শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০১৫

পেট্রলবোমা আর গুমের রাজনৈতিক কালচার

হায়দার আকবর খান রনো
অনলাইন ভার্সন
পেট্রলবোমা আর গুমের রাজনৈতিক কালচার

একদিকে পেট্রলবোমা, অপরদিকে গুম, বন্দুকযুদ্ধ ও ক্রসফায়ারের ঘটনা- দুইয়ে মিলে যে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা আমাদের দেশের ইতিহাসে অতীতে কখনোই ছিল না। এর জন্য দায়ী দুটি বড় দল- বিরোধী ২০ দলীয় জোট বিএনপি ও জামায়াত এবং সরকারি দল। বিরোধী জোট যতই অস্বীকার করুক পেট্রলবোমার দায়ভার তাদেরই গ্রহণ করতে হবে। অন্যদিকে সরকারও যতই অস্বীকার করুক না কেন, এ পর্যন্ত সবকটি ক্রসফায়ার অথবা গণপিটুনির নামে রাষ্ট্রীয় সংস্থা কর্তৃক বিচারবহির্ভূত হত্যার দায়ভার তাদের নিতে হবে। তার সঙ্গে এই আমলে যুক্ত হয়েছে 'গুম' নামক ভয়ঙ্কর অপরাধটি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটা যে রাষ্ট্রীয় সংস্থাসমূহ করেছে তাও জনগণ বিশ্বাস করে। এই রকম বিশ্বাসের পেছনে যথেষ্ট প্রমাণও জনগণের কাছে আছে। একেবারে সাম্প্রতিক ঘটনা হলো সালাহউদ্দিন আহমেদের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনা। সবকটি রাষ্ট্রীয় আইন রক্ষাকারী সংস্থা নির্বিকারে বলেছে যে, এই নিখোঁজের ব্যাপারটি তারা জানেন না। নিখোঁজের ব্যাপারে তারা যে খুব একটা তৎপর তাও মনে হচ্ছে না। জনগণের বিশ্বাস বিরোধী দলকে দমন করার জন্য রাষ্ট্রই তাকে 'নিখোঁজ' করেছে, যার অপর নাম গুম।

সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা হলো এই যে, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী গুম হওয়ার ব্যাপারে সরকারের দায়িত্বকে অস্বীকার করে উপহাসছলে মন্তব্য ছুড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, 'আট বস্তা ময়লার সঙ্গে তাকে পাচার করার জবাব খালেদা জিয়াই দিতে পারেন'। এমন তির্যক মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আশা করি না। হয়তো তিনি রসিকতা করেছেন। কিন্তু বড় নির্মম রসিকতা। 'বাবু যত বলে পারিষদ-দল বলে তার শতগুণ।' প্রধানমন্ত্রীর এহেন মন্তব্য অন্যান্য মন্ত্রী, সরকারদলীয় নেতা-উপনেতাদের উৎসাহিত করেছে আরও বেশি। তারা প্রায় সবাই সুর মিলিয়ে বলতে শুরু করলেন, সালাহউদ্দিন আহমেদ নিজেই আত্দগোপনে গেছেন। মন্ত্রী হয়েছেন, তবু এতটুকু কাণ্ডজ্ঞান তৈরি হলো না যে, নিখোঁজ হলে খুঁজে বের করার দায়িত্ব কিন্তু সরকারেরই। অবশ্য সরকার এসব বিষয় নিয়ে সামান্যই মাথা ঘামায়। আর মন্ত্রীদের জিহ্বায় কোনো লাগাম বাঁধা নেই। মন্ত্রীদের বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য আগেও 'বাংলাদেশ প্রতিদিনের' পাতায় উল্লেখ করেছি, যা তাদের অর্বাচীন, বালখিল্যতার নিদর্শন তুলে ধরে। পুনরাবৃত্তি হলেও দুই একটি উদাহরণ আবারও উল্লেখ করছি। জনৈক মন্ত্রী বলেছেন, খালেদা জিয়ার বাসার সামনে বালুর ট্রাক রাখা হয়েছিল বাড়ি মেরামত করার জন্য। আরেক মন্ত্রী বলেছিলেন, খালেদা জিয়ার বাড়ির বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হবে। হয়েও ছিল তাই। অন্য আরেক মন্ত্রী বললেন, খালেদা জিয়ার খাবার ও পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে। হলোও তাই। বাইরে থেকে খাবার আনতে বাধা দিল কর্তব্যরত পুলিশ। অন্য আরেক মন্ত্রী বলেছিলেন, পাকিস্তান দূতাবাসে তালা মেরে দেওয়া হবে। (এখনো পর্যন্ত তা করা হয়নি)। মন্ত্রীদের কথা শুনতে শুনতে হাসিও পায়, কান্নাও পায়। ভাবি 'হায় এ কোন দেশে বাস করছি'।

মন্ত্রীরা যখন আবোল-তাবোল বলে চলেছেন, তখন অবশ্য আওয়ামী লীগের নেতা ও বিদায়ী মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত অনেক দিন পর একটা বুদ্ধিমানের মতো কথা বলেছেন। জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদের নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, 'সালাহউদ্দিন আহমেদকে খুঁজে না পাওয়া রাজনীতির জন্য অশনি সংকেত।' বাস্তবিকই আমরা অশনি সংকেত লক্ষ্য করতে পারছি।

সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী যখন অভিযোগ করেন, তখন পুলিশ পাল্টা অভিযোগ করেছিল যে, তিনি নাকি দেরিতে থানায় জিডি করেছেন। আসল কথা হলো প্রথমে থানা জিডি নিতে চায়নি। পুলিশ যে এই রকম আচরণ করে, জিডি নিতে চায় না, তা কোনো নতুন খবর নয়। সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী যখন হাইকোর্টে গেলেন, তখন সবকটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বিকার বলে বসল যে, তারা কিছুই জানেন না। ব্যাস, তাদের দায়িত্ব শেষ। এরপর তদন্তে আর কী রিপোর্ট বের হবে, তা তো জানা কথা। জনগণও পুলিশের প্রতি সামান্যতম ভরসা রাখছে না। রক্ষক যদি ভক্ষক হয় তবে তো তারা বড় অসহায় বোধ করেন। এটাই পাবলিক পারসেপশন।

পুলিশ যাই বলুক, অথবা না বলে নির্বিকার থাকুক, তারা দায় কিন্তু এড়াতে পারবেন না। বহু সাক্ষী আছেন, যারা প্রত্যক্ষদর্শী। তারা বলছেন, তারা দেখেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জনাব সালাহউদ্দিনকে তাদের গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে গেছে। তারপর থেকে নিখোঁজ। সালাহউদ্দিন আহমেদ একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তিনি যে গোয়েন্দা পুলিশের নজরদারির মধ্যে ছিলেন, তা ধরে নেওয়া যায়। তবে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল বলে জানা নেই। থাকুক বা নাই থাকুক, কাউকে গুম করার অধিকার কি পুলিশকে আইন দিয়েছে? এর আগের আরেকটি ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এবং সাবেক মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব জনাব রিয়াজ রহমান, যাকে সবাই সজ্জন ব্যক্তি বলেই জানেন, তিনি হঠাৎ করে গুলিবিদ্ধ হলেন। কে বা কারা করেছে তা এখনো রহস্যাবৃত। তার পায়ে যে ধরনের বুলেট পাওয়া গেছে, তা নাকি সাধারণ সন্ত্রাসীদের কাছে থাকার কথা নয়। এসব হচ্ছে কি। হঠাৎ করে ক্রসফায়ার ও বন্দুকযুদ্ধের নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বেড়ে গেল। বিচারবহির্ভূত হত্যার জন্য কত রকমের মিথ্যাচার করা হচ্ছে। সর্বশেষ যে কৌশলটি পুলিশ বা সরকার গ্রহণ করেছে তা হলো গণপিটুনির নাটক। নিজস্ব লোকজন দিয়ে গণপিটুনির নাটক সাজালেও না হয় বোঝা যেত। কিন্তু তাও নয়। গণপিটুনির কোনো ঘটনাই ঘটেনি। ঢাকার মিরপুরে তিন যুবককে স্রেফ গুলি করে হত্যা করে বলা হলো গণপিটুনিতে মারা গেছেন। পুলিশেরই ময়নাতদন্তের রিপোর্টে পাওয়া গেল, তিন যুবকের গায়ে মোট ৫৬টি বুলেটের চিহ্ন। তাহলে গণপিটুনিতে অংশগ্রহণকারী সাধারণ জনগণের হাতে কি রাইফেল ছিল? তাই যদি হয়ে থাকে তাহলে পুলিশ করছিল কি? নাকি পুলিশই জনগণকে রাইফেল সরবরাহ করেছিল?

এসব প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই। উত্তরের নামে আরও যেসব মিথ্যা কথা শোনা যাবে, তা গোয়েবলসকেও হার মানাবে। আর পুলিশ জবাবদিহির ধারও ধারে না। কিন্তু গণতান্ত্রিক দেশে পুলিশকে তো জবাবদিহি করতে হবে। হায় গণতন্ত্র! পুলিশের কাছে কে জবাব চাইবে? জনগণ পুলিশের কাছে চাইতে গেলে আবার না কোন বিপদ ডেকে আনা হবে। এবারের পার্লামেন্ট তো সত্যিকার অর্থে নির্বাচিত নয়। সেখানেও তাই এমন প্রশ্ন উত্থাপন করা হবে না, পাছে সরকার বিব্রত হয়। বুদ্ধিজীবীরা অথবা তথাকথিত সুশীল সমাজ হয়তো কথা বলতে পারেন। দুর্ভাগ্য এই দেশের। তারাও দ্বিধাবিভক্ত। এখানে অওয়ামীপন্থি অথবা বিএনপিপন্থি বুদ্ধিজীবী। নিরপেক্ষ বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা খুব কম। দলকানা বুদ্ধিজীবীরা বস্তুত স্বতন্ত্র সত্তা বহু আগেই হারিয়ে বসেছেন। আওয়ামীপন্থি বুদ্ধিজীবী বা সুশীল সমাজ পেট্রলবোমা নিয়ে প্রতিবাদ সভা করবেন, বিবৃতি দেবেন কিন্তু গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার ব্যাপারে নিশ্চুপ থাকবেন। অন্যদিকে বিএনপিপন্থি বুদ্ধিজীবীরা অধিকাংশ হয় ভয়ে চুপসে গেছেন, অথবা সরকারের সমালোচনা করলেও পেট্রলবোমার ব্যাপারে নিশ্চুপ থাকবেন। এ বড় দুর্ভাগ্যের বিষয়। এমনটা অতীতে কখনো ছিল না।

