শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৮ অক্টোবর, ২০১৯ ২৩:১৭

কাউন্সিলরদের শোকজ

শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ প্রশংসনীয়

কাউন্সিলরদের শোকজ

রাজধানীর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পরপর তিনটির বেশি সভায় অনুপস্থিত থাকায় ২১ কাউন্সিলরকে শোকজ নোটিস পাঠানো হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে একই কারণে উভয় সিটির ১৪ কাউন্সিলরকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। সিটি করপোরেশনের যারা কাউন্সিলর নির্বাচিত হন তারা নাগরিকদের সেবাদানের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেবাদান কীভাবে দেওয়া যাবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সিটি করপোরেশনের সভাগুলোয়। কিন্তু সেই সভায় উপস্থিত থাকাকে কাউন্সিলররা কতটা গুরুত্ব দেন পরপর তিন সভায় অনুপস্থিত থাকার জন্য ৩৫ কাউন্সিলরকে শোকজ নোটিস তারই প্রমাণ। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সচিব মোস্তফা কামাল মজুমদার বলেছেন, তারা কারণ দর্শানোর যে নোটিস পাঠিয়েছেন তার জবাব সন্তোষ -জনক না হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তাদের চিঠির জবাব দিতে বলা হয়েছে। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী কোনো মেয়র অথবা কাউন্সিলর পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকলে তাকে অপসারণ করা যাবে। রাজধানীবাসীর নাগরিক সেবা বাড়াতে ঢাকাকে দুই সিটি করপোরেশনে ভাগ করা হয়। কিন্তু এই বিভক্তি নাগরিক সেবা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কতটা অবদান রেখেছে তা প্রশ্নবিদ্ধ বিষয়। চারদিকের অবহেলার কারণে ঢাকা এখন দুনিয়ার অন্যতম বসবাস-অযোগ্য নগরীতে পরিণত হয়েছে। এই অধঃপতিত অবস্থার জন্য দুই সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরদের একাংশ দায়ী। জনপ্রতিনিধি নামের

আড়ালে তাদের অনেকেরই পরিচয় স্বচ্ছ নয়। সমাজবিরোধী মস্তান হিসেবে যাদের কারাগারে থাকার কথা তারা কীভাবে জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ

পায় তা অবশ্যই বিশ্লেষণের দাবি রাখে। অচল ঢাকাকে সচল করতে কাউন্সিলররা সিটি করপোরেশনের সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকবেন এবং

জনস্বার্থে পদক্ষেপ নেবেন- এমনটিই প্রত্যাশিত। পাশাপাশি বিতর্কিতরা যাতে ভবিষ্যতে কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচনের সুযোগ না পায় তা নিশ্চিত করার কথাও ভাবতে হবে।


আপনার মন্তব্য