Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২২:২৩
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২২:৩৩

রংপুর-৩ উপ-নির্বাচন

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রাজুর প্রার্থিতা প্রত্যাহার, মাঠে থাকল ৬ জন

রংপুর প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রাজুর প্রার্থিতা প্রত্যাহার, মাঠে থাকল ৬ জন
মনোনয়ন প্রত্যাহার না করার দাবিতে আওয়ামী লীগ কর্মীদের রাস্তা অবরোধ

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রেসিডেন্ট পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী রেজাউল করিম রাজু প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

সোমবার বিকেলে প্রত্যাহারের আগে নগরীর কাচারী বাজারে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীরা প্রত্যাহার না করার দাবিতে ঘন্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে রেখে বিক্ষোভ করে। এদিকে এখন এই আসনে লড়াইয়ের জন্য মাঠে থাকলেন ৬ জন। 

বিকেলে সোয়া চারটায় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আসেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এ্যডভোকেট রেজাউল করিম রাজু। পরে তিনি নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে তার মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন। প্রত্যাহার শেষে এ্যডভোকেট রাজু সাংবাদিকদের বলেন, রংপুরের লাখো নেতাকর্মীর হতাশার মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এবং দলীয় সিদ্ধান্তের আলোকে আমি মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেছি। এখানে মহাজোটগতভাবে নির্বাচন হবে। 

এদিকে প্রত্যাহারের আগে আওয়ামী লীগসহ সকল সহযোগি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা কাচারী বাজারে রাস্তায় শুয়ে বসে মনোনয়ন প্রত্যাহার না করার দাবিতে শ্লোগান দেন। এসময় পুরো রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। 

রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রংপুর-৩ আসনের উপ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা জিএম সাহাতাব উদ্দিন জানান, মোট ১২ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছিলেন। এরমধ্যে ৯ জন জমা দিয়েছিলেন। তার মধ্যে বাছাইয়ে বাতিল হয়েছে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কাওছার জামান বাবলা, বাংলাদেশ কংগ্রেসের একরামুল হক। শেষ দিনে প্রত্যাহার করলেন আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী এ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজু। এখন মাঠে বৈধ প্রার্থী থাকলেন ৬ জন। তারা হলেন মহাজোট মনোনিত জাতীয় পার্টির রাহগীর আল মাহী সাদ এরশাদ, স্বতন্ত্র এরশাদের ভাতিজা হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ, এনপিপির শফিউল আলম, খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মন্ডল রাজু, গণফ্রন্টের কাজী মোঃ শহীদুল্লাহ। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন 


আপনার মন্তব্য