শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:২৭
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:২৭
প্রিন্ট করুন printer

র‍্যাবের ‘অপারেশন সুন্দরবন’ চলচ্চিত্রের গোল্ড স্পনসর হল মিনিস্টার গ্রুপ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

র‍্যাবের ‘অপারেশন সুন্দরবন’ চলচ্চিত্রের গোল্ড স্পনসর হল মিনিস্টার গ্রুপ

র‍্যাব ওয়েলফেয়ার কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের প্রযোজনায় ‘অপারেশন সুন্দরবন’ নামে পূর্ণ দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের গোল্ড স্পনসর হল মিনিস্টার গ্রুপ।

আজ মঙ্গলবার র‍্যাব হেডকোয়ার্টারে র‍্যাবের লীগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইং ডিরেক্টর কর্নেল আশিক বিল্লাহ’র কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে স্পনসরশীপ ফি এর চেক হস্তান্তর করেন মিনিস্টার গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর গোলাম শাহরিয়ার কবির।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মিনিস্টার গ্রুপের হেড অব ব্র্যান্ড এন্ড কমিউনিকেশন কেএমজি কিবরিয়া।

চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন ঢাকা এ্যাটাক খ্যাত সফল পরিচালক দীপঙ্কর দীপন। চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনয় শিল্পী রিয়াজ, সিয়াম, তাসকিন, নুসরাত ফারিয়া, শতাব্দী ওয়াদুদ এবং রোশনসহ দেশী-বিদেশী আরও অনেক অভিনয় শিল্পী ও কলাকুশলীগণ। 

প্রসঙ্গত, চলচ্চিত্রটির লভ্যাংশ ভিকটিমদের সহায়তা, সাবেক জলদস্যুদের পূর্ণবাসনসহ উপকূলীয় অঞ্চলের জনকল্যাণে ব্যয় করা হবে।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:৩০
প্রিন্ট করুন printer

এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ডিজিটাল রূপান্তর এগিয়ে নিতে চায় হুয়াওয়ে

অনলাইন ডেস্ক

এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে ডিজিটাল রূপান্তর এগিয়ে নিতে চায় হুয়াওয়ে

হুয়াওয়ে মোবাইল সার্ভিসেস (এইচএমএস) –এর ডেভেলপার এবং অংশীদারদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে হুয়াওয়ে সিঙ্গাপুরে এশিয়া প্যাসিফিকে প্রথম ডিজিক্স ল্যাব চালু করেছে। একটি বৈচিত্র্যপূর্ণ টেক ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে এবং এই অঞ্চলে ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে হুয়াওয়ের অনেকগুলো পদক্ষেপের একটি হিসেবে এই ল্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এমডব্লিউসি সাংহাই ২০২১ চলাকালীন হুয়াওয়ে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে চেন  আজ গণমাধ্যমকে এ কথা জানান। 

এআর, ভিআর, এইচএমএস কোর কিটস এবং অন্যান্য উন্মুক্ত দক্ষ প্রযুক্তিতে সজ্জিত ল্যাবটি তাদের মোবাইল অ্যাপ বিকাশের যাত্রায় সকল স্তরের ডেভেলপারদের সহযোগিতার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

জে চেন মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস সাংহাই (এমডব্লিউসিএস) চলাকালীন এক সাক্ষাত্কারে বলেন, ‘প্রযুক্তিগত বুদ্ধিমত্তার এই সময়ে হুয়াওয়ের লক্ষ্য এইচএমএস-এর মাধ্যমে একটি ‘১+৮+এন’ সার্বিক মোবাইল ইকোসিস্টেম নির্মাণ করা, যা ডেভেলপারদের তাদের ব্যবসা দাঁড় করানোর সাথে সাথে উদ্ভাবনে সক্ষম করে তোলে। ডিজিটাল স্পেসের ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন ও অগ্রগতির জন্য ডিজিক্স ল্যাব ডেভেলপারদের অ্যাপ তৈরির প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি এবং এগুলো তৈরির একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে।’ 

ডিজিক্স ল্যাব চালু করার পাশাপাশি হুয়াওয়ে এই অঞ্চলের মোবাইল ইকোসিস্টেমের উন্নয়নে হুয়াওয়ে অ্যাপ গ্যালারিতে স্থানীয় চাহিদা অনুসারে আরও অ্যাপ নিয়ে আসবে। 

অন্যদিকে, গ্লোবালডেটার সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৪ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ফাইভজি সাবস্ক্রিপশনের ৬৫ শতাংশ, অর্থাৎ ১.১৪ বিলিয়ন গ্রাহক থাকবে এশিয়া প্যাসিফিকে এবং ফাইভজি প্রযুক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে এশিয়া প্যাসিফিক সারাবিশ্বে শীর্ষস্থানীয় অঞ্চল বলে গণ্য হবে। তাই গ্রাহকদের সাথে যৌথ উদ্ভাবন এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে, হুয়াওয়ে ফাইভজি-টু-বি ব্যবহার বৃদ্ধি করতে ফাইভজি যোগাযোগ এবং এ খাতের মানদণ্ড এই দুটো সমন্বয়ের পেছনে কাজ করছে।  

ফাইভজি ইকোসিস্টেম তৈরিতে হুয়াওয়ে ব্যাংককে ফাইভজি ইকোসিস্টেম ইনোভেশন সেন্টারকে (ইআইসি) সহযোগিতা করার জন্য প্রায় ১৫ লক্ষ কমার্কিন ডলা্র বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। তিন বছরের মধ্যে বিভিন্ন ভারটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির জন্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি এশিয়া প্যাসিফিকের দেশগুলোয় প্রতি বছর ১০০টিরও বেশি স্থানীয় এসএমই এবং স্টার্টআপকে ফাইভজি সমাধান গ্রহণে উৎসাহিত করতে বদ্ধপরিকর।  
স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের জন্য, হুয়াওয়ে এশিয়া প্যাসিফিক ফাইভজি, মেশিন লার্নিং অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স, আইওটি, মোবাইল এজ কম্পিউটিং এবং মোবাইল অ্যান্ড এসএএএস অ্যাপ্লিকেশনগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত স্টার্টআপগুলোকে সহযোগিতা করার জন্য ২০২০ সালে সিঙ্গাপুরে এর ‘স্পার্ক’ প্রোগ্রাম শুরু করে। প্রোগ্রামটিতে ৭৫টি দেশের পাঁচশো’র অধিক স্টার্টআপ অংশগ্রহণ করে।

ডিজিটাল অর্থনীতির দ্রুত বিকাশের ফলে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে আইসিটি প্রতিভার ঘাটতির সম্ভাবনা রয়েছে। হুয়াওয়ে একাডেমি, আইসিটি সার্টিফিকেশন এবং সিডস ফর দ্য ফিউচারের মতো প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে হুয়াওয়ে আগামী পাঁচ বছরে কমপক্ষে ২০০,০০০ আইসিটি প্রতিভাবানদের প্রশিক্ষণে সহায়তা করবে।


বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৬:১৮
প্রিন্ট করুন printer

বাংলাদেশে রিয়েলমির এক বছর

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশে রিয়েলমির এক বছর

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি ২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারে তাদের যাত্রা শুরু করে। এক বছরের মধ্যেই ব্র্যান্ডটি দেশের মোবাইল বাজারে উল্লেখযোগ্য শেয়ার দখল করে নিয়ে বিস্ময়কর প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। পাশাপাশি ২০২০ সালে যেকোন মোবাইল ব্র্যান্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২টি স্মার্টফোন এবং ৫টি স্মার্ট ডিভাইসেস লঞ্চ করে বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে রিয়েলমি। এছাড়া, প্রতিটি স্মার্টডিভাইস নির্দিষ্ট প্রাইজ রেঞ্জে তরুণদের মন জয় করে নিয়েছে।

বাংলাদেশের বাজারে প্রথম বছরে রিয়েলমি রেকর্ড সংখ্যক স্মার্টফোন বিক্রি করেছে। ২০২০ সালে দারাজে মাত্র এক মিনিটে ৩,০০০ এরও বেশি রিয়েলমি সি১৭ স্মার্টফোন বিক্রি হয় এবং উক্ত অনলাইন মার্কেটপ্লেসে মাত্র এক মিনিটেরও কম সময়ে ১,৫০০ রিয়েলমি সিক্স হ্যান্ডসেট বিক্রি হয়েছিল। উভয় স্মার্টফোনই তাদের নিজস্ব মূল্য পরিসরে দারাজের অনলাইন বিক্রয়ে রেকর্ড গড়েছে। রিয়েলমি সি১৭ রিয়েলমির সি সিরিজের একটি ফোন। সি সিরিজের ফোনগুলো মূলত এন্ট্রি-লেভেলের ব্যবহারকারীদের জন্য। রিয়েলমি সিক্স রিয়েলমির নাম্বার সিরিজের ফোনগুলোর অন্তর্ভুক্ত, যেগুলো মূলত মিড লেভেল ব্যবহারকারীদের জন্য। মিড লেভেল স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা এমন কিছু অ্যাপ ব্যবহার করেন যেগুলো চালাতে মৌলক ফিচারের বাইরেও বেশ কিছু উন্নতমানের ফিচারের প্রয়োজন। বাংলাদেশে ২০২০ সালে রিয়েলমির আনা সর্বশেষ ফোনটি ছিল জি৮৫ গেমিং প্রসেসর যুক্ত নারজো ২০, যার ২০০০ ইউনিট দারাজে মাত্র ২ মিনিটে বিক্রি হয়। এটি দারাজে সবচেয়ে দ্রুত বিক্রি হওয়া গেমিং স্মার্টফোন। গেমিং ফোনের মধ্যে নারজো সিরিজের ফোনগুলোতে রয়েছে শক্তিশালী প্রসেসর এবং দুর্দান্ত ফিচার, যা গেমিংয়ের অভিজ্ঞতা বহুগুণে বাড়িয়ে তুলে। 

গত এক বছরে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করায় রিয়েলমির সাফল্য এখন তুঙ্গে। ইতোমধ্যে তারা বাংলাদেশের বাজারে শীর্ষ চারে নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করেছে। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের দেয়া তথ্য অনুসারে, ২০২০ সালের প্রথম প্রান্তিকে রিয়েলমি বাংলাদেশে ১০০০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে। পরের প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ২৫০ শতাংশ এবং পরবর্তী প্রান্তিকেও এই হার অব্যাহত ছিল। 

এর ফলে, রিয়েলমি দেশের মোবাইল বাজারে উল্লেখযোগ্য শেয়ার দখল করতে সক্ষম হয়েছে। ২০২০ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে, রিয়েলমির মার্কেট শেয়ার অংশ ছিল ৬ শতাংশ, যা বেশ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ধাপে ধাপে এক বছরেই রিয়েলমি বাংলাদেশের শীর্ষ স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের একটি হয়ে উঠেছে। কিছু দিন আগে, ২০২০ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে শিপমেন্টের ক্ষেত্রে রিয়েলমি ‘শীর্ষ ১০ টিডব্লিউএস ব্র্যান্ডস’-এ জায়গা করে নেয় (কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ অনুসারে)।

একাধিক তথ্য প্রতিবেদন অনুসারে, ১৮-২৫ বছর বয়সী তরুণরা রিয়েলমি স্মার্টফোন এবং এআইওটি পণ্যের মূল ভক্ত। এজন্য কাউন্টারপয়েন্ট এমন সম্ভাবনা তুলে ধরেছে যে, ‘ওয়্যারেবলসের ক্ষেত্রে রিয়েলমি স্মার্টফোনে তার সাফল্যের ধারা বজায় রাখবে।’ ভক্ত এবং ব্যবহারকারীরা রিয়েলমির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্র্যান্ডটি নিয়মিত বিভিন্ন জরিপ, অনলাইন ও অফলাইন দোকানে পর্যালোচনার মাধ্যমে তাদের ভক্ত এবং ব্যবহারকারীদের মতামত নিয়ে থাকে।

সামনের বছরগুলোতেও রিয়েলমি তাদের এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখবে এমন আশা প্রকাশ করে, রিয়েলমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার টিম শাও বলেন, ‘এমন বিপুল পরিমাণ সমর্থনের জন্য আমরা আমাদের ভক্ত ও ব্যবহারকারীদের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। এতো অল্প সময়ের মধ্যে আমরা যে ভালবাসা পেয়েছি তাতে আমরা অভিভূত। বাংলাদেশে যাত্রার দ্বিতীয় বছরে আমরা নিশ্চিতভাবে আরও আকর্ষণীয় এবং উদ্ভাবনী ট্রেন্ডি স্মার্টফোন এবং পণ্য গ্রাহকদের জন্য নিয়ে এসে তাদের চমকে দেব।’ 

‘ডেয়ার টু লিপ’ চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে, তরুণদের পছন্দের ব্র্যান্ড রিয়েলমি দ্বিতীয় বছরে আরও বেশি ফ্ল্যাগশিপ ফোন এবং ট্রেন্ড-সেটিং এআইওটি পণ্য বাজারে এনে বাংলাদেশের ১ নম্বর স্মার্টফোন ব্র্যান্ডে পরিণত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ভক্তরা এ বছরই রিয়েলমির সুপার ফ্ল্যাশশিপ এক্স সিরিজের স্মার্টফোনগুলোর অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ পাবে। এরই সাথে ‘ডেয়ার টু লিপ’ প্রযুক্তির ট্রেন্ডসেটার হিসেবে ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশের বাজারে ৫জি স্মার্টফোন নিয়ে আসবে। এছাড়াও, খ্যাতনামা ব্যক্তি ও ইনফ্লুয়েন্সারদের সাথে বিভিন্ন ‘ডেয়ার টু লি’ ক্যাম্পেইন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে রিয়েলমির। এই বছর রিয়েলমি ফ্যাশন, গান, খেলাধুলা এবং অন্যান্য তরুণ-কেন্দ্রিক কার্যকলাপের মাধ্যমে ভক্ত এবং তরুণদের সাথে নিজেদের আরও যুক্ত করবে।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:২৮
প্রিন্ট করুন printer

প্রি বুকিং শুরু ভিভো ওয়াই২০জি স্মার্টফোনের

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

প্রি বুকিং শুরু ভিভো ওয়াই২০জি স্মার্টফোনের

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেই দেশের বাজারে ওয়াই সিরিজের দু’টি স্মার্টফোন এনেছিলো শীর্ষস্থানীয় গ্লোবাল স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভো। এর মধ্যে একটি হলো-ভিভো ওয়াই১২এস এবং অন্যটি ভিভো ওয়াই৫১। 

এরই ধারাবাহিকতায় এবার আরো একটি ওয়াই সিরিজের স্মার্টফোন নিয়ে আসছে ভিভো। নতুন এই ফোনের মডেল ভিভো ওয়াই২০জি। 

আজ বৃহস্পতিবার থেকে বাংলাদেশি গ্রাহকরা ভিভো ওয়াই২০জি এর জন্য প্রি বুকিং দিতে পারছেন। প্রি বুকিংয়ের এ সুযোগ চলবে আগামী ১ মার্চ পর্যন্ত। স্মার্টফোনটি পাওয়া যাচ্ছে অবসিডিয়ান ব্ল্যাক ও পিওরিস্ট ব্লু রঙে। বাংলাদেশে ভিভো ওয়াই২০জি এর মূল্য মাত্র ১৭ হাজার ৯৯০ টাকা। 

ভিভো ওয়াই২০জি-তে আছে ৫০০০ এমএএইচ সক্ষমতার শক্তিশালী ব্যাটারি এবং ১৮ ওয়াটের ডুয়াল ইঞ্জিন ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি।  সাথে আরো  রয়েছে ৬জিবি র‌্যাম ও ১২৮ জিবি রমের বিশাল স্টোরেজ। 

ভিভো ওয়াই২০জি স্মার্টফোনটিতে ৬ দশমিক ৫১ ইঞ্চির বড় ডিসপ্লে রয়েছে; যেখানে স্ক্রিন টু বডি রেশিও হলো ৮৯% এবং রেজ্যুলোশন ১৬০০ x৭২০  (এইচডি প্লাস)। ওয়াই১২এস এর মতো ভিভো ওয়াই২০জি’তেও যুক্ত করা হয়েছে সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি; যা দিয়ে অনস্ক্রিন মোডে ফোন আনলক করা যায় মাত্র ০ দশমিক ১৭ সেকেন্ডে। 

ভিভো ওয়াই২০জি পরিচালিত হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম ফানটাচ ওএস ১১ দিয়ে।  এ স্মার্টফোনটিতে আরো আছে চমৎকার তিনটি ব্যাক ক্যামেরা ও একটি ফ্রন্ট ক্যামেরা। এর আগে প্রতিবেশি দেশ ভারতেও ব্যাপক সাড়া ফেলে ভিভোর ওয়াই২০জি স্মার্টফোন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বাংলাদেশের মার্কেটে যাত্রা শুরু করতে চাচ্ছে ভিভোর ওয়াই২০জি।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:০৭
প্রিন্ট করুন printer

এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটির নতুন চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান নূর

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটির নতুন চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান নূর

এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেলেন হলেন আসাদুজ্জামান নূর। সেই সাথে গ্রুপের নতুন কো-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হয়েছেন সারা যাকের। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং এই সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে বলবৎ করা হয়।

এর আগে তাঁরা যথাক্রমে ভাইস চেয়ারম্যান এবং এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। 

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়া আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের বিষয়। এমন সুবর্ণ অতীত এবং অসীম সম্ভাবনাময় একটি প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব প্রদান আমার জন্য অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এবং এই দায়িত্ব পালনের জন্য আমার ওপর যারা আস্থা রেখেছেন তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমার বিশ্বাস, শ্রদ্ধেয় আলী যাকের’র রেখে যাওয়া দিক নির্দেশনাকে আমরা আরও ফলপ্রসূ করতে সক্ষম হবো। 

সারা যাকের বলেন, দেশের যোগাযোগ মাধ্যম খাতে এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য কাজ এবং দায়িত্বশীল কর্মপরিধির মধ্য দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। ৫০ বছরের অধিক সময়ের যাত্রায় আমাদের অর্জন আমাদের নিজেদের জন্যই নতুন মাপকাঠি তৈরি করেছে, যা কেবল ধারাবাহিকভাবে কঠোর পরিশ্রম এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমেই উত্তরণ সম্ভব।

এই যাত্রায় যারা আমাদের অংশীদার হয়েছেন, তাদের সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ। নতুন কো-চেয়ারম্যান হিসেবে সামনের দিনগুলোতে আমি সবার কাছ থেকে একই রকম সহযোগিতা কামনা করছি।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:০৬
প্রিন্ট করুন printer

ন্যাচারাল ময়মুনা টাওয়ারে অ্যাপার্টমেন্ট হস্তান্তর

অনলাইন ডেস্ক

ন্যাচারাল ময়মুনা টাওয়ারে অ্যাপার্টমেন্ট হস্তান্তর

ঢাকার উত্তরা বাউনিয়াস্থ ৫২ নাম্বার ওয়ার্ডের আওতাধীন ন্যাচারাল ময়মুনা টাওয়ার্, নির্মাণ কাজ শেষে অ্যাপার্টমেন্ট মালিকদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া অ্যাপার্টমেন্ট মালিক সমিতি গঠন করা হয়। গত ২২শে ফেব্রুয়ারি এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ন্যাচারাল ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট এর চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন, ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ আনোয়ার হোসেন। 

ফ্ল্যাট মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আবুল কালাম আজাদ ও এম মাহফুজুর রহমান, ফ্ল্যাট মালিক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন মোঃ নাছির, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ আকবর মুন্সি, মোঃ মিলন, মোঃ মহিউদ্দিন ও মোঃ দেলোয়ার।

ন্যাচারাল ময়মুনা টাওয়ারে দশটি ফ্লোরে মোট ৩৬ টি ফ্ল্যাট  ও নিচতলায় ডেইলি মার্ট নামের একটি সুপারসপ রয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর