শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০১৫

মিন্টু-নাটকে ঢাকা উত্তরে বিএনপি আটক

কাজী সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
মিন্টু-নাটকে ঢাকা উত্তরে বিএনপি আটক

তিন সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে এখন কিছুটা স্বস্তির হাওয়া। শান্তিপ্রিয় মানুষের প্রত্যাশা, এই আনন্দের হাওয়া স্থায়ী হোক; দূর হোক সব অশান্তি-ভোগান্তি, ফিরে আসুক মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি। কিন্তু 'মর্নিং শোজ দ্য ডে' বলে যে প্রচলিত প্রবাদটি আছে, সেদিক থেকে বিবেচনা করলে নিশ্চিত করে বলা যাবে না এই স্বস্তি, এই শান্তি স্থায়ী হবে কতদিন। কারও কারও ধারণা ছিল, বিএনপি এই নির্বাচনে আসবে না। বিগত উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপ থেকে শেষ ধাপ পর্যন্ত সরকার পক্ষ যেভাবে 'চোখ উল্টে ফেলেছিল' এবং সীমাহীন অনিয়ম করেছিল বলে মিডিয়ায়ও খবর প্রকাশিত হয়েছিল, তার প্রেক্ষিতে বিএনপি থেকে বলা হয়েছিল বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে তারা আর কোনো নির্বাচন করবে না। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বেগম খালেদা জিয়াও সরাসরি কথা বলেছেন। উপজেলা নির্বাচনের প্রথম দুই ধাপের ফলাফলে যে ট্র্যান্ড লক্ষ্য করা গিয়েছিল তা থেকে অনুমান করা গিয়েছিল যে, সেই নির্বাচনে ৪৫০ উপজেলার মধ্যে বিএনপি জোট হয়তো ৩৫০টিতে জিতে যাবে। বিভিন্ন দেশে, এমন কি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও নির্বাচন চলাকালে ফলাফল প্রকাশের আগেই ভোটারদের মতামতের ভিত্তিতে যে ফলাফলের ধারণা দেওয়া হয় তা কোথাও খুব একটা ভুল হয় না দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া। কখনো কখনো যা ধারণা করা হয় ফলাফল হয়ে যায় তারচেয়েও বেশি। আমাদের উপজেলা নির্বাচনে বুথ ফেরত ভোটারদের মতামত নয়, দুটি ধাপের নির্বাচনী ফলাফলের ভিত্তিতেই উপজেলা নির্বাচনে শাসক দলের করুণ পরিণতির আভাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আভাস পাল্টে দেওয়া হয়েছে বলে বিরোধী দল যে অভিযোগ করেছে আওয়ামী সমর্থক একটি সংখ্যালঘিষ্ঠ অংশ ছাড়া বাদবাকি জনগণও তা বিশ্বাস করে। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের নেতিবাচক স্থানটি আরও নেতিবাচক হয়ে যায় সেই নির্বাচনের পর। মূলত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম সংসদ নির্বাচনেই এই কমিশন ক্ষমতাসীন লীগ সরকারের আজ্ঞাবহ হিসেবে বিএনপিসহ অন্যান্য বিরোধী দল কর্তৃক সমালোচিত হতে থাকে। সন্দেহ ও অবিশ্বাসের স্থানটি তেমনই আছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সিটি নির্বাচন না-ও করতে পারে বলে ধারণাটার এটা একটা বড় কারণ ছিল। দ্বিতীয়ত বিএনপিসহ ২০-দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের গত তিন মাস ধরে সরকার দাবড়ের ওপর রেখেছে। প্রায় তিন মাস যাবৎ জোটটি সারা দেশে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে। দুই মাসের বেশি শুক্র-শনি দুই দিন বাদ দিয়ে সপ্তাহের বাকি পাঁচ দিন হরতালও চলছে। অবরোধ-হরতালের মধ্যে সহিংসতা-নাশকতায় প্রায় ১২০ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৬৭ জন পেট্রলবোমায় দগ্ধ হয়ে; বাকিরা আইনবহির্ভূত ক্রসফায়ার, সংঘর্ষ ও অন্যান্য কারণে। বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে, অবরোধ-হরতালকারীরা পেট্রলবোমায় নিহতদের 'হত্যার' দায় নিচ্ছে না, অপরদিকে সরকারও আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ভিন্নভাবে চিত্রিত করছে। আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার কজনকে হাতেনাতে ধরে স্পটে গুলি করে মারা হয়েছে তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান দেওয়া হয়নি। অভিযোগ করা হয় অন্য জায়গা থেকে ধরে নিয়ে নাশকতার অভিযোগে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বিরোধী দলের এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তেমন যুক্তিগ্রাহ্য বক্তব্য এখনো চোখে পড়েনি। তবে একথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, অবরোধ-হরতালে যে নৃশংসতা-নাশকতা হয়েছে শান্তিপ্রিয় জনগণ তা সমর্থন করেনি। বিএনপির বহু সমর্থক-শুভানুধ্যায়ীও এর বিরুদ্ধে। আবার এই সহিংসতা-নাশকতাকে উপলক্ষ করে বিএনপি ও তাদের নেতৃত্বাধীন জোটভুক্তদের ওপর সরকারি অভিযানকেও সর্বাংশে সমর্থন করছে না মানুষ। হুকুমের আসামি হিসেবে বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের এমন কোনো নেতা-কর্মী নেই যার বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা নেই। কারও বিরুদ্ধে শতাধিক মামলাও আছে। তাদের দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খোন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্ররায়, দলের যুগ্ম-মহাসচিব রিজভী আহমেদসহ কেন্দ্রীয়, জেলা ও তৃর্ণমূল পর্যায়ের বহু নেতা, কর্মী এমন কি সমর্থকও জেলে। সারা দেশে হাজার হাজার নেতা-কর্মী-সমর্থকের বিরুদ্ধে লক্ষাধিক মামলা। রিমান্ড-নির্যাতনের ভয়ে অনেকে আদালতে জামিন নিতেও যাচ্ছেন না। পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এমতাবস্থায় বিএনপি সিটি নির্বাচনে যাবে না এমন একটা ধারণা বেশ জোরালোই ছিল। এ ক্ষেত্রে একটি বিজ্ঞ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। তারা নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু শুরু থেকে নির্বাচন কমিশন যে বৈরী আচরণ শুরু করেছে তাতে প্রশ্ন উঠেছে, বিএনপি নির্বাচনে থাক নির্বাচন কমিশন কি তা চায় না? সরকারের ভূমিকাই বা কি?

দুই

আমাদের সবার মনে থাকার কথা যে, অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট নবম সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। মহাজোট প্রার্থীরা ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র জমাও দিয়েছিলেন। তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে সমীকরণটা একরকম ছিল। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং তার দল বিএনপির সঙ্গে জোট বাঁধার কথা ছিল। স্বৈরাচার এরশাদের সঙ্গে গণতন্ত্রী (!) তারেক রহমানের বৈঠক ও গোপন শলাপরামর্শ এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে এরশাদের কথোপকথনের পর সর্বত্র ধারণাটা বদ্ধমূল ছিল যে, এরশাদ তার 'ভাবী' ও 'ভ্রাতুষ্পুত্রের' সঙ্গে থেকেই নির্বাচন করবেন। কিন্তু এরশাদ প্রমাণ করেছিলেন, তাকে যে 'আনপ্রেডিকটেবল' বলা হয় তা আসলেই সত্য। এরশাদ তার সিদ্ধান্ত পাল্টালেন। এর আগে সর্বত্র আওয়ামী লীগের সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা না করা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বের কথা শোনা যাচ্ছিল। কেননা বিএনপি, জামায়াত আর জাতীয় পার্টির জোট- ভোটের হিসাবটা একেবারেই পরিষ্কার। হঠাৎ আওয়ামী লীগ ও তাদের জোট নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল এবং ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে আরও দল যুক্ত করে মহাজোট গঠনের ঘোষণাও এলো। বিএনপির হাওয়া ভবনের লোকজনের ভিতর তখন গুলি খাওয়া হরিণের মতো ছটফটানির দৃশ্য দেখেছেন অনেকে। অর্থাৎ তারা চায়নি আওয়ামী লীগ নির্বাচনে আসুক। আসার আমন্ত্রণটা ছিল কৃত্রিম। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী, কর্নেল (অব.) অলি আহমদরা মহাজোট মঞ্চে গিয়ে উঠলেন নাটকীয়ভাবে। নির্বাচনী নাটকও জমে গেল। মহাজোট প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন। অস্থিরতা বেড়ে গেল হাওয়া ভবনে। ফাঁকা মাঠে আর গোল দেওয়া হলো না। তারপর নতুন বিস্ময়। এরশাদের নির্বাচনের যোগ্যতাকে চ্যালেঞ্জ করা হলো। মহাজোট থেকে বলা হলো, শরিক দলের নেতার মনোনয়ন বাতিল করা হলে তারা নির্বাচন বর্জন করবে এবং উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য বিএনপি-জামায়াতই দায়ী থাকবে। এরশাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে গেল এবং প্রতিবাদে মহাজোটের সব প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলেন। বিএনপির কিছু প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেলেন। হাওয়া ভবনে সে কী মিষ্টি বিতরণের ধুম! কিন্তু সেই নির্বাচন করতে পারেননি হাওয়া ভবনের 'কলের পুতুল' বলে বিরোধী মহাজোট কর্তৃক সমালোচিত অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ। সেই অবিমৃশ্যকারী সিদ্ধান্তের কারণে ছোট হলো নির্বাচন কমিশন, বিদায় নিতে বাধ্য হলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাও। রাজনীতিতে ছড়িয়ে পড়ে হানাহানি, সহিংসতা। লগি-বৈঠার আঘাতে প্রকাশ্য দিবালোকে জলজ্যান্ত মানুষ হত্যা এবং লাশের ওপর লাফালাফির দৃশ্য দেখল এবং অপরদিকে গুলির প্রকাশ্য নির্দেশ শুনল মানুষ। এরপর সেই সন্ত্রাস-সহিংসতার রথে চড়ে এলো ওয়ান-ইলেভেন। নবম সংসদ নির্বাচনটি যদি সুষ্ঠুভাবে করতে দেওয়া হতো, তাহলে জাতিকে ওয়ান-ইলেভেনের অভিজ্ঞতা নিতে হতো না।

সিটি নির্বাচন স্থানীয় সরকার নির্বাচন। তিন সিটিতে সরকার সমর্থিত প্রার্থী হেরে গেলেও লীগ সরকারের পতন হবে না। কিন্তু নানা কারণে এ স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সরকার ও বিরোধী পক্ষ উভয়ের কাছেই এটা একটা বিরাট ইজ্জতের লড়াই। সরকার পক্ষ থেকে গত আড়াই-তিন মাস ধরে বলা হচ্ছে, ঢাকা মহানগরীর মানুষ খালেদা জিয়া, তার দল ও জোটের সঙ্গে নেই। তারা হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের প্রসঙ্গ তুলে বলে, খালেদা জিয়া ঢাকাবাসীকে সেদিন রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়েছিলেন; কিন্তু কেউ নামেনি। ২০১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর মার্চ ফর ডেমোক্র্যাসিতে অংশ নিতে ঢাকাবাসীকে আবার আহ্বান জানিয়েছিলেন বিএনপি নেত্রী, কেউ সাড়া দেয়নি। সর্বশেষ ৫ জানুয়ারি ঢাকায় মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া, সেদিনও ঢাকাবাসী তাকে ফিরিয়ে দিয়েছে। অবরোধ-হরতাল কর্মসূচিতেও ঢাকার মানুষের অংশগ্রহণ চোখে পড়েনি। এসব বলে আসলে সরকার ভুল হিসাব কষেছে। যেসব ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়, তেমন পরিস্থিতিতে সরকারি বাধা, মামলা-মোকদ্দমা, দমন-দলনের মধ্যে অতীতে আওয়ামী লীগের পক্ষেও তাদের সমর্থকদের নামতে দেখা যায়নি। মৌলিক নাগরিক অধিকার ভোগে বাধা দেওয়া না হলেই বোঝা যায় মানুষ কী চায়। কোকোর জানাজায় বাধা দেওয়া হয়নি। সেদিন কয়েক লাখ লোকের জানাজায় অংশগ্রহণ প্রমাণ করেছে, পরিবেশ অনুকূল হলে বিএনপির পক্ষে রাস্তায় নামার লোক ঢাকায় আছে। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, ঢাকা সিটিতে জিততে পারবে না ধারণা থেকেই এতদিন এখানে নির্বাচন হয়নি। এখন সরকার হয়তো মনে করেছে, অবরোধ-হরতালে লিপ্ত বিএনপি এখন আর সিটি নির্বাচনে উৎসাহ দেখাবে না। জেল, মামলা, মোকদ্দমাসহ নানাবিধ ভয়ভীতির কারণে যোগ্য প্রার্থীও পাবে না বিএনপি। তাই ঢাকা সিটিতে কিস্তিমাত করার জন্য সরকারি দলের এটা একটা মোক্ষম সময়। তারা এখন কপাল কুঁচকে ফেলেছে বলে মনে হয়। বিএনপির সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুকূলে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় শাসক দলে নবম সংসদ নির্বাচনকালে (যে নির্বাচন বাতিল হয়েছে) হাওয়া ভবনের কুশীলবদের মতোই অস্থিরতা প্রকাশ পাচ্ছে। কিছু কিছু মন্ত্রী-নেতা এমন ইরিটেটিং কথাবার্তা বলছেন যাতে মনে হতে পারে, তারা চাইছেন ক্ষিপ্ত হয়ে বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াক।

পরিস্থিতি খুব বেশি অসহনীয় করে তুললে বিএনপি যদি মাঝপথেও নির্বাচন বর্জন করে বসে সরকারের জন্য তা সুখদায়ক হবে না। তিন সিটি নির্বাচনে সরকারের আচরণ ও ভূমিকা প্রত্যক্ষ করছে মানুষ। এ নির্বাচনে প্রার্থী না হয়েও লাখ লাখ লোক অংশগ্রহণকারী। যার যার দলের লোক, বন্ধু, আত্মীয়ের পক্ষে তারা এরই মধ্যে নেমে পড়েছে। বাধা দিলে এবার লড়াই বেধে যেতে পারে বিএনপির সঙ্গে নয়, সরাসরি ঢাকা-চট্টগ্রামের ভোটার সাধারণের সঙ্গে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে। সরকারের নীতিনির্ধারকরা বিষয়টি মাথায় রাখলে আখেরে ফল পাবেন।

তিন

ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে বিএনপির মূল প্রার্থী ছিলেন তাদের পার্টি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি দেশের একজন লিডিং ব্যবসায়ী। তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার। কারণ দেখানো হয়েছে, তার প্রার্থিতার প্রস্তাবক ঢাকা উত্তরের ভোটার নন। তবে তিনি ঢাকার ভোটার- যে ঢাকা মেট্রো সিটি আগে একটি করপোরেশন ছিল। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীর প্রস্তাবক ও সমর্থককে এলাকার ভোটার হওয়ার কথা বলা আছে। নিয়মটির ব্যাপারে কঠোর মনোভাব বোধ হয় পরিবর্তন করা যায়। সংসদীয় কোনো একক অঞ্চলের ভোটার ও বাসিন্দা না হয়ে শেখ হাসিনা, বেগম খালেদা জিয়া ও হু. মু. এরশাদ যদি ওই অঞ্চলের এমপি হতে পারেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এলাকার বাসিন্দা ও ভোটার প্রার্থী হলে তাকে পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা ও ভোটার প্রস্তাব বা সমর্থন করলে খুব একটা অসুবিধা হয় কিনা সংশ্লিষ্টদের তা ভেবে দেখা উচিত। কিন্তু যতক্ষণ নিয়মটা আছে, ততক্ষণ তো নিয়ম মানতে হবে। আবদুল আউয়াল মিন্টুর মতো একজন বিচক্ষণ ও শিক্ষিত লোক কি তা জানেন না? নিশ্চয়ই জানেন। তাহলে তিনি কাজটা কেন করলেন? অনেক পর্যবেক্ষকের ধারণা, তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যাওয়ার জন্য তিনি জেনেশুনেই তা করেছেন। মনোনয়নপত্র তিনি দাখিল করেছেন তার বর্তমান নেত্রীকে সন্তুষ্ট করার জন্য। তিনি চেয়েছেন আবদুল আউয়াল মিন্টু ঢাকা উত্তর সিটিতে নির্বাচন করুক। তিনি একজন যোগ্য প্রার্থী ছিলেন এবং জেতার মতো প্রার্থী ছিলেন। ঢাকার মেয়র হওয়ার শখও তার অনেক দিনের। তাহলে এ কাজটি তিনি করলেন কেন? চতুর্দিকে তীর্যক সমালোচনা হচ্ছে যে, তিনি সিরিয়াসলি নির্বাচন করলে প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থী হেরে যেতে পারেন। তাতে প্রধানমন্ত্রীর অসন্তুষ্টির উদ্রেক হতে পারে যা তিনি চান না। একসঙ্গে তিনি দুজনকে সন্তুষ্ট করার কৌশলই নিয়েছেন বলে মনে করছেন অনেকে। প্রকারান্তরে তিনি বেগম খালেদা জিয়াকে ফাঁকিই দিলেন বলে মনে হয়। নিজে নির্বাচন করবেন না এমন একটা পূর্ব সিদ্ধান্ত থেকেই তিনি তার ছেলের নামেও একটি মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। সেটি কিন্তু ভুল হয়নি। দলের শক্ত কোনো বিকল্প প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ বা পরামর্শও দেননি। বিষয়টি রহস্যময়ই বটে। কাদের নিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার বিএনপি বসতি- ভাবতেই অবাক লাগে। এ রকম একেকটা ঘটনা ঘটে, বেগম জিয়া একেকটা 'আছাড়' খান আর বিএনপি অনুরাগীরা ভাবেন, দলের সাবেক মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন দলের জন্য কতটা জরুরি!

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট,

ই-মেইল : [email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

১৪ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

২৪ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা