শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:৩৫

মোবাইল কানে রেলক্রসিং পার, ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

Google News

মোবাইল কানে নিয়ে কথা বলতে বলতে রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার রেলক্রসিং পার হচ্ছিলেন আবদুর রহমান (৪৫) নামে এক ব্যক্তি। এ সময় মালবাহী ট্রেনের বগি পার্কিং করা হচ্ছিল। এতে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হন আবদুর রহমান। তিনি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে অফিস সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। গতকাল সকালে নাখালপাড়ার বাসা থেকে বের হয়ে রেল ক্রসিং পার হচ্ছিলেন। এ সময় ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নিহত আবদুর রহমানের শ্যালক মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘আমি আর আমার দুলাভাই তেজগাঁওয়ের নাখালপাড়ায় ১১ নম্বর গলির ২৩৮ নম্বর বাড়িতে একসঙ্গে থাকি। আমার বোন ও তিন ভাগ্নেসহ গ্রামের বাড়িতে থাকেন। দুলাভাই সকালে বাজার করার জন্য বাসা থেকে বের হন। শুনেছি ফোনে কথা বলতে বলতে রেলক্রসিং পার হচ্ছিলেন তিনি। তখন পেছন দিক থেকে আসা ট্রেনে কাটা পড়ে তিনি মারা যান। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার বরুড়া থানার দক্ষিণ সালুনিয়ায়।’

ঢাকা রেলওয়ে থানার এসআই মো. সেকেন্দার আলী বলেন, ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যাওয়া আবদুর রহমানের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।

গৃহকর্মীকে হত্যার অভিযোগ : গতকাল সকালে ডেমরার সারুলিয়া আমতলা এলাকার প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের বাড়ি থেকে সায়মা (২২) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। সায়মার পরিবারের দাবি, তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া স্বামী বিদেশে থাকায় প্রতিনিয়ত সায়মাকে শ্বশুরবাড়ির নির্যাতন সইতে হতো। লক্ষ্মীপুর সদর থানার মনোহরপুর গ্রামের আলমগীর খানের মেয়ে সায়মা।

ফুফাতো ভাই মুরাদ জানান, সায়মার জন্মের পর ছয় মাসের মধ্যে তার মায়ের মৃত্যু হয়। এদিকে বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করায় পশ্চিম যাত্রাবাড়ী এলাকায় ফুফুর বাড়িতেই বড় হন সায়মা। এক বছর আগে প্রতিবেশী রেজাউল করিমের ছেলে অনিকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তাদের মধ্যে বিয়ে হয়। কিছুদিন আগে ফুফাতো ভাই মুরাদ সায়মার শ্বশুরবাড়িতে গেলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা হয়। এ ছাড়া সায়মাকে দেখে নেবে বলে হুমকি দেয় অনিকের পরিবার।

পাঁচ মাস আগে অনিককে কৌশলে দুবাই পাঠিয়ে দেন তার বাবা। এর পর থেকে যৌতুকের দাবিতে সায়মার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতে থাকে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। মোবাইল ফোনে প্রায়ই ফুফুকে এসব বিষয় জানাতেন সায়মা। একপর্যায়ে নিজের ভরণ-পোষণের জন্য যাত্রাবাড়ীতে শ্বশুরের কসমেটিকসের দোকানে কাজ করতে হতো সায়মাকে।

ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, সায়মার মৃত্যুর বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর