান চিত্রটা ভয়াবহভাবে স্পষ্ট : জিল্লুর রহমান
প্রশাসনের একটি বড় অংশ জামায়াতের দখলে: রুমিন ফারহানা
প্রশাসনের একটি বড় অংশ জামায়াতের দখলে: রুমিন ফারহানা
হান্নান মাসউদকে নিয়ে যা বললেন নীলা ইসরাফিল
হান্নান মাসউদকে নিয়ে যা বললেন নীলা ইসরাফিল
শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়েছে : রুমিন ফারহানা
শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়েছে : রুমিন ফারহানা
জোর করে ঐকমত্য চাপিয়ে দেওয়া যায় না : রুমিন ফারহানা
জোর করে ঐকমত্য চাপিয়ে দেওয়া যায় না : রুমিন ফারহানা
১৩ নভেম্বর কী হবে, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দেশবাসী : জিল্লুর রহমান
১৩ নভেম্বর কী হবে, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দেশবাসী : জিল্লুর রহমান
ঘি খেতে চাইলে চামচ দিয়ে ভদ্রভাবে খান : ডা. সায়ন্থ
ঘি খেতে চাইলে চামচ দিয়ে ভদ্রভাবে খান : ডা. সায়ন্থ
সর্বশেষ খবর
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার
দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের
অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

৫১ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও
স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের
ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি
সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন
মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২
কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা
বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান
ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদে এবার মিলল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বনানীতে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে আহত
বনানীতে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে আহত

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?
স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?
ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক