শিরোনাম
প্রকাশ : ৩ ডিসেম্বর, ২০২০ ২২:৪৫
প্রিন্ট করুন printer

স্ত্রীকে যৌনপল্লিতে বিক্রির মামলায় স্বামীর ৭ বছর কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

স্ত্রীকে যৌনপল্লিতে বিক্রির মামলায় স্বামীর ৭ বছর কারাদণ্ড
বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালত

স্ত্রীকে  যৌনপল্লিতে বিক্রির মামলায় স্বামী মো. ফরিদ উদ্দিন মল্লিককে ৭ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। 

বরিশালের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মঞ্জুরুল হোসেন বৃহস্পতিবার বিকেলে আসামির অনুপস্থিতে এই রায় ঘোণিা করেন। রায়ে ক্ষতিগ্রস্ত ওই গৃহবধূকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত ফরিদউদ্দিনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তিনি গ্রেফতার বা আত্মসমর্পণের ৩০ দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের মধ্যেমে এই অর্থ পরিশোধ করবেন। নতুবা পিডিআর আইনে আসামির সম্পদ বিক্রি করে ক্ষতিগ্রস্ত ওই নারীকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে রায়ে। 

গত ২২ মার্চ বরিশালে মানব পাঁচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরুর পর ওই ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায় এটি। 

দণ্ডপ্রাপ্ত ফরিদ উদ্দিন মল্লিক জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের তারাবাড়ি এলাকার মৃত জয়নাল মল্লিকের ছেলে। স্ত্রী ফারজানা আক্তারকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী বাবুগঞ্জ উপজেলার উত্তর রহমতপুর এলাকায় শ্বশুড় বাড়ির পাশে ভাড়া বাসায় থাকতেন ফরিদ উদ্দিন। 

মামলার উদ্বৃতি দিয়ে ওই ট্রাইব্যুনালের স্টোনোগ্রাফার মো. জালাল মিয়া জানান, শ্বশুর-শাশুড়ি বাড়িতে না থাকার সুযোগে ২০০৭ সালের ৬ অক্টোবর দুপুরে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় যায় ফরিদ উদ্দিন। পরদিন ফারজানাকে খুলনা নিয়ে যৌনপল্লিতে মিন্টু সর্দারের কাছে বিক্রি করে দিয়ে চলে যায় সে। এর ১৫-২০দিন পর ফরিদ উদ্দিন ফের ওই যৌনপল্লিতে গিয়ে অবস্থান করতে থাকে। ফারজানার কাছ থেকে নিয়মিত অর্থও আদায় করতো ফরিদ। কিছুদিন পর মিন্টু সর্দার ফারজানাকে ওই যৌনপল্লির আরেক সর্দারনী হোসনেয়ারার কাছে বিক্রি করে দেয়। এক পর্যায়ে ফারজানাকে নিয়ে মিন্টু সর্দার ও হোসনেয়ারার মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। 

প্রায় ২ মাস পর ১০ ডিসেম্বর খবর পেয়ে ফারজানার বাবা ও শ্বশুর খুলনার ফুলতলা থানা পুলিশের সহায়তায় ওই যৌনপল্লিতে গিয়ে ফারজানাকে উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ সর্দার মিন্টু ও সর্দারনী হোসনেয়ারাকে গ্রেফতার করে। 

এ ঘটনায় ১২ ডিসেম্বর ফারজানার বাবা আবুল কারাম বাদী হয়ে অভিযুক্ত স্বামী ফরিদউদ্দিন এবং যৌনপল্লির দুই সর্দার ও সর্দারনী মিন্টু ও হোসনেয়ারাকে আসামি করে বাবুগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। 

যৌনপল্লির দুই সর্দার ও সর্দারনীকে অব্যাহতি দিয়ে স্বামী ফরিদউদ্দিনকে একমাত্র অভিযুক্ত করে ২০০৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আদালতে এই মামলার অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। 

পরে ট্রাইব্যুনালে ৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় বিচারক মো. মঞ্জুরুল হোসেন একমাত্র আসামি ও ভিকটিমের স্বামী ফরিদ উদ্দিন মল্লিককে উপরোক্ত দণ্ডাদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী এবং সাজা পরোয়ানা জারীর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।  

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:০৯
প্রিন্ট করুন printer

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক

ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌরুটে সাড়ে ৫ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার পর আজ সকাল ৮ টা থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটা থেকে এই নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় ঘাট কর্তৃপক্ষ। এসময় যাত্রী ও পরিবহন নিয়ে মাঝ নদীতে আটকা পড়ে ২টি ফেরি। সাড়ে ৫ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া প্রান্তে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। চরম দুর্ভোগে পরে যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা। 

কুয়াশা কেটে আজ সকাল  ৮টা থেকে  ফেরি চলাচল শুরু হয়।

বিআইডব্লিউটিসির পাটুরিয়ার অঞ্চলের (বাণিজ্য শাখার) সহকারী মহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান জানান, সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে গেলে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় ঘন কুয়াশায় মাঝ নদীতে ২টি ফেরি আটকে পড়ে। আজ সকাল ৮টার দিকে কুয়াশা কমে আসলে ফেরি চলাচল শুরু হয়। দীর্ঘ সময় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া প্রান্তে কয়েকশ' যানবাহন পারের অপেক্ষায় আটকা পড়ে। এই নৌরুটে বর্তমানে ১৬ টি ফেরি রয়েছে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:৪৯
প্রিন্ট করুন printer

বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক

বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
ফাইল ছবি

ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে যশোরের বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। এর ফলে দুই বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় প্রায় দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটক আছে। 

মঙ্গলবার সকালে বেনাপোল বন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আব্দুল জলিল গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। তবে এ পথে পাসপোর্ট যাত্রীদের যাতায়াত সাভাবিক রয়েছে।

আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় এ দুই বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় প্রায় দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটক আছে। এসব আমদানি পণ্যের মধ্যে শিল্প কল-কারখানার কাঁচামাল, তৈরি পোশাক, কেমিকেল ও বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব রয়েছে। রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে পাট ও পাট জাতদ্রব্য এবং মাছ।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুজিবর রহমান জানান, ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে সকাল থেকে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকার বিষয়টি ভারতীয় বাণিজ্যিক সংগঠনগুলো জানিয়েছে। তবে বেনাপোল বন্দরের ভেতর পণ্য খালাস কার্যক্রম সচল রয়েছে। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে পুনরায় এ পথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলবে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে করোনা প্রতিরোধ শর্ত মেনে পাসপোর্টধারী যাত্রীরা যাতায়াত করছেন।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:৩৪
প্রিন্ট করুন printer

প্রতিবন্ধী স্কুলে গোপালগঞ্জ পৌর-মেয়রের স্কুলভ্যান উপহার

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রতিবন্ধী স্কুলে গোপালগঞ্জ পৌর-মেয়রের স্কুলভ্যান উপহার

গোপালগঞ্জ পৌরসভার জেন্ডার এ্যাকশন প্লান (জিএপি) এর আওতায় শহরের মহিলা অঙ্গন প্রতিবন্ধী স্কুলকে একটি স্কুল ভ্যান প্রদান করেছেন পৌরসভার মেয়র কাজী লিয়াকত আলী।

সোমবার দুপুরে পৌরসভা চত্বরে মহিলা অঙ্গন স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক অনুরেখা হালদারের নিকট স্কুল ভ্যান গাড়িটি হস্তান্তর করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মো. আবু সিদ্দিক সিকদার, সাধারণ সম্পাদক শেখ রফিকুল ইসলাম মিটু, পৌরসভার সচিব কেজি এম মাহমুদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ, মহিলা কাউন্সিলর খাদিজা বেগম, বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জুলফিকর আলী মোল্লা প্রমুখ। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:২৪
প্রিন্ট করুন printer

নোয়াখালীতে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে একদল দুর্বৃত্ত। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ শরীফপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পরে আহত যুবলীগ নেতাকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

আহত আব্দুল মান্নান (৩৪) উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শরীফপুর গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে।

বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রুহুল আমিন সোমবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি আরও জানান, বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের ন্যায্যমূল্য বাজার নামক স্থান থেকে ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আব্দুল মান্নান মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ি যাওয়ার পথে পেছন থেকে অজ্ঞাত ৪/৫ জন দুর্বৃত্ত কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে আব্দুল মান্নানকে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করে।

বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমিন বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এই হামলার কোনো কারণ জানা যায়নি। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:০৯
প্রিন্ট করুন printer

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সোমবার বিকেলে হওয়া পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। সদর উপজেলার ভাটপাড়া ও সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে নাটাই উত্তর ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামের মৃত সোহরাব মিয়ার ছেলে পথচারি আবু সায়েদ (৮০) নিজ বাড়ির সামনে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় নিহত হন। সরাইলে নিহত সদর উপজেলার মজলিশপুর ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামের মনু মিয়া ছেলে হাকিম মিয়া (২৪) পিকআপ উল্টে নিহত হন।

স্থানীয়রা ও নিহতের স্বজনেরা জানান, বৃদ্ধ আবু সায়েদ জেলা শহর থেকে নিজ বাড়ি ভাটপাড়া গ্রামে যাচ্ছিলেন। গাড়ি থেকে নেমে রাস্তা পারাপারের সময় পিছন দিক থেকে একটি মাইক্রোবাস তাঁকে ধাক্কা দেয়। এতে সড়কে তিনি ছিটকে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ২৫০শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়। 

অন্যদিকে, সরাইল উপজেলার সূর্যকান্দি থেকে পিকআপ ভ্যান নিয়ে চালক হাকিম মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের দিকে আসছিলেন। পথে সূর্যকান্দি তিনরাস্তার মোড়ে আসার পর পিকআপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে চালক হাকিম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর  হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে পিকআপ চালক হাকিম মারা যান।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাজমুল হক ও ডা. খান রিয়াজ মুহাম্মদ জিকু ওই দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে বলে তারা জানান।
 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর