শিরোনাম
প্রকাশ : ৭ জুন, ২০২১ ১৬:২৪
প্রিন্ট করুন printer

চরবংশী মাদ্রাসাতুল বানাত দালিখ মাদ্রাসা

শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষ সংকটে পাঠদান ব্যাহত

মো. মোস্তফা কামাল, রায়পুর

শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষ সংকটে পাঠদান ব্যাহত
Google News

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চরবংশী ‘মাদ্রাসাতুল বানাত দালিখ মাদ্রাসা’ বর্তমানে শিক্ষক সংকট, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ধুঁকছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম এই মহিলা মাদ্রাসা।

১৯৯৩ সালে সৌদি সরকারের অর্থায়নে নির্মিত মাদ্রাসার দোতলা ভবনটি বর্তমানে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকি মাথায় নিয়েই চলছে পাঠদান কার্যক্রম। নতুন ভবন না থাকায় বারান্দায় ক্লাস করছে প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীরা।

সরেজমিন সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের চর ইন্দুরিয়া গ্রামে শিক্ষা বঞ্চিত নারীদের জন্য সাইক্লোন সেন্টারে মহিলা মাদ্রাসাটি ১৯৭৩ সালে স্থাপন করা হয়। নারী শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে মহিলা মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তৎকালীন শিক্ষানুরাগী হাফেজ সালেহ আহমেদ এম এ। 

এসময় ছয়জন শিক্ষক ও প্রায় ৫০ জন ছাত্রী নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। সময়ের ব্যবধানে মাদ্রাসার জন্য আরো দুই ব্যক্তি ২০ শতাংশ জমি দান করেন। বর্তমানে মাদ্রাসার নামে এক একর সম্পত্তি রয়েছে। ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়।

মহিলা মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. আলী আশরাফ বলেন, বর্তমানে মাদ্রাসায় শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ১৬ জন রয়েছেন। কিন্তু পাঁচ শতাধিক ছাত্রীদের জন্য তা অপর্যাপ্ত। এখনো আটজন শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া নতুন ভবন না থাকায় ছাত্রীদের বসার জায়গায় দেওয়া যাচ্ছে না বলে প্রায় সময়ই বারান্দায় ক্লাস করতে হয়।

মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি গাজী মো. নাজিমউদ্দিন বলেন, পর্যাপ্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় শিক্ষার মানোন্নয়ন হচ্ছে না। এছাড়া সীমানা প্রাচীর না থাকায় শিক্ষার্থীরা বখাটেদের উত্যক্তের শিকার হচ্ছে। বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম সাইফুল হক বলেন, শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি আমরা অবগত। সংকট সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর