শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২৩:০১

সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলনে চট্টগ্রাম বিএমএ!

প্রজ্ঞাপন অবজ্ঞা করে প্রতিবাদ সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলনে চট্টগ্রাম বিএমএ!

স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে গত ৩ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে সিনিয়র কনসালটেন্ট ও জুনিয়র কনসালটেন্ট পদে পদোন্নতির জন্য চিকিৎসকদের বায়োমেট্রিক প্রতিবেদন চাওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে প্রার্থীদের বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিগত ৬ মাসের প্রতিবেদন ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে পাঠাতে বলা হয়। এর পরই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) কর্তৃপক্ষ ১১ সেপ্টেম্বর থেকে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে শতভাগ হাজিরা নিশ্চিতের নির্দেশনাও দেয়। কিন্তু সরকার সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) চট্টগ্রাম শাখা এর বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে বিএমএ চট্টগ্রাম শাখার নিজস্ব কার্যালয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদ সভা করে। গতকালও তারা প্রতীকী আন্দোলন হিসেবে বায়োমেট্রিক হাজিরা প্রদান থেকে বিরত থাকেন। এরই মধ্যে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে বায়োমেট্রিক মেশিনের সংযোগ।  এ নিয়ে গতকাল দুপুরে চমেক ক্যাম্পাসে বিএমএ’র ব্যানারে কর্মসূচিও পালন করা হয়েছে। জানা যায়, বিএমএ চট্টগ্রাম শাখার পক্ষ থেকে সোমবার চমেক হাসপাতালের        পরিচালক, চমেকের অধ্যক্ষ এবং সিভিল সার্জনকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়, গতকাল কোনো চিকিৎসক বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা দেবেন না। আগের মতোই চিকিৎসকরা সনাতন পদ্ধতিতে হাজিরা দিয়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকবেন। এরপর সংযোগ বিচ্ছিন্নের ঘটনা ঘটে। বিএমএ চট্টগ্রামের সভাপতি মুজিবুল হক খাঁন বলেন, ‘স্বাস্থ্য ক্যাডারে পদোন্নতিতে বায়োমেট্রিক হাজিরার প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক করা হয়। অথচ অন্য কোনো ক্যাডার সার্ভিসে এ নিয়ম নেই। আমরা এ পদ্ধতির প্রতিবাদে গতকাল প্রতীকী আন্দোলন হিসেবে চিকিৎসকরা বায়োমেট্রিক হাজিরা দেননি। তবে হাসপাতালে কেউ বায়োমেট্রিক মেশিনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেনি।’


আপনার মন্তব্য