শিরোনাম
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৫:৪৯
প্রিন্ট করুন printer

কাউন্সিলর তরিকুল হত্যা মামলার অন্যতম আসামি অস্ত্রসহ গ্রেফতার

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

কাউন্সিলর তরিকুল হত্যা মামলার অন্যতম আসামি অস্ত্রসহ গ্রেফতার

বিজয়ী ঘোষণার মাত্র দশ মিনিটের মধ্যে ছুরিকাঘাতে নিহত সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তরিকুল ইসলাম খান হত্যা মামলায় পুলিশ ঘাতক বুদ্দিনের ছেলে মামলার অন্যতম আসামি সাব্বির হোসেনকে (২০) বিদেশী অটোপিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার করেছে। 

এছাড়াও একই দিনে পৃথক অভিযান চালিয়ে মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি শাহেদনগর গ্রামের বাসিন্দা মৃত পান্নু বেপারীর ছেলে রতনকে (২২) কাঠেরপুল এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

এনিয়ে কাউন্সিলর তরিকুল হত্যার ঘটনায় ১০ জনকে গ্রেফতার করা হলো। 

বৃহস্পতিবার সকালে সদর থানায় সংবাদ সম্মেলনে সহকারী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সদর সার্কেল (এএসপি) স্নিগ্ধ আক্তার গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, চাঞ্চল্যকর তরিকুল হত্যা মামলার তদন্তকারী অফিসার পুলিশ পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন কাউন্সিলর তরিকুল ইসলাম খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন বুদ্দিনের ছেলে সাব্বির হোসেন সদর উপজেলার ফকিরতলা ব্রিজ এলাকায় অবস্থান করছেন। তাৎক্ষণিক পুলিশ অফিসার এসআই জাফর, এসআই সাইফুল ও এএসআই হাসিবুলসহ ফোর্স নিয়ে ব্রিজ এলাকা ঘিরে ফেলে সাব্বির হোসেনকে আটক করেন। এসময় সাব্বিরের কাছ থেকে একটি বিদেশী অটোপিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। আটক সাব্বির হোসেন মামলার এজাহার ভুক্ত ৬নং আসামী। 

তিনি আরো জানান, একইদিনে সাহেদনগর বেপারী পাড়া মহল্লায় অভিযান চালিয়ে মামলা তদন্তে প্রাপ্ত আরেক আসামি রতনকে কাঠেরপুল এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটক দুজনকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। এছাড়াও হত্যা মামলার প্রধান আসামি বুদ্দিনসহ অন্যান্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। 

সংবাদ সম্মেলনে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাহা উদ্দিন ফারুকী, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, অভিযান পরিচালনায় থাকা এসআই সাইফুল ইসলাম ও এসআই আবু জাফরসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ১৬ জানুয়ারি দ্বিতীয় ধাপের সিরাজগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ৬নং ওয়ার্ড (নতুন ভাঙ্গাবাড়ী- বেপারী পাড়া-শাহেদনগর) কাউন্সিলর পদে ৮৫ ভোটে বিজয়ী হন তারিকুল ইসলাম। ফলাফল ঘোষণার পর বিজয় উল্লাস করার সময় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে আহত হন তিনি। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়ার পর তরিকুল ইসলাম মারা যান। ঘটনার দুদিন পর নিহতের ছেলে ইকরামুল হাসান হৃদয় বাদী হয়ে পরাজিত প্রার্থী ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন বুদ্দিনসহ ৩২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪০/৫০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন
 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:৪৫
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:৪৭
প্রিন্ট করুন printer

প্রেমিক-প্রেমিকার একসঙ্গে বিষপান, প্রেমিকের মৃত্যু

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রেমিক-প্রেমিকার একসঙ্গে বিষপান, প্রেমিকের মৃত্যু
প্রেমিক রাজু

ভালবাসার সম্পর্ক দুই পরিবার মেনে না নেওয়ায় অভিমান করে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রেমিক-প্রেমিকা একসঙ্গে বিষপান করেছে। এ ঘটনায় প্রেমিক রাজুর (২০) মৃত্যু হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের আলীপুর বাজার সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। 

মৃত রাজু ওই ইউনিয়নের পাঞ্জুপাড়া গ্রামের সোহরাব খানের ছেলে। প্রেমিকা একই ইউনিয়নের আলিপুর গ্রামের বাসিন্দা। সে বর্তমানে কলাপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে রাজু ও ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পারিবারিকভাবে তাদের প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নিয়ে গত বছর ওই তরুণীকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হয়। পরে বৃহস্পতিবার রাতে তারা দু’জনে একসঙ্গে বিষপান করে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রেমিক রাজুকে মৃত ঘোষণো করেন।

কলাপাড়া থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওই তরুণী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:২৯
প্রিন্ট করুন printer

সৈয়দ আবুল মকসুদ স্মরণে শোকসভা

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

সৈয়দ আবুল মকসুদ স্মরণে শোকসভা

বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট ও লেখক মানিকগঞ্জের কৃতি সন্তান সৈয়দ আবুল মকসুদ স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে মানিকগঞ্জ প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এই শোক সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি গোলাম ছারোয়ার ছানু, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চক্রবর্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, জেলা সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মানবেন্দ্র চক্রবর্তী, সহসভাপতি মোঃ কাবুল উদ্দিন খান ও সাধারণ সম্পাদক সাজাহান বিশ্বাস। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন 
  


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:১২
প্রিন্ট করুন printer

নোয়াখালীতে এবার বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ, ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগ

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে এবার বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ, ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগ
প্রতীকী ছবি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অস্ত্রের মুখে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর ভাইরালের ভয় দেখিয়ে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে দফায় দফায় ধর্ষণ এবং অপহরণের অভিযোগ উঠেছে।

বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়ারপুরের হীরাপুর গ্রামের ওই ছাত্রী প্রায় দুই মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে।এ ঘটনায় নোয়াখালী বেগমগঞ্জ মডেল থানায় বৃহস্পতিবার রাতে একই এলাকার রাসেল (২৫), জোবায়ের (২৪), সাইফুল ইসলাম ইমন (২২) এবং ফয়সাল নামের ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর মা।

বৃহস্পতিবার রাতে বেগমগঞ্জ পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাইফুল ইসলাম ইমন ও ফয়সালকে গ্রেফতার করেছে। 

বেগমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান শিকদার মামলার সত্যতা স্বীকার করে জানান, রাতেই ইমন ও ফয়সালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ওই ছাত্রীর মা সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৮ সাল থেকে একই এলাকার ইমন ও রাসেল আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে। এ বিষয়ে ভিকটিম তাদের বারণ করলে তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে বলে- ‘আমাদের কথায় রাজি না হলে তোর মাকে মেরে ফেলবো’।

তিনি বলেন, ‘এরপর একদিন রাসেল ও ইমন আমাদের বাড়িতে এসে আমাকে কৌশলে কোমলপানীয়র সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে আমাকে অচেতন করে অস্ত্রের মুখে মেয়েকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে। পরে এক দোকানিকে ডেকে এনে জোর করে মেয়ের সঙ্গে দাঁড় করিয়ে উভয়কে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে তারা।’ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বলেন, ‘পরে ওই ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে টাকা, স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায় এবং একাধিকবার তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। বাধ্য হয়ে মেয়েকে বিয়ে দিয়েও রেহাই পাইনি। বিয়ের পরে মেয়ে বেড়াতে আসলে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এ সময় তারা ঘর থেকে ৫০ হাজার টাকা, ১ ভরি স্বর্ণালংকারও নিয়ে যায়। এরপর থেকেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নিয়মিত চাঁদা নিতে থাকে।’

তিনি বলেন, দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় সন্ত্রাসীদের ভয়ে মুখ খোলেননি। এবার থানায় অভিযোগ দিয়েও কোনও সুফল পাননি। বর্তমানে তারা অসহায় হয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সাহায্যে পুনরায় আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।

ছাত্রীর মা বলেন, ‘বিয়ের পরে মেয়ে বেড়াতে আসলে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। উঠিয়ে নেওয়ার তিন মাস পরে রাসেলকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে মিরপুরের একটি বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করে আনি। এ ঘটনার ১৫ দিন পর রাসেল পুনরায় মেয়েকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। ১০ দিন পর আবারও ১০ হাজার টাকা দিয়ে মেয়ে নিয়ে আসি।’

তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ গত ২৪ ডিসেম্বর রাসেল আবার আমার মেয়েকে নিয়ে যায়। এখনও সে কোথায় আছে, কীভাবে আছে জানি না। গত সপ্তাহে রাসেল প্রস্তাব দিয়েছে এবার ১ লাখ টাকা দিতে। টাকা না দিলে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।’

ভুক্তভোগীর মা বলেন, ‘মেয়ের সন্ধান চাইলে ইমন আমাকে তার সঙ্গে এক রাত কাটানোর প্রস্তাব দেয়। সে বলে তার সঙ্গে রাত কাটালে আমাকে মেয়ের সন্ধান দেবে।’

এ বিষয়ে জানাতে চাইলে ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল কাদের বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন বলে জানান। গত বছরের অক্টোবর মাসে মেয়ের মা তাকে বিষয়টি জানান। সর্বশেষ গত দুই মাস ধরে মেয়েটি নিখোঁজ রয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। 

আলাইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান বলেন, ‘এরা সবাই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এদের নামে একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে ওই মেয়ের বিষয়ে আমি কিছুই শুনিনি। তবে পূর্বের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতাম।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:০০
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:০১
প্রিন্ট করুন printer

বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করায় মেয়ের আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক

বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করায় মেয়ের আত্মহত্যা

বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করায় অভিমান করে শরীরে কেরোসিন ঢেলে মরিয়ম বেগম (২৩) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। নিহত মরিয়ম ওই এলাকার জহুরুল ইসলামের মেয়ে এবং হাতীবান্ধা উপজেলার ভোটমারী গ্রামের শামীম মিয়ার স্ত্রী।

বৃহস্পতিবার লালমনিরহাটের পাটগ্রাম পৌরসভার বাস টার্মিনাল এলাকায় বাবার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে মরিয়মের মৃত্যু হয়।  

স্থানীয়রা জানান, স্ত্রী থাকার পরেও দ্বিতীয় বিয়ে করেন জহুরুল ইসলাম। এ কারণে অভিমান করে প্রথম স্ত্রী বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যান। পরে বাবার দ্বিতীয় বিয়ের খবরে ক্ষুব্ধ হয়ে বৃহস্পতিবার বাবার বাড়ি চলে আসেন মেয়ে মরিয়ম। দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে বাবা-মেয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বাবার সঙ্গে অভিমান করে ঘরে ঢুকে নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন মরিয়ম। বুঝতে পেরে মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে দগ্ধ হন বাবা জহুরুল ইসলামও। দগ্ধ বাবা-মেয়েকে উদ্ধার করে প্রতিবেশীরা প্রথমে পাটগ্রাম ও পরে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ (রকেম) হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরিস্থিতির অবনতি হলে রাতেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় মরিয়মকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।  

পাটগ্রাম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত জানান, বাবা-মেয়ে দু’জনেই দগ্ধ হয়েছেন। মেয়েটির শরীরের অধিকাংশই পুড়েছে। এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:৫২
প্রিন্ট করুন printer

নেত্রকোনায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

অনলাইন ডেস্ক

নেত্রকোনায় ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত

নেত্রকোনার পূর্বধলায় ট্রেনে কাটা পড়ে খায়রুল ইসলাম (৩০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলা সদরের নয়াপাড়া গ্রামের মো. কবীর খানের ছেলে। শুক্রবার সকালে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে জারিয়া-ময়মনসিংহ রেলপথের পূর্বধলা বাজারের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পূর্বধলা রেল স্টেশনের বুকিং সহকারী মো. আব্দুল মোমেন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ময়মনসিংহ থেকে জারিয়াগামী ২৭৮ নং লোকাল ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ওই যুবক নিহত হয়েছেন।

গৌরীপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আশরাফ উদ্দিন ভুঁইয়া জানান, শুক্রবার সকালে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের স্বজনরা লাশ শনাক্ত করেছে। স্বজনদের দাবি তিনি কিছুটা মানসিক বিকারগ্রস্ত ছিলেন। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর