শিরোনাম
প্রকাশ : ৩ ডিসেম্বর, ২০২০ ১১:১৩
প্রিন্ট করুন printer

ডোপ টেস্টের পর রাজশাহীর মাদকাসক্ত ৪ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

ডোপ টেস্টের পর রাজশাহীর মাদকাসক্ত ৪ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
প্রতীকী ছবি

ডোপ টেস্টে রাজশাহী জেলা পুলিশের চারজন কনস্টেবল মাদকাসক্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) এবিএম মাসুদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কীট না পাওয়ার কারণে রাজশাহী মহানগর পুলিশে (আরএমপি) এখনও সন্দেহভাজনদের ডোপ টেস্ট শুরু হয়নি।

গত রবিবার জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের আরও ৮ জন পুলিশ সদস্যের ডোপ টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সেসব ফলাফলও ঢাকা থেকে রাজশাহীতে এসে পৌঁছাবে। জেলা পুলিশের সূত্রগুলো জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় দেশের মধ্যে রাজশাহীর বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি ও বিভিন্ন ইউনিটগুলোতে কর্মরত পুলিশের মাদকাসক্ত হওয়ার ঝুঁকি অধিক। রাজশাহী জেলায় পুলিশের মাঝে মাদকাসক্তির হার অধিক বিবেচনায় ডোপ টেস্ট শুরু হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ মতে, গত অক্টোবরে রাজশাহী জেলা পুলিশে সন্দেহভাজন মাদকাসক্ত পুলিশদের ডোপ টেস্ট শুরু হয়। ইতোমধ্যে ৭ সন্দেহভাজনের ডোপ টেস্টের পর চারজনকে শনাক্ত করা হয়। এই চারজনই বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল। ডোপ টেস্টে মাদক গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সাময়িক বরখাস্তসহ তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রর মতে, গত রবিবার রাজশাহী জেলা পুলিশের যে ৮ জনের ডোপ টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে তাদের মধ্যে এসআই, এএসআই ও কনস্টেবল আছেন। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এসব টেস্টের ফলাফলও জেলা পুলিশের হাতে আসবে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আরও কিছু সন্দেহভাজন পুলিশের ডোপ টেস্ট হবে। রাজশাহী পুলিশ হাসপাতালের একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নেতৃত্বে ডোপ টেস্ট কমিটি করা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞ কমিটি প্রথমে ফলাফল ঢাকায় পুলিশ সদর দফতরে পাঠিয়ে থাকে। সেখান থেকে সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশকে ফলাফল জানানো হচ্ছে।

এসপি এবিএম মাসুদ হোসেন জানান, পুলিশ সদর দফতর থেকে প্রাপ্ত এ সংক্রান্ত নির্দেশনাটি রাজশাহীর প্রতিটি থানা ও ফাঁড়িসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিট প্রধানের কাছে পাঠানো হয়েছে। মাদকাসক্ত হিসেবে যারা সন্দেহভাজন তাদের নাম গোপনে তার কাছে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনও থানার ওসি বা ইউনিট প্রধান অধীনস্ত কোনও সন্দেহভাজনের বিষয়টি গোপন করলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসপি বলেন, গণহারে সকলের ডোপ টেস্ট করা হচ্ছে না। শুধুমাত্র যারা সন্দেহভাজন তাদেরই করা হচ্ছে। এদের মুখ, চোখ ও ঠোট চোখ দেখেও অনেক সময় মাদকাসক্ত বলে সন্দেহভাজনদের প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব। ডোপ টেস্টের সময় তাদের এসব লক্ষণও দেখা হচ্ছে।

পুলিশের সূত্রগুলো বলছে, রাজশাহী সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় পুলিশের অনেকের কাছে মাদক সহজলভ্য। তাই কেউ কেউ মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছেন। এই সংখ্যাটা নেহাতই কম নয়। আবার অনেকেই মাদকের কারবারেও জড়িয়ে পড়েছেন। ইতোপুর্বে মাদক পাচারের সময় একাধিক পুলিশ সদস্য রাজশাহীতে গ্রেফতারও হন।

রাজশাহী জেলা পুলিশে ডোপ টেস্ট শুরু হলেও আরএমপিতে এখনও এই কার্যক্রম শুরু হয়নি। এই বিষয়ে জানতে চাইলে আরএমপির মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার গোলাম রুহুল কুদ্দুশ জানান, আরএমপিতে ডোপ টেস্টের জন্য প্রয়োজনীয় কিট আসেনি। কিট এসে পৌঁছালে আরএমপিতেও মাদকাসক্ত পুলিশ শনাক্তে ডোপ টেস্ট শুরু করা হবে। 

কবে নাগাদ কিট আসবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুলিশ সদর দফতর যখন সরবরাহ দেবে তখনই শুরু হবে।

পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছেন, রাজশাহী জেলা ও মহানগর পুলিশে কিছু সংখ্যক কর্মকর্তা ও পুলিশ কনস্টেবল আছেন যাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ফেনসিডিল ও ইয়াবার মতো কঠিন মাদক গ্রহণের অভিযোগ আছে। আবার কারো কারো বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকারও গুরুতর অভিযোগ আছে। এসব পুলিশ সদস্য কেউ কেউ ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে ঘুরেফিরে রাজশাহী জেলা থেকে মহানগরে আবার মহানগর থেকে জেলা পুলিশে পোস্টিং নিয়ে রাজশাহীতেই থাকছেন। মূলত তাদের অনেকের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও মাদক গ্রহণের অভিযোগ বেশি। আবার ডোপ টেস্টে ধরা পড়ার আশঙ্কায় অনেকেই তদবির করে বদলি নিয়ে অন্য জেলায় চলে যাচ্ছেন।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০৩:৫৫
প্রিন্ট করুন printer

নৌকার নির্বাচনী অফিস পোড়ানোর মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

নৌকার নির্বাচনী অফিস পোড়ানোর মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ফিরোজ

ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস পোড়ানোর ঘটনায় এজাহারনামীয় আসামি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ফিরোজকে (৪৮) গ্রেফতার করা হয়েছে। 

সাবেক কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থক রেজাউল ইসলাম বাবু তালুকদার বাদী হয়ে নলছিটি থানায় বুধবার রাতে ফিরোজসহ ২৫ নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ৩০/৩৫ জনের বিরুদ্ধে নলছিটি থানায় মামলা করেন। 

গ্রেফতার ফিরোজ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী জাকিয়া খাতুন সীমার স্বামী। শহরের সাথীর মোড় নামক স্থানে স্ত্রীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার সময় ওই মামলার প্রধান আসামি আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মোস্তফা ফিরোজকে নলছিটি থানা গ্রেফতার করে। 

নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
 
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার গভীর রাতে নলছিটি পৌর এলকার তালতলা রাস্তার মোড়ে আওয়ামী লীগের মনোনীিত প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। 

এ ব্যাপারে নলছিটি থানার ওসি আলী আহমেদ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়ে মামলা রুজু করি (মামলা নং ১৬)। মামলার প্রাধান আসামি গোলাম মোস্তফা ফিরোজকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। 

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ

 

 


 


 
  


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:৫১
আপডেট : ২৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:৫৪
প্রিন্ট করুন printer

বাবার কাছে নতুন জামার বায়না ধরা স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

নাটোর প্রতিনিধি

বাবার কাছে নতুন জামার বায়না ধরা স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
স্বজনদের আহাজারি

নাটোরের বড়াইগ্রামে আরজু (১২) নামের এক স্কুল ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধায় উপজেলা চকপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই স্কুল ছাত্রী উপজেলার চকপাড়া গ্রামের আবজাল হোসেনের মেয়ে। সে রয়না ভরট সরকার বাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন যাবত আনজু নতুন জামা জন্য বায়না ধরছিল। গরিব বাবা নতুন জামার দাবি মিটাতে পারছিলেন না। বুধবার বিকালে তার মা মেয়েকে বাড়িতে একা রেখে ছাগলের খাবার সংগ্রহ করতে বাইরে যায়। সন্ধায় ফিরে এসে দেখে ঘরের তীরের সাথে লাশ ঝুলছে। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পুলিশ।

বড়াইগ্রাম থানা পরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে। স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতারে পাঠানো হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ২৩:৩২
প্রিন্ট করুন printer

ট্রাকচাপায় এক ভাই নিহত অপর ভাই আহত, ক্ষোভে ট্রাকে আগুন

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

ট্রাকচাপায় এক ভাই নিহত অপর ভাই আহত, ক্ষোভে ট্রাকে আগুন
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রাকটিতে আগুন লাগিয়ে দেয়

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কালিহাতী বাসস্ট্যান্ডে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী সহোদর দুই ভাইয়ের মধ্যে এক ভাই ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অপর ভাই। বুধবার সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত ভাইয়ের নাম মাহী (১৫)। আহত ভাইয়ের নাম জামিল (২৩)। হতাহতরা কালিহাতী পৌরসভার সাতুটিয়া গ্রামের মো. দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। 

এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রাকটিতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এসময় মহাসড়কের উভয় প্রান্তে চার কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় বড় ভাই জামিল ছোট ভাই মাহীকে সাথে নিয়ে বাসা থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে যমুনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশের রাস্তা দিয়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে উঠছিলেন। তখন টাঙ্গাইলমুখী একটি ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই মাহীর মৃত্যু হয়। আর জামিলকে টেনে প্রায় চল্লিশ ফুট দূরে নিয়ে যায়। পরে জামিলকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৪৯
প্রিন্ট করুন printer

বিশ্বনাথে হত্যাচেষ্টা-শ্লীলতাহানির অভিযোগে জেলহাজতে যুবক

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি

বিশ্বনাথে হত্যাচেষ্টা-শ্লীলতাহানির
অভিযোগে জেলহাজতে যুবক
ছইফুল

সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভায় সবজি ক্ষেত থেকে বাছুর তাড়িয়ে দেওয়ায় একটি পরিবারের উপর হামলা ও পরিবারের এক মহিলা সদস্যের শ্লীলতাহানীর অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় শিমুলতলা (নয়াবাড়ী) গ্রামের আবদুস সালামের ছেলে ছইফুল ইসলামকে
(৩২) প্রধান আসামি করে ৫ জনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মামলাটি দায়ের করেন একই গ্রামের আবদুল আহাদের ছেলে ছাদিকুর রহমান  সাজুল। মামলার অন্য আসামিরা হলেন ছইফুল ইসলামের ভাই কামরুল ইসলাম (৩৬), বদরুল ইসলাম (৩৪), তাদের পিতা আবদুস সালাম ডুমাই (৬০), বোন আসমা বেগম (২১)।
মামলায় বাদীর অভিযোগ, গত ২৪ জানুয়ারি রবিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ছইফুল ইসলামের একটি বাছুর আমাদের সবজি ক্ষেতে ঢুকে ফসল নষ্ট করছিল। আমার পিতা বাছুরটিকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দিলে ছইফুল তাকে গালাগাল করে। আমার ভাই হাবিবুর রহমান এর প্রতিবাদ করলে ছইফুল, কামরুল, বদরুল, আবদুস সালাম ও আসমা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ঘরে প্রবেশ করে আমার মা, ভাইবোনদের উপর
হামলা চালায়। তাদের হামলায় আমার আমার মা, বোন ও ভাই হাবিবুর রহমান আহত হন।

এদিকে, মামলা দায়েরের পরদিন বুধবার দুপুরে সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এ হাজির হয়ে ৫ আসামী জামিন আবেদন  করেন। আদালতের বিচারক মাহবুবুর রহমান ৪ জনের জামিন মঞ্জুর করে প্রধান আসামি ছইফুল ইসলামকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী বিশ্বনাথ ঘোষ।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:২৬
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:২৯
প্রিন্ট করুন printer

বাস চালককে জিম্মি করে ছাগল নিয়ে পালানোর চেষ্টা, গ্রেফতার ৩

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

বাস চালককে জিম্মি করে ছাগল নিয়ে পালানোর চেষ্টা, গ্রেফতার ৩
গ্রেফতার তিন ব্যক্তি।

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস থেকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ছাগল নিয়ে পালানোর সময় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোরে উপজেলার লাঙ্গলবন্দ এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ভোর সাড়ে ৬টার দিকে কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডে চট্টগ্রাম যাওয়ার কথা বলে একজন নারী ও চারজন পুরুষ রংপুর থেকে ছেড়ে আসা টিএম পরিবহনের একটি বাসে উঠে। বাসটি লাঙ্গলবন্দ এলাকায় পৌঁছালে সুপারভাইজার ও চালককে পিস্তলের ভয় দেখিয়ে তার বাসের বক্সে থাকা ২৭টি ছাগল জোর করে নামাতে শুরু করেন।

এসময় কাঁচপুর হাইওয়ে থানার এএসআই রুবেল শেখের নেতৃত্বে টহল টিম উপস্থিত হতে দেখলে ডাকাতরা ১০টি ছাগল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ডাকাতদের কাছ থেকে পুলিশের সদস্যরা ৭টি ছাগল উদ্ধার করে। এছাড়া বন্দর থানার টহল পুলিশের সহযোগিতায় ৩ ডাকাতকে আটক করা হয় এবং আরো দুটি ছাগল উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ডাকাতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী পলাতক আরো দুই সহযোগীকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর