শিরোনাম
প্রকাশ : ৮ এপ্রিল, ২০২০ ১৯:২৭

করোনাভাইরাস; চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় রোগীদের ভোগান্তি

রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম:

করোনাভাইরাস; চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় রোগীদের ভোগান্তি

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল স্বাভাবিক রোগীদের চিকিৎসায় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। চালু করা হয়েছে কাশি সর্দি ও জ্বরের জন্য ফ্লু কর্নার। আছে ২৪ ঘণ্টার হটলাইন। আছে বেসরকারি হাসপাতালগুলো। কিন্তু বিপরীতে চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলার বাসিন্দারা স্বাভাবিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো স্বাস্থ্যসেবার প্রধান কেন্দ্র হলেও সেখানে মিলছে না চিকিৎসা। বহির্বিভাগ চালু থাকলেও সেবা নেই। ফলে উপজেলা পর্যায়ের স্বাভাবিক রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানা যায়।   

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি উপজেলায় একটি করে ৫০ শয্যার হাসপাতাল আছে। এসব হাসপাতালে সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বহির্বিভাগে রোগী দেখা হয়। তাছাড়া কিছু উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে ২০ ও ৩০ শয্যার কিছু ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে একটি করে কমিউনিটি ক্লিনিক আছে। কিন্তু সরকারি এসব সেবাকেন্দ্রে এখন প্রয়োজনীয় সেবা পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে স্বাভাবিক চিকিৎসা অব্যাহত রাখা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া আছে। প্রত্যেক চিকিৎসককে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। এরপরও হয়তো চিকিৎসক সংকট আছে। বিষয়টি আমরা অবগত আছি।’  

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, করোনাভাইরাস প্রকোপ দেখা দেওয়া পর থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের দেখা মিলে না। ফলে বিপাকে পড়ছেন স্বাভাবিক রোগীরা। পক্ষান্তরে, বেসরকারি রোগ নির্ণয় কেন্দ্রগুলোতে প্রতিদিন বিকাল-সন্ধ্যায় প্রাইভেট চেম্বার করতেন। কিন্তু গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে হাতেগণা কয়েকটি ছাড়া বাকি সবগুলো বন্ধ। কোথাও ল্যাব খোলা থাকলেও চিকিৎসক নেই। 

একাধিক ল্যাবের মালিক বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর থেকে চিকিৎসকরা চেম্বার করছেন না।’ 

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার


আপনার মন্তব্য