শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৩৬
আপডেট : ১৯ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৪১
প্রিন্ট করুন printer

আখাউড়ায় তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

আখাউড়ায় তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় তীব্র শীত ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কনকনে শীত আর ঘন কুয়াশার কারণে পৌর শহরসহ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ছিন্নমূল, অসহায়-হতদরিদ্র লোকজনের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

তবে দিনের বেশি ভাগ সময় কুয়াশায় ঢাকা পড়ে থাকে সূর্য। মাঝে মধ্যে সূর্যের খানিক আলোর দেখা মিললেও তা থাকছে নিরুত্তাপ। তীব্র শীতের কারণে দরিদ্র, দিনমজুর কর্মজীবী মানুষেরা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। মানুষের স্বাভাবিক কাজকর্মে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা।

প্রচণ্ড শীতের কারণে সন্ধ্যার পরপরই রাস্তাঘাট হাট-বাজার জনশূন্য হয়ে পড়ছে। ছিন্নমূল, অসহায় হতদরিদ্র লোকজন খড়কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার ফলে ঠান্ডাজনিত নানা রোগ দেখা দিয়েছে। এসব রোগীর মধ্যে শিশু ও বয়বৃদ্ধের সংখ্যাই বেশি।

আখাউড়া স্থাস্ব্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, শীতের কারণে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। শীতের কারণে জবুথবু হয়ে পড়ছে প্রাণীরাও।

পৌর এলাকার মো. দিদার  মিয়া বলেন, তীব্র শীত ও কুয়াশা থাকায় গত দুদিন ধরে কাজ করতে পারছি না। কৃষক মো. ফরিদ মিয়া বলেন, জমিতে চলতি মৌসুমের বোরো ধান আবাদ শুরু হয়েছে। কিন্ত তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা থাকার কারণে শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। ধান আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

রিকশাচালক মো. হোসেন আলী বলেন, প্রতিদিন রাত ১২-১টা পযর্ন্ত রিকশা চালাই। কিন্ত গত কয়েকদিন ধরে তীব্র শীত ও কুয়াশা থাকায় সন্ধ্যার পর চলে আসি। সিএনজি চালক রফিক মিয়া বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে হেড লাইটে কিছু দেখা যায় না। গাড়ি চালাতে ভয় করে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শ্যামল চন্দ্র ভৌমিক বলেন, প্রতিদিন হাসপাতালে নিউমোনিয়া, জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়া অন্তত ৫০-৬০ জন শিশু চিকিৎসা নিচ্ছেন। আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো গাফিলতি নেই।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর