শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০১:৪৭, সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫

এগোচ্ছে ভোট প্রস্তুতি

বিচারিক ক্ষমতা চায় সেনাবাহিনী, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ২৮,৬৬৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
বিচারিক ক্ষমতা চায় সেনাবাহিনী, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ২৮,৬৬৩

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সারা দেশে ২৮,৬৬৩টি কেন্দ্রকে ঝুঁর্কিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বিভিন্ন বাহিনীর শঙ্কা- নির্বাচনের সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ওপর হামলা, কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই ও ভোটদানে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে। এ সময় অবৈধ অস্ত্রের জোগানও আসতে পারে। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী বিচারিক ক্ষমতা চেয়েছে। এ ছাড়া ইসির কাছে অবৈধ অর্থের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে সিআইডিকে দায়িত্ব দেওয়ার জন্যও বলা হয়েছে।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রাক-প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ওই বৈঠকের কার্যপত্র থেকে উপরোক্ত তথ্য পাওয়া গেছে। বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নাসির উদ্দিন বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। নির্বাচন পরিচালনা একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব। কমিশনের একার পক্ষে দেশব্যাপী এক দিনে নির্বাচনের মতো এত বড় কর্মমযজ্ঞ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এজন্য সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। আসন্ন নির্বাচনে অনেক প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে, সমন্বয় এবং আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকূলতা দূর করা সম্ভব হবে। সিইসি জানান, ‘স্ট্রেট অ্যাসেসমেন্ট করে ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান করতে হবে। রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে বিভক্ত করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা করা যেতে পারে।’

বৈঠকে সেনাবাহিনী প্রধানের প্রতিনিধি জানান, ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা, ভোটার ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিরাপত্তার জন্য বাহিনীগুলোর মধ্যে আন্তসমন্বয় থাকতে হবে। নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ওপর হামলা, কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই, ভোটদানে বাধা ও ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়াসহ বসতবাড়িতে হামলা বা অগ্নিসংযোগের আশঙ্কা থাকতে পারে। ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার আওতায় সারা দেশে ৬২টি জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা আছে। নির্বাচনের আগের তিন দিন, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচন-পরবর্তী চার দিনসহ মোট আট দিন সেনাবাহিনী মোতায়েন রাখা যেতে পারে। তিনি জানান, সারা দেশে সেনাবাহিনীর ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ সেনা সদস্যকে নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিতকরণের প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় অস্থায়ী ক্যাম্প নির্মাণ করা হতে পারে। সেনাবাহিনীকে এরই মধ্যে সরকার কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, এর পাশাপাশি বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া হলে নির্বাচনে সেনাবাহিনী আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে। তিনি বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা যেতে পারে। নির্বাচনি কাজের জন্য সেনাবাহিনীকে ড্রোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রাখা যেতে পারে। সেনাবাহিনী কর্তৃক সারা দেশে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের জন্য সম্ভাব্য ৪০০ কোটি টাকার মতো প্রয়োজন হতে পারে।

সশস্ত্রবাহিনী বিভাগের পিএসও জানান, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ নির্বাচনে সশস্ত্রবাহিনী মোতায়েনে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করে। এ বিভাগ থেকে নৌবাহিনীর ৩ হাজার সদস্য, সেনাবহিনীর প্রায় ১ লাখ সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।

নৌবাহিনী প্রধানের প্রতিনিধি জানান, এবারের সুবিধা হলো এরই মধ্যে সারা দেশে নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনী মোতায়েন আছে। উপকূলীয় এলাকায় কিছু বিশেষত্ব থাকে। বিগত নির্বাচনের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী ১১টি আসন উপকূলবর্তী। সাধারণত এলাকাগুলো চরাঞ্চল ও দুর্গম হয়ে থাকে; যার কারণে এখানে পরিবহন সমস্যা বিরাজমান। দীর্ঘদিন ধরে গাড়ি ক্রয়ের অনুমোদন না থাকায় যানবাহনের সংকট রয়েছে। নৌবাহিনীর নিজস্ব জলযান আছে, তবে সিভিল জলযানও লাগতে পারে। ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় সেনা ও নৌবাহিনী মোতায়েন থাকবে নাকি নির্বাচন কমিশনের আওতায় মোতায়েন থাকবে তা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

আনসার ও ভিডিপি মহাপরিচালক বলেন, গতবারের নির্বাচনের সঙ্গে এবারের নির্বাচনকে তুলনা করলে ভুল হবে। কারণ এবারের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন, ঝুঁকিগুলো ব্যতিক্রম। সাধারণ কেন্দ্রে দুটি অস্ত্রসহ এবং বিশেষ কেন্দ্রে তিনটি অস্ত্রসহ আনসারের টিম মোতায়েন থাকতে পারে। প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার নতুন আনসার-ভিডিপি নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের প্রশিক্ষণ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। বড় চ্যালেঞ্জ তাদের পোশাক ও অস্ত্র। এজন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে চাহিদা প্রেরণ করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র সচিব প্রতি ভোট কেন্দ্রে অন্তত একটি করে বড়িওর্ন ক্যামেরা রাখার কথা জানান। ভোট কেন্দ্রের আশপাশের দোকানগুলোকেও রেকর্ডিংয়ের আওতায় আনার অনুরোধ করেন। আকাশে ড্রোন উড়লে কেউ দুষ্কর্ম করার সাহস পাবে না বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।

পুলিশ মহাপরিদর্শক বলেন, নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ প্রস্তুতি নিচ্ছে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। নির্বাচনে নিরাপত্তা বিধানে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। এ জন্য প্রশিক্ষণ ব্যয় বাড়বে। ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির কার্যক্রম আরও দৃশ্যমান করা যেতে পারে। আচরণবিধি প্রতিপালনে ম্যাজিস্ট্রেটকে সহায়তা করার জন্য পুলিশ প্রস্তুত আছে।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, সীমান্তে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বজায় রেখে নির্বাচনে বিজিবি মোতায়েন থাকবে। সীমান্তে ২০ জনের বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) মোতায়েন করা হবে না। তবে কক্সবাজারে ২৫ জন রাখা হবে। এবারে ৪৯২টি উপজেলায় ১১ হাজার ৬০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা সম্ভব হবে। র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, নির্বাচনে র‌্যার মোবাইল টিম হিসেবে কাজ করে। নির্বাচনি কার্যক্রমের জন্য র‌্যাবের ড্রোন, হেলিকাপ্টারসহ অন্যান্য রিসোর্স ব্যবহার করা হবে। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি প্রতিপালনে কমিশনকে কঠোর হতে হবে। এ কাজে ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রভাব পড়তে পারে। নির্বাচনে ৫ হাজার ৫০০ র‌্যাব সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সিআইডি-প্রধান জানান, সোশ্যাল মিডিয়া ও এআই ব্যবহার করে নির্বাচনে গুজব ছড়ানো হতে পারে। এরই মধ্যে এ ধরনের অনেক কনটেন্ট শনাক্ত করা হয়েছে এবং ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, এ জন্য র‌্যাবের সাইবার ইউনিট কাজ করছে।

এসবির প্রতিনিধি জানান, ইতোমধ্যে এসবি ৮ হাজার ২২৬টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, ২০ হাজার ৪৩৭টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১৩ হাজার ৪০০টি সাধারণ ভোট কেন্দ্রকে চিহ্নিত করেছে। এ ক্ষেত্রে ভোট কেন্দ্রের ভৌত অবকাঠামো, খানা থেকে দূরত্ব, কেন্দ্রের নিকটবর্তী প্রভাবশালীদের বাসস্থান ইত্যাদি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকালীন অবৈধ অস্ত্রের জোগান আসতে পারে। অবৈধ অর্থের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে সিআইডিকে দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে।

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনের গুরুত্ব বিবেচনা করে বাহিনীগুলোকে প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি নিশ্চিত করেন যে, কমিশন গোপনে কোনো নির্দেশনা দেবে না, সব নির্দেশনা আইন ও বিধি মোতাবেক প্রকাশ্যে দেওয়া হবে। সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য কমিশন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষের হামলা, বিশৃঙ্খলা বা নির্বাচনি অনিয়মের মতো প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বস্তরে সমন্বয় প্রয়োজন। মাঠপর্যায়ে বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয় পদ্ধতি আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বাংলাদেশের ক্ষোভ-নিন্দা শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি
বাংলাদেশের ক্ষোভ-নিন্দা শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি
শ্রদ্ধা ভালোবাসায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ
শ্রদ্ধা ভালোবাসায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে
সর্বশেষ খবর
জকসু নির্বাচন : ৯ জন ফিরে পেলো প্রার্থিতা
জকসু নির্বাচন : ৯ জন ফিরে পেলো প্রার্থিতা

১ সেকেন্ড আগে | ক্যাম্পাস

বিজয় দিবস উপলক্ষে দিনাজপুরে চিত্রাংকন ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা
বিজয় দিবস উপলক্ষে দিনাজপুরে চিত্রাংকন ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আইজিপি বাহারুলকে বরখাস্ত ও গ্রেফতারের রিট খারিজ
আইজিপি বাহারুলকে বরখাস্ত ও গ্রেফতারের রিট খারিজ

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ফরেনসিক সাইকোলজি ও বডি ল্যাংগুয়েজ বিষয়ে ক্র্যাবের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
ফরেনসিক সাইকোলজি ও বডি ল্যাংগুয়েজ বিষয়ে ক্র্যাবের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মা-ছেলে নিহত
ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মা-ছেলে নিহত

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিলামে আরও ১৪১.৫০ মিলিয়ন ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
নিলামে আরও ১৪১.৫০ মিলিয়ন ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

১৪ মিনিট আগে | অর্থনীতি

চট্টগ্রামে ভাতিজার ইটের আঘাতে প্রাণ গেল চাচার
চট্টগ্রামে ভাতিজার ইটের আঘাতে প্রাণ গেল চাচার

১৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৮০ হাজার মেট্রিক টন সার কিনবে সরকার
৮০ হাজার মেট্রিক টন সার কিনবে সরকার

২১ মিনিট আগে | অর্থনীতি

হাদিকে হত্যাচেষ্টাকারীদের সম্পর্কে এখনই সবকিছু বলা যাবে না : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
হাদিকে হত্যাচেষ্টাকারীদের সম্পর্কে এখনই সবকিছু বলা যাবে না : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

বদলাতে পারে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের সময়সূচি
বদলাতে পারে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের সময়সূচি

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বায়ুদূষণে বিপর্যস্ত নয়াদিল্লি, ভারত ভ্রমণে সতর্কতা!
বায়ুদূষণে বিপর্যস্ত নয়াদিল্লি, ভারত ভ্রমণে সতর্কতা!

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত থেকে ৫০ হাজার টন চাল কিনবে সরকার
ভারত থেকে ৫০ হাজার টন চাল কিনবে সরকার

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন
সাংবাদিক আনিস আলমগীরের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন

৩৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

কুড়িগ্রামে দুই দিনব্যাপী গার্লস ড্রিম ফেয়ারের সমাপনী
কুড়িগ্রামে দুই দিনব্যাপী গার্লস ড্রিম ফেয়ারের সমাপনী

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আইজিপির সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
আইজিপির সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

চাঁদপুরে আলু চাষে ব্যস্ত কৃষকরা
চাঁদপুরে আলু চাষে ব্যস্ত কৃষকরা

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিজয় দিবসে সাময়িক বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল চলাচল
বিজয় দিবসে সাময়িক বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল চলাচল

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

রাঙামাটির ছোটহরিণায় সুবিধাবঞ্চিতদের সহায়তা দিলো বিজিবি
রাঙামাটির ছোটহরিণায় সুবিধাবঞ্চিতদের সহায়তা দিলো বিজিবি

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

'নীলফামারীকে এগিয়ে নিতে চাই'
'নীলফামারীকে এগিয়ে নিতে চাই'

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১৬ ডিসেম্বর জাতির অহংকার, আনন্দ আর বেদনার এক মহাকাব্যিক দিন
১৬ ডিসেম্বর জাতির অহংকার, আনন্দ আর বেদনার এক মহাকাব্যিক দিন

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ২৮৮
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ২৮৮

৫৩ মিনিট আগে | ডেঙ্গু আপডেট

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা, গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার
মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা, গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার

৫৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

কুমিল্লা-৯ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
কুমিল্লা-৯ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

৫৪ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সতর্কতা
নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সতর্কতা

৫৫ মিনিট আগে | জাতীয়

শঙ্কার মধ্যে বিজয়ের আনন্দ ফিকে হয়ে যায় : মাহমুদুর রহমান মান্না
শঙ্কার মধ্যে বিজয়ের আনন্দ ফিকে হয়ে যায় : মাহমুদুর রহমান মান্না

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শীতে মুখে ব্রণ–র‌্যাশে ভোগান পুরুষদেরও, যেভাবে পাবেন মুক্তি
শীতে মুখে ব্রণ–র‌্যাশে ভোগান পুরুষদেরও, যেভাবে পাবেন মুক্তি

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ট্রাকভর্তি চোলাই মদ আগুনে পোড়ালো জনতা
ট্রাকভর্তি চোলাই মদ আগুনে পোড়ালো জনতা

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

জামালপুরে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে গণশুনানি
জামালপুরে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে গণশুনানি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে তেল ও ডাল ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষি মেলা
বাগেরহাটে তেল ও ডাল ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষি মেলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পোল্যান্ডে সেনা পাঠোচ্ছে জার্মানি
পোল্যান্ডে সেনা পাঠোচ্ছে জার্মানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬
বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী
ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান
হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াত নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা
জামায়াত নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা
মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন
পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে
মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত
৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত

২২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
হাদিকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান
১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক?
কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কি সম্পর্ক?

৬ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ
প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ
কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইনকিলাব মঞ্চ

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম
বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা
হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?
সিডনির সৈকতে হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় কি?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের
৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন: ডিবি প্রধান
আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন: ডিবি প্রধান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন
হাসিনার আমৃত্যু থেকে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করল প্রসিকিউশন

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে সিঙ্গাপুর নিতে ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
হাদিকে সিঙ্গাপুর নিতে ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর অভিজ্ঞতা কেমন, জানালেন বাঁধন
ছয় মাসে ১৮ কেজি ওজন কমানোর অভিজ্ঞতা কেমন, জানালেন বাঁধন

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ ব্লকেড

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিসিএসের নন-ক্যাডার ৮৫০১ পদ সংরক্ষণে হাইকোর্টের নির্দেশ
বিসিএসের নন-ক্যাডার ৮৫০১ পদ সংরক্ষণে হাইকোর্টের নির্দেশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড
'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ
উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে চবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে
দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল
পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এবারও চমক দেখাল সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজ
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এবারও চমক দেখাল সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন

শোবিজ

খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস
কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

সম্পাদকীয়

ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে
ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ
ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ

পেছনের পৃষ্ঠা

তটিনীর স্বপ্নচোখ
তটিনীর স্বপ্নচোখ

শোবিজ

আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা

প্রথম পৃষ্ঠা

মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার

শোবিজ

কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার
কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার

নগর জীবন

মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা
নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা

পেছনের পৃষ্ঠা

দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি
দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি

পেছনের পৃষ্ঠা

কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা

শোবিজ

পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের
পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের

মাঠে ময়দানে

হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে

প্রথম পৃষ্ঠা

গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল

দেশগ্রাম

আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

এনইউবির ইইই ফেস্টে উদ্ভাবনের উৎসব
এনইউবির ইইই ফেস্টে উদ্ভাবনের উৎসব

প্রাণের ক্যাম্পাস

গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও
গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

দেশগ্রাম

কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

সম্পাদকীয়

বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে
বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে

দেশগ্রাম

যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান
যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান

মাঠে ময়দানে

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা

সম্পাদকীয়