শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০১৫

জঙ্গি আক্রোশের শিকার স্বাধীন চিন্তা

মেজর জেনারেল মো. আব্দুর রশীদ (অব.)
অনলাইন ভার্সন
জঙ্গি আক্রোশের শিকার স্বাধীন চিন্তা

খ্যাতনামা কেউ ছিলেন না ওয়াশিকুর রহমান বাবু। প্রকাশ্য দিবালোকে শত মানুষের সামনে খুন হয়ে খ্যাতনামা হলেন। তাকে হত্যা করার কারণ হিসেবে বের হয়ে আসছে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য। 'কুচ্ছিত হাঁসের ছানা' নামে ফেসবুকে ইসলামের বিরুদ্ধে লিখেছেন বলে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কী এমন লিখেছেন যা ধর্মীয় অনুভূতিকে এতই আঘাত করেছে যে তার মৃত্যুই শিরোধার্য হয়েছে। হত্যার আগে শুনিনি তার ইসলামের বিপক্ষে লেখার কল্পকাহিনী। হত্যা করার পর তার ফেসবুকের আকাউন্টের স্ক্রিন শট ছড়িয়ে দেওয়া হলো, জানা গেল সেটা ভুয়া। প্রযুক্তির আশীর্বাদে অনেক ভুয়াকে সত্যির মতো করে তৈরি করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে ভুল ধারণা সৃষ্টি ও ভাবমূর্তি বিনষ্ট এখন নৈমিত্তিক হয়ে গেছে। ব্লগিং সম্পর্কে মানুষের অজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ব্লগার মানেই নাস্তিক এরকম একটি নেতিবাচক ধারণা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ওয়াশিকুরকে ফেসবুকে লেখার জন্য নাস্তিক বা অবিশ্বাসী বানিয়ে প্রকাশ্যে হত্যা করার জন্য মাদ্রাসায় বেড়ে ওঠা তিন যুবককে সুদুর চট্টগ্রাম থেকে এনে ১৫ দিন ধরে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। হত্যাকারীরা শুধু জানে ইসলামের বিরুদ্ধে লেখালেখি করায় আদিষ্ট হয়ে তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে ইমানি দায়িত্বের অংশ হিসেবে। মানুষ খুনের বড় অপরাধ করেও তারা নির্বিকার ও আবেগহীন। এতটুকুও অনুতপ্ত নয়, অনুশোচনার চেয়ে পুণ্যের ভাগিদার মনে করে বেহেশত হাসিলের স্বপ্নে আপ্লুত। এ রকম নির্বোধ ধর্মান্ধ অসুর দেশের আনাচে-কানাচে কত পয়দা হয়েছে তার কোনো পরিসংখ্যান জানা নেই। নিজস্ব ভুবনে স্বাধীন চিন্তার বহিঃপ্রকাশের দোষে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হবে এটা নিঃসন্দেহে মর্মান্তিক, দুঃখজনক এবং সভ্য সমাজের জন্য লজ্জাকর।

উগ্রবাদী ও তদীয় সুহৃদদের অনেকেই ধর্মকে নিয়ে অবান্তর কথা বলেন এবং নবীকরিমের সঙ্গে অযৌক্তিক তুলনা করেন, কোরআন হাদিসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ফতোয়া দিয়ে মানুষকে প্রায়ই বিভ্রান্ত করেন। ইসলাম ধর্ম রক্ষার নামে মৌলবাদীদের কোনো প্রতিক্রিয়া না থাকলেও সাধারণ মানুষের সামান্য মন্তব্যে ইসলাম ধ্বংসের অছিলায় নাস্তিক-মুরতাদ বানিয়ে ফাঁসি কাষ্ঠে ঝোলানোর জন্য গলদঘর্ম হয়ে ওঠেন। সময়ের বিবর্তনে ইসলামে ভিন্ন ভিন্ন আকিদা ও তরিকার উপস্থিতি এবং পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ বসবাস ও সহিষ্ণুতার সামাজিক বৈশিষ্ট্য লক্ষণীয়। উগ্রবাদী মতাদর্শ মানুষের মধ্যে ধর্ম, আকিদা, শিল্প, সংস্কৃতি চর্চার ভিন্নতার নামে অহেতুক ভেদাভেদ সৃষ্টি করে স্থিতিশীল সমাজকে ভাঙতে চাইছে। জিহাদি তরিকা অন্য ধারণার প্রতি ভীষণ অসহনশীল। শুধু অবিশ্বাসী বা নাস্তিকদের বিরুদ্ধে লড়াই সীমাবদ্ধ নয় ইসলামের ভিন্ন আকিদার আলেমদের চিন্তাকেও সহ্য করতে পারছে না জঙ্গিবাদী জিহাদি দর্শন।

ইমানের দৃঢ়তা নয় বরং ইমানের দুর্বলতা ও ভঙ্গুরতা থেকে জন্ম নিয়েছে মানব কতলের দর্শন। ধর্ম ও বিজ্ঞানের উন্মুক্ত চর্চা সমাজকে আলোকিত করলে ধর্মান্ধ মতাদর্শের জায়গা সঙ্কুচিত হয়ে পড়বে। সুস্থচিন্তার বিকাশ ধর্মান্ধ উগ্রবাদ বিস্তারের পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় মনে করছে। খুন করছে একের পর এক স্বাধীন চিন্তার ধারকদের। মৌলবাদীরা নিঃসন্দেহে যুক্তি ও মুক্ত চিন্তাকে ভয় পায়। সমাজ, মানবতা, ব্যক্তি-স্বাধীনতা, মত, ভিন্নমত ও বিজ্ঞান থেকে বিচ্ছিন্ন করে যুক্তিহীন ও বোধহীন করে গড়া হয়েছে এক বিশাল ধর্মান্ধ জনগোষ্ঠী। ধর্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে ধর্মের নামে অধর্মের পূজারি বানিয়ে সহিংস মতাদর্শে দীক্ষিত করছে মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা ও সেখানকার উগ্রবাদী শিক্ষক। সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষকও মেতে উঠেছেন জিহাদি তৈরির উন্মত্ত খেলায়। শিক্ষার নামে অহিংস পন্থায় হিংসার মতাদর্শকে মগজে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মগজ ধোলাই করে শিক্ষার নামে অধর্ম ও অমানবিকতার অর্চনাকারী হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে উঠতি বয়সী তরুণ ও যুবকদের। ব্যবহার করা হচ্ছে সন্ত্রাস ও নাশকতার কাজে। জনতার হাতে পাকড়াও হওয়া খুনিদের ভাষ্য থেকে এসব তথ্য পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠেছে।

স্বাধীন-চিন্তার লালন ও চর্চাকে ধর্ম অবমাননা ও কটাক্ষের সঙ্গে পেঁচিয়ে বিশ্বাসীদের অনুভূতিতে আঘাত করার পরিকল্পিত অপপ্রয়াস চলছে। মানুষের ধর্মবিশ্বাসের অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে জিহাদি দর্শনের অনুসারী কিছু ব্যক্তি ও দল ইসলাম ধর্মের ওপর একচেটিয়া মালিকানা দখলের উদ্দেশ্যে উগ্রবাদ ও সহিংসতাকে ছড়িয়ে দিচ্ছে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। ইসলামের একমাত্র মালিক বনে উগ্রবাদ নির্দেশিত আকিদা চর্চাকে একচেটিয়া করতে অন্য সব ধারণা, আকিদা ও তরিকাকে উচ্ছেদ করার উগ্র মানসিকতা থেকেই জন্ম হচ্ছে জিহাদের নামে চিন্তাবিনাশী মানুষ খুনের দর্শন।

ইসলামের তথাকথিত উগ্রবাদী হেফাজতকারীরা ধর্মকে নিজ নিজ উপলব্ধি থেকে দেখেন। ফলে ইসলামের অন্তর্নিহিত সত্য থেকে দূরে সরে গিয়ে পার্থিব রাজনীতির মতাদর্শ হেফাজতে অধিক ব্যস্ত হয়ে ইসলামের ধারণ ও লালনের চেয়ে বিচ্যুতির পথে চলে। বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের মধ্যে যুদ্ধ বাধিয়ে অশান্তির বীজ ছড়িয়ে দিচ্ছে সমাজে। সহিষ্ণু সমাজকে অসহিষ্ণু করছে। ইসলামের ধারণ ও বাহনের অছিলায় যে কোনো উপায়ে ইসলাম ধর্মের ওপর একচ্ছত্র মালিকানা স্থাপনে নেশাগ্রস্ত। উদ্ভূত নেশা ভিন্ন ধারণাকে সহ্য করতে পারছে না ও স্বাধীন মতকে বেঁচে থাকার সুযোগ বন্ধ করতে 'কতল' করার পথকেই একমাত্র অবলম্ব্বন মনে করছে। ধর্ম ও ধর্মীয় অনুশাসনের মূল লক্ষ্য মানুষের মধ্যে আদর্শ মূল্যবোধ তৈরি করা এবং বিশ্বাস আনে আত্দার পরিশুদ্ধি ও প্রশান্তি। ইসলাম অবিশ্বাসীদের কতল নয় বরং হেদায়েতের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে।

ইসলামের মূল দর্শন শান্তি ও পরিশুদ্ধতাকে ছুড়ে ফেলে হিংসা ও বিদ্বেষকে নব্য দর্শন হিসেবে বরণ করে আধুনিক রাষ্ট্র ও উদার সমাজব্যবস্থা উচ্ছেদ শান্তির ইসলামী দর্শনকে সন্তর্পণে সরিয়ে দেওয়ার নামান্তর। আধুনিক রাষ্ট্র ও বিজ্ঞানের যুগেও ধর্ম নিজেকে শুধু টিকিয়ে রাখতেই সমর্থ হয়নি বরং আলোকিত সমাজ গঠন ও মূল্যবোধ সৃষ্টির মূলবাহন হিসেবে কাজ করছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য রাজনীতি আর ধর্মকে সুকৌশলে সুমধুরভাবে সংমিশ্রিত করে তৈরি জিহাদি মতাদর্শ ক্ষমতা দখলের জন্য সহিংসতা ও শক্তির প্রয়োগকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। ফলে ইসলাম সমুন্নত হওয়ার চেয়ে হেয় হয়েছে বেশি। পৃথিবীর অনেক দেশেই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানুষের অবস্থান পোক্ত হচ্ছে সঙ্গে জিহাদিদের ওপর বাড়ছে ঘৃণা ও ধিক্কার।

বহুমাত্রিক চিন্তাধারার উন্মেষী ক্ষমতার জন্য মানুষ সৃষ্টির সেরা জীবে পরিণত হয়েছে। ধর্মান্ধতার সীমাবদ্ধতা থেকে বের হয়ে দর্শন ও বহুধা চিন্তার বিকাশের স্বার্থে শিক্ষার জন্য সুদূর চীন দেশে যাওয়াকে ইসলাম উদ্বুদ্ধ করেছে। হিংসা, বিভাজন ও অসহিষ্ণুতার মতাদর্শ দিয়ে জিহাদের নামে কথিত লড়াই মূলত উগ্রবাদীদের ইসলাম দখলের লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। চিন্তা-ভাবনায় অবিশ্বাসী হিসেবে ব্লগার রাজীব ও ওয়াশিকুর রহমানকে কতল করা হলো। বিজ্ঞানের যুক্তিতে ইসলামকে দেখার অভিযোগে অভিজিৎ রায়কে হত্যা করা হলো। অন্যদিকে ইসলামী চিন্তাবিদ ও পরহেজগার হওয়া সত্ত্বেও টিভিব্যক্তিত্ব মাওলানা ফারুকীকে কতল করা হলো। যেহেতু তিনি উগ্রবাদী ও সহিংস ইসলামী দর্শনের বিপরীতে শান্তির সুফিবাদী চর্চাকে বরণ করে নিয়েছিলেন। গোপীবাগের পীরসাহেব, তার ছেলে ও অনুসারীসহ ছয়জনকে গলাকেটে খুন করা হয়েছে। কারণ তার বিশ্বাসের চর্চিত ধারা সহিংস ধারা থেকে ভিন্ন ছিল। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত শিক্ষক শফিউল আলম ভূইয়াকে রাস্তায় কুপিয়ে হত্যা করা হলো। তার দোষ তিনি 'লালন' সাধনা করতেন শান্তির অন্বেষণে। প্রখ্যাত কবি শামসুর রাহমানের ওপর হামলা হয়েছে, কোপানো হয়েছিল সাহিত্যিক হুমায়ুন আজাদকে। আরও অনেকেই বিশ্বাস-অবিশ্বাসের পরিহাসের শিকার হয়েছেন।

মানুষ মারার মতাদর্শ অনেক গভীরে প্রোথিত হয়েছে ইতিমধ্যে। অল্প সময়ের ব্যবধানে স্বাধীন চিন্তার ওপর পর পর দুটি হামলা থেকে মানুষের মনে জন্ম নিয়েছে ভীতি ও শঙ্কা। স্বস্তি ফেরাতে ত্বরিত বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করা অপরিহার্য। হত্যাকে ক্লুহীন করতে সমর্থ খুনিরা আরও সাহসী ও বেপরোয়া হয়েছে। হামলা বন্ধের বদলে ক্রমশ বাড়ছে।

জঙ্গিবাদকে উৎপাটন করতে হলে সমাজকে জোটবদ্ধভাবে লড়তে হবে। পুলিশি তৎপরতার পাশাপাশি দরকার মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুন করে সাজানো। ধর্মান্ধ ও জ্ঞান প্রতিবন্ধী তৈরির শিক্ষাব্যবস্থাকে মানুষ তৈরির কারখানায় রূপান্তর অতীব গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামী কল্যাণের জন্য সংগৃহীত অর্থ জিহাদি তৈরির কাজে ব্যয় রুখে মানবতার কল্যাণে বিনিয়োগের নিশ্চয়তা সৃষ্টির প্রয়োজন। সংস্কৃতি ও মননশীল চর্চা বৃদ্ধি করে অন্ধত্ব ঘুচিয়ে আলোর পথ খুলতে হবে।

জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক ইসলাম ও সঠিক ইসলামের পার্থক্যের উপলব্ধি বাড়াতে ইসলামী চিন্তাবিদদের সামনে আসতে হবে। শুধু মাদ্রাসা নয় সব শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকবেশী অনেকেই হিংসার মতাদর্শে দীক্ষা দেওয়ায় জড়িত হয়েছে। তাদের পাঠদান থেকে আলাদা করতে না পারলে জিহাদি তৈরি হতেই থাকবে। হিংসার মতাদর্শকে রাজনৈতিক মদদ ও প্রশ্রয় বন্ধ করে বাঁচার মূল উপাদান অর্থরূপী অক্সিজেন বন্ধ করতে পারলে সমাজে সহিষ্ণুতা ফেরত আসবে এবং জঙ্গিবাদের কবলমুক্ত করা সম্ভব হবে। সহিংস চিন্তাকে রুখতে স্বাধীন চিন্তা, মুক্ত ধারণা ও সংস্কৃতির ধারণ, চারণ ও বিকাশ ধরে রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

লেখক : স্ট্রাটেজি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক। ইনস্টিটিউট অব কনফ্লিক্ত, ল' অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিসের নির্বাহী পরিচালক।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

১৪ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

২৪ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা