শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ০৮ জুন, ২০১৫

মোদি-খালেদা বৈঠকের জন্য বিএনপি পাগল হয়েছিল কেন?

কাজী সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
মোদি-খালেদা বৈঠকের জন্য বিএনপি পাগল হয়েছিল কেন?

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৩৬ ঘণ্টার বাংলাদেশ সফর শেষে দেশে ফিরে গেছেন। বহুল আলোচিত এই সফর আয়তনে ছোট হলেও আকাশছোঁয়া গুরুত্বের চোখে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া বা অন্য কোনো অর্থনৈতিক-সামরিক শক্তিধর রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর নিয়ে এত আনন্দ-উচ্ছ্বাস-উত্তেজনা সৃষ্টি হয়নি, যা নরেন্দ্র মোদির সফরকে কেন্দ্র করে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বের সঙ্গে সঙ্গে সরকার, সরকারি দল এবং সরকারবিরোধী বিএনপির এই সফর নিয়ে অতিমাত্রার উচ্ছ্বাস-আগ্রহ নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। শাসক লীগ এবং বিএনপির মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যেন একটা প্রতিযোগিতা লেগেছে। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যকার 'প্রেম' গভীর তা প্রমাণেরও একটা হাস্যকর প্রয়াস লক্ষ্য করা যায় দুই পক্ষের বক্তৃতা-বিবৃতিতে, বিশেষ করে বিভিন্ন টিভি টকশোতে তাদের 'দলদাস'দের ঘর্মাক্ত আলোচনায়। প্রথমেই শোনা গিয়েছিল যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় (!) নেত্রীর পাশাপাশি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গেও দেখা করবেন, কথা বলবেন। সরকারি দলের লোকজন বলতে শুরু করল, না, খালেদা জিয়ার সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির দেখা হবে না। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি প্রণয়নে সে দেশের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বই যেন নিয়ে নিলেন কেউ কেউ। মনে হয়েছে এরা বুঝি দিল্লির সাউথ ব্লকের কর্মচারী। মাঝখানে শোনা গেল সত্যি সত্যিই মোদি-খালেদা বৈঠক হচ্ছে না। শাসক লীগের পক্ষে টকশো আলোচকদের, এমনকি কোনো কোনো উপস্থাপকের মুখে কী এক বিজয়ের (!) হাসি রাজনৈতিক অঙ্গনে চাউর হয়েছিল যে, লীগ সরকার চায়নি ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোনো বৈঠক করুক। সে জন্য তারা কূটনৈতিক চেষ্টাও চালিয়েছে বলে শোনা গেছে। অপরদিকে বিএনপির পক্ষ থেকেও ধরনা দেওয়া হয়েছে দিল্লির দরবারে। আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও মিডিয়ায় খবর এসেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এবং বিপুলভাবে জনসমর্থিত একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীর সঙ্গে দেখা করলে ক্ষমতাসীন সরকারের কী ক্ষতি এবং তিনি সাক্ষাৎ না করলে বিএনপি কী হারিয়ে ফেলত এ ব্যাপারে মানুষের জানার আগ্রহ অবশ্যই থাকতে পারে।

এটা আমাদের দেশের সবারই ভালো জানার কথা যে, ভারতের প্রাচীন রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও দৃঢ়। আওয়ামী লীগের 'হাইব্রিড' নেতারা বলে থাকেন, এই সম্পর্ক আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময়কাল থেকে। কিন্তু তথ্যটি সত্য নয়। এ সম্পর্ক আরও আগের। পূর্বাপর সব উল্লেখ করতে গেলে লেখার কলেবর অনেক দীর্ঘ হবে। তাই এটুকু শুধু বলে রাখি যে, এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র'-এর এক সাবেক কর্মকর্তা অশোকা রায়নার 'ইনসাইড-র' গ্রন্থটি দয়া করে পড়বেন। মাসুদুল হকের 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে'র এবং সিআইএ গ্রন্থেও বিশদ বলা আছে এ ব্যাপারে। বইটির প্রকাশক ওসমানিয়া লাইব্রেরি, ৪২/৪৩/এ নর্থ ব্রুক হল রোড, ঢাকা। এ সম্পর্কের বিষয় নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা গর্ব করতেন। কংগ্রেস এভাবে করুণভাবে শাসন ক্ষমতা হারাবে লীগ নেতারা হয়তো কস্মিনকালেও ভাবেননি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখার জন্য প্রকাশ্যে ভূমিকা রেখেছে কংগ্রেস সরকার। লুকানো-ছাপানোর কিছু নেই। মন্ত্রী-সচিব পর্যায়ের লোকেরা বাংলাদেশ সফর করেছেন। তৎকালীন পররাষ্ট্র সচিব সুজাতা সিং তো প্রকাশ্য তৎপরতাও চালিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৪২টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিএনপিসহ ৩২টি দলই ওই নির্বাচন বর্জন করেছে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদও বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। মনে হয়েছে মূলত তাকে বশ মানানোর জন্যই সুজাতা সিং বুঝি ঢাকায় এসেছিলেন। এরশাদ পরে সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসীকে জানিয়ে দেন, তিনি তাকে ওই নির্বাচনে অংশ নিতে বলেছেন। তিনি নাকি বলেছেন, 'শেখ হাসিনা যেভাবে বলেন সেভাবে নির্বাচনে যান।' প্রায় সব জাতীয় দৈনিকে এ বক্তব্য প্রকাশ হয়েছিল। সেই কংগ্রেসের ভরাডুবি হয়েছে ভারতের বিগত লোকসভা নির্বাচনে। সংসদে বিরোধী দলের মর্যাদা পাওয়ার জন্য ৫৫টি আসনও পায়নি তারা। আওয়ামী লীগ তাতে হতাশ হয়েছিল বোঝা গেছে সেই নির্বাচন-পরবর্তী তাদের আবেগ-উচ্ছ্বাসহীন আচরণ থেকে, শোকাবহ একটা ভাব থেকে। অপরদিকে বিএনপিতে লক্ষ্য করা গেছে দৃষ্টিকটু উচ্ছ্বাস, উল্লাস। তাদের আচরণে মনে হয়েছে, সে দেশে বিজেপি নয়, যেন ভারতীয় বিএনপি জিতেছে। বিএনপির সঙ্গে ভারতের কোনো রাজনৈতিক দলের বন্ধুপ্রতিম সম্পর্ক কখনোই ছিল না। কংগ্রেসকে বলা হয়ে থাকে আওয়ামী লীগের পৃষ্ঠপোষক। কংগ্রেস নেত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক সম্পর্ক-বন্ধুত্ব ছাড়াও কংগ্রেসের বাঙালি নেতা প্রণব মুখার্জি, সিদ্ধার্থ শংকর রায়, প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সীসহ অনেকের সঙ্গে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলুল হক মণি, আবদুর রাজ্জাক, আমির হোসেন আমু এবং বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীসহ কারও কারও ব্যক্তিগত মধুর সম্পর্কও ছিল। তাদের পার্টি-টু-পার্টি রিলেশনটা বেশ পরীক্ষিত। কংগ্রেসের সঙ্গে মধুর সম্পর্কের কারণে বিজেপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্কটা তো তেতো হওয়াই স্বাভাবিক। যেহেতু বিজেপি এখন ভারতের রাষ্ট্রক্ষমতায়- ক্ষমতায় না থাকলে এক কথা, ক্ষমতায় থেকে ভারতের ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে বৈরী সম্পর্কের কথা কল্পনাই করতে পারে না আওয়ামী লীগ। কংগ্রেসের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নিবিড় সম্পর্কের কথা কি নরেন্দ্র মোদি জানেন না? বিষয়টি শেখ হাসিনাও বোঝেন। নিজেদের সম্পর্কে সন্দেহ দূর করা, বিশ্বাস (ট্রাস্ট) অর্জন করা আওয়ামী লীগের জন্য খুবই জরুরি। তাই নরেন্দ্র মোদির এ সফরকে তারা বিজেপি-আওয়ামী লীগ সম্পর্কোন্নয়নের একটা সুবর্ণ সুযোগ বলে ভাবতেই পারে। তাদের পক্ষে যারা লেখেন এবং বিভিন্ন টকশোতে কথা বলেন, তারা বিজেপি-আওয়ামী লীগ সম্পর্কের কথা বলেন না। তারা বলেন, ভারতের পররাষ্ট্রনীতির কথা, পূর্ববর্তী সরকারের সব কাজ ও গৃহীত পদক্ষেপের ধারাবাহিকতা রক্ষার কথা। এর মাধ্যমে তারা বোঝাতে চান যে, কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় থাকতে লীগ সরকারের সঙ্গে যে মধুরতম সম্পর্ক রেখেছিল, মোদি সরকারও তা রাখবে। বিএনপির সমালোচনা করে তারা বলেন, ওরা ভেবেছিল কংগ্রেসকে হারিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ কংগ্রেসের কাছ থেকে যে সহযোগিতা পেয়েছিল, এখন বিজেপি সরকারের কাছ থেকে বিএনপি সেই সহযোগিতা পাবে; ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কমনওয়েলথ এবং জাতিসংঘসহ বাংলাদেশের অন্য উন্নয়ন সহযোগীরা যে চোখে দেখে এবং অংশগ্রহণমূলক একটি গ্রহণযোগ্য মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রশ্নে যেমন অটল, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসায় ভারতও তার অবস্থান পাল্টাবে। তারা বিএনপির প্রতি উপহাস করে বলেন, তাদের সে আশা পূরণ হয়নি, হবে না। ভারতে যখন যে সরকারই আসুক না কেন, সম্পর্ক আওয়ামী লীগের সঙ্গেই থাকবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকালে যেসব চুক্তির কথা আলোচনা হচ্ছে তাতে বাংলাদেশের স্বার্থ কতটুকু রক্ষা হবে এসব আলোচনায় কানই দিতে চান না আওয়ামী লীগের পক্ষের আলোচকরা। তিস্তা চুক্তি এবারও হচ্ছে না বলা হচ্ছে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ তো স্পষ্ট করেই তা বলে দিয়েছেন। তারপরও এ বিষয়ে আলোচনা তো হতেই পারে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও এসেছিলেন বাংলাদেশে। তার জন্যই হয়নি তিস্তা চুক্তি। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আসেননি। চলেও গেছেন আগে। এটা কেমন শিষ্টাচার! প্রধানমন্ত্রীর ভারতীয় লোকসভায় যে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে তাতে রাজ্যের আপত্তি উপেক্ষা করে রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে সুসম্পর্কের প্রয়োজনে তিনি চুক্তিটি করেও ফেলতে পারেন। মমতা কি প্রধানমন্ত্রীকে সেই সুযোগ না দিয়ে কৃতিত্বটা নিজেই নিতে চান? তিস্তা চুক্তি নিয়ে নেতিবাচক সব মতামতের পরও তেমন একটা চমক ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে কেন্দ্র করে দেখা যেতে পারে বলে অনেকেই ভাবছেন। অপরদিকে ভারতের কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিএনপির কোনো পার্টি-টু-পার্টি রিলেশন ছিল না। শুধু ভারত কেন, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকেও পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের কোনো রাজনৈতিক দল বা নেতার সঙ্গে বিএনপি তেমন কোনো সম্পর্ক গড়তে পারেনি। অথচ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার আমলে অনেক বিশ্ব নেতার সঙ্গে তার বন্ধুপ্রতিম সম্পর্ক ছিল, যা তার হত্যাকাণ্ডের পর দেখা গেছে। বিদেশে তার নামে সড়ক হয়েছে, গাছের নাম হয়েছে 'জিয়া ট্রি'। এবার বিজেপিকে তারা বন্ধু বানাতে চাচ্ছে বলে মনে হয়। কংগ্রেসের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক বৈরীই ছিল বলা চলে। ভারতে বিজেপি-কংগ্রেস সম্পর্ক রাজনৈতিক সাংগঠনিকভাবে সাপে-নেউলে। গত লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে একেবারে ধসিয়ে দিয়েছে বিজেপি। বিএনপির হিসাবটা বোধ হয় এমন যে, 'আমার শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু'। বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে তারা মরিয়া বলেই মনে হয়। শোনা যায়, ভারতের লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই তারা দলটির নেতা নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। সেই উদ্যোগে লন্ডন থেকে তারেক রহমান কিছুটা সফলও হন বলে জানা যায়। নির্বাচনে জয়ের পর বিএনপি অভিনন্দন বার্তাও পাঠায়; ইতিপূর্বে ভারতের কোনো নতুন প্রধানমন্ত্রীকে এমন তাৎক্ষণিক অভিনন্দন জানানোর নজির নেই বিএনপির ইতিহাসে। এবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার সাক্ষাতের আয়োজন করার জন্য দলটির তৎপরতা লক্ষণীয়। এতে বোঝা যায়, বিএনপির ভারতনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে। কিন্তু এটা স্থায়ী হবে কিনা সেই প্রশ্নও আছে। সবার মনে থাকার কথা যে, বেগম খালেদা জিয়ার সর্বশেষ ভারত সফরকালে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। রাখা হয়েছিল বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানকে যে হোটেলে রাখা হয় তেমন স্থানে। তিনি সেখানে ঘোষণা করেছিলেন, 'আমরা অতীত (ভারত সম্পর্কে) ভুলে যেতে চাই। পেছনে নয়, আমরা সামনে তাকাব। ভারতের জন্য ক্ষতিকর কোনো কাজে বাংলাদেশের ভূখণ্ড কাউকে ব্যবহার করতে দেব না' ইত্যাদি। দেশে-বিদেশে সবাই প্রশংসা করেছিল তার সেই ঘোষণার। তাতে স্পষ্ট বোঝা গিয়েছিল বিএনপি তার ভারতনীতিতে পরিবর্তন এনেছে। কিন্তু তাতে বিএনপির অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা দক্ষিণপন্থি প্রতিক্রিয়াশীল এবং জামায়াত-ঘনিষ্ঠদের বোধহয় বুক কেঁপে উঠেছিল। ওইদিন রাতেই তার সফরসঙ্গী এক কর্মচারী (সে দলের কোনো পর্যায়ের নেতা নয়, কখনো বিএনপি করেওনি) দিল্লিতেই মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়ে দিলেন যে, 'বিএনপির ভারতনীতিতে কোনো পরিবর্তন হবে না।' সেই কর্মচারী এখনো আছেন। এখন নাকি আরও পাওয়ারফুল। দলের নিবেদিতপ্রাণ নেতা-কর্মী-সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী, হুইপ, চিফ হুইপ, এমপিরাও নাকি বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কাছে তার সামনে নস্যি। ভারতীয়দের মনে কি প্রশ্ন জাগতে পারে না যে, বেগম খালেদা জিয়া ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারতের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক বিন্যাসের যে ঘোষণা দিয়েছিলেন তা আন্তরিক ছিল না।

ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি বাংলাদেশে তার সঙ্গে দেখা করার অফিসিয়াল প্রোগ্রাম রেখেছিলেন। হরতালের কথা বলে তিনি তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি। কেন, ভারতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য ২-৩ ঘণ্টা বা একরাত হরতাল প্রত্যাহার করা যেত না? অনেকেই বলেন, দক্ষিণপন্থি প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের পরামর্শে তিনি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জিকে নয়, প্রকারান্তরে ভারত রাষ্ট্রকেই অবজ্ঞা করেছেন। এটা তার ভারতনীতির পরিবর্তন? এখন নরেন্দ্র মোদির এত 'প্রেম-ভিখারি' কেন বিএনপি? বিএনপির এই উপলব্ধি যদি সৎ ও আন্তরিক হয়, তা অবশ্যই মঙ্গলজনক। ভারতের সঙ্গে বৈরিতা করে বাংলাদেশের উন্নতি-অগ্রগতির চাকা সচল রাখা, গোটা অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার অপরিহার্য শর্ত পূরণ করা একেবারেই অসম্ভব। বাংলাদেশে ক্ষমতার রাজনীতিতে সফল হওয়া তো আরও অসম্ভব। বিএনপি এই লক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে সম্পর্ক ও বন্ধুত্ব নির্মাণের যে পরীক্ষা দিচ্ছে প্রতিপক্ষ তা নিয়ে উপহাস করলেও এই পরীক্ষার রাজনৈতিক মূল্য অপরিসীম। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য বিএনপিকে অভ্যন্তরীণ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে সম্পর্ক স্থাপনে আন্তরিকতার প্রমাণ দিতে হবে। এতদিন যারা এ কাজে বাগড়া দিয়েছে তাদের অফিস থেকে এবং দল থেকে বের করে দিতে হবে। উপর থেকে নিচে সর্বত্র প্রগতিশীল ও প্রকৃত জাতীয়তাবাদী গণতন্ত্রীদের হাতে নেতৃত্ব দিতে হবে। জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। মৌলবাদীদের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়তে হবে। তবে ইসলামপ্রিয়তা ও মৌলবাদ নিশ্চয়ই সমার্থক নয়। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য নির্লজ্জের মতো বিএনপি যা করছে তা একটু বেশিই মনে হচ্ছে। মনে হয় পাগল হয়ে গেছে। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় বিএনপির প্রয়াসে লীগ মহলইবা এত বিচলিত কেন? বিএনপি-বিজেপি সম্পর্কে কি তারা তাদের সর্বনাশের বীজ দেখছে? এত ভয় কেন? কই তারা মোদি-খালেদা সাক্ষাৎ ঠেকাতে পারল কই? আজ তো তাদের দেখা হচ্ছেই। ভারতের সব দলের সঙ্গেই বাংলাদেশের সব দলের সম্পর্ক হোক না, তাতে ক্ষতি কী?

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট

ই-মেইল : [email protected]

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

১৪ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

২৪ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা