শিরোনাম
প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৫:৩১
প্রিন্ট করুন printer

দিনাজপুরে সজনের গাছে গাছে ফুলের সমারোহ

রিয়াজুল ইসলাম, দিনাজপুর

দিনাজপুরে সজনের গাছে গাছে ফুলের সমারোহ

সাদা ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে সজনের গাছ। দেখে যেন মনে হয়, শ্বেত পালক ছড়িয়ে বসে আছে কোনো সাদা ধবধবে বক পাখি। এখন দিনাজপুরের সর্বত্রই সজনে গাছে ফুলের সমারোহ। ফাল্গুন মাসের শুরু থেকে এসব গাছে ফুল ফুটতে শুরু করে। চৈত্র মাসে শুরু হয় সুস্বাদু সজনে খাওয়ার উপযোগী। এখন থেকে এই সজনে আষাঢ় মাস পর্যন্ত পাওয়া যায়।

এদিকে, অসময়ে দেশের বাজারে চাহিদা থাকায় এবং দাম বেশি পাওয়ায় দীর্ঘদিন পর আবারও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি শুরু হয়েছে সজনে। শনিবার দুপুরে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রথম দিনের মতো একটি মিনি পিকআপে ২ হাজার ৭৬০ কেজি সজনে আমদানি হয়েছে। প্রতি কেজি সজনে ১৫ টাকা শুল্ক দিয়ে আমদানি করা হচ্ছে। আর আমদানিকৃত এসব সজনে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

সজনে এখানকার চহিদা মিটিয়ে চলে যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে। সজনে থেকে আয় হয় মোটা অঙ্কের টাকা। সজনে আবাদে কোনো বাড়তি খরচের প্রয়োজন হয় না। একটি ডাল রোপণ করলেই সেখান থেকে বড় আকৃতির সজনে গাছ হয়। এক বছরেই ফল দিতে শুরু করে। সজনে একটি পুষ্টিকর ও সুস্বাদু এবং অর্থকরী ফসল। সেই সাথে সজনের পাতা ও ফল ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

এদিকে, ঢাকা থেকে সজনে কিনতে আসা কয়েক পাইকার জানায়, ঢাকার বাজারে আমদানিকৃত সজনের চাহিদা রয়েছে। এখন যেহেতু মৌসুম না, তাই দাম একটু বেশি। ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি সজনে বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে। তবে নতুন সজনে ওঠা শুরু করলে দাম অনেকটা কমে আসবে। দেশের বাজারে এখনো সজনে ওঠেনি। যার কারণে দেশের বাজারে আমদানিকৃত সজনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর