শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৯ মে, ২০২৫ আপডেট: ০৭:৫২, সোমবার, ১৯ মে, ২০২৫

নির্বাচনই একমাত্র সমাধান

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
নির্বাচনই একমাত্র সমাধান

রাজধানীজুড়ে আন্দোলন। ঢাকা এখন আন্দোলনে অচল এক নগরী। একটা আন্দোলন শেষ হতে না হতেই নতুন আন্দোলন শহরকে বন্দি করে। তিন দিনের আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সব দাবি মেনে নেয় সরকার। সবই হলো শুধু জনগণকে পোহাতে হলো দুর্বিষহ দুর্ভোগ। সাম্য হত্যাকাণ্ড নিয়ে এখনো উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ইশরাক হোসেনকে মেয়র করতে নগর ভবনের সামনে চলছে অবস্থান কর্মসূচি। কোথাও যেন কোনো সুখবর নেই। সাধারণ মানুষ হতাশ, বিরক্ত। এভাবে আর কত দিন! শান্তি কত দূরে? রাজনৈতিক নেতারা ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন। কোথায় যেন হচ্ছে কোন সর্বনাশ। রাজনৈতিক অঙ্গনে জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে হানাহানি বাড়ছে, বাড়ছে দূরত্ব, অবিশ্বাস, সন্দেহ।

৯ মাস ধরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দাবিদাওয়ার এক  স্তূপে পরিণত হয়েছে যেন বাংলাদেশ। যে যার মতো করে আন্দোলন করছে, কলমবিরতি করছে, ধর্মঘট করছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা রকম অস্বস্তির খবর পাচ্ছি। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের নানা রকম আন্দোলনে জনজীবন যেন দিশাহারা। ৯ মাস ধরে বিরামহীনভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। অর্থনীতি পঙ্গু হয়ে গেছে। দেশ রীতিমতো অচল। মানুষ চরম বিরক্ত।

সংকট বাড়ছে। পরিস্থিতি আস্তে আস্তে চলে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রণের বাইরে। সবকিছু থেকে দ্রুত উত্তরণ প্রয়োজন। আর এই উত্তরণের একমাত্র উপায় হলো, দ্রুত নির্বাচন। একটি অন্তর্বর্তী সরকার পর্বতসম দাবিদাওয়া মেটাতে পারবে না। এসব দাবিদাওয়া মেটাতে গিয়ে নতুন নতুন নতুন সমস্যা তৈরি হবে এবং হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে দ্রুত উত্তরণের জন্য নির্বাচনই একমাত্র সমাধান। দ্রুত জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর এখন সময়ের দাবি।

নির্বাচনে কীভাবে সমাধান, আসুন একটু খতিয়ে দেখা যাক। এখন যেমন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়সহ নানান পেশাজীবী তাদের দাবিদাওয়া নিয়ে আন্দোলন করছেন। যখনই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে, তখনই এসব দাবিদাওয়ার ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের একটি অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। তারা নির্বাচিত হলে এসব দাবিদাওয়ার ব্যাপারে কে কী করবে, সে সম্পর্কে জনগণকে বা আন্দোলনকারীদের একটা সুস্পষ্ট ধারণা দেবে, দেবে সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি। এ ধরনের আশ্বাস বা প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সঙ্গেই আন্দোলন স্তিমিত হবে। আন্দোলনকারীরা বুঝতে পারবেন যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কাজ এখন নির্বাচন। কাজেই নির্বাচিত সরকারের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভর করবে সবকিছু। তারা নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। নির্বাচনের পরে যে দল জয়ী হবে, তারা আন্দোলনকারীদের দাবিদাওয়াগুলোর ব্যাপারে নির্বাচনকালীন যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। অর্থাৎ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমেই একমাত্র বিভিন্ন আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে আনা যেতে পারে। জনজীবন স্বাভাবিক করা যেতে পারে। আর নির্বাচন দেওয়ার সময় যত দীর্ঘ হবে তত বিভিন্ন নতুন নতুন ইস্যু সৃষ্টি হবে। নতুন নতুন দাবিদাওয়া নিয়ে রাজপথে আন্দোলন শুরু হবে। কারণ যখন নির্বাচন অনিশ্চিত তখন যারা বিভিন্ন দাবি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত তারা মনে করবে, এখনই সময় দাবিদাওয়া আদায় করার। ফলে দাবির স্তূপ বাড়বে এবং সরকার তার মূল লক্ষ্য থেকে সরে যাবে। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, বর্তমান সরকার একটি অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের সুনির্দিষ্ট তিনটি এজেন্ডা রয়েছে, এই তিনটি কাজ করার মধ্য দিয়ে তাদের একটি গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস একাধিকবার এই বিষয়টি বলেছেন।

প্রথম এজেন্ডা হলো জুলাই গণহত্যার বিচার। জুলাই গণহত্যার বিচারের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। শেখ হাসিনাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে  ইতোমধ্যে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। কাজেই এই বিচার এগোচ্ছে এবং বিচারকে তার নিজস্ব পথে চলতে দিতে হবে। বিচারে যেন কেউ বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারপ্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়া এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোকে এককাট্টা কাজটি দায়িত্বপ্রাপ্তরা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করেছেন। সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশন জুলাই গণহত্যার ওপর যে একটি প্রতিবেদন দিয়েছে সেটি ঐতিহাসিক একটি দলিল। এই দলিলের ভিত্তিতে যে কোনো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে জুলাই গণহত্যার বিচার করা সম্ভব। কাজেই বিচারপ্রক্রিয়াকে তার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় এগোতে দিতে হবে। বিচারে কোনো রকম হস্তক্ষেপ বা কারও ওপর বাড়তি চাপ প্রয়োগ  সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। আমরা আশা করি, কেউই এ ধরনের দায়িত্বহীন কাজ করবে না। কাজেই অন্তর্বর্তী সরকার তার প্রথম দায়িত্ব সুন্দরভাবে সম্পন্ন করেছে।

এই সরকