শিরোনাম
প্রকাশ : ৭ মার্চ, ২০২১ ১১:১৬
আপডেট : ৭ মার্চ, ২০২১ ১১:১৯
প্রিন্ট করুন printer

মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে নিউ জার্সি স্টেট পার্লামেন্টে রেজ্যুলেশন

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি

মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে 
নিউ জার্সি স্টেট পার্লামেন্টে রেজ্যুলেশন

মুজিববর্ষ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে নিউ জার্সি স্টেট সিনেট এবং জেনারেল এ্যাসেম্বলিতে যৌথভাবে পাশ হওয়া রেজ্যুলেশনে বাংলাদেশি-আমেরিকান এবং বাংলাদেশের মানুষকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। একইসাথে বাঙালি জাতিকে স্বাধিকার প্রদানে বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্ব এবং সদ্য স্বাধীন দেশটিকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে আত্মনিয়োগকারী বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে এই রেজ্যুলেশনে। 

যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সম্মিলিত উদ্যোগে পাশ হওয়া এই রেজ্যুলেশনের কপি ৫ মার্চ নেতৃবৃন্দের কাছে হস্তান্তর করেন নিউ জার্সি স্টেট সিনেটর লিন্ডা এম গ্রিনস্টাইন। এ সময় ছিলেন নিউ জার্সিও প্লেইন্সবরো সিটি কাউন্সিলের মেম্বার এবং যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরুন্নবী, নির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. জিনাত নবী, সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ, সেক্রেটারি বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল বারি, সাংগঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের যুক্তরাষ্ট্র শাখার জ্যেষ্ঠ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার, ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সম্পাদক আশরাব আলী খান লিটন, দপ্তর সম্পাদক এ টি এম রানা, কার্যকরী সদস্য এ টি এম মাসুদ প্রমুখ।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের কাছে পেয়ে ডেমক্র্যাটিক পার্টির সিনেটর লিন্ডা নিজেকে গর্বিত মনে করেন এবং সকলকে সশ্রদ্ধ শ্রদ্ধা জানান। স্টেট সিনেটরের ক্রেনব্যুরির অফিসে সংক্ষিপ্ত এ অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার এবং সমাপনী বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরুন্নবী। এ সময় সিনেটর লিন্ডার মাধ্যমে নিউ জার্সির স্টেট পার্লামেন্টের সকল সদস্যকে ধন্যবাদ  ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয় প্রবাসীদের পক্ষ থেকে।

দীর্ঘ সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভাবনাকে বাস্তবায়িত করতে আত্মনিয়োগ করেছিলেন এবং তা সঠিকভাবে এগিয়ে চলছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত-উল্লেখ করা হয়েছে রেজ্যুলেশনে। ‘সেই চেতনায় বর্তমানে তাঁরই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ তার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছে। বাঙালিরা অত্যন্ত গৌরবের সাথে স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকী পালন করছেন জাতিগতভাবে নিজেদেরকে মহিমান্বিত করে। নিউজার্সিতে বসবাসরত বাংলাদেশীরা নিজেদের ইতিহাস-ঐতিহ্য ধারণ করে বহুজাতিক এ সমাজকে বৈচিত্রমণ্ডিত করেছেন এবং আমরা সকলে সম্মিলিতভাবে দেশটিকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিচ্ছি। এই ধারায় বাংলাদেশও সমৃদ্ধির পথে ধাবিতে হবে-সে সংকল্পই গ্রহণ করবেন সকল বাঙালি মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে’-আশা প্রকাশ করা হয়েছে দীর্ঘ এ রেজ্যুলেশনে।

স্টেট সিনেটের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন এম সুইনি এবং জেনারেল এ্যাসেম্বলির স্পিকার ক্রেইগ জে কলিন স্বাক্ষরিত রেজ্যুলেশনটি পাঠের পর জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু ধ্বনিতে তা গ্রহণ করেন মুক্তিযোদ্ধারা। উল্লেখ্য, এর আগে জর্জিয়া স্টেট সিনেটের অপর এক রেজ্যুলেশনে বাঙালি জাতির মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শনের পর মহান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। সেই রেজুলেশনের উদ্যোক্তা ছিলেন জর্জিয়ায় প্রথম বাংলাদেশি তথা প্রথম মুসলমান স্টেট সিনেটর শেখ রহমান। তাকে সহায়তা করেছেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা। 


বিডি প্রতিদিন/ফারজানা
 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর