শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল, ২০২১ ১৮:০৪
প্রিন্ট করুন printer

কালবৈশাখী ঝড়ে আম চাষিদের মাথায় হাত

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর:

কালবৈশাখী ঝড়ে আম চাষিদের মাথায় হাত
ফাইল ছবি
Google News

শুক্রবার রাতে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ের আঘাতে রংপুরের হাড়িভাঙ্গা আম চাষিদের স্বপ্নভঙ্গ হতে শুরু করেছে। ঝাড়ের কারণে অধিকাংশ গাছের আমই ঝরে পড়েছে। ফলে আম চাষিরা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। অথচ সুস্বাদু এই আম জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বাজারে পাওয়ার কথা ছিল। তবে কৃষি বিভাগ বলছে তেমন কোন ক্ষতি হয়নি। 

আম চাষিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, করোনার কারণে কীটনাশক সংকট, শ্রমিক সংকটে পরিচর্যার অভাব, কৃষি বিভাগের পরামর্শ থেকে বঞ্চিত হওয়া হাড়িভাঙ্গা আমের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিয়ে শঙ্কা ছিল। তারপর কালবৈশাখীর আঘাতে আম বাগানের আম ঝরে পড়েছে। চাষিরা জানান, তারা প্রতিবছর শুধু হাড়িভাঙ্গা আম বিক্রি করে ২০০ কোটি টাকার ওপর আয় করেন। এবার ঝড়ের কারণে অধিকাংশ বাগানের আম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বদরগঞ্জের শ্যামপুরের আমচাষি শফিকুল ইসলাম, বেলাল হোসেন, শামছুজ্জামান, হাবিবুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন জানান, ঝড়ের কারণে তাদের সকলের স্বপ্ন ভঙ্গ হওয়ার পথে। অধিকাংশ গাছের আম ঝরে পড়েছে। তারা জানান, ঝড়ে আম ছাড়াও কলা, মরিচ, পটল, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হয়েছে। 

হাড়িভাঙ্গা ছাড়াও ফজলি, কেরোয়া, এছাহাক তেলি, ছাইবুদ্দিন, আশ্বীনি, সাদা নেংড়া, কালা নেংড়া, কলিকাতা নেংড়া, মিশ্রী ভোগ, গোপাল ভোগ, আম্রপালি, সাদা রচি, চোচা, আঁটি জাতীয় আমের ক্ষতি হয়েছে । তবে হাড়িভাঙ্গা আমের ক্ষতিই বেশি হয়েছে । এবার হাড়িভাঙ্গা উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল পনের হাজার মেট্রিক টনের ওপর। ঝড়ের কারণে কতটুকু আম ঘরে তুলতে পারবে তা নিয়ে সন্দিহান আম চাষিরা।  

রংপুর আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজার রহমান বলেন, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝড় প্রবাহিত হয়েছে। বৃষ্টিপাতের পরিমান ছিল ৩০ মিলিমিটার।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল

এই বিভাগের আরও খবর