চট্টগ্রামে ফের অস্থির হয়ে উঠেছে সবজির বাজার। মুরগি-ডিমের দামও চড়া। কোথাও স্বস্তির লক্ষণ নেই। বেশির ভাগ সবজির দাম ৫০ টাকার ওপরে। তবে চালের পড়তি দাম-কিছুটা হলেও হাসি ফোটাচ্ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের মুখে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজার মনিটরিং নিয়মিত করলে অনেকাংশে কমে যাবে এই অস্থিরতা। সরেজমিনে নগরীর কাজীর দেউড়ি, চকবাজার, বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, আলু ছাড়া প্রায় সবজিই বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার ওপরে। মরিচের কেজি এখনো দেড় শ টাকার আশপাশে। স্বস্তি ফেরেনি মাছ-মুরগির বাজারেও। রুই-কাতলা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৪৫০ টাকায়। চিংড়ি প্রকারভেদে ৭০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। সামুদ্রিক মাছের দাম আরও চড়া। এখনো ইলিশের দাম নিম্ন ও মধ্যবিত্তের পাতে পড়ার অবস্থায় ফেরেনি। আকারভেদে এখনো ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত। মুরগির দাম সেই যে আশুরায় বেড়েছে আর কমার কোনো লক্ষণ নেই। ব্রয়লার ১৫০-১৬০, সোনালি ২৮০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও ডজন ১৩৫-১৪০ টাকায় পৌঁছে স্থির হয়ে আছে। মাঝখানে পিঁয়াজের আমদানির খবরে কিছুটা দাম কমলেও এখন ফের খোলাবাজারে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। তবে এতদিন দাম বাড়তি থাকলেও ভারতীয় চাল আমদানির ফলে কমতে শুরু করেছে সব ধরনের চালের দাম। কয়েক দিনের ব্যবধানে সব ধরনের চালের দাম বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) কমেছে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত।
অর্থাৎ কেজি প্রতিই ৬ টাকা কমেছে দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকার চাল আমদানির অনুমতি দেওয়ায় দেশের স্থলবন্দরগুলো দিয়ে প্রচুর পরিমাণে ভারতীয় চাল প্রবেশ করেছে। এ কারণে দামও কমেছে। তবে পাইকারি বাজারে কমলেও এখনো খুচরা বাজারে সেটির প্রভাব তেমন একটা পড়েনি।
নগরীর চালের আড়ত চাক্তাইয়ের চালপট্টি ও পাহাড়তলী ঘুরে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে নাজিরশাইল সিদ্ধ, জিরাশাইল সিদ্ধ, মিনিকেট আতপ, কাটারিভোগ আতপ চালের দাম বস্তাপ্রতি ৩০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।