শিরোনাম
প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১২:৫৪
আপডেট : ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১২:৫৫

নানা আয়োজনে কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস পালিত

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

নানা আয়োজনে কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস পালিত

শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা প্রদর্শনসহ নানা আয়োজনে কুষ্টিয়া মুক্ত দিবস পালিত হচ্ছে।

বুধবার সকালে কুষ্টিয়া কালেক্টরেট চত্ত্বরের বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যে ও মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন, পুলিশ সুপার এসএম তানভির আরাফাত এবং সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মানিক কুমার ঘোষ। পরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা সাংগঠনিক কমান্ড, জেলা শ্রমিক লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ফুল দেন। পরে সেখান থেকে র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এছাড়াও আলোচনাসহ নানা অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কুষ্টিয়ায় পাকিস্তান বাহিনীর সাথে মুক্তি বাহিনীর বেশ কয়েকটি বড় যুদ্ধ হয়। এর মধ্যে রয়েছে ব্যাঙগাড়ী মাঠের যুদ্ধ, শেরপুর, বংশীতলা, চৌড়হাস ও বিত্তিপাড়ার যুদ্ধ। এসব যুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদাররা ৫০ হাজারেরও বেশী মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা আর দু’হাজার মা-বোনের সম্ভ্রমহানি করে। ১১ নভেম্বর ব্যাঙগাড়ী মাঠের সবচেয়ে বড় যুদ্ধে সাড়ে ৩শ’ পাকিস্তানি বাহিনীর সদস্য নিহত হয়। এ যুদ্ধে ২ জন মুক্তিযোদ্ধা মসলেম উদ্দিন ও শহিদুল ইসলাম এবং ৫ জন মিত্র বাহিনীর সদস্যকে জীবিত ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তান সেনারা। ২৩ নভেম্বর শেরপুর যুদ্ধে নিহত হয় ৬০ জনেরও বেশী পাকিস্তানি সেনা। এ যুদ্ধে সোহরাব উদ্দিন নামে একজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হোন।

তবে ৬ ডিসেম্বর তিন দিক থেকে মুক্তিবাহিনী ও মিত্র বাহিনীর যৌথ আক্রমনে একের পর এক বৃহত্তর কুষ্টিয়ার বিভিন্ন এলাকা হানাদার মুক্ত হতে থাকে। ৯ ডিসেম্বরে কুষ্টিয়া শহর ছাড়া সমস্ত এলাকা শত্রুমুক্ত হয়। শহর মুক্ত করতে শুরু হয় তুমুল যুদ্ধ। ১১ ডিসেম্বর পুরোপুরি মুক্ত হয় কুষ্টিয়া জেলা। উড়ানো হয় বিজয় পতাকা।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

close