শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ মার্চ, ২০২০ ২২:৩১

প্রতারণার অভিযোগে এনজিওর বড়কর্তা সস্ত্রীক গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

বেকার যুবকদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এবং অন্যদের জায়গাজমিসংক্রান্ত বিরোধ ও পারিবারিক সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলে প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটি নামক এনজিওর চেয়ারম্যান জিয়াউল আমিন (৫৩) ও তার স্ত্রী দৌলতুন নেসাকে (৪২) র‌্যাব গ্রেফতার করেছে। গত বুধবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর হাউজিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের ধরা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সরকারি দফতরের ৪২টি ভুয়া সিল ও বিপুল পরিমাণ জাল নথিপত্র, একটি লোহার চাকু ও একটি বাঁশের লাঠি উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-১১ জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, জিয়াউল আমিনের প্রকৃত নাম হারুন-অর-রশিদ। তিনি ২০০৭ সালে পাথরঘাটার দেবরঞ্জন কীর্তনিয়া হত্যা মামলার আসামি হওয়ার পর পালিয়ে ঢাকায় এসে জিয়াউল আমিন নাম ধারণ করেন। এরপর কয়েকজন উকিলের সঙ্গে কোর্টে কাজ করার সুবাদে আইনি কিছু বিষয় রপ্ত করে ২০১১ সালে ‘জাতীয় মানবাধিকার ইউনিটি’ নামে এনজিও শুরু করেন। এ এনজিওর মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক মানুষকে প্রতারিত করায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ২০১৪ সালে এনজিওটির সনদ বাতিল করে দেয়।.

 সনদ বাতিল হওয়ার পরও জিয়াউল আমিন প্রতারণা চালিয়ে যেতে থাকেন।

জিয়াউল আমিন বেশ কয়েকটি নামসর্বস্ব মানবাধিকার সংস্থার উচ্চপদের কর্মকর্তা সেজে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪০টি কমিটি তৈরি করে প্রায় ২ হাজার কর্মী নিয়োগ করেন; যাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ৩ থেকে ১০ হাজার টাকা সদস্য ফি নিয়েছেন। তার মূল কাজ ছিল সরকারি বিভিন্ন দফতরে অন্যায় তদবির করা। এ তদবিরে যে কর্মকর্তা সাড়া দিতেন না তার নামে বিভিন্ন উচ্চপদস্থ অফিস ও মন্ত্রণালয়ে মনগড়া অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করতেন তিনি।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর