শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫

নির্বাচন সংস্কারের সুপারিশ মাইলফলক

অধ্যাপক ডক্টর আবু সাইয়িদ
প্রিন্ট ভার্সন
নির্বাচন সংস্কারের সুপারিশ মাইলফলক

১. আধুনিক রাষ্ট্রে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমেই জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা এবং ইচ্ছা প্রকাশিত হয়। এই অভিপ্রায় প্রকাশের মাধ্যমরূপে অবাধ, নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা প্রয়োজন। সংবিধান ও আইনে ভোটাধিকারের স্বীকৃতিই শেষ কথা নয়; নির্বাচনে অংশগ্রহণে নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা অপসারণসহ ভোটাধিকার প্রয়োগের যথাযথ পরিবেশ-পরিস্থিতির ওপরেই নির্বাচনি ব্যবস্থার কার্যকারিতা নির্ভরশীল। একমাত্র সৎ, স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনব্যবস্থার মাধ্যমেই সর্বজনীন ভোটাধিকার বাস্তবায়ন সম্ভব। সংবিধানে সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পরিচালনব্যবস্থার জন্য নির্বাচন কমিশন গঠন, কার্যাবলি এবং নির্বাচনসংক্রান্ত নির্বাচন সংস্কারের সুপারিশ মাইলফলকঅন্যান্য বিষয় উল্লেখিত হয়েছে। নির্বাচনি-রাজনীতি ক্রমশই জটিল রূপ ধারণ করেছে। সম্প্রদায়, ধর্মীয় সংকীর্ণতাবাদ, অর্থের প্রভাব এবং জনগণের সুষ্ঠু মতামত প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করেছে, একই সঙ্গে জাল ভোট, ভোট কেন্দ্র দখল, কালোটাকা, পেশিশক্তি, নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দলীয়করণ, ফলাফল পাল্টে দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে। যা আমরা দেখেছি।

নির্বাচনব্যবস্থার সংস্কার কমিশন এসব সমস্যা-সংকট প্রতিরোধকল্পে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে সুপারিশসমূহ পেশ করেছে। এ কথা বলার অপেক্ষা থাকে না, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন প্রধান বদিউল আলম মজুমদার নিশ্চিতভাবেই অবগত আছেন, নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হলে গণতন্ত্রের বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী। দীর্ঘদিন তিনি বিষয়টি নিয়ে লিখেছেন, বলেছেন ও বিশেষভাবে কাজ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে গঠিত নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশমালার দিকে তাকাতে পারি।

২. বাংলাদেশে নির্বাচন পরিচালনব্যবস্থাকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ করার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন গঠন এবং তার ক্ষমতা ও কার্যাবলি সংবিধানে নির্দিষ্টভাবে লিখিত আছে। বিপুলসংখ্যক নিরক্ষর ভোটদাতাদের পক্ষে সব দলের কর্মসূচি ও ভূমিকা পর্যালোচনার ভিত্তিতে সুচিন্তিতভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ সম্ভব নয়। নিরক্ষরতার জন্য তাদের মধ্যে রাজনৈতিক বিষয় সম্পর্কে নির্লিপ্ততার উন্মেষ ঘটে। ভোটদাতাদের অংশগ্রহণের সুশীল আকাক্সক্ষা ও উদ্যোগ সর্বজনীন ভোটাধিকারের সাফল্যের অন্যতম পূর্বশর্ত। বাংলাদেশে গড়ে ৩০ থেকে ৪০ ভাগ ভোটদাতা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন না। এই অনুপস্থিতির দ্বারা ভোটদাতার অনীহা এবং চেতনার অভাব সৃষ্টি হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে গেলেও তাঁরা ঠিকমতো ভোট দিতে পারেন না, নেপথ্যে নাজেহাল ও নিরাপত্তার ভয়ভীতি কাজ করে। এই পরিস্থিতি সর্বজনীন ভোটাধিকারের গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। 

৩. নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন মোটাদাগে ১২টি সুপারিশ করেছে। ১২টি সুপারিশের মধ্যে প্রথম নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত। রাজনৈতিক ঐকমত্য, নাগরিক সমাজের অর্থবহ অংশগ্রহণে যোগ্য ও দক্ষ, জনগ্রাহ্য ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রত্যয় দ্ব্যর্থভাবে উপস্থাপন করেছেন। অবশ্য এর জন্য নতুন আইন প্রণয়নের ওপর জোর দিয়েছেন। ভারতে সংসদ নেতা, বিরোধী দলের নেতা এবং অন্য সংখ্যাধিক প্রাপ্ত দলের নেতাদের সমঝোতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। সুপারিশমালায় জোর দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতায়নের ওপর (১.২)। কমিশনকে নির্বাচন স্থগিত, বাতিল এবং পুনর্নির্বাচনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নিজস্ব সচিব নিয়োগ নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। নির্বাচনে নির্বাহী বিভাগের কালো থাবা বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পূর্বের নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী বিভাগ গিলে খেয়েছিল- যার ভুক্তভোগী আমি স্বয়ং। সুষ্ঠু নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে যাতে নয়-ছয় না করতে পারে তার ব্যবস্থা বর্ণিত হয়েছে। এমনকি কমিশনের দায়িত্ব পালনে (১.৩) অসদাচরণ ও অসামর্থ্যরে অভিযোগ উঠলে সংবিধানের ১১৮ ও ৯৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুরাহা করা। সুপারিশে এ কথা বলার অর্থ এই যে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন হলেও তাদের দায়বদ্ধতা ও শাস্তির অধীনে আনা।

৪. নির্বাচন কমিশনকে সুষ্ঠুভাবে কার্যসম্পাদনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের কর্তকর্তাদের মধ্যে থেকে রিটার্নিং/সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা, প্রয়োজনে প্রশাসনের অন্য ক্যাডার থেকেও নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা তাদের থাকবে। অতীতে নির্বাহী কর্মকর্তারা এসব পদে যেন ‘হায়ারে’ এসেছেন এই মনোভাব ও আচরণ দৃশ্যমান ছিল, আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা তাই বলে। কমিশনের সুপারিশে তাদের নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচন-উত্তর সময়ে পক্ষপাতিত্ব, অনিয়ম ও অযোগ্যতাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির বিধান করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের প্রশিক্ষণ-ভাতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ম্যাজিস্ট্রেটদের ভাতার বিষয়টি পর্যালোচনা করার বিধান (১.৫) বর্ণিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ক্রয়সংক্রান্ত বিষয়ে (যেমন-ইভিএম) আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিষয়টিতে স্বচ্ছতা ও নিরীক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

৫. সুষ্ঠু নির্বাচনের বাধা কোথায়? প্রথমত এই বাধা নির্বাহী বিভাগের কালো থাবা। এই থাবাকে দুর্বল কিংবা শৃঙ্খলিত করার বিধান ব্যক্ত হয়েছে। দ্বিতীয়ত অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা। নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণের পরিবেশ ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রস্তুত করা। নিয়ম-বিধিবিধান মেনে ঐকমত্যের ভিত্তিতে রেফারি নিয়োগ এবং দলীয়করণমুক্ত নির্বাচনি ব্যবস্থাপনা। তৃতীয়ত স্বাধীন বিচার বিভাগ। এসব কিছুর জন্য প্রয়োজন সংস্কার। পেশ করা সুপারিশমালা নির্বাচনি ব্যবস্থা সংস্কারে এসব সমাধানের সূত্র দিয়েছে। আশু করণীয় সংস্কার বাস্তবায়িত না হলে এক দলের পরিবর্তে অন্য দল ক্ষমতাসীন হলে জনগণের স্বপ্ন ও আকাক্সক্ষা বাস্তবায়িত হবে না। আমরা রাজনীতিবিদ বাকপটু কিন্তু কর্মক্ষেত্রে ধূম্রজালের আশ্রয় নিই। যথাযথ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে ব্যর্থ হই, এর হাজারো উদাহরণ রয়েছে।

৬. সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে লক্ষণীয় যে অতীতে যারা হাটে-ঘাটে, মাঠে চাঁদাবাজি ও লুট করেছে তারা পালিয়েছে, পরিবর্তে ক্ষমতাসীন হবেন এমন ভাবনার দলগুলোর ক্যাডারদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, লুণ্ঠন অব্যাহতভাবে চলছে। পতিত সরকারের সন্ত্রাসী ও অপরাধী চক্রের বিপরীতে এখন নব্য জুলুমকারী চক্র জনগণের ওপর চড়াও হয়েছে। জনগণ ভয়ার্ত ও নিরাপত্তাহীন। এ অবস্থার অবসান না হলে জুলাই অভ্যুত্থানের মৌল চেতনা ও স্পিরিট বুমেরাং হয়ে দাঁড়াবে। নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন নীতিবোধ ও দায়িত্ব সহকারে প্রত্যেকটি সুপারিশ করেছে। প্রধান নির্বাচন সংস্কার কমিশনের নেতৃত্বে গঠিত টিম কর্তৃক শ্রমলব্ধ গবেষণা, অনুসন্ধান, অনুসরণ ও বাস্তবায়ন করলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। তারপরও কথা থেকে যায়, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জীর্ণ অবনতিতে সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব কী? সেটি অবশ্য নির্বাচন-সংস্কার কমিশনের দায়িত্বের আওতায় পড়ে না। তবু তারা দায় এড়াতে পারে না। 

৭. নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন নিয়ে দুয়েকটি কথা বলা আবশ্যক।

ক. সুপারিশসমূহের ১.২ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব শিরোনামের ভেতর- ‘দলের মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত করতে হবে’ পয়েন্টটি দল নিবন্ধন প্রাক্কালে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

খ. সুপারিশসমূহের ২.২ মনোনয়নপত্র শিরোনামের (ক) ধারাতে ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ পরিচালনা ম্যানুয়াল অনুযায়ী দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৭ ধারায় উল্লেখিত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিল করার সকল বিষয়াদি বহাল রাখা যেতে পারে। অনলাইনে মনোনয়ন জমাদানের ব্যবস্থা রাখা বিধেয়।

গ. সুপারিশসমূহের ২.৪ নির্বাচনব্যবস্থা শিরোনামের (গ) ধারাতে ৪০% ভোটারের পরিবর্তে ৫১% ভোট কাস্ট যোগ করা যেতে পারে।

ঘ. সুপারিশসমূহের ২.৪ নির্বাচনব্যবস্থা শিরোনামে ভিতরে ‘কোনো সংসদ সদস্য তাঁর পাঁচ বছরের মেয়াদের মধ্যে জনগণের বিরাগভাজন হলে এক-তৃতীয়াংশ ভোটারদের স্বাক্ষরসহ নির্বাচন কমিশনে আবেদন করলে এবং তা তদন্তে প্রমাণিত হলে ওই আসন শূন্য ও পুনর্নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। অর্থাৎ জব-পধষষ-এর ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

ঙ. সুপারিশসমূহের ৩.০ প্রধানমন্ত্রী শিরোনামের (গ) ধারাতে ‘পার্লামেন্টারি পার্টির যিনি সংসদ নেতা হবেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন’ যুক্ত করা যেতে পারে। ‘সংসদ নেতা’ এই শব্দগুচ্ছ বাদ দেওয়া যেতে পারে। যুক্ত হতে পারে যিনি দলীয় প্রধান হবেন, তিনি সরকারপ্রধান হবেন না। 

চ. সুপারিশসমূহের ৬.০ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শিরোনামের (খ) ধারাতে ‘প্রশাসনের সর্বস্তরের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার বিধান যুক্ত করা যেতে পারে। অর্থাৎ সংসদ সদস্যগণ, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড কমিশনার বা মেম্বাররা ভোট দেওয়ার অধিকারী হবেন।

ছ. পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা প্রবর্তন করা যেতে পারে। ১৯৭০ ও ’৭৯ সালে পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের পদ্ধতি ও রীতি বলবৎ ছিল। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ‘প্রক্সি’ ভোট জটিলতা ও অনিয়মের সৃষ্টি করবে।

জ. এই সুপারিশমালার সুষ্ঠু বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদ ও বিধিবিধানের প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সংশোধন অপরিহার্য।

বাংলাদেশে যেখানে গণতন্ত্রের সুচারু অনুশীলন হয়নি সে ক্ষেত্রে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশমালা মাইলফলক হিসেবে গণতন্ত্র, দেশ-জাতির কাছে বিবেচিত থাকবে।

লেখক : ’৭২ সালের খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী, লেখক ও গবেষক

 

এই বিভাগের আরও খবর
টিআইবির মূল্যায়ন
টিআইবির মূল্যায়ন
দ্রুততম রায়ের নজির
দ্রুততম রায়ের নজির
হারাম মাসগুলোর মর্যাদা ও আমাদের করণীয়
হারাম মাসগুলোর মর্যাদা ও আমাদের করণীয়
সম্পর্ক উন্নয়ন দিল্লির স্বার্থেই জরুরি
সম্পর্ক উন্নয়ন দিল্লির স্বার্থেই জরুরি
মন্দ হওয়ার অধিকার
মন্দ হওয়ার অধিকার
ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর (রা.)
ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর (রা.)
লোডশেডিং
লোডশেডিং
সংকট চারদিকে
সংকট চারদিকে
চিকিৎসা ব্যয়ে নিঃস্ব হাজারো মানুষ
চিকিৎসা ব্যয়ে নিঃস্ব হাজারো মানুষ
ত্যাগের উত্তরাধিকার, মেধার রাজনীতি
ত্যাগের উত্তরাধিকার, মেধার রাজনীতি
শব্দের চেয়ে কাজে ফিরুক বাংলাদেশ
শব্দের চেয়ে কাজে ফিরুক বাংলাদেশ
ফের পদ্মায় বাস
ফের পদ্মায় বাস
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ
বগুড়ায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশকে ৩৮০০ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দেবে জাপান
বাংলাদেশকে ৩৮০০ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দেবে জাপান

২ মিনিট আগে | জাতীয়

গলাচিপায় পুকুর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার
গলাচিপায় পুকুর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ফ্রি গুগল এআই প্লাস আনল টেকনো
বাংলাদেশে ফ্রি গুগল এআই প্লাস আনল টেকনো

৩ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জাবির সমাজবিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন হলেন ড. শরিফুল হুদা
জাবির সমাজবিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন হলেন ড. শরিফুল হুদা

৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বকেয়া পৌরকর আদায়ে ১৫ শতাংশ সারচার্জ মওকুফের ঘোষণা ডিএসসিসির
বকেয়া পৌরকর আদায়ে ১৫ শতাংশ সারচার্জ মওকুফের ঘোষণা ডিএসসিসির

১০ মিনিট আগে | নগর জীবন

হবে সেয়ানে সেয়ানে টক্কর
হবে সেয়ানে সেয়ানে টক্কর

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে অবস্থান জানালো টিআইবি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে অবস্থান জানালো টিআইবি

১১ মিনিট আগে | জাতীয়

মেসির ছবি সরানো নিয়ে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ৪
মেসির ছবি সরানো নিয়ে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ৪

১৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢামেকে কেন্দ্রীয় কারাগারের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু
ঢামেকে কেন্দ্রীয় কারাগারের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু

১৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

কেরানীগঞ্জে ৫ লাখ টাকার চায়না দুয়ারি জাল ধ্বংস
কেরানীগঞ্জে ৫ লাখ টাকার চায়না দুয়ারি জাল ধ্বংস

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করলো জামায়াত
৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করলো জামায়াত

২৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

হালান্ড-মুসিয়ালাসহ যে ১০ তারকা খেলতে পারতেন ইংল্যান্ডের হয়ে
হালান্ড-মুসিয়ালাসহ যে ১০ তারকা খেলতে পারতেন ইংল্যান্ডের হয়ে

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিলে যোগ দিলেন আর্জেন্টিনার সমর্থক
দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিলে যোগ দিলেন আর্জেন্টিনার সমর্থক

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বৈরী আবহাওয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ
বৈরী আবহাওয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেত্রকোনায় রোহিঙ্গা নাগরিক আটক
নেত্রকোনায় রোহিঙ্গা নাগরিক আটক

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আঞ্চলিক অস্থিরতা শেষে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় এমিরেটসের
আঞ্চলিক অস্থিরতা শেষে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় এমিরেটসের

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ব্যানারে মিছিল, ২১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
কুমিল্লায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ব্যানারে মিছিল, ২১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তামিলনাড়ুতে আটক ২৮ শ্রমিককে দেশে ফিরিয়ে আনায় সরকারকে জানালেন এমপি মোশারফ
তামিলনাড়ুতে আটক ২৮ শ্রমিককে দেশে ফিরিয়ে আনায় সরকারকে জানালেন এমপি মোশারফ

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

পদ্মা নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ নারী, ১৬ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার
পদ্মা নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ নারী, ১৬ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শাবিপ্রবির ১ম বর্ষের ওরিয়েন্টেশন ১৮ জুন
শাবিপ্রবির ১ম বর্ষের ওরিয়েন্টেশন ১৮ জুন

৩০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ধ্বংসস্তুপ থেকে বিশ্বকাপের ময়দান, ইরানের অবিশ্বাস্য যাত্রা
ধ্বংসস্তুপ থেকে বিশ্বকাপের ময়দান, ইরানের অবিশ্বাস্য যাত্রা

৩৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভাঙনের দ্বারপ্রান্তে পদ্মপুকুরের বেড়িবাঁধ, ফের আতঙ্কে বাসিন্দারা
ভাঙনের দ্বারপ্রান্তে পদ্মপুকুরের বেড়িবাঁধ, ফের আতঙ্কে বাসিন্দারা

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

উখিয়ায় ৫ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার
উখিয়ায় ৫ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
গোপালগঞ্জে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও অফিস প্রশাসন বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
বাউবিতে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও অফিস প্রশাসন বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বিশ্বকাপ ১৯৯৪: আমেরিকার ফুটবলের নতুন জাগরণ
বিশ্বকাপ ১৯৯৪: আমেরিকার ফুটবলের নতুন জাগরণ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাবিপ্রবির ওশেনোগ্রাফি বিভাগের সিম্পোজিয়াম ১৭ জুন
শাবিপ্রবির ওশেনোগ্রাফি বিভাগের সিম্পোজিয়াম ১৭ জুন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রাশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীসংখ্যা এক লাখে উন্নীত করতে চায় ঢাকা
রাশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীসংখ্যা এক লাখে উন্নীত করতে চায় ঢাকা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টিম কুকের শেষ সম্মেলনে একগুচ্ছ নতুন প্রযুক্তি উন্মোচন অ্যাপলের
টিম কুকের শেষ সম্মেলনে একগুচ্ছ নতুন প্রযুক্তি উন্মোচন অ্যাপলের

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সর্বাধিক পঠিত
বিসিবির পরিচালক থেকে পদত্যাগ করলেন মীর সীমান্ত
বিসিবির পরিচালক থেকে পদত্যাগ করলেন মীর সীমান্ত

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের দিকে ছোড়া ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকায়নি যুক্তরাষ্ট্র: রিপোর্ট
ইসরায়েলের দিকে ছোড়া ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকায়নি যুক্তরাষ্ট্র: রিপোর্ট

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাল্টাপাল্টি হামলা স্থগিতের ঘোষণা ইরান-ইসরায়েলের: রিপোর্ট
পাল্টাপাল্টি হামলা স্থগিতের ঘোষণা ইরান-ইসরায়েলের: রিপোর্ট

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ফের হামলা হলে নেতানিয়াহুকে ‘একাই সামলাতে’ হবে, সতর্কবার্তা ট্রাম্পের
ইরানে ফের হামলা হলে নেতানিয়াহুকে ‘একাই সামলাতে’ হবে, সতর্কবার্তা ট্রাম্পের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাকিরের সেঞ্চুরির পর বোলারদের ঝলক, বড় জয় বাংলাদেশের
জাকিরের সেঞ্চুরির পর বোলারদের ঝলক, বড় জয় বাংলাদেশের

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে যাচ্ছে ইরান-ওমান, নতুন টোল বসানোর পরিকল্পনা
হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে যাচ্ছে ইরান-ওমান, নতুন টোল বসানোর পরিকল্পনা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে আসক্তি : অদৃশ্য এক ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম
সামাজিক মাধ্যমে আসক্তি : অদৃশ্য এক ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

দৈনিক আয় ১১ লাখ টাকা ব্যয় সাড়ে ৩৭ লাখ
দৈনিক আয় ১১ লাখ টাকা ব্যয় সাড়ে ৩৭ লাখ

১৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিশ্বকাপে বেশি গোল করবেন মেসি না রোনালদো? ভবিষ্যদ্বাণী এমবাপ্পের
বিশ্বকাপে বেশি গোল করবেন মেসি না রোনালদো? ভবিষ্যদ্বাণী এমবাপ্পের

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুই সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণ বিজয়’, দাবি ট্রাম্পের
দুই সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণ বিজয়’, দাবি ট্রাম্পের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ
ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ : শিরোপার পর গোলেও শীর্ষে ব্রাজিল
বিশ্বকাপ : শিরোপার পর গোলেও শীর্ষে ব্রাজিল

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টুনা শিল্প ও নীল অর্থনীতি বিকাশে বাংলাদেশের সহযোগী হবে মালদ্বীপ
টুনা শিল্প ও নীল অর্থনীতি বিকাশে বাংলাদেশের সহযোগী হবে মালদ্বীপ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৪ লাখ কর্মী বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য সরকারের: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
১৪ লাখ কর্মী বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য সরকারের: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইসরায়েলকে কঠিন শিক্ষা দেওয়া হবে, হুঁশিয়ারি ইরানের
ইসরায়েলকে কঠিন শিক্ষা দেওয়া হবে, হুঁশিয়ারি ইরানের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ : ক্লোসার রেকর্ডে চোখ মেসির, অপেক্ষা নতুন কীর্তির
বিশ্বকাপ : ক্লোসার রেকর্ডে চোখ মেসির, অপেক্ষা নতুন কীর্তির

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমারকে নিয়ে সুখবর দিলো ব্রাজিল
নেইমারকে নিয়ে সুখবর দিলো ব্রাজিল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরব আমিরাতের দূতাবাসে আরবি ভাষায় দক্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগের দাবি
আরব আমিরাতের দূতাবাসে আরবি ভাষায় দক্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগের দাবি

২৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারে সহায়ক ভূমিকায় আনসার-ভিডিপি
সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারে সহায়ক ভূমিকায় আনসার-ভিডিপি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজ ইস্যুতে ইরানের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা
হরমুজ ইস্যুতে ইরানের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত
সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মানদণ্ড পূরণ করলে যে কেউ স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে : জাহেদ উর রহমান
মানদণ্ড পূরণ করলে যে কেউ স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে : জাহেদ উর রহমান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ লোগোর ভেতরে লুকানো ৭টি রহস্য!
বিশ্বকাপ লোগোর ভেতরে লুকানো ৭টি রহস্য!

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্প যা বলবেন, নেতানিয়াহুকে তাই করতে হবে: ইসরায়েলি বিশ্লেষক
ট্রাম্প যা বলবেন, নেতানিয়াহুকে তাই করতে হবে: ইসরায়েলি বিশ্লেষক

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ : যে রেকর্ড এখনও রজার মিলারের, তালিকায় রোনালদো-মেসিও
বিশ্বকাপ : যে রেকর্ড এখনও রজার মিলারের, তালিকায় রোনালদো-মেসিও

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খাবারের দাম না বাড়িয়ে যেভাবে ব্যয় সংকোচন করছেন রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা
খাবারের দাম না বাড়িয়ে যেভাবে ব্যয় সংকোচন করছেন রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন কোর্স বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’ : শিক্ষা মন্ত্রণালয়
অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন কোর্স বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’ : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লেবাননে হামলা হলেই বিধ্বংসী জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের
লেবাননে হামলা হলেই বিধ্বংসী জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের সিইও নাসের এজাজের পদত্যাগ
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের সিইও নাসের এজাজের পদত্যাগ

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সংশোধিত হচ্ছে সাইবার আইন, গুজব-মানহানিতে থাকবে কঠোর শাস্তি
সংশোধিত হচ্ছে সাইবার আইন, গুজব-মানহানিতে থাকবে কঠোর শাস্তি

২১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

প্রিন্ট সর্বাধিক
পর্নোগ্রাফির ভয়াল থাবা
পর্নোগ্রাফির ভয়াল থাবা

পেছনের পৃষ্ঠা

সরকারি চাকরিতে নিয়োগ সিন্ডিকেটের বিস্ময়কর জাল
সরকারি চাকরিতে নিয়োগ সিন্ডিকেটের বিস্ময়কর জাল

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকার আতঙ্ক ১৩৮৭ ছিনতাইকারী
ঢাকার আতঙ্ক ১৩৮৭ ছিনতাইকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝে ওয়ানডে সিরিজ
বিশ্বকাপ উন্মাদনার মাঝে ওয়ানডে সিরিজ

মাঠে ময়দানে

‘ভিআইপি’ নারীসহ তিনজনের সাজা
‘ভিআইপি’ নারীসহ তিনজনের সাজা

নগর জীবন

জামায়াত আমিরকে মঙ্গোলিয়ার রাজনৈতিক সভায় আমন্ত্রণ
জামায়াত আমিরকে মঙ্গোলিয়ার রাজনৈতিক সভায় আমন্ত্রণ

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদক নির্মূলে ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’
মাদক নির্মূলে ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’

নগর জীবন

ঋণের ফাঁদে আটকা মানুষ
ঋণের ফাঁদে আটকা মানুষ

প্রথম পৃষ্ঠা

সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা
সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা

পেছনের পৃষ্ঠা

কফিনে রক্ত দেখে জানাজা বন্ধ
কফিনে রক্ত দেখে জানাজা বন্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

অপচয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
অপচয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

থোকায় থোকায় লটকন
থোকায় থোকায় লটকন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপের ৯৬ বছর
বিশ্বকাপের ৯৬ বছর

মাঠে ময়দানে

প্রাণসংশয়ে প্রাণসায়ের খাল
প্রাণসংশয়ে প্রাণসায়ের খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশি হাসিব ফাতমী নর্থ ক্যারোলিনার স্টেট সিনেটর
বাংলাদেশি হাসিব ফাতমী নর্থ ক্যারোলিনার স্টেট সিনেটর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশাল ঘাটতি মেটাতে ঋণে অর্থমন্ত্রীর বাজি!
বিশাল ঘাটতি মেটাতে ঋণে অর্থমন্ত্রীর বাজি!

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে চার বিষয়
প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে চার বিষয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোগান্তি শেষে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার
ভোগান্তি শেষে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার

পেছনের পৃষ্ঠা

ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ
ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

পেছনের পৃষ্ঠা

অ্যালকোহলের দাম বাড়ায় ক্ষুব্ধ সমর্থকরা
অ্যালকোহলের দাম বাড়ায় ক্ষুব্ধ সমর্থকরা

মাঠে ময়দানে

ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ
ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কী বার্তা দিলেন অপু?
কী বার্তা দিলেন অপু?

শোবিজ

হামের প্রকোপে সেবাদানে হিমশিম
হামের প্রকোপে সেবাদানে হিমশিম

নগর জীবন

১৪০ দেশে যাচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ
১৪০ দেশে যাচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সুনেরাহ এখন সায়রা
সুনেরাহ এখন সায়রা

শোবিজ

দুই দিন পর শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল
দুই দিন পর শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল

নগর জীবন

বেগুন মোটেই নয় নির্গুণ
বেগুন মোটেই নয় নির্গুণ

স্বাস্থ্য

আবার উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য
আবার উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফাঁকা বুলিতে ঢাকাই ছবি
ফাঁকা বুলিতে ঢাকাই ছবি

শোবিজ

ফিরলেন ৯১ জেলে
ফিরলেন ৯১ জেলে

দেশগ্রাম