শিরোনাম
প্রকাশ : ১৮ জুন, ২০১৯ ১৬:৩৬

হোমনায় স্কুল থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

হোমনায় স্কুল থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ
প্রতীকী ছবি

কুমিল্লার হোমনায় ৫ম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে স্কুল থেকে নিজ রুমে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার ছাত্রীটিকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। 

এ ব্যাপারে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে সোমবার রাতে চার জনকে আসামি করে হোমনা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষণিক আবু সালেহ নামে একজনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। 

মামলার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার বাগমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়া আসার পথে একই গ্রামের মুফতি নূরুজ্জামানের ছেলে জালাল মিয়া উত্ত্যক্ত করতো। বিষয়টি বার বার জালালের পরিবারের সদস্যদের জানালেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এরই সূত্র ধরে জালাল গত এক বছর আগে ছাত্রীটিকে বাগমারা মহিলা মাদ্রাসা ছুটির সময় মাদ্রাসার একটি কক্ষে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। তখন মেয়েটির পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে জালালের অভিভাবকদের নিকট বিচার দিলেও তারা এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। 

গত সোমবার বিকাল ৩টায় ছাত্রীটি স্কুলে ছিল। এরই এক ফাঁকে তাকে আবারো জালাল স্কুলের পাশে নিজ বাড়িতে তার থাকার রুমে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় জালালের বন্ধু আবু সালেহ তাদের পাহারা দেন। ছাত্রীটির চিৎকারে লোকজন ছুটে এলে জালাল পালিয়ে যায়।  
 
এ ব্যাপারে হোমনা থানার ওসি সৈয়দ মো. ফজলে রাব্বি জানান, ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ তাৎক্ষণিক একজনকে আটক করেছে। বাকীদের আটকের চেষ্টা চলছে। মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং জবানবন্দী রেকর্ড করার জন্য আদালতে পাঠানো হয়ছে।  
 
এ ব্যাপারে ধর্ষণের অভিযোগ উঠা জালালের পিতা মুফতি নূরুজ্জামান বলেন, ধর্ষণের ঘটনা সম্পূর্ণ একটি সাজানো নাটক। আমার মানসম্মান ও সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশে গ্রামের একটি বিশেষ মহল আমার পরিবারের বিরুদ্ধে এ নাটক সাজিয়েছে। 

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর