শিরোনাম
প্রকাশ : ৯ জুন, ২০২১ ১৩:৩৫
আপডেট : ৯ জুন, ২০২১ ১৩:৪৪
প্রিন্ট করুন printer

মানিকগঞ্জে মরিচের বাম্পার ফলন, দামে হতাশ কৃষক

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জে মরিচের বাম্পার ফলন,  দামে হতাশ কৃষক
Google News

মানিকগঞ্জে সর্বত্রই মরিচের ফলন ভাল হয়েছে। তবে দাম কম থাকায় কৃষকরা হতাশ। শ্রমিকের মজুরি, সার, কীটনাশকের অধিক মূল্য এসব পরিশোধ করে কাঁচা মরিচে লোকসানের আশংকা করছেন তারা। 

দেশ বিদেশে মানিকগঞ্জের কাঁচা মরিচের সুনাম রয়েছে। সেই সাথে রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। চাহিদার সাথে পাল্লা দিয়ে জেলার সর্বত্রই চাষ হয়ে থাকে মরিচ। বিশেষ করে ঘিওর, শিবালয় সাটুরিয়া ও হরিরামপুর উপজেলায় মরিচ চাষ হয় বেশী। জেলার উৎপাদিত মরিচ দেশব্যাপি সরবরাহের জন্য বরংগাইল, ঝিটকা, বাঠইমুড়ী, সাটুরিয়া, ভাটবাউর, জাগীরসহ বিভিন্ন এলাকায় পাইকারী আড়তে কাঁচামরিচ ক্রয়-বিক্রয় হয়। 

গ্রামের মরিচ চাষী মোতালেব হোসেন বলেন, 'এবার ৭ বিঘা জমি কটে নিয়ে মরিচ চাষ করেছেন। শ্রমিকের মুজুরি, সার, বীজ, কীটনাশকসহ অন্যান্য খরচ হয় বিঘা প্রতি দশ বারো হাজার টাকা। আজ মরিচ বিক্রী করলাম ১২ টাকা কেজি। সামনে মরিচের ভরা মৌসুমে এর চেয়ে দাম কমে গেলে লোকসান গুনতে হবে।'

বাঠইমুড়ি কাঁচা মরিচ আড়তের সভাপতি মো. দিলশাদ খান দেলোয়ার বলেন, 'এখানকার মরিচের মান খুব ভাল এবং চাহিদাও বেশী। এ আড়তে সাধারণত বিন্দু, কালা বিন্দু ও বাল্লা মরিচ কেনা বেচা হয়। এখান থেকে আগে কাঁচা মরিচ বিদেশ যেতো। তখন কৃষকরাও লাভবান  হতো আমরাও লাভবান হতাম। আমাদের দাবি আবারও মরিচ রপ্তানির ব্যবস্থা করা হোক।' 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শাহজাহান আলী বিশ্বাস বলেন, 'এবছর মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৯৯০৮ হেক্টর। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় মরিচের ফলন ভাল হয়েছে। করোনার কারণে বিদেশে মরিচ রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই মরিচ চাষীরা অধিক লাভবান হবেন।'  

 

বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির 

এই বিভাগের আরও খবর