শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল, ২০২১ ১৯:০৪
প্রিন্ট করুন printer

শেরপুরে লকডাউনে বিধি-নিষেধ কেউ মানেনি

শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুরে লকডাউনে বিধি-নিষেধ কেউ মানেনি

লকডাউনে শেরপুর থেকে দূরপাল্লার গাড়ি চলেনি তবে অন্য বিধি-নিষেধ কেউ মানেনি। চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন। মূল শহরে দোকানপাঠ কিছু বন্ধ থাকলেও উপশহর ও গ্রামগুলোতে চলছে বেচাকেনার ধুম। আর বাজারে এখন উপচে পড়া ভিড়। 

জেলা ও উপজেলা শহর গুলোর প্রবেশ পথে পুলিশ কড়াকড়ি আরোপ করলেও নানা অজুহাতে মানুষজন শহরে প্রয়োজন অপ্রয়োজনে ঢুকে পড়ছে।প্রধান সড়কসহ অলিগলি রিক্সা ও ব্যাটারীচালিত অটো রিক্সার দখলে। দুপুরের আগে ও বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শহরের সর্বত্রই ভিড় থাকে চোখে পড়ার মত। শেরপুরের বিভিন্ন এলাকা ও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যবিধি লংঘন যেনো অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালত ও পুলিশের গাড়ি দেখলেই দোকানপাঠ বন্ধ ও ভিড় কিছুটা কমে যায়। চলে গেলে সেই সাবেক অবস্থা। এটাকে অনেকটা চোর পুলিশ খেলার মত বিষয় বলছেন অনেকেই। মানুষকে লকডাউনের মধ্যে রাখতে সিভিল প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতা আছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের তৎপরতাও চলছে। জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদারতের সমন্বয় কারি নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাহমুদুল হাসান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিধি  ও সরকারি নির্দেশনা না মানার কারনে ভ্রাম্যমান আদালত জেলায় (১৪ এপ্রিল থেকে ১৯ এপ্রিল ) ছয়দিনে ২৪৮ টি মামলায় ১লক্ষ ৪৮ হাজার সাতশ টাকা আদায় করেছে। এর মধ্যে সর্বাধিক সদরে ৯৩টি ও নকলা উপজেলায় ৬০ টি মামলা হয়েছে। 

সদর উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা ফিরোজ আল মামুন জানিয়েছেন, প্রশাসনের তৎপরতার তীব্রতার ঘাটতি নেই। মানুষ সচেতন হচ্ছে না। যেনতেন কারণে জরিমানা করলে মানুষের মধ্যে বাজে প্রভাব পড়বে। 
লকডাউনে মানুষ তেমন মানছে না স্বীকার করে জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ আনওয়ারুর রউফ বলেছেন, করোনা থেকে দেশ ও মানুষকে বাঁচাতে সকল মানুষকে দায়িত্বশীল হতে হবে। মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। 

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 

এই বিভাগের আরও খবর