শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৫

ফিলিস্তিনের করুণ ইতিহাস

মুফতি রফিকুল ইসলাম আল মাদানি
প্রিন্ট ভার্সন
ফিলিস্তিনের করুণ ইতিহাস

ফিলিস্তিনে আগে থেকেই আরবদের বসবাস। যুগে যুগে এ পুণ্যভূমিতে প্রেরিত হয়েছেন বহু নবী-রসুল। তাঁদের সমাধিস্থলও এর আশপাশেই অবস্থিত। গাজা ফিলিস্তিনের একটি বিশিষ্ট অঞ্চল। গাজা থেকে মাত্র দুই মাইল উত্তরে কিবুটস নামক এলাকা। ১৯৩০ দশকের কথা। পোল্যান্ড থেকে এসে কয়েকটি ইহুদি পরিবার কিবুটস এলাকায় বসবাস শুরু করে। ওই এলাকায় তারা কৃষিখামার গড়ে তোলে। আরবরাও তখন কৃষিকাজে অভ্যস্ত ছিল। তাই পরস্পর মিলেমিশে কৃষিকাজের মাধ্যমে উভয় জাতি বসবাস করতে থাকে। ইহুদিরা ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই চলছিল। সরল ফিলিস্তিনিরাও নির্দ্বিধায় তাদের স্থান দেয়। কিন্তু  ১৯৩০-এর দশকেই ফিলিস্তিনিরা বুঝতে পারল যে তারা ধীরে ধীরে নিজেদের জমি হারাচ্ছে। এরই মধ্যে ইহুদিরা দলে দলে সেখানে আসতে থাকে এবং জমি ক্রয় করে বসতি স্থাপন করতে শুরু করে। মূলত ইউরোপীয়দের একটি দুরভিসন্ধি ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে ইন্ধন জোগাচ্ছিল। ইউরোপীয়রা ইহুদিদের তাদের আশপাশে থাকা কোনোভাবেই পছন্দ করত না। তাই তারা মধ্যপ্রাচ্যে একটি ইহুদি উপনিবেশ গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছিল। ইউরোপে ইহুদিদের প্রতি যে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, সেটি তাদের একটি নিজস্ব রাষ্ট্র গঠনের ভাবনাকে আরও ত্বরান্বিত করেছে। ফলে জাহাজে করে হাজার হাজার ইহুদি অভিবাসী ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে আসতে থাকে। বিশেষ করে ১৯৩৩ সালের পর থেকে জার্মানির শাসক হিটলার ইহুদিদের প্রতি কঠোর হতে শুরু করেন। কথিত আছে, তাঁর নেতৃত্বে প্রায় ৬০ লাখ ইহুদিকে হত্যা করা হয়। বেঁচে যাওয়া ইহুদিরা ফিলিস্তিনে এসে একত্র হতে থাকে। তখন ফিলিস্তিনি আরবরা ভালোভাবেই বুঝতে পারে যে তাদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ছে। ১৯১৭ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনের কর্তৃত্ব ছিল তুরস্কের সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। ১৯১৭ সালের নভেম্বর মাসে তুরস্কের সেনাদের হাত থেকে জেরুজালেম দখল করে ব্রিটেন। তখন ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে ফিলিস্তিনের মাটিতে ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনের জন্য তারা সহায়তা করবে। ১৯৪৭ সালের নভেম্বর মাসে ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে দুটি রাষ্ট্র গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ। একটি ইহুদিদের জন্য এবং অন্যটি আরবদের জন্য। আর জেরুজালেম থাকবে আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণে। জাতিসংঘ বিভিন্নভাবে অন্যায় করেছে। আরবদের রাষ্ট্রে ইহুদিদের ভাগ দিয়েছে। ইহুদিরা মোট ভূখণ্ডের ১০ শতাংশের মালিক হলেও তাদের দেওয়া হয় মোট জমির অর্ধেক। এ ছাড়া আরবদের দেশ ফিলিস্তিনের রাজধানী তাদের না দিয়ে সংঘাত চালু রাখার ষড়যন্ত্র করে। তাই আরবরা স্বভাবতই জাতিসংঘের এ সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেনি। কিন্তু ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ডে ইহুদিরা স্বাধীন দেশের ঘোষণা পেয়ে তারা বিজয় উল্লাস করে। তখন থেকেই ইহুদিদের সশস্ত্র দলগুলো প্রকাশ্যে আসা শুরু করে। আর ফিলিস্তিনি মুসলমানরা পদে পদে নিজ ভূমিতেই নির্যাতিত সংখ্যালঘু হিসেবে পরিণত হয়। ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ফিলিস্তিন ছেড়ে চলে যায় ব্রিটেন। একই দিন তৎকালীন ইহুদি নেতারা ঘোষণা করেন যে সেদিন রাতেই ইহুদি রাষ্ট্রের জন্ম হবে।

ইসলামি ইতিহাসের তৃতীয় পুণ্যভূমি বায়তুল মুকাদ্দাস মসজিদ। ফিলিস্তিনের বরকতময় স্থান এ মসজিদ। এর আশপাশের এলাকা বহু নবীর স্মৃতিবিজড়িত, তাঁদের সমাধিস্থল। এ মসজিদ শুধু একটি স্থানের সঙ্গে জড়িত নয়। বরং তা সব মুসলামানের ইমান ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। ইসলামি ইতিহাসের আলোচিত বিষয়। ঐতিহাসিকভাবেই এ অঞ্চলটি  মুসলমানদের  পবিত্র স্থান। ১৯৪৮ সালের বেলফোর ঘোষণার  মাধ্যমে ফিলিস্তিনে অবৈধ ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর বায়তুল মুকাদ্দাস মুসলমানদের হস্তচ্যুত হয়। ফলে যুগ যুগ ধরে ইসরায়েলি ইহুদি এবং ফিলিস্তিনি মুসলমানদের মধ্যে সংঘাত চলেই আসছে। দুই পক্ষের হামলার দায় কার, তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি অবৈধ দখলদারত্বের কারণেই এ সংঘাত চলে আসছে। ইসরায়েল যেহেতু ফিলিস্তিনে দখলদারি ভূমিকায় রয়েছে সেহেতু তাদেরই সমঝোতায় আসতে হবে। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা মেনে নিয়ে প্রকৃত শান্তির পথ খুলে দিতে হবে।

১০০ বছর ধরে চলছে ফিলিস্তিনি মুসলমানদের ওপর অমানবিক নির্যাতন, বর্বর পাশবিক হামলা। নিজেদের ভূখণ্ডে দখলদার ইহুদিদের হাতে প্রতিনিয়ত তারা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। ইসরায়েলের চলমান প্রেক্ষাপটে লক্ষাধিক ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। নারী, শিশু ও অসহায় মানুষ হতাহতের কোনো গণনাই নেই। মানবতা সেখানে বিপন্ন হচ্ছে পদে পদে। নিজেদের ভূমিতে নিজেদের অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে চরমভাবে। গাজাবাসীর ওপর ভয়াবহ অমানবিক তাণ্ডব পৃথিবীর সব নির্যাতনের ইতিহাস অতিক্রম করেছে। ইসরায়েলি নৃশংস হামলায় গাজা আজ মৃত্যুপুরিতে পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়ত শত শত নারী-শিশু ও নিরপরাধ মানুষ হতাহতের শিকার হচ্ছে। এ আক্রমণে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজারেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে অসংখ্য-অগণিত। ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ আছে হাজারো নারী-শিশু। গগনস্পর্শী লাশের স্তূপ, ক্ষুধার্ত নারী-শিশুর আর্তনাদ কোটি মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটালেও তা এখনো ছুঁতে পারেনি বিশ্বনেতাদের অন্তর।

লেখক : গবেষক, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা

এই বিভাগের আরও খবর
ফের পদ্মায় বাস
ফের পদ্মায় বাস
সীমান্তে পুশইন
সীমান্তে পুশইন
আত্মীয়দের অধিকার প্রদানে ইসলামের নির্দেশনা
আত্মীয়দের অধিকার প্রদানে ইসলামের নির্দেশনা
নিঃসঙ্গ পিতা-মাতা এবং বৃদ্ধাশ্রম
নিঃসঙ্গ পিতা-মাতা এবং বৃদ্ধাশ্রম
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
খালি হচ্ছে মায়ের কোল
খালি হচ্ছে মায়ের কোল
বিনিয়োগে আস্থাহীনতা
বিনিয়োগে আস্থাহীনতা
প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা মুমিনের দায়িত্ব
প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা মুমিনের দায়িত্ব
পরিবেশ এবং জীবন
পরিবেশ এবং জীবন
ইট-পাথরের শহরে প্রাণীর খামার
ইট-পাথরের শহরে প্রাণীর খামার
শুধু রামিসা নয়, দ্রুততম বিচার হোক সব হত্যার
শুধু রামিসা নয়, দ্রুততম বিচার হোক সব হত্যার
ফের মার্কিন শুল্ক প্রস্তাব
ফের মার্কিন শুল্ক প্রস্তাব
সর্বশেষ খবর
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ ছন্দে জার্মানি-পর্তুগাল-বেলজিয়াম
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ ছন্দে জার্মানি-পর্তুগাল-বেলজিয়াম

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

কেরানীগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার
কেরানীগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুর্ঘটনায় পলাতক বাসচালক গ্রেফতার
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুর্ঘটনায় পলাতক বাসচালক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি বদলের গল্প
ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি বদলের গল্প

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ আর্জেন্টাইন তারকার
ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ আর্জেন্টাইন তারকার

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাবার হাত, মায়ের শরীর ভেদ করে শিশুর চোয়ালে গুলি, প্রাণ গেল ৭ মাসের সামের
বাবার হাত, মায়ের শরীর ভেদ করে শিশুর চোয়ালে গুলি, প্রাণ গেল ৭ মাসের সামের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ ফাতেমা গ্রেপ্তার
ফেনীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ ফাতেমা গ্রেপ্তার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্রেঞ্চ ওপেনের নতুন রানি আন্দ্রিভা
ফ্রেঞ্চ ওপেনের নতুন রানি আন্দ্রিভা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মশাল মিছিলের ভিডিও ভাইরাল, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক
মশাল মিছিলের ভিডিও ভাইরাল, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জনগণকে স্বাবলম্বী করতে একটি স্বস্তিদায়ক বাজেট ঘোষণা করতে চায় সরকার : চিফ হুইপ
জনগণকে স্বাবলম্বী করতে একটি স্বস্তিদায়ক বাজেট ঘোষণা করতে চায় সরকার : চিফ হুইপ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের আগে ভবিষ্যদ্বাণীতে ব্যস্ত হাতি-গরিলা-জিরাফ
বিশ্বকাপের আগে ভবিষ্যদ্বাণীতে ব্যস্ত হাতি-গরিলা-জিরাফ

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ের চারদিন পর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবকের
বিয়ের চারদিন পর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবকের

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিশরের বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশে চার পরিবর্তন
মিশরের বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশে চার পরিবর্তন

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে অটোভ্যান, চালকের মৃত্যু
বগুড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে অটোভ্যান, চালকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আত্মীয়দের অধিকার প্রদানে ইসলামের নির্দেশনা
আত্মীয়দের অধিকার প্রদানে ইসলামের নির্দেশনা

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

রক্ষণের ভুলে হ্যাটট্রিক হলো না বাংলাদেশের
রক্ষণের ভুলে হ্যাটট্রিক হলো না বাংলাদেশের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দিনাজপুর সেক্টরের দুই সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা ঠেকালো বিজিবি
দিনাজপুর সেক্টরের দুই সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা ঠেকালো বিজিবি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফাইনাল হারের দায় নিজের কাঁধে নিলেন কোচ বাটলার
ফাইনাল হারের দায় নিজের কাঁধে নিলেন কোচ বাটলার

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা :  সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী
দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা :  সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ধান মাড়াই মেশিনে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের
ধান মাড়াই মেশিনে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স
স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামিনের পর কিশোরীকে অপহরণ, উদ্ধারের পর সেফ কাস্টডি
জামিনের পর কিশোরীকে অপহরণ, উদ্ধারের পর সেফ কাস্টডি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৮৯ হাজার টাকা জরিমানা
সিরাজগঞ্জে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৮৯ হাজার টাকা জরিমানা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেঘনায় বজ্রপাতে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ ১
মেঘনায় বজ্রপাতে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ ১

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক
৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চিম্বুলুই সীমান্তে অসুস্থ বিজিবি সদস্যকে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রাম সিএমএইচে স্থানান্তর
চিম্বুলুই সীমান্তে অসুস্থ বিজিবি সদস্যকে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রাম সিএমএইচে স্থানান্তর

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ, নিহত ৩
কুমিল্লায় বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ, নিহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শরীয়তপুরে রহস্যজনকভাবে গরম মাটি, কারণ খুঁজছে ফায়ার সার্ভিস
শরীয়তপুরে রহস্যজনকভাবে গরম মাটি, কারণ খুঁজছে ফায়ার সার্ভিস

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির
ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে বিশ্বকাপ জিততে পারে আর্জেন্টিনা, পথে দেখা হবে রোনালদোর সঙ্গেও
যেভাবে বিশ্বকাপ জিততে পারে আর্জেন্টিনা, পথে দেখা হবে রোনালদোর সঙ্গেও

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা
ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা

১৫ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩
বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা
৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র
ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি
মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের
কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতীয়দের নিয়ে অপপ্রচার, হঠাৎ কেন এত কঠোর সিঙ্গাপুর
ভারতীয়দের নিয়ে অপপ্রচার, হঠাৎ কেন এত কঠোর সিঙ্গাপুর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত : নারী ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সামনে বাংলাদেশ
শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত : নারী ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সামনে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ম্যাচে কেন বারবার ডাক পড়ে এই বাংলাদেশির?
ভারতের ম্যাচে কেন বারবার ডাক পড়ে এই বাংলাদেশির?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে
১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল
নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল: ভাগ্য নির্ধারণে নজর থাকবে যাদের দিকে
বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল: ভাগ্য নির্ধারণে নজর থাকবে যাদের দিকে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাষ্ট্র, সর্বোচ্চ সতর্কর্তা জারি
ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাষ্ট্র, সর্বোচ্চ সতর্কর্তা জারি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে কুয়েতি টিভি উপস্থাপিকার কারাদণ্ড
ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে কুয়েতি টিভি উপস্থাপিকার কারাদণ্ড

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ওরা শুধু টাকা চেনে!’ , সমালোচনার ঝড়ে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা
‘ওরা শুধু টাকা চেনে!’ , সমালোচনার ঝড়ে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের
যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত
টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩০০ রানের মহাতাণ্ডব! ভারত-অস্ট্রেলিয়া যা পারেনি, তা-ই করে দেখাল নেপাল
৩০০ রানের মহাতাণ্ডব! ভারত-অস্ট্রেলিয়া যা পারেনি, তা-ই করে দেখাল নেপাল

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাদাপাথরের পর্যটকদের প্রতি নির্দেশনা
সাদাপাথরের পর্যটকদের প্রতি নির্দেশনা

১৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সাফের হ্যাটট্রিক শিরোপা জেতা হলো না বাংলাদেশের
সাফের হ্যাটট্রিক শিরোপা জেতা হলো না বাংলাদেশের

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ বছরে প্রথমবার! সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়ে এ কেমন একাদশ গড়লেন গম্ভীর?
১৫ বছরে প্রথমবার! সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়ে এ কেমন একাদশ গড়লেন গম্ভীর?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রবিবার
নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রবিবার

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডাক্তাররা আশঙ্কা করছেন এবারের ডেঙ্গুর রূপ হবে ভয়াবহ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ডাক্তাররা আশঙ্কা করছেন এবারের ডেঙ্গুর রূপ হবে ভয়াবহ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

প্রিন্ট সর্বাধিক
বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতা দেবে চীন
বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতা দেবে চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

বিপদ শুধু বাড়ছেই
বিপদ শুধু বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

হলো না হ্যাটট্রিক শিরোপা
হলো না হ্যাটট্রিক শিরোপা

মাঠে ময়দানে

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ, সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ
রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ, সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ

প্রথম পৃষ্ঠা

২৯ কোটি টাকার লিচুবাগান
২৯ কোটি টাকার লিচুবাগান

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকা ছেড়ে নিজের শহরে গিয়ে থাকব
ঢাকা ছেড়ে নিজের শহরে গিয়ে থাকব

প্রথম পৃষ্ঠা

আমূল পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি
আমূল পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রবীণরা কি এভাবেই ধুঁকে ধুঁকে মরবেন?
প্রবীণরা কি এভাবেই ধুঁকে ধুঁকে মরবেন?

প্রথম পৃষ্ঠা

কী করে ঔষধ প্রশাসন
কী করে ঔষধ প্রশাসন

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্রামের পর লোডশেডিং শহরেও
গ্রামের পর লোডশেডিং শহরেও

পেছনের পৃষ্ঠা

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মডেল হচ্ছে খুলনা
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মডেল হচ্ছে খুলনা

নগর জীবন

নিঃসঙ্গ পিতা-মাতা এবং বৃদ্ধাশ্রম
নিঃসঙ্গ পিতা-মাতা এবং বৃদ্ধাশ্রম

সম্পাদকীয়

বিশ্বকাপ ঘিরে জুয়া রমরমা
বিশ্বকাপ ঘিরে জুয়া রমরমা

পেছনের পৃষ্ঠা

শিরোপা লড়াইয়ে মোহামেডান আবাহনী
শিরোপা লড়াইয়ে মোহামেডান আবাহনী

মাঠে ময়দানে

সিলেটে পাঁচ কারণে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা
সিলেটে পাঁচ কারণে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা

নগর জীবন

মগড়াসহ অধিকাংশ নদীই বিলুপ্তির পথে
মগড়াসহ অধিকাংশ নদীই বিলুপ্তির পথে

পেছনের পৃষ্ঠা

ছিন্নভিন্ন পারিবারিক বন্ধন
ছিন্নভিন্ন পারিবারিক বন্ধন

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

প্রথম পৃষ্ঠা

নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে দিশাহারা জনগণ
নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে দিশাহারা জনগণ

নগর জীবন

অবাধে বৃক্ষ নিধন, হুমকিতে পরিবেশ
অবাধে বৃক্ষ নিধন, হুমকিতে পরিবেশ

দেশগ্রাম

ঋণের বোঝায় অর্থনীতি
ঋণের বোঝায় অর্থনীতি

পেছনের পৃষ্ঠা

কমাতে হবে জটিলতা
কমাতে হবে জটিলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপ চক্রের হাতে খুন হন উবার চালক লোকমান
হানি ট্র্যাপ চক্রের হাতে খুন হন উবার চালক লোকমান

পেছনের পৃষ্ঠা

বর্জ্যরে দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জীবন
বর্জ্যরে দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জীবন

দেশগ্রাম

সংসদে সদস্যদের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে
সংসদে সদস্যদের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাত সাংবাদিক
অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাত সাংবাদিক

নগর জীবন

উপকারী গাছের ছাল থাকে না
উপকারী গাছের ছাল থাকে না

পেছনের পৃষ্ঠা

বিনিয়োগ বাড়ান কর কমান
বিনিয়োগ বাড়ান কর কমান

পেছনের পৃষ্ঠা

চ্যাম্পিয়ন ১৯ বছরের মিরা আন্দ্রিভা
চ্যাম্পিয়ন ১৯ বছরের মিরা আন্দ্রিভা

মাঠে ময়দানে