সংবাদপত্রে খুব সাবধানে হলেও কিছু কিছু লেখা হয়। তাও অবাধ স্বাধীনতা নেই। পটুয়াখালীর বাউফলের সাংবাদিককে পুলিশি হেফাজতে যেভাবে নির্যাতন চালানো হয়েছে তার কোনো প্রতিকার কি হয়েছে? বিজ্ঞ আদালত নির্যাতিত সাংবাদিক মিজানুর রহমানকে জামিন দেননি। তবে কারাগারে চিকিৎসার আদেশ দিয়েছেন। কিন্তু নির্যাতনকারী পুলিশের কি বিচার হবে?

হঠাৎ করে পুরনো কথা মনে পড়ে গেল। খালেদা জিয়ার ২০০১-২০০৬ সালের প্রধানমন্ত্রিত্বের আমলে ক্লিনহার্ট অপারেশনের সময় অনেক নিরপরাধ ব্যক্তি নির্যাতিত হয়েছিলেন, অনেকে মৃত্যুবরণ করেছেন। খালেদা জিয়া তখন পার্লামেন্টে আইন পাস করে নির্যাতনকারী যৌথবাহিনীর সদস্যদের জন্য দায়মুক্তি দিয়েছিলেন। আজকে যখন তার দলের কর্মীরা নির্যাতিত হচ্ছেন, তখন কি তার একবারও মনে পড়ে নিজের অতীতের কথা? সম্ভবত নয়।

বস্তুত এটা প্রমাণিত যে, এই দুটি বড় দল কেউই গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন না। অতীতেও করেননি, এখনো করছেন না। পেট্রলবোমা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি নয়। অন্যদিকে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার রাজনৈতিক কালচার ফ্যাসিবাদী প্রবণতারই লক্ষণ মাত্র। আমরা এই দুই ধরনের রাজনৈতিক কালচারের অবসান চাই। বস্তুত একটা আরেকটাকে উসকে দিচ্ছে।

যত বেশি পেট্রলবোমা ব্যবহৃত হবে, তত বেশি সন্ত্রাসবাদ দমনের নামে সরকার কর্তৃত্ববাদী, অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী হয়ে উঠবে। অন্যদিকে সরকার যত বেশি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস প্রয়োগ করবে, তত বেশি গোপন সন্ত্রাসী তৎপরতা বৃদ্ধি পাবে। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও দলীয় সন্ত্রাস দুটোই বন্ধ করতে হবে। এর জন্য আমরা এখনো আশা করব, সব পক্ষের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। উভয় পক্ষই সন্ত্রাসের পথ পরিহার করে গণতান্ত্রিক পথে আসবে। বিরোধী পক্ষকে অবশ্যই ইতিমধ্যে অকেজো হয়ে যাওয়া অবরোধ-হরতাল প্রত্যাহার করতে হবে। কারণ অবরোধের সুযোগেই পেট্রলবোমার সন্ত্রাস বিস্তার লাভ করছে (যদি ধরেও নিই যে, বিএনপি এই কাজ করছে না)। অন্যদিকে সরকারকে স্বীয় উদ্যোগে ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে বিরোধী দল সংবিধানে বর্ণিত গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের পুরো সুযোগ নিতে পারে। সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদককে মুক্তি দিতে হবে এবং সবার জন্য সভা-সমিতির পরিপূর্ণ সুযোগ দিতে হবে। একই সঙ্গে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে যুদ্ধাপরাধীর বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে হবে।

তারপর সব কার্যকর রাজনৈতিক দল (অবশ্যই জামায়াত বাদে), সুশীল সমাজ, শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি, বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে মহাসংলাপের ব্যবস্থা করতে হবে, যেখানে নির্বাচনের বিষয়াদি, গণতান্ত্রিক আচরণের বিধিমালা ইত্যাদি আলোচিত হবে এবং আমরা একটা সাধারণ ঐকমত্যে পৌঁছতে সক্ষম হব। তবে এখন পর্যন্ত সেরকম সম্ভাবনা কমই দেখা যাচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে আমরা বেশ দীর্ঘ সময়ের জন্য আরও গভীরতর অন্ধকারে নিমজ্জিত হতে পারি বলেই আশঙ্কা হয়।

লেখক : রাজনীতিক।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

১৪ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

২৪ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা