শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ জুন, ২০২১ ১৮:৪৫
প্রিন্ট করুন printer

সিলেটে পাঁচ দিনেও জট খুলেনি জোড়া লাশ উদ্ধারের

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেটে পাঁচ দিনেও জট খুলেনি জোড়া লাশ উদ্ধারের
Google News

সিলেটের ওসমানীনগরে জোড়া লাশ উদ্ধারের ঘটনায় থানায় দুটি মামলা হলেও পাঁচদিনে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। কী কারণে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছিল তা এখনো রয়ে গেছে অজানা। স্কুলশিক্ষিকা তপতী দে লাভলীকে খুন করে গৃহকর্মী গৌরাঙ্গ সরকার গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে- প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ এমনটা নিশ্চিত হলেও কী কারণে সে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা জানা নেই কারো।

ঘটনার পর গৌরাঙ্গের ভাই গোবিন্দ সরকার থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করলেও তার দাবি ময়নাতদন্তের কথা বলে পুলিশ তার স্বাক্ষর নিয়েছে। তার দাবি গৌরাঙ্গ আত্মহত্যা করেনি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে খুনিরা লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে। 

গত শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে পুলিশ ওসমানীনগর উপজেলার সোয়াইরগাঁওস্থ নিজ বাড়ির একই কক্ষ থেকে তপতী দে লাভলীর গলাকাটা ও গৃহকর্মী গৌরাঙ্গ সরকারের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। এসময় ঘরের দরজা ভেতর থেকে লাগানো ছিল। জানালা ভেঙ্গে পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে। 

এ ঘটনায় গৌরাঙ্গের ভাই গোবিন্দ সরকার থানায় একটি অপমৃত্যু ও তপতী দে’র ছেলে তন্ময় দে বিপ্লব গৃহকর্মী মৃত গৌরাঙ্গকে আসামী করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশও ওই সময় জানিয়েছিল, প্রাথমিক তদন্তে তাদের মনে হচ্ছে কোন ক্ষোভ থেকে স্কুল শিক্ষিকা তপতীকে খুন করে গৃহকর্মী গৌরাঙ্গ আত্মহত্যা করেছে। 

এদিকে, মামলা দায়েরের পরদিন থেকে গৌরাঙ্গের ভাই গোবিন্দ দাবি করে আসছেন, স্কুলশিক্ষিকার সাথে তার ভাইকেও দুর্বৃত্তরা খুন করেছে। হত্যাকাণ্ডকে ধামাচাপা দিতে খুনিরা গৌরাঙ্গের লাশ ঝুলিয়ে রেখেছিল। গোবিন্দের দাবি ঘটনার পর পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তে পাঠানোর কথা বলে একটি কাগজে তার স্বাক্ষর নেয়। পরে তিনি জানতে পারেন তিনি নাকি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন। 

ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বণিক গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষিকার ছেলের দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে। নিহত গৃহকর্মীর পরিবারের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সার্বিক বিষয়গুলো পুলিশ তদন্তে রয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর

এই বিভাগের আরও খবর