শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:২৪, শুক্রবার, ০৮ এপ্রিল, ২০১৬

পদ্মা ব্রিজ থেকে বড়

মুহম্মদ জাফর ইকবাল
Not defined
অনলাইন ভার্সন
পদ্মা ব্রিজ থেকে বড়

১.

এপ্রিলের ২ তারিখ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সঙ্গে আমাদের দেশেও বিশ্ব অটিজম দিবস পালন করা হয়েছে। সেই দিনটিতে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে অটিস্টিক শিশুদের একটা অসাধারণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল এবং আমি সেখানে খুব চমৎকার একটা সন্ধ্যা কাটিয়ে এসেছিলাম।

একটা সময় ছিল যখন এই দেশের মানুষ অটিজম বা অটিস্টিক শব্দটার সঙ্গে পরিচিত ছিল না।  দুটি কারণে এখন এই দেশের কম-বেশি সব মানুষই এই শব্দটার সঙ্গে পরিচিত। প্রথমত, অটিজম নিয়ে দেশে একটা জনসচেতনতার জন্য অনেক কাজ হয়েছে এবং দ্বিতীয়ত, তার চেয়েও মনে হয় গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা সবাই এক ধরনের বিস্ময় নিয়ে আবিষ্কার করছি যে, আমাদের পরিচিত এবং আত্মীয়স্বজনের ভিতর অটিস্টিক শিশুরা জন্ম নিতে শুরু করেছে। মনোবিজ্ঞানের একটা বইয়ে আমি পড়েছিলাম কোনো একটি হাসপাতালের একজন ডাক্তার যখন প্রথমবার একটি অটিস্টিক শিশুকে দেখেছিলেন তখন তিনি এত অবাক হয়েছিলেন যে, সঙ্গে সঙ্গে তার সব ছাত্রছাত্রী এবং সহকর্মীকে শিশুটিকে দেখার জন্য ডেকে পাঠিয়েছিলেন। তাদের বলেছিলেন, এরকম বিস্ময়কর একটা শিশু দেখার সুযোগ তারা হয়তো জীবনে আর কখনো নাও পেতে পারে। সেই ডাক্তার ঘূর্ণাক্ষরেও কল্পনা করেননি মাত্র কয়েক দশকের ভিতরেই অটিস্টিক শিশুর সংখ্যা আকাশছোঁয়া হয়ে যাবে। সারা পৃথিবীর পরিসংখ্যান অনুযায়ী পৃথিবীর প্রায় এক-শতাংশ মানুষ অটিস্টিক— আমেরিকার সর্বশেষ সংখ্যাটি প্রতি ৬৮ জনে একজন। পৃথিবীর অটিস্টিক শিশুর সংখ্যা কীভাবে বাড়ছে সেটি দেখলে এক ধরনের আতঙ্ক হয় অথচ সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপার হলো বিজ্ঞানীরা এখনো জানেন না এর কারণ কী!

আমরা যারা অটিস্টিক শিশু দেখেছি তারা সবাই জানি এরা একা একা থাকতে চায়। সত্যি কথা বলতে কী অটিস্টিক শব্দটা যে গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে তার অর্থ ‘নিজ’— অর্থাৎ তারা নিজেদের মাঝে নিজেকে গুটিয়ে রাখে। কারও দিকে তাকাতে চায় না, কারও সঙ্গে কথা বলতে চায় না, বন্ধুত্ব করতে চায় না। এখন অটিস্টিক শব্দটার সঙ্গে ‘স্পেকট্রাম’ শব্দটা যোগ করা হয়েছে, এটা দিয়ে বোঝানো হচ্ছে এর ব্যাপ্তিটি অনেক বড়। খুবই মৃদুভাবে অটিস্টিক থেকে শুরু করে খুবই প্রবলভাবে অটিস্টিক হওয়া সম্ভব। অটিস্টিক শিশুদের মস্তিষ্কের মাঝে কোন রহস্যময় কোন বিষয়টি ঘটে আমরা জানি না কিন্তু মাঝে মাঝেই আমরা দেখি কোনো একজন অটিস্টিক শিশু একটা বিশেষ দিকে অবিশ্বাস্য রকম পারদর্শী! হয়তো অস্বাভাবিক গণিত করতে পারে, বিস্ময়কর ছবি আঁকতে পারে কিংবা অকল্পনীয়ভাবে সংগীতের সুর মনে রাখতে পারে। এরা কীভাবে এটি করে কেউ জানে না। সারা পৃথিবীর অসংখ্য বিজ্ঞানী মিলে এই রহস্য ভেদ করার চেষ্টা করছেন, হয়তো একদিন আমরা এর কারণটি জানতে পারব।

কোনো কিছুর সত্যিকার কারণটি জানা না থাকলে সেটা নিয়ে হাজারো রকম জল্পনা-কল্পনা হয়, অটিজমের জন্যও সেটা সত্যি। প্রথম প্রথম অটিজমের জন্য ঢালাওভাবে মায়েদের দোষ দেওয়া শুরু হয়েছিল। এক সময় শোনা যেত মায়েরা সন্তানদের অবহেলা করেছেন বলে তাদের অটিজম হয়েছে। বিজ্ঞানীরা রীতিমতো গবেষণা করে এই হৃদয়হীন ধারণাটাকে ভুল প্রমাণ করেছেন। আমি যেহেতু এই বিষয়ের একজন বিশেষজ্ঞ নই তাই এর খুঁটিনাটি জানি না, কিন্তু অটিজমের যে একটি জিনেটিক অংশ আছে সেটি সবাই স্বীকার করে নিয়েছেন। দেখা গেছে সারা পৃথিবীতে মেয়ে অটিস্টিক শিশু থেকে ছেলে অটিস্টিক শিশুর সংখ্যা চার গুণ বেশি। হুবহু এক রকম যমজ শিশুদের নিয়ে গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন, অটিজম পুরোপুরি জিনেটিক নয়, আমাদের চারপাশে যা কিছু ঘটছে সেটাও কোনো না কোনোভাবে দায়ী। আমরা এখনো জানি না সেটি কী— পৃথিবীর শিশুদের অটিস্টিক করে দেওয়ার জন্য দায়ী সেই অভিশাপটি খুঁজে বের করার জন্য বিজ্ঞানীরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন।

২.

আমি অনেক অটিস্টিক শিশুর মা-বাবার সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, তাদের সন্তানরা পুরোপুরি স্বাভাবিক শিশু হয়ে বড় হচ্ছিল। দুই বছরের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর হঠাৎ করে তাদের সন্তানদের মাঝে অটিস্টিক শিশুর বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা দিতে শুরু করেছে। তাদের কথা শুনে মনে হয় তখন যেন কিছু একটা ঘটে যায় যেটা হঠাৎ করে সুস্থ এবং স্বাভাবিক একটা শিশুর মস্তিষ্ক গঠনের মাঝে এক ধরনের ভিন্ন কাজ শুরু করে দেয়। সেটি কী? আমার পরিচিত যারা তাদের অটিস্টিক শিশুদের নিয়ে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের কাছে গিয়েছেন তাদের সবাইকে উপদেশ দেওয়া হয়েছে শিশুদের যেন টেলিভিশন থেকে দূরে রাখা হয়।

অটিজমের সঙ্গে টেলিভিশনের সম্পর্ক নিয়ে আমেরিকার কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক একটি গবেষণাপত্র লিখেছিলেন। তিনি দেখিয়েছিলেন আমেরিকার যেসব স্টেটে হঠাৎ করে টেলিভিশন নেটওয়ার্ক অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠেছে সেসব স্টেটে অটিস্টিক শিশুর সংখ্যাও হঠাৎ করে বেড়ে উঠেছে। কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই অধ্যাপক মনোরোগের বিশেষজ্ঞ ছিলেন না এবং বিজ্ঞানীরা তার সেই গবেষণা পত্রটিকে গ্রহণ করেননি, বরং এটি লেখার জন্য তাকে অনেক গালমন্দ শুনতে হয়েছে।

আমিও বিশেষজ্ঞদের গালমন্দ শোনার ঝুঁকি নিয়ে টেলিভিশনের বিরুদ্ধে, বিশেষ করে ছোট শিশুদের টেলিভিশন দেখার বিরুদ্ধে কিছু কথা বলি। আমরা সবাই ‘ভিডিও গেম’-এর সঙ্গে পরিচিত। এক সময় এটা টেলিভিশনে খেলা হতো, এখন কম্পিউটার, ল্যাপটপ স্মার্টফোনেও খেলা হয়। আমরা সবাই দেখেছি ছোট বাচ্চারা এই খেলা খুব পছন্দ করে। কিন্তু সবাই কী জানে কম্পিউটারের এই গেমের ম্যানুয়েলের শেষে খুব ছোট ছোট অক্ষরে একটা সতর্কবাণী লেখা থাকে, যেখানে বলা হয় এই ভিডিও গেম দেখে কারও কারও এপিল্পেসি বা মৃগী রোগ শুরু হয়ে যেতে পারে? আমি প্রথম যখন দেখেছিলাম তখন আতঙ্কে শিউরে উঠেছিলাম। আমরা জানি আমাদের মস্তিষ্ক খুবই রহস্যময় একটা বিষয়। এটা কীভাবে কাজ করে আমরা জানি না, আমার ধারণা মাত্র আমরা সেটা বুঝতে শুরু করেছি। মৃগী বা এপিল্পেসি মস্তিষ্কের এক ধরনের বিপর্যয়, যারা ভিডিও গেম বিক্রয় করেন তারা ছোট ছোট অক্ষরে লিখতে বাধ্য হয়েছেন যে এই গেমটি খেলতে গিয়ে মস্তিষ্কে একটা বিপর্যয় ঘটতে পারে। এটা কীভাবে হয় জানা নেই কিন্তু ভিডিও স্ক্রিনের আলোর বিচ্ছুরণের সঙ্গে এর একটা সম্পর্ক আছে বলে বিজ্ঞানীরা স্বীকার করে নিয়েছেন। যার অর্থ টেলিভিশন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনের স্ক্রিনে আলোর বিচ্ছুরণ আমাদের চোখ দিয়ে মস্তিষ্কে পৌঁছে সেখানে একটা বিপর্যয় ঘটিয়ে দিতে পারে। সবার জন্য এটা সত্যি নয়, কারও কারও জন্য এটা সত্যি। একটা ছোট শিশুর বেলায় কোন শিশুর জন্য এটা সত্যি হবে আমরা জানি না, তাহলে কেন আমরা না জেনে আমাদের শিশুদের জন্য এই ঝুঁকি নেব। তাই আমি পুরোপুরি অবৈজ্ঞানিকের মতো আমার পরিচিত সব মাকে বলি, খবরদার আপনার ছোট শিশুটিকে একটা টেলিভিশনের সামনে বসিয়ে রাখবেন না।

তাকে শান্ত রাখার জন্য তার হাতে একটা স্মার্টফোন তুলে দেবেন না। তাকে বই পড়ে শোনান। তাকে হাত দিয়ে ধরা যায়, ছোঁয়া যায়, ভেঙে ফেলা যায়, তৈরি করা যায়— এরকম খেলনা দিয়ে খেলতে দিন। অন্য বাচ্চাদের সঙ্গে ছোটাছুটি করতে দিন। অযাচিতভাবে মায়েদের এরকম উপদেশ দেওয়ার আমার কোনো অধিকার আছে কিনা জানি না, কিন্তু দীর্ঘজীবনে অসংখ্য শিশুকে গড়ে উঠতে দেখে আমার মনে হয়েছে একটা শিশুকে শিশুর মতো বড় হতে দেওয়াটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় কমনসেন্স। টেলিভিশন ল্যাপটপ কিংবা স্মার্টফোন নিয়ে বড় হওয়া শিশুদের কাজ নয়।

টেলিভিশন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ আর স্মার্টফোন থেকে শিশুদের সরিয়ে রেখে তাদের বই পড়ে শোনালে খুবই বিস্ময়কর একটা ঘটনা ঘটে। শিশুরা নিজে থেকেই পড়তে শিখে যায়। আমি বাজি ধরে বলতে পারি যখন একজন মা কিংবা বাবা দেখবেন তাদের শিশুর বর্ণ পরিচয় হয়নি, সে অ, আ, ক, খ চেনে না কিন্তু একটা বই গড় গড় করে পড়তে পারে, তখন সেই দৃশ্য দেখে তারা যেটুকু আনন্দ পাবেন এবং অবাক হবেন তার কোনো তুলনা নেই। আমি নিজে সেই বিস্ময়কর আনন্দটি পেয়েছি এবং আমার কথা বিশ্বাস করে আমার পরিচিত যেসব বাবা-মা তাদের শিশুদের খুব ছোটবেলা থেকে বই পড়িয়ে শুনিয়েছেন তারাও এই বিস্ময়কর আনন্দটি পেয়েছেন।

৩.

আমি আগেই বলেছি আজকাল অটিজম শব্দটির সঙ্গে স্পেকট্রাম শব্দটি জুড়ে দেওয়া হয়েছে যার অর্থ অত্যন্ত মৃদুভাবে অটিস্টিক থেকে শুরু করে অত্যন্ত প্রবলভাবে অটিস্টিক হওয়া সম্ভব। অত্যন্ত প্রবলভাবে অটিস্টিক একজন শিশু সারা জীবনই নিজেদের ভিতরে এমনভাবে গুটিয়ে থাকতে পারে যে, সে হয়তো কোনো দিন মুখে একটি শব্দ পর্যন্ত উচ্চারণ না করে জীবন কাটিয়ে দেবে কিংবা একেবারে দৈনন্দিন কাজগুলো পর্যন্ত নিজে করতে পারবে না। সে জন্য কাউকে তাদের সাহায্য করতে হবে। এরকম শিশুদের বাবা-মায়েরা এক ধরনের অসহায় আতঙ্ক নিয়ে দিন কাটান। তারা ভাবেন যখন তারা থাকবেন না তখন তাদের অটিস্টিক শিশুদের কে দেখে-শুনে রাখবে? আন্তর্জাতিক অটিস্টিক দিবসে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটি ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশের সব অটিস্টিক শিশুর বাবা-মায়ের বুকের ভিতর এক ধরনের স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছেন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আমাদের রাষ্ট্র অভিভাবকহীন সব অটিস্টিক শিশু কিংবা প্রতিবন্ধীদের দায়িত্ব নেবে। সে জন্য একটা ট্রাস্ট ফান্ড তৈরি করে এই অসহায় শিশুদের একটি সুন্দর জীবনের নিশ্চয়তা দেবে। নিজেদের অর্থে পদ্মা ব্রিজ তৈরি করার ঘোষণাটি থেকেও এই ঘোষণাটিকে আমার বড় ঘোষণা বলে মনে হয়েছে! এর বাস্তবায়ন দেখার জন্য আমি অনেক আগ্রহে অপেক্ষা করতে শুরু করেছি।  আমি স্বপ্ন দেখি একদিন পৃথিবীর মানুষ বলবে, ‘যদি প্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নিতেই হয় তাহলে তুমি বাংলাদেশে জন্ম নাও— কারণ এই দেশটি সব রকম প্রতিবন্ধী মানুষকে বুক আগলে রক্ষা করে।  সুন্দর একটা স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকতে দোষ কী?

লেখক : অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন