শিরোনাম
প্রকাশ : ৫ এপ্রিল, ২০২১ ১৩:৫৯
আপডেট : ৫ এপ্রিল, ২০২১ ১৪:১৮
প্রিন্ট করুন printer

লকডাউন শুরু হলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানা হচ্ছে না নির্দেশনা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

লকডাউন শুরু হলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানা হচ্ছে না নির্দেশনা
চাপাইনবাবগঞ্জে অনেকেই মাস্ক ছাড়া বাইরে ঘোরাফেরা করছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাদেশে সাত দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। আজ সোমবার লকডাউনের প্রথম দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের বড় বিপণী বিতান বন্ধ রয়েছে। তবে বিনা প্রয়োজনে অনেককেই কাজ ছাড়া বাইরে বের হতে দেখা গেছে। তাদেরকে কিছু বলা হলে তারা সদুত্তোর না দিয়ে চলে যান। 

বেলা বাড়ার সাথে সাথে জেলা শহরের বাতেন খাঁ মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় কিছু কিছু দোকানের এক পাল্লা খুলে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যেতে দেখা গেছে। কয়েকটি চায়ের দোকান খোলা রাখায় সেখানে মানুষের সমাগমও দেখা যায়। এছাড়াও সেলুন, ইলেকট্রেনিক্স সামগ্রীর দোকান খোলা দেখতে পাওয়া যায়। এদিকে, দাউদপুর রোডে কাপড়ের দোকানের এক পাল্লা খুলে ব্যবসা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে ম্যাজিষ্ট্রেটের অভিযানের খবর পেয়ে দোকান মালিকরা দোকান বন্ধ করে সটকে পড়ে। 

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট রুহুল আমিনের নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১১টায় পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে পুরাতন বাজারের নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকান ব্যতীত অন্যান্য দোকান খোলা থাকায় তা তাৎক্ষনিক বন্ধ করে দেয়া হয়। পরবর্তীতে দোকানগুলো খোলা রাখা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকানগুলোতে পণ্য ক্রয় করতে আসা ক্রেতাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পণ্য ক্রয় করার জন্য বলা হয়। 

অপরদিকে। পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বড় ইন্দারা মোড় থেকে নিমতলা মোড় পর্যন্ত যারা মাস্ক ব্যবহার না করে চলাচল করছেন তাদেরকে সচেতন করতে মাস্ক প্রদান করেন এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান। জেলা শহরের চাইতে উপজেলাগুলোতে লাকডাউন খুব একটা মানা হচ্ছে না। শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাটে অধিকংশ দোকানপাট খুলে রাখা হয়েছে। মানুষজনও মাস্ক ছাড়াই চলাফেরা করছে। 

অন্যদিকে, লকডাউনের সুযোগে কতিপয় ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। ভারত থেকে আমদানীকৃত পিঁয়াজের দাম গতকাল রবিবার ছিল কেজি প্রতি ২৪ কেজি, এখন তা বেড়ে ২৮/৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাল্লা দিয়ে দেশী পিঁয়াজের দামও বাড়তি। চায়না রসুন কেজি প্রতি ১০৫ টাকা, দেশী রসুন ৬০ টাকা দরে, পটল কেজিতে ৫ টাকা থেকে বেড়ে ৪০ টাকায়, করলা কেজিতে ১০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোঃ মঞ্জুরুল হাফিজ জানান, চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পরিমাণ পণ্য রয়েছে। তারপরও বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ানো হলে তা নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।   


বিডি-প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর