শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১২ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০০:২৩, শনিবার, ১২ জুলাই, ২০২৫

আগে দরকার সুশীল সমাজের সংস্কার

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
আগে দরকার সুশীল সমাজের সংস্কার

বাংলাদেশে এখন রাষ্ট্র সংস্কারের এক মহানাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে। দিনের পর দিন রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে বৈঠক হচ্ছে। বৈঠকে সুশীল সমাজের জ্ঞানগর্ভ বক্তৃতা শুনছেন রাজনীতিবিদরা। সুশীলরা তাদের পাণ্ডিত্য জাহির করছেন, খাওয়াদাওয়া করছেন এবং জনগণকে অন্ধকারে রেখে তারা নিত্যনতুন রাষ্ট্র দর্শন, চিন্তা রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন নিরন্তরভাবে। এখন পর্যন্ত দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো নীরবে শুধু গণতন্ত্রের স্বার্থে এ সংস্কারের নাটকে সুশীলদের সবকিছু সহ্য করছে। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এ নাটক নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। সাধারণ মানুষ মনে করছে, জনগণের ইচ্ছা-অনিচ্ছার তোয়াক্কা না করে দেশের সুশীল সমাজের একটি অংশ তাদের চিন্তা এবং মতামতগুলো জনগণের নামে সংবিধানে এবং রাষ্ট্রব্যবস্থায় চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এ রাষ্ট্র কেবল একটি মুষ্টিমেয় সুশীল গোষ্ঠীর নয়, জনগণের।

শুরুতে আমাদের জানা দরকার সুশীল সমাজ বলতে আমরা কী বুঝি? সুশীল সমাজ বা সিভিল সোসাইটি হলো একটি সমাজের সেই অগ্রসর জনগোষ্ঠী যারা সমাজ এবং জাতির বিবেক হিসেবে কাজ করেন। যারা জনগণকে পথ দেখান, জনগণকে আলোকিত করেন, রাষ্ট্র ও সরকার ব্যবস্থার বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেন। সুশীল সমাজ হলো রাষ্ট্রের ‘থিঙ্কট্যাঙ্ক’, যারা রাষ্ট্রকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার জন্য মতামত দেন, গবেষণা ও লেখালেখি করেন। সুশীল সমাজের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তারা পক্ষপাতহীন, দলমতের উর্ধ্বে থেকে যে কোনো বিষয়ে মতামত দেবেন। সরকারের বিভিন্ন নীতি, আইন এবং কার্যক্রমকে তারা নির্মোহভাবে বিশ্লেষণ করবেন, ভুলত্রুটিগুলো ধরিয়ে দেবেন এবং সংশোধন করার জন্য সরকারকে পরামর্শ দেবেন। এ নিয়ে জনমত গঠন করেন। বিশ্বজুড়ে সুশীল সমাজ এভাবেই কাজ করেন। যেসব দেশে গণতন্ত্র বিকশিত হয়েছে, গণতন্ত্রের জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেসব দেশগুলোতে সুশীল সমাজ গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামতগুলো রাষ্ট্রচিন্তা এবং সরকার পরিচালনায় পাথেয় হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু বাংলাদেশের সুশীল সমাজের একটি অংশ যেন অন্য পথে হাঁটে। তাদের একটি নিজস্ব রাজনৈতিক এজেন্ডা রয়েছে। সেই এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য তারা সর্বক্ষণ চেষ্টায় থাকে। রাষ্ট্রক্ষমতায় তারা হিস্সা নিতে চায়, যেটি সুশীল সমাজের মৌলিক চরিত্রের বিপরীত। শুধু রাষ্ট্রক্ষমতার হিস্সা নয়, রাজনৈতিক দলগুলোকে তার নিষ্ক্রিয় এবং অকার্যকর করতে চায়। সুশীল সমাজ এবং রাজনৈতিক দল ও সরকারের সম্পর্ক হওয়া উচিত পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের। কিন্তু আমাদের দেশের এই সুশীল সমাজের একটি অংশ রাজনৈতিক দলগুলোকে মনে করে ‘অশিক্ষিত’। তারা কিছু বোঝে না। সুশীল সমাজই সমস্ত পাণ্ডিত্যের আধার।

বাংলাদেশের সুশীল সমাজ রাজনৈতিক দলগুলোকে পরিশুদ্ধ হতে বা রাজনৈতিক দলগুলোকে গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য পরামর্শ, তথ্য উপাদান এবং গবেষণা দিয়ে সমৃদ্ধ করতে চায় না। বরং তারা রাজনৈতিক দলগুলোকে জনগণের সামনে হেয় প্রতিপন্ন করে, জনগণের কাছে রাজনৈতিক দলগুলোকে ছোট করে নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়। সুশীল সমাজের এই অংশের কারণেই ২০০৭ সালে বাংলাদেশে বিরাজনীতিকরণ প্রক্রিয়া কার্যকর করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এটি ছিল বাংলাদেশের সুশীল সমাজের একটি ‘ক্যু’। কিন্তু ২০০৭ সালের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর মইন উ আহমেদ এবং ফখরুদ্দীনের নেতৃত্বে ওই সরকার কেবল ব্যর্থই হয়নি বরং সুশীল সমাজ সম্পর্কে জনগণের মধ্যে একটা নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করেছে। জনগণ বুঝতে পেরেছে সুশীলরা টেবিলটক, গোলটেবিল বৈঠক কিংবা টকশোতে যেভাবে কথা বলেন সেটা তারা বিশ্বাস করেন না। তারা যেটি বিশ্বাস করেন, সেটি তারা করেন না। ক্ষমতা পেলে সুশীলরা যে কতটা ভয়ংকর হয়ে ওঠেন তা ২০০৭ সালে এ দেশের মানুষ দেখেছে।

২০২৪-এ ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, বৈষম্য মুক্তির অভিপ্রায়ে এ দেশের ছাত্র-তরুণরা অকাতরে প্রাণ দিয়ে স্বৈরাচারের পচন ঘটায়। কিন্তু এই স্বৈরাচারের পতনের পর দেখা যাচ্ছে যে, যারা এ আন্দোলনের সম্মুখসারির যোদ্ধা, যারা বৈষম্যবিরোধী এক বাংলাদেশ স্বপ্নের জাল বুনে বাংলাদেশকে হিংস্র দানবের হাত থেকে মুক্ত করেছিল তারাই এখন সাইডলাইনে। রাষ্ট্রক্ষমতা পুরোটাই যেন সুশীল সমাজের একটি অংশ কুক্ষিগত করেছে। এখন যারা রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে কথা বলছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে, আগামী দিনের বাংলাদেশ কেমন হবে সে ব্যাপারে তাদের মতামত রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তারা আসলে কারা? গত ১৫ বছরে তাদের ভূমিকা কী ছিল? তারা কি রাজপথে আন্দোলন করেছে? তারা কি জীবনের ঝুঁকি নিয়েছে? তারা কি নিগৃহীত হয়েছে? না, গত ১৫ বছর তারা ছিলেন নিরাপদে। কেউ বিদেশে, কেউ দেশে। দূর থেকে বাংলাদেশের তামাশা দেখেছেন, এখন তারা সবকিছুকে তাদের নিজেদের মতো করে সাজাতে চাইছেন। বাংলাদেশ যেন তাদের কাছে একটা গিনিপিগ, যাকে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হবে। এ দেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে তারা যেন এক্সপেরিমেন্ট করতে মরিয়া।

গত ১৩ জুন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস লন্ডন সফর করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। সেই সাক্ষাতে তারা একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছিলেন। যেখানে ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছিল। এটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। এর ফলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গণতন্ত্র এবং নির্বাচনের সুবাতাস বইতে শুরু করেছিল। কিন্তু এরপর এর বাস্তবায়ন মাঠে হয়নি, বরং এরপর যখন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের লাগাতার ৯ দিনের বৈঠক হচ্ছে, তখন মনে হচ্ছে আমরা কোথায় যাচ্ছি? সুশীল সমাজ কী চাইছেন? তারা কেন তাদের মত জোর করে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর চাপাতে চাইছেন।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রধান কাজ কী হওয়া উচিত রাজনৈতিক দলগুলোর সামনে তারা কিছু সংস্কার প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন। যে সংস্কারের দাবিতে জনগণ, ছাত্র সমাজ দীর্ঘদিন আন্দোলন করেছে। যেমন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ইত্যাদি। এ সংস্কার প্রস্তাবে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের মতামত দেবে। যেসব বিষয়গুলোতে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হবে তার ভিত্তিতে যৌথ সম্মতির একটি ঘোষণাপত্র তৈরি করা হবে। এ ঘোষণাপত্রের আলোকে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে যারাই ক্ষমতায় আসুক না কেন, যে দলই জয়ী হোক না কেন তারা এ যৌথ ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন করবেন। এ যৌথ ঘোষণাপত্রের বাইরেও যেসব আকাঙ্ক্ষা এবং দাবিদাওয়াগুলো থাকবে সেগুলোর নিয়ে সুশীল সমাজ অবিরতভাবে আলাপ-আলোচনা করবেন, সরকারের সঙ্গে দরকষাকষি করবেন, জনগণকে বোঝাবেন এবং রাষ্ট্র ব্যবস্থায় এ আকাঙ্ক্ষাগুলো সন্নিবেশিত করার জন্য তারা প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন। কিন্তু আমরা দেখছি যে ড. আলী রীয়াজের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোকে অনেক কিছু করতে বাধ্য করছে। যা নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। অনেক উন্নত গণতান্ত্রিক দেশেও এসব চর্চা শুরু হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলোকে বলা হচ্ছে এসবে সম্মত না হলে ‘জুলাই সনদ’ হবে না। তাহলে এ আলাপ-আলোচনার দরকার কী? বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ যথার্থই বলেছেন, যদি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যা যা চায় সেটাই বাস্তবায়ন করবে, তাহলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এ ধরনের বৈঠক করার দরকার কী? অনেকগুলো বিষয় আসলে খুবই টেকনিক্যাল এবং খুঁটিনাটি। এ বিষয়গুলো আসলে ধারণা সূচক। বাস্তবে প্রয়োগে এর কতটুকু লাভ বা ক্ষতি হবে তা নিয়ে বিশ্ব জুড়েই বিতর্ক আছে। যেমন প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হ্রাস-বৃদ্ধি, সাংবিধানিক কমিশন ইত্যাদি। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হ্রাস করা একটি তাত্ত্বিক ধারণা। পৃথিবীতে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হ্রাস করে কোন দেশে গণতন্ত্র সুসংহত বা কোন দেশে গণতন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে এ নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হতে পারে। এটি কোনো পরীক্ষিত ফর্মুলা নয়। রাষ্ট্র ব্যবস্থা, গণতন্ত্র ইত্যাদি কোনোটাই ল্যাবরেটরিতে তৈরি ফর্মুলা না, যে ফর্মুলা প্রয়োগ ঘটালেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। গণতন্ত্র জবাবদিহিতা, সুশাসন এগুলো হলো অব্যাহত চর্চার বিষয়, যেখানে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে। সুশীল সমাজ একটি থিঙ্কট্যাংক হিসেবে সরকারের জবাবদিহিতার জন্য ক্রমাগতভাবে জাতির বিবেকের ভূমিকা পালন করবে। এ দুটির যখন সমন্বয় হবে, এর সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে, তখন গণতন্ত্রের বিকাশের ধারাটা সুবিন্যস্ত হবে। কিন্তু আমরা লক্ষ করছি সুশীল সমাজের কয়েকজন প্রতিনিধি সংস্কারের নামে যেন একটি ছক তৈরি করেছেন। যেই ছকটির বাইরে গিয়ে কেউ কিছু করলেই সেটি তারা মানতে রাজি হচ্ছেন না। তারা এমন একটি ব্যবস্থা চাইছেন যে ব্যবস্থাটা তারা তাত্ত্বিকভাবে চিন্তা করেন, কিন্তু এই তাত্ত্বিক ব্যবস্থাপনার প্রয়োগ সফল হবে, না ব্যর্থ হবে সেটি তারা কি নিশ্চিতভাবে বলতে পারবেন? সুশীলরা যেসব সংস্কারের জন্য চাপ দিচ্ছে, যেমন ধরা যাক দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদে উচ্চকক্ষে কীভাবে নির্বাচন হবে- আমাদের দেশে তো নয়, বিশ্বে কোথাও এর কোনো রেডিমেড ফর্মুলা নেই। কিন্তু আমাদের সুশীল সমাজ এখন একটি ফর্মুলা চাপিয়ে দিতে চাইছেন। এটা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত।

সংস্কার একটি চিরন্তন পরিবর্তনশীল ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এটি অব্যাহত চর্চার বিষয়। আর সে কারণেই রাজনৈতিক দলগুলোকেই সংস্কারের দায়িত্বটি ছেড়ে দিতে হবে। কিন্তু তা না করে সুশীল সমাজ যখন সংস্কার কমিশনের নামে তাদের নিজস্ব মতামতগুলো রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর চাপিয়ে দিতে চাইছে, তখন রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব এবং অধিকার খর্ব হচ্ছে।

আমাদের সুশীল সমাজ এখন যে ভূমিকা পালন করছেন, তাতে মনে হচ্ছে যে সুশীল সমাজের ভূমিকা, তাদের কাজের পরিধি নিয়েই তাদের আগে সম্যক জ্ঞান দেওয়া দরকার। এজন্য আগে দরকার সুশীল সমাজের সংস্কার। সুশীল সমাজকে যদি সংস্কার না করা হয় তাহলে বারবার তারা রাজনীতির মধ্যে প্রবেশ করবেন, রাজনীতির জল ঘোলা করবেন। তাদের রাজনৈতিক অভিপ্রায় বাস্তবায়ন করার জন্য রাজনৈতিক বিভক্তি এবং বিশৃঙ্খলা তৈরি করার চেষ্টা করবেন। ফলে গণতন্ত্র কখনোই শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে না। এখন দেখা যাচ্ছে সুশীল সমাজ রাজনৈতিক দলগুলোকে নানা বিষয়ে বিভক্ত করার চেষ্টা করছেন। এ বিভক্তি গণতন্ত্রের যাত্রাপথকে ব্যাহত করছে। ঐক্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে গেলে প্রত্যেককে তার দায়িত্ব পালন করতে হবে। কেউ যেন কারও সীমা অতিক্রম না করে সেটি লক্ষ রাখতে হবে। আমাদের সবকিছু যখন সংস্কার হচ্ছে, তখন সুশীল সমাজের সংস্কার হোক না! ক্ষতি কী?

এই বিভাগের আরও খবর
ক্ষমতায় গেলে গুম প্রতিরোধে আইন করবে বিএনপি
ক্ষমতায় গেলে গুম প্রতিরোধে আইন করবে বিএনপি
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
সংকুচিত হচ্ছে অর্থনীতি
সংকুচিত হচ্ছে অর্থনীতি
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
ষড়যন্ত্রে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন
ষড়যন্ত্রে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সংশয় রয়েছে
নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সংশয় রয়েছে
দেশে উগ্রপন্থি রাজনীতি প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র চলছে
দেশে উগ্রপন্থি রাজনীতি প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র চলছে
সর্বশেষ খবর
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

১০ মিনিট আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

১১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়