শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল, ২০২১ ১৬:২২
প্রিন্ট করুন printer

করোনার সংক্রমণ বাড়ছে, পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়ানোর দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর:

করোনার সংক্রমণ বাড়ছে, পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়ানোর দাবি
Google News

প্রতিদিনই করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বাড়ছে। কিন্তু রংপুর বিভাগে করোনা পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়েনি। বিভাগের দেড় কোটি মানুষের জন্য রয়েছে মাত্র ২টি পিসিআর মেশিন ল্যাব। এর একটি রংপুরে অপরটি দিনাজপুরে। সচেতন মহল করোনা পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়ানোর দাবি করেছেন। 

রংপুর স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের মার্চে করোনা প্রকোপ শুরু হলে ঢাকা বাইরেও করোনা পরীক্ষার উদ্যোগ নেয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় রংপুর মেডিকেল কলেজ একটি দিনাজপুর এম আব্দুর রহমান মেডিকেল কলেজে একটি পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হয়।  প্রতিদিন ল্যাবে ১৮৮ জনের পরীক্ষা করা সম্ভব। সেই হিসেবে ২টি ল্যাবে প্রতিদিন ৩৭৬ জনের দেহে নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব। গত দুই সপ্তাহ থেকে করোনা শনাক্তের হার ও মৃত্যু বেড়ে গেছে আশঙ্কাজনক হারে। করোনা শনাক্তের পরীক্ষাগার না থাকায় অনেকেই করোনা পরীক্ষা করাতে পারছেন না বলে এমন অভিযোগ উঠেছে। 

করোনা সংক্রমণের এই মুহূর্তে অনেকেই নমুনা পরীক্ষা করাতে আগ্রহী হলেও পিসিআর ল্যাবে সিরিয়ালের কারণে অনেকেই নমুনা পরীক্ষার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। আবার নমুনা দিলেও এর রিপোর্ট আসতে কয়েকদিন লেগে যাচ্ছে। তার পরেও করোনা হাত থেকে রক্ষা পেতে নমুনা পরীক্ষার বিকল্প নেই বলে অনেকে মনে করছেন। সচেতন মহলের দাবি এই সংকটকালে আরো পিসিআর মেশিন বাড়ানো না হলে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা জটিল হয়ে পড়বে।  

গত  ২৪ ঘন্টায় বিভাগে ৩৭৮ জনের দেহের নমুনা পরীক্ষা করে ৬৫ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট পরীক্ষা হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার  ৫০৯ জনের। এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৫৭১ জন।  ২৪ ঘন্টায় এই বিভাগে মৃত্যু বরণ করেছেন ২ জন। এর মধ্যে একজন ঠাকুরগাওয়ে এবং একজন দিনাজপুরে। এবিভাগে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু বরণ করেছেন ৩৩৬ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক দিয়ে বিভাগে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে দিনাজপুর জেলা। এই জেলায়  ৫ হাজার ২৫৭ জন আক্রান্ত এবং এপর্যন্ত মৃত্যু বরণ করেছেন ১২০ জন। এর পরের অবস্থানের রয়েছে রংপুর জেলা । এ জেলায় এপর্যন্ত ৪ হাজার ৫৫৩ জন আক্রান্ত এবং মৃত্যু বরণ করেছেন ৭৭ জন।  সবচেয়ে কম শনাক্ত ও মৃত্যু বরণ করেছেন লালমনিরহাট জেলায়। এই জেলায় মোট আক্রান্ত ১ হাজার ৩২ জন এবং মৃত্যু বরণ করেছেন ১২ জন। রংপুর বিভাগের ১২টি হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। 

রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. আহাদ আলী জানান, রংপুর-দিনাজপুরের দুটি পিসিআর মেশিন দিয়েই করোনা শনাক্ত করা হচ্ছে। এছাড়া ঠাকুরগাওয়ে এন্টিজেন পদ্বতিতে পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। 

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 

এই বিভাগের আরও খবর