শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৭:৫৮
আপডেট : ২২ ডিসেম্বর, ২০২০ ২১:০৯
প্রিন্ট করুন printer

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ; ওসিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আদালত প্রতিবেদক

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ; ওসিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
প্রতীকী ছবি

চাঁদাবাজির অভিযোগে রাজধানীর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মো. নোমান মামলাটি আমলে নিয়ে মহানগর গোয়েন্দা সংস্থাকে (ডিবি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুল ইসলাম, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) খায়রুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম ও পুলিশের কথিত সোর্স দেলোয়ার হোসেন।

এর আগে গত ১৭ নভেম্বর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. রহিম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আজ তদন্তের আদেশ দেন।

মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রহিম গত ১২ অক্টোবর সন্ধ্যায় কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন। রাত ৮টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার চুনকুটিয়া ব্রিজের ওপর আসলে অজ্ঞাতনামা তিনজন তার গতিরোধ করে। তারা নিজেদের ঢাকা জেলা ডিবি পুলিশের সদস্য পরিচয় দেন। রহিমের নামে ডিবিতে একটি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে বলে জানায়। পরে তারা রহিমকে একটি দোকানে নিয়ে তল্লাশি করেন। তবে তার কাছ থেকে কিছু উদ্ধার করতে পারেনি।
এরপর তারা রহিমকে দোকান থেকে বের করে বাবু বাজার ব্রিজের কাছে নিয়ে যান। সেখানে এসআই আনিসুল ইসলাম, এএসআই খায়রুল ইসলাম ও সোর্স দেলোয়ার উপস্থিত ছিলেন। এই তিনজন নিজেদের কাছ থাকা ইয়াবা বের করে অভিযোগ করেন, এগুলো রহিমের কাছ থেকে পাওয়া গেছে।

ওই সময় এএসআই আনিসুল ইসলাম বলেন, যদি ফাঁসতে না চাস, তাহলে দ্রুত দুই লাখ টাকা জোগাড় কর। না হলে মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে মামলায় ফাঁসিয়ে দেব। এ থেকে বাঁচার জন্য রহিম তার কাছে থাকা এক ভরি স্বর্ণের চেইন, নগদ ১৩ হাজার টাকা তুলে দেন। দাবিকৃত দুই লাখ টাকা দিতে না পারায় তারা রহিমকে রাত সোয়া ৯টার দিকে থানায় নিয়ে যান। পরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে রহিম তাদের ৫০ হাজার টাকা দেন। রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ওসি মিজানুর রহমান রহিমকে ডেকে নেন এবং তাকে বলেন, তোকে বাঁচিয়ে দিলাম। ছোট মামলা দিলাম, দুই একদিনের মধ্যে বের হয়ে আসতে পারবি।

অভিযোগ থেকে আরও জানা গেছে, দাবিকৃত টাকা পেয়েও রহিমের বিরুদ্ধে ১০ পিস ইয়াবার মামলা দিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। ১৭ দিন জেলখাটার পর ৩০ অক্টোবর মুক্তি পান ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রহিম।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:২২
প্রিন্ট করুন printer

খুলনা বিএনপি’র ২০ নেতাকর্মী কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

খুলনা বিএনপি’র ২০ নেতাকর্মী কারাগারে

খুলনা নগরীতে গ্রেফতার হওয়া বিএনপি’র ২০ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেb আদালত। আজ বৃহস্পতিবার বিকালে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

২০২০ সালের ৩ মার্চ বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে মারামারির মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। জানা যায়, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর থেকে নগর বিএনপির সহসভাপতি জাহিদুল ইসলাম, খানজাহান আলী থানা যুবদল নেতা মাসুম খান, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মোল্লা জাকির হোসেন, মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শামিম আশরাফ, ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি হায়দার আলী লাবুসহ ২০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

খুলনা সদর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক শাহনেওয়াজ জানান, ২০২০ সালে মারামারির ওই ঘটনায় আরিফা ইয়াসমীন নামের ভুক্তভোগী একজন মামলা করেন। তার স্বামীকে বিএনপি অফিসের সামনে মারধর করা হয়েছিল।

এদিকে মহানগর বিএনপি সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি সমাবেশ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই পুলিশ হঠাৎ করে গ্রেফতার অভিযান শুরু করেছে। তারা বিভিন্ন স্থান থেকে ২০/২২ জন বিএনপি নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে। রাতের বেলায় বাড়িতে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। এটা মানবাধিকার লঙ্ঘন।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, খুলনায় যদি পাঁচ হাজার নেতাকর্মীও গ্রেফতার হয়, তারপরও সমাবেশ হবে। আজ বৃহস্পতিবার দলীয় কার্যালয়ে ‘সমাবেশের সর্বশেষ অবস্থা’ জানিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি গ্রেফতার হওয়া সকল নেতাকর্মীকে মুক্তি ও পুলিশকে এই আচরণের জন্য ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:১১
প্রিন্ট করুন printer

প্রকৌশলী পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে একজন আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

প্রকৌশলী পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে একজন আটক
প্রকৌশলী পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ব্যক্তি।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) প্রকৌশলী পরিচয়ে চাঁদাবাজিসহ প্রতারণার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের আজিজিয়া হাউজিং এলাকা থেকে তাকে আটক করে বিকেলে থানা পুলিশে সোপর্দ করে।

আটক ব্যক্তির নাম মো. সবুর খান (৪২)। তিনি নগরীর বৈদ্যপাড়া এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে জেলার বানারীপাড়ায় এলজিইডি’র একটি প্রকল্পে মাস্টাররোলে হিসেবে কাজ করছেন। তিনি ঝালকাঠী জেলার কাঠালিয়া উপজেলার আ. সোবাহান খানের ছেলে।

সিটি কর্পোরেশনের কর নির্ধারক বেলায়েত বাবলু জানান, সবুর খান বিভিন্ন সময় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণাধীন বাড়ির মালিকদের কাছে গিয়ে নিজেকে সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশলী পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজিসহ প্রতারণা করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশলী ফরিদ মাহমুদ পরিচয়ে ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের আজিজিয়া হাউজিং এলাকায় মো. মাইনুদ্দিনের নির্মাণাধীন ৪তলা ভবনের অনুমোদিত নকশাসহ কাগজপত্র দেখতে চান। কিন্তু বিষয়টি মাইনুদ্দিনের স্ত্রী আনজুমান আরার সন্দেহ হলে তিনি বিষয়টি তার পূর্ব পরিচিত সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হেলালুজ্জামানকে জানান।

খবর পেয়ে সিটি কর্পোরেশনের একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী ঘটনাস্থলে গিয়ে বিসিসি’র কথিত প্রকৌশলী ফরিদ মাহমুদকে আটক করেন।

এর আগেও তিনি নগরীর ৭ নম্বর এবং ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে গিয়ে সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশলী পরিচয়ে নির্মাণাধীন ভবন মালিকদের কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের চাঁদা আদায় করেছেন বলে অভিযোগ করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাজী মোয়াজ্জেম হোসেন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে তিনি জানান। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম জানান, আটক প্রতারক সবুর খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:৫২
প্রিন্ট করুন printer

ডিএমপির এডিসি ও এসি পদমর্যাদার ৪ কর্মকর্তার পদায়ন

অনলাইন ডেস্ক

ডিএমপির এডিসি ও এসি পদমর্যাদার ৪ কর্মকর্তার পদায়ন

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) পদমর্যাদার তিন জন ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) পদমর্যাদার এক জন কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হয়েছে।

বুধবার ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ পদায়ন করা হয়।

ডিএমপির পিওএম-পশ্চিম বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়াকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ক্রাইম কমান্ড এন্ড কন্ট্রোল সেন্টার, অপারেশনস বিভাগ, পিওএম-পশ্চিম বিভাগে সংযুক্ত অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আব্দুন নূরকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার পিওএম-পশ্চিম বিভাগ, ক্রাইম কমান্ড এন্ড কন্ট্রোল সেন্টারের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আছমা আরা জাহানকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গোয়েন্দা-উত্তরা বিভাগ ও লজিস্টিকস বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (ইকুইপমেন্ট) নাজিয়া ইসলামকে সহকারী পুলিশ কমিশনার গোয়েন্দা রমনা বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:২১
প্রিন্ট করুন printer

খুলনায় হেরোইন পাচার মামলায় আসামির যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

খুলনায় হেরোইন পাচার মামলায় আসামির যাবজ্জীবন

খুলনায় হেরোইন পাচার মামলায় রিপন শেখ নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। 

একই মামলায় অপর দুই আসামি শাহিন মোড়ল ও মহিউদ্দিনকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এনামুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। রায় ঘোষণাকালে আসামি রিপন শেখ ও মহিউদ্দিন মোল্লা পলাতক ছিলেন। 

জানা যায়, ২০১৮ সালের ৬ এপ্রিল ডুমুরিয়ার চুকনগর বাজার থেকে ৪৫ গ্রাম হেরোইনসহ রিপন শেখসহ ওই তিনজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। 

এ ঘটনায় র‌্যাবের ডিএডি মো. অহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ডুমুরিয়া থানায় মামলা করেন। ওই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর ডুমুরিয়া থানার এসআই মো. আশিকুল আলম তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:৪৪
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:০১
প্রিন্ট করুন printer

রাজধানীর ওয়ারীতে কিশোরের গলা কাটা লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ওয়ারীতে কিশোরের গলা কাটা লাশ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর ওয়ারীর একটি বাসা থেকে গলা কাটা অবস্থায় হাসান (১২) নামে এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় বাসা থেকে আনুমানিক ৯০ হাজার টাকা ও কিছু স্বর্ণ খোয়া গেছে বলে দাবি করেছেন হাসানের খালা আয়শা।  

বুধবার দিবাগত ১২টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।

ওয়ারী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান জানান, ওয়ারীর পদ্মনিধি লেনের ৮/১/এ বাড়ির ছয় তলায় খালা আয়শা ও খালু জামাল ভূঁইয়ার সঙ্গে থাকতো হাসান। গত বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে খবর পেয়ে ওই বাসায় গিয়ে হাসানের গলা কাটা অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়।  

হাসানের খালার বরাত দিয়ে তিনি জানান, ঘটনার সময় হাসান বাসায় একা ছিল। তার খালা আয়শা মার্কেটে গিয়েছিলেন। মার্কেট থেকে বাসায় ফিরে দেখতে পান বাইরে থেকে দরজায় তালা দেওয়া। এক পর্যায়ে তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে হাসানকে গলা কাটা অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

আসাদুজ্জামান জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। এটা নিজস্ব লোক করেছে না বাইরের লোক এসে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বিস্তারিত বের করার জন্য পুলিশ কাজ করছে। নিহত হাসানের বাবা-মার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এরপর থেকে সে তার খালার কাছেই থাকতো বলে জানান তিনি।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর