শিরোনাম
প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০৮:৫২

বার্সার বিপক্ষে কপাল পুড়ল ইন্টারের

অনলাইন ডেস্ক

বার্সার বিপক্ষে কপাল পুড়ল ইন্টারের
সংগৃহীত ছবি

চলতি মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগের ডেথ গ্রুপ ভাবা হচ্ছিল ‘এফ’-কে। সেই গ্রুপেই পড়েছে বার্সেলোনা, ইন্টার মিলান, বরুসিয়া ডর্টমুন্ট ও স্লাভিয়া প্রাগের মতো দলগুলো। তাতে কপাল পুড়েছে নেরাজ্জুরিদের।

কঠিন এক সমীকরণকে সামনে রেখে মঙ্গলবার দিনগত রাতে বার্সাকে আতিথেয়তা দেয় ইন্টার। ম্যাচটিতে জয়ের ভালো সুযোগ পেয়েছিল তারা। বার্সার স্কোয়াডে ছিলেন না তাদের প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি, জেরার্ড পিকে ও সের্গি রবার্তোর মতো তারকারা। কিন্তু তাতেও তারুণ্যনির্ভর আরনেস্তো ভালভার্দের দলের সঙ্গে পেরে ওঠেনি ইন্টার। 

শেষ ষোলোয় যাওয়ার জন্য জন্য মাঠে নেমে ২৩ মিনিটে গোল হজম করে বসে কন্তের শিষ্যরা। বার্সাকে এগিয়ে দেন চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা কার্লেস পেরেজ। তবে বিরতিতে যাওয়ার কিঞ্চিৎ আগেই নেরাজ্জুরিদের সমতায় ফেরান রোমেলু লুকাকো। ৪৪ মিনিটে বার্সার জালে বল জড়িয়ে দেন এই বেলজিয়ান ফরোয়ার্ড। 

দ্বিতীয়ার্ধেও বার্সার আক্রমণ প্রতিহত করে কাউন্টার অ্যাটাকে উঠছিল ইন্টার। কিন্তু ম্যাচের ৬২ মিনিটে আমূল পাল্টে যায় কন্তের মুখ। কারণ আরেক ম্যাচে ডর্টমুন্ড তখন স্লাভিয়া প্রাগের বিপক্ষে এগিয়ে গেছে ২-১ ব্যবধানে। ফলে সমীকরণটা এমন দাঁড়ায় যে, জিততেই হবে ইন্টারকে। সেই কাজ করতে গিয়ে আক্রমণের ধার বাড়ায় স্বাগতিকরা।

৮৬ মিনিটে লুইস সুয়ারেজের কাছ থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের সামান্য বাইরে থেকে নিচু শটে ইন্টার গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন বদলি খেলোয়াড় আনসু ফাতি। সদ্য ১৭ পেরোনো এই ফরোয়ার্ড মাঠে নেমেছিলেন তখন দুই মিনিটও হয়নি। চ্যাম্পিয়নস লিগে ফাতির এটি তৃতীয় ম্যাচে প্রথম গোল। 

ম্যাচের বাকি সময়টাতে সেই গোল আর শোধ করতে পারেনি ইন্টার। গত আসরের মতো এবারও তাদের বিদায় নিতে হয় গ্রুপ পর্বেই। এবারও তাদের ঘাতকের নাম বার্সা। 

চলতি মৌসুমে ছয় ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হয়েছে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ষোলোয় তাদের সঙ্গী জার্মান ক্লাব ডর্টমুন্ড। ইন্টারের পয়েন্ট সাত। দুই পয়েন্ট পেয়ে আগেই বিদায়ের খাতায় নাম লিখে ফেলেছিল স্লাভিয়া প্রাগ। 

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

close