শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ১১:৪০, সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫

কীভাবে হবে মীমাংসা

সরকারের বেঁধে দেওয়া সময় শেষ আজ
রফিকুল ইসলাম রনি
প্রিন্ট ভার্সন
কীভাবে হবে মীমাংসা

গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নির্ধারণে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্যে পৌঁছানোর জন্য অন্তর্বর্তী সরকার যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল সে সময় শেষ হচ্ছে আজ। সময়সীমা শেষ হওয়ার আগের দিন গতকাল রাত পর্যন্তও বড় কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সমঝোতার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি এখন সরকারের হাতে গিয়ে ঠেকেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে আগেই বলা হয়েছে, যদি রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারে, তবে সরকার নিজ উদ্যোগে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে।

জানা গেছে, আগামী বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এ বৈঠকে গণভোট আয়োজনের সম্ভাব্য সময়, পদ্ধতি এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়ন রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের জানান, ‘রাজনৈতিক দলগুলো কোনো সিদ্ধান্ত আসতে না পারলে দেশ ও জনগণের স্বার্থে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে বেঁধে দেওয়া সময় শেষ হওয়ার পর নিশ্চয়ই উপদেষ্টারা নিজেদের মধ্যে আলোচনার জন্য আবারও বসবেন। এরপর দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’

গণভোট অনুষ্ঠান ও জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রদান নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান এখন স্পষ্টতই পরস্পর বিপরীতমুখী। দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী উভয় দলই পরস্পরকে দায়ী করছে এ বিষয়ে আলোচনার কোনো অগ্রগতি না হওয়ার জন্য। জামায়াতে ইসলামী বলছে, তারা বিএনপিকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানালেও দলটি তাতে সাড়া দেয়নি। অন্যদিকে বিএনপি বলছে, আলোচনার উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে আলোচনার পরিবেশ ক্রমেই জটিল হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে এই অচলাবস্থা কী দূর হবে না? সব পক্ষকে এক টেবিলে এনে কীভাবে হবে মীমাংসা?

এ প্রসঙ্গে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ টেলিফোনে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে কোনো আলোচনার জন্য ডাকলে আমরা যেতে রাজি আছি। অন্য     কোনো দল ডাকলে এতে সাড়া দেওয়ার কিছুই নেই। কারণ তারা সরকারের কেউ নয়।’ 

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সমমনা আট দল কাল মঙ্গলবার রাজধানীতে বড় ধরনের সমাবেশের ডাক দিয়েছে। জানা গেছে, ওই সমাবেশ থেকে তারা গণভোট বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবে। জোটের নেতারা বলছেন, ‘দেশের জনগণ গণভোট চায়। সরকার ও বড় দলগুলো যদি বাধা সৃষ্টি করে, তবে আমরা রাজপথে নামব।’

অন্যদিকে বিএনপি এখনো পাল্টা কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ঘোষণা করেনি। তবে দলটির নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, প্রয়োজনে তারাও মাঠে নামবেন। বিএনপির এক নেতা বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। যদি দেখি সরকার একতরফা সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে, তাহলে আমরা কঠোর অবস্থান নেব।’

জানা গেছে, সরকারের আহ্বানের পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গত বৃহস্পতিবার ফোন করে আলোচনার জন্য আহ্বান জানান জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। বিএনপি মহাসচিব ওই সময় বলেন, তিনি দলের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয় জানাবেন। পরদিন বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। নেতারা অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, ‘জামায়াত তো সরকার না। ফলে রাষ্ট্রীয় কোনো বিষয়ে তারা আমাদের ডাকতে পারে না। সুতরাং এ ইস্যুতে জামায়াতের আহ্বান “সঠিক পন্থা” নয়। তাই জামায়াতের আহ্বানে বিএনপি সাড়া দেবে না।’

এ প্রসঙ্গে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পাটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘এই সংকটের পেছনে সরকার ও ঐকমত্য কমিশন দায়ী। রাজনৈতিক দলগুলোকে সাত দিন সময় দেওয়ার কোনো কারণ ছিল না। দায় এড়ানোর জন্যই রাজনৈতিক দলগুলোকে ব্যর্থ প্রমাণ করতেই এটা করা হয়েছে। সাত মাস ধরে আমরা আলোচনা করেছি, কোথাও একমত হয়েছি, কোথাও একমত হতে পারিনি, সেটা সরকার জানে। দুই-একটা দল ছাড়া সবাই নির্বাচনের দিন গণভোটের পক্ষে আছি।’ তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের যদি সদিচ্ছা থাকে তাহলে সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ আছে।’ 

সরকারি পর্যায়ের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছেন, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানই ছিল সরকারের পছন্দের পথ। তবে রাজনৈতিক দলগুলো যদি ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারে, তাহলে সরকারই সিদ্ধান্ত দেবে গণভোট কীভাবে হবে এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়ন কোন প্রক্রিয়ায় শুরু হবে।

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে সাধারণ জনগণ এখন উদ্বিগ্ন। ব্যবসায়ী মহল থেকে শুরু করে ছাত্রসমাজ পর্যন্ত সবাই জানতে চায় গণভোট ও জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ কী? নাগরিক সমাজের একাধিক প্রতিনিধি বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত, কিন্তু জনগণের স্বার্থের প্রশ্নে কোনো ঐক্য দেখা যাচ্ছে না। রাজধানীর মিরপুরের স্কুলশিক্ষক শামসুদ্দিন ভুইয়া বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমরা শুধু শুনছি আলোচনার কথা, কিন্তু কাজের কিছুই হচ্ছে না। রাজনৈতিক দলগুলো যদি নিজেদের মধ্যে বসে সমাধান না করে, তাহলে আবারও রাজনৈতিক সংকট দেখা দিতে পারে।’

সূত্র বলছে, দলগুলোর সিদ্ধান্তের অপেক্ষার সঙ্গে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারির প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে। উপদেষ্টা পরিষদের সর্বশেষ বৈঠকেও অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয় এবং আইন মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে বলা হয়। সূত্র জানায়, কমিশনের দ্বিতীয় প্রস্তাব অনুযায়ী, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ সরকার জারি করতে পারে। এ ক্ষেত্রে ২৭০ দিনের সময়সীমার পরিবর্তে যত দিন লাগে, তত দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কারের কাজ শেষ করার বিধান রাখা হতে পারে। একই সঙ্গে পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া বাকি সব প্রস্তাবে নোট অব ডিসেন্ট উল্লেখ থাকতে পারে বলে জানা গেছে। সে ক্ষেত্রে সংবিধান সংস্কার পরিষদ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে বিল পাস করবে।

এই বিভাগের আরও খবর
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বাংলাদেশের ক্ষোভ-নিন্দা শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি
বাংলাদেশের ক্ষোভ-নিন্দা শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি
শ্রদ্ধা ভালোবাসায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ
শ্রদ্ধা ভালোবাসায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে
সর্বশেষ খবর
'নীলফামারীকে এগিয়ে নিতে চাই'
'নীলফামারীকে এগিয়ে নিতে চাই'

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

১৬ ডিসেম্বর জাতির অহংকার, আনন্দ আর বেদনার এক মহাকাব্যিক দিন
১৬ ডিসেম্বর জাতির অহংকার, আনন্দ আর বেদনার এক মহাকাব্যিক দিন

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ২৮৮
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ২৮৮

৫ মিনিট আগে | ডেঙ্গু আপডেট

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা, গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার
মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা, গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার

৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

কুমিল্লা-৯ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
কুমিল্লা-৯ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

৫ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সতর্কতা
নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সতর্কতা

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

শঙ্কার মধ্যে বিজয়ের আনন্দ ফিকে হয়ে যায় : মাহমুদুর রহমান মান্না
শঙ্কার মধ্যে বিজয়ের আনন্দ ফিকে হয়ে যায় : মাহমুদুর রহমান মান্না

১২ মিনিট আগে | রাজনীতি

শীতে মুখে ব্রণ–র‌্যাশে ভোগান পুরুষদেরও, যেভাবে পাবেন মুক্তি
শীতে মুখে ব্রণ–র‌্যাশে ভোগান পুরুষদেরও, যেভাবে পাবেন মুক্তি

১৬ মিনিট আগে | জীবন ধারা

ট্রাকভর্তি চোলাই মদ আগুনে পোড়ালো জনতা
ট্রাকভর্তি চোলাই মদ আগুনে পোড়ালো জনতা

১৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

জামালপুরে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে গণশুনানি
জামালপুরে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে গণশুনানি

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে তেল ও ডাল ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষি মেলা
বাগেরহাটে তেল ও ডাল ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষি মেলা

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পোল্যান্ডে সেনা পাঠোচ্ছে জার্মানি
পোল্যান্ডে সেনা পাঠোচ্ছে জার্মানি

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে চোটের হানা
ভারত সফরের আগে নিউজিল্যান্ড শিবিরে চোটের হানা

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গাইবান্ধায় পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা
গাইবান্ধায় পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তিতাসে নতুন কূপ খনন শুরু, দৈনিক মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
তিতাসে নতুন কূপ খনন শুরু, দৈনিক মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এক কার্গো এলএনজি ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন
এক কার্গো এলএনজি ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন

৩৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যকে জাতীয় শক্তিতে পরিণত করতে হবে : সালাহউদ্দিন
ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যকে জাতীয় শক্তিতে পরিণত করতে হবে : সালাহউদ্দিন

৩৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

নতুন ২ মামলায় গ্রেফতার ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী
নতুন ২ মামলায় গ্রেফতার ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

দিনাজপুরে যমজ বোনের সাফল্য, মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ
দিনাজপুরে যমজ বোনের সাফল্য, মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

২৯ বছর পর হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার
২৯ বছর পর হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

৪৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কামিন্স-স্টার্কদের প্রজন্ম অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের সেরা: ব্রেট লি
কামিন্স-স্টার্কদের প্রজন্ম অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের সেরা: ব্রেট লি

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির মাসসেরা প্রোটিয়া স্পিনার
আইসিসির মাসসেরা প্রোটিয়া স্পিনার

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মরক্কোতে আকস্মিক বন্যায় ৩৭ জনের মৃত্যু
মরক্কোতে আকস্মিক বন্যায় ৩৭ জনের মৃত্যু

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের
৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুজন গ্রেফতার

৫৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

যুব এশিয়া কাপে টানা জয় বাংলাদেশের
যুব এশিয়া কাপে টানা জয় বাংলাদেশের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত দিবসে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনা সভা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত দিবসে বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

কলমাকান্দায় ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু
কলমাকান্দায় ডোবায় পড়ে শিশুর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রেললাইনের পাশে মিলল যুবকের লাশ
রেললাইনের পাশে মিলল যুবকের লাশ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬
বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী
ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান
হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা
মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জামায়াত নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা
জামায়াত নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন
পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন

১৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে
মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)
হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত
৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত

২২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান
১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক?
কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক?

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ
প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম
বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ
কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা
হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?
সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন: ডিবি প্রধান
আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন: ডিবি প্রধান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে সিঙ্গাপুর নিতে ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
হাদিকে সিঙ্গাপুর নিতে ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন
হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিসিএসের নন-ক্যাডার ৮৫০১ পদ সংরক্ষণে হাইকোর্টের নির্দেশ
বিসিএসের নন-ক্যাডার ৮৫০১ পদ সংরক্ষণে হাইকোর্টের নির্দেশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর অভিজ্ঞতা কেমন, জানালেন বাঁধন
ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর অভিজ্ঞতা কেমন, জানালেন বাঁধন

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড
'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ
উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে
দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল
পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাদ দিলেন জেলেনস্কি
ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাদ দিলেন জেলেনস্কি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন

শোবিজ

খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস
কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

সম্পাদকীয়

ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে
ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ
ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ

পেছনের পৃষ্ঠা

তটিনীর স্বপ্নচোখ
তটিনীর স্বপ্নচোখ

শোবিজ

আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা

প্রথম পৃষ্ঠা

মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার

শোবিজ

কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার
কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার

নগর জীবন

মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা
নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা

পেছনের পৃষ্ঠা

দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি
দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি

পেছনের পৃষ্ঠা

কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা

শোবিজ

পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের
পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের

মাঠে ময়দানে

হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে

প্রথম পৃষ্ঠা

গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল

দেশগ্রাম

আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

সম্পাদকীয়

গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও
গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

দেশগ্রাম

এনইউবির ইইই ফেস্টে উদ্ভাবনের উৎসব
এনইউবির ইইই ফেস্টে উদ্ভাবনের উৎসব

প্রাণের ক্যাম্পাস

বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে
বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে

দেশগ্রাম

যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান
যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান

মাঠে ময়দানে

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা

সম্পাদকীয়