শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:০০

শক্তিশালী হচ্ছে খুলনা আওয়ামী লীগ

পকেট কমিটি ও গ্রুপিং নয়

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

পকেট কমিটি ও গ্রুপিং নয়

কোনো ধরনের পকেট কমিটি বা গ্রুপিং নয়। তৃণমূলে শক্তিশালী সাংগঠনিক কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা আওয়ামী লীগ। এরই মধ্যে নগর ও জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রথমবারের মতো দলের প্রবীণ ও বর্ষীয়ান নেতাদের সমন্বয়ে থাকছে উপদেষ্টা কমিটি। খুলনা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, কেন্দ্রীয় কমিটির আদলে ২৭ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি থাকবে। যারা দীর্ঘদিন দলের রাজনীতি করে বর্তমানে বার্ধক্যে পৌঁছে গেছেন এমন স্বচ্ছ ইমেজের নেতারা উপদেষ্টা কমিটিতে জায়গা পাবেন। তাদের পরামর্শ নিয়েই তৃণমূলে দল শক্তিশালী হবে। জানা যায়, ২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর নগরীর সার্কিট হাউস মাঠে নগর ও জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে তালুকদার আবদুল খালেককে সভাপতি ও এমডিএ বাবুল রানাকে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং শেখ হারুনুর রশীদকে জেলা সভাপতি এবং সুজিত অধিকারীকে জেলা সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। নেতৃত্ব থেকে বাদ পড়েন দুদকের মামলাসহ নানা অভিযোগে বিতর্কিত নগর আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সম্পাদক মিজানুর রহমান। এরপরই শুরু হয় তৃণমূলে শুদ্ধি অভিযান। জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক সুজিত অধিকারী বলেছেন, বিগত দিনে শীর্ষ নেতাদের অভ্যন্তরীণ বিরোধে অধিকাংশ উপজেলা কমিটির অনুমোদন বাধাগ্রস্ত হয়। তবে আগামীতে স্বচ্ছতার রাজনীতি গড়ে তোলা হবে। জানা যায়, আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে বর্তমানে যাচাই-বাছাই চলছে। নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল রানা জানান, চলতি মাসেই নগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

এতে ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে। বিতর্কিত কাউকে পদায়ন করা হবে না। এদিকে দলে কোনো হাইব্রিড নেতা থাকবে না জানিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদ বলেন, গতিশীল নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজদের প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক বলেন, মহানগর কমিটি তৃণমূলে শক্তিশালী দল গঠনে বেশি নজর দেবে। সংগঠন শক্তিশালী হলেই নেতাদের কদর বাড়বে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর