Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১০:১৮
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১১:৫৯

যে কারণে ঢাকায় মিন্নি

অনলাইন ডেস্ক

যে কারণে ঢাকায় মিন্নি

আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি এখন দেশব্যাপী আলোচিত নাম। বরগুনায় প্রকাশ্য দিবালোকে দুর্বৃত্তদের হাতে তার স্বামী রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আলোচনায় আসেন মিন্নি। যদিও পরবর্তীতে মামলার প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি করা হয়েছে তাকে।

সম্প্রতি এই মামলায় জামিন পেয়ে জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন মিন্নি।

জামিনের ফেরার পর এই প্রথম বাড়ি বের হলেন মিন্নি। এবার তিনি বাবা ও নানার সঙ্গে এসেছেন ঢাকায়।

শনিবার বিকাল ৪টায় বরগুনা থেকে মিন্নি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। রবিবার ভোরের মধ্যেই তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা।

এ বিষয়ে মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেন, জামিন পাওয়ার পর থেকে মিন্নি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ। সে কারও সাথে কথা বলে না, ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করে না। দিনের পর দিন সে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে।

উন্নত চিকিৎসার জন্য মিন্নিকে ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য মিন্নিকে ঢাকায় নিচ্ছি। চিকিৎসক ও মামলার বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন বলেও জানান তিনি। মিন্নির সঙ্গে রয়েছেন তার নানা জাকির সিকদারও।

গত ১৬ জুলাই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা-মাইঠা এলাকা থেকে পুলিশলাইনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। এরপর দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে একই দিন রাত ৯টায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

গত ১ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মিন্নিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় পুলিশ। একই সঙ্গে ১ নম্বর আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মামলাটিতে এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। গ্রেফতার আসামিদের মধ্যে ছয় কিশোর অপরাধী শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে রয়েছে। এছাড়া, মিন্নিসহ জামিনে রয়েছেন দুইজন। 

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। গুরুতর আহত রিফাতকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য