শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:৩৪, রবিবার, ২৪ মার্চ, ২০২৪ আপডেট:

যে কারণে বৈদ্যুতিক গাড়ি এখন মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে উৎপাদকদের

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
যে কারণে বৈদ্যুতিক গাড়ি এখন মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে উৎপাদকদের

জলবায়ু সংকট বিবেচনায় বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহিত করতে বিশ্বজুড়ে নানা উদ্যোগ ও কর্মসূচি দেখা যায়। এই প্রচেষ্টায় সিলিকন ভ্যালির প্রয়াস অনেক বেশি। 

সিলিকন ভ্যালি বিশ্ববাসীকে বিশ্বাস করাতে চায় যে, প্রযুক্তি আমাদের শহরগুলোতে এবং আমাদের চলার পথে বিপ্লব ঘটাবে। ‘অটোপাইলট মোড’ সম্বলিত যানবাহন আমাদের নিরাপদ, সবুজ এবং আরও দক্ষ করে তুলবে। উবার এবং লিফটের মতো অন-ডিমান্ড পরিষেবাগুলো গাড়ির ব্যবসা বাদ দেবে। বৈদ্যুতিক স্কুটারের মতো স্বল্পপাল্লার যানগুলো প্রতিটি বাসাবাড়ির কোণায় পড়ে থাকবে। কেননা পণ্য এবং পরিষেবা সরবরাহ করবে ড্রোন। 

একই সঙ্গে ইলন মাস্কের মতো স্বপ্নদর্শীরা প্রতিশ্রুতি দেন দুনিয়া থেকে যানজট উধাও করে দেবেন। আর সেই লক্ষ্যে উবারের মতো প্রতিষ্ঠান উড়ন্ত গাড়ি আনার উদ্যোগ নেয়।

তবে তাদের এই প্রচেষ্টায় বর্তমান সমাজের জন্য ততটা ফলপ্রসু নয় বলে জানিয়েছেন কানাডার প্রযুক্তি বিষয়ক সাংবাদিক ও লেখক প্যারিস মার্কস। তিনি তার ‘রোড টু নোহোয়ার’ বইতে ভবিষ্যতের প্রযুক্তির দৃষ্টিভঙ্গি ও এ সংক্রান্ত সমস্যাগুলোকে তুলে ধরেছেন।

বইটিতে তিনি বলেছেন, আমরা নিজেদেরকে প্রযুক্তিগত কল্পনার দ্বারা ক্রমাগত বিভ্রান্ত হতে দিতে পারি না। আমরা যদি জনকল্যাণমূলক শহর ও পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, তাহলে যারা সামাজিক সমস্যাগুলোর শুধু প্রযুক্তিগত সমাধানের প্রস্তাব দেয়, তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করা উচিত।

প্যারিস মার্কসের মতে, পরিবহন ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটাতে হলে দরিদ্র, প্রান্তিক, এবং অপেক্ষাকৃত দুর্বলদের চাহিদাও বিবেচনা করতে হবে। শুধু অভিজাত শ্রেণিকে নিয়ে ভাবলে চলবে না। কেননা, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থাগুলো জনসাধারণের সেবার জন্য হয়ে থাকে, শুধু একটি বিশেষ শ্রেণির জন্য নয়।

প্যারিস মার্কস তার এক নিবন্ধে বলেছেন, বৈদ্যুতিক গাড়ি ভবিষ্যত পরিবহন ব্যবস্থায় বিপ্লব আনতে বাজিমাত করবে বলে মনে হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছিল- এটি জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে তুলবে। কিন্তু এই বৈদ্যুতিক-যানের প্রচলন কিছু গুরুতর প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেছে।

এটা সত্য যে, এখনও বৈদ্যুতিক গাড়ি বাজারে মোটামুটি বিক্রি হচ্ছে। তবে সেই বাজার ইতোমধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হারে পড়তে শুরু করেছে। বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা আর আগের অবস্থায় নেই। শো-রুমগুলোতে পড়ে আছে অবিক্রিত অনেক বৈদ্যুতিক গাড়ি। ক্রেতাদের প্রলুব্ধ করতে দাম কমানো হয়েছে। বিনিয়োগকারীরাও পিছু হটতে শুরু করেছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফোর্ড তাদের পরিকল্পিত বিনিয়োগের ৫০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ১২ বিলিয়ন বিলম্বিত করেছে।

ওদিকে জেনারেল মোটরস প্রধান মডেলগুলোর উৎপাদনে বিলম্বিত করছে। আর হোন্ডা সস্তা বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরির প্রতিশ্রুত ৫ বিলিয়ন ডলারের অংশীদারিত্ব বাতিল করেছে। এমনকি ইলন মাস্কের টেসলা- যা বৈদ্যুতিক গাড়ির জগতে সুপারস্টার হিসেবে পরিচিত- ঘোষণা করেছে যে, কোম্পানিটি মেক্সিকোতে পরিকল্পিত কারখানা নির্মাণে বিলম্বিত করবে। অটো এক্সিক্স, যারা একসময় বৈদ্যুতিক গাড়ির সম্ভাব্যতা নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছিল, তারাও প্রকাশ্যে স্বীকার করছে যে, বৈদ্যুতিক গাড়ির প্রকল্প আর কাজ করছে না।

বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে ধসের পিছনে কিছু কারণ তুলে ধরেছেন শিল্প বিশ্লেষকরা। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- অপর্যাপ্ত চার্জিং পরিকাঠামো এবং সাশ্রয়ী মূল্যের বৈদ্যুতিক গাড়ির অভাব।

তাদের মতে, আমেরিকার বৈদ্যুতিক গাড়ির পরিকল্পনা শুরু থেকেই ত্রুটিপূর্ণ ছিল। আমেরিকা বৈদ্যুতিক গাড়িকে আরও টেকসই পরিবহন পরিকল্পনা হিসেবে দেখার পরিবর্তে, দেশটি এটিকে জ্বালানি-চালিত যানের প্রতিস্থাপন হিসেবে বিবেচনা করেছে। কিন্তু এই সামান্য পরিসরের প্রচেষ্টা আমাদের বৃহত্তর পরিবহন সমস্যাগুলোকে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়। ফলে কার্বন নির্গমন কমানোর লক্ষ্য তো বর্থ হয়েছেই, সেই সঙ্গে পরিবহন জগতের অন্য বড় বড় সমস্যাগুলো আড়ালেই থেকে যাচ্ছে।

প্যারিস মার্কস বলেন, বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাপারে ভ্রান্ত ধারণাটি (মিথ) হল- পরিবেশ রক্ষায় ব্যাটারি চালিত গাড়ি জ্বালানি চালিত গাড়ির একটি বিকল্প ও সঠিক পদক্ষেপ। এ বিষয়ে ‘লুডিক্রাস: দ্য আনভার্নিশড স্টোরি অব টেসলা মোটরস’ এর লেখক এডওয়ার্ড নিডারমেয়ার আমাকে বলেছিলেন, “এটা কখনও নয়। এবং এটাই হল সবচেয়ে বড় সমস্যা।”

যখন গ্রাহকরা বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনে, তখন তারা এমন গাড়ির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে যেগুলো ইতোমধ্যেই জনপ্রিয় হয়েছে—  এর অর্থ হল বড় বৈদ্যুতিক গাড়ি যেমন- SUV এবং ট্রাকের জোয়ার। কিন্তু এই বড় আকারের বৈদ্যুতিক গাড়িগুলোর তেমন কোনও সুফল পাওয়া যায় না। কেননা, এগুলোর জন্য বড় বড় অনেক ব্যাটারির প্রয়োজন হয়, যেগুলি তৈরি করতে প্রয়োজন হয় অনেক কাঁচামালের। এ জন্য উৎপাদকদের পরিবেশগতভাবে ধ্বংসাত্মক খনির কার্যক্রম বাড়াতে হয়। যদিও বড় ব্যাটারিগুলো চালকদের কিছুটা দূরের পথ পাড়ি দেওয়ার সুযোগ দেয়, কিন্তু এটি গাড়ির ওজন বাড়ায়, যা এটিকে আরও বিপজ্জনক, ব্যয়বহুল এবং এই গ্রহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।

আরেকটি উদ্বেগের বিষয় হল যে, ব্যাটারি অনেক বেশি হলেও জ্বালানির গাড়ির প্রতিস্থাপন হিসেবে এটি কাজ করে না। নিডারমেয়ার বলেন, বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা হল এটি রিচার্জ করার প্রয়োজন হয়। ফলে দূরপাল্লার ট্রিপের ক্ষেত্রে এটি একটি বড় সমস্যা। জ্বালানির গাড়িগুলো যেকোনও জায়গায় প্রয়োজনীয় জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারে, কিন্তু ইভি তথা বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়। ফলে আমেরিকানরা এই গাড়ির ব্যবহার দিন দিন কমিয়ে দিচ্ছে। এক্ষেত্রে একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ইভি ব্যবহারকারী ৭৩ শতাংশ মার্কিনি এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।

ফলে নানা কারণে এখন এই বৈদ্যুতিক গাড়ির খাত উৎপাদক ও সরবরাহকারীদের জন্য মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেড়ে গেছে দেউলিয়াত্বের ঝুঁকি। কারণ ইভি তৈরির সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে বিনিয়োগ ইভির চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি। ফলে উৎপাদন হ্রাস করতে বাধ্য হয়েছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এর সঙ্গে প্রাথমিক পাবলিক প্রস্তাব বাতিল ও বৈশ্বিক মন্দা সেই ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সূত্র: রয়টার্স, বিজনেস ইনসাইডার, ভারসোবুকস

বিডি প্রতিদিন/আজাদ

এই বিভাগের আরও খবর
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
বিদায়ী সপ্তাহে পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন
বিদায়ী সপ্তাহে পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড
রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আহ্বান এনবিআর চেয়ারম্যানের
রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আহ্বান এনবিআর চেয়ারম্যানের
আগস্টের ২৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২০৮ কোটি ডলার
আগস্টের ২৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২০৮ কোটি ডলার
তিন স্থলবন্দর বন্ধ ও একটির কার্যক্রম স্থগিত করলো সরকার
তিন স্থলবন্দর বন্ধ ও একটির কার্যক্রম স্থগিত করলো সরকার
৬ মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ
৬ মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ
দেশে প্রবৃদ্ধি কমেছে ৩.৯৭ শতাংশ
দেশে প্রবৃদ্ধি কমেছে ৩.৯৭ শতাংশ
পুঁজিবাজার: সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় চলছে লেনদেন
পুঁজিবাজার: সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় চলছে লেনদেন
নগদ লেনদেনে বছরে ক্ষতি ২০০৮ কোটি টাকা
নগদ লেনদেনে বছরে ক্ষতি ২০০৮ কোটি টাকা
নগদকে বেসরকারি করা হবে : গভর্নর
নগদকে বেসরকারি করা হবে : গভর্নর
সর্বশেষ খবর
সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০
সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১২৯০ জন
সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১২৯০ জন

২ মিনিট আগে | জাতীয়

পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে শুভসংঘের সচেতনতা সভা স্বরূপকাঠিতে
পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে শুভসংঘের সচেতনতা সভা স্বরূপকাঠিতে

৪ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস
প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১
চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস
প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস

১১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাদক মামলায় অটোচালকের যাবজ্জীবন, অস্ত্র মামলায় যুবকের ১০ বছর কারাদণ্ড
মাদক মামলায় অটোচালকের যাবজ্জীবন, অস্ত্র মামলায় যুবকের ১০ বছর কারাদণ্ড

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

দেশে ভোটার ১২ কোটি ৬৩ লাখ
দেশে ভোটার ১২ কোটি ৬৩ লাখ

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

মোংলা-খুলনা জাতীয় মহাসড়ক এখন মৃত্যু ফাঁদ!
মোংলা-খুলনা জাতীয় মহাসড়ক এখন মৃত্যু ফাঁদ!

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মোংলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
মোংলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

৩০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

একটি গোষ্ঠী সু-কৌশলে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে : দুদু
একটি গোষ্ঠী সু-কৌশলে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে : দুদু

৩১ মিনিট আগে | রাজনীতি

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অটোরিকশা চালককে হত্যা, গ্রেফতার ২
ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অটোরিকশা চালককে হত্যা, গ্রেফতার ২

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অটোরিকশা চালককে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২
অটোরিকশা চালককে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অপু গ্রেফতার
কুমিল্লায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অপু গ্রেফতার

৩৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশ হচ্ছে একটা এক্সিডেন্টের ডিপো: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
বাংলাদেশ হচ্ছে একটা এক্সিডেন্টের ডিপো: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

বিক্ষোভের মুখে চীন সফর বাতিল করলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট
বিক্ষোভের মুখে চীন সফর বাতিল করলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর খুলছে সুন্দরবন, জেলে ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের প্রাণচাঞ্চল্য
তিন মাস পর খুলছে সুন্দরবন, জেলে ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের প্রাণচাঞ্চল্য

৪৬ মিনিট আগে | পর্যটন

নাটোরে চোর সন্দেহে সংঘবদ্ধ পিটুনিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের
নাটোরে চোর সন্দেহে সংঘবদ্ধ পিটুনিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

৫৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন নির্ভর করে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন নির্ভর করে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য সকল শ্রেণির অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ: ইসি সানাউল্লাহ
অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য সকল শ্রেণির অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ: ইসি সানাউল্লাহ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শাবিতে রক্তদানে উৎসাহিত করতে ‘সঞ্চালন’-এর নতুন উদ্যোগ
শাবিতে রক্তদানে উৎসাহিত করতে ‘সঞ্চালন’-এর নতুন উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডার মন্ট্রিয়লে দু’দিনব্যাপী ৩৯তম ফোবানা সম্মেলন শুরু
কানাডার মন্ট্রিয়লে দু’দিনব্যাপী ৩৯তম ফোবানা সম্মেলন শুরু

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সম্পর্ক জোরদারে চীন সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
সম্পর্ক জোরদারে চীন সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৈয়দ হাবিবুল বশর মাইজভান্ডারীর মৃত্যুতে বিএফইউজে মহাসচিবের শোক
সৈয়দ হাবিবুল বশর মাইজভান্ডারীর মৃত্যুতে বিএফইউজে মহাসচিবের শোক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের রেলপথ অবরোধ
তিন দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের রেলপথ অবরোধ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ
এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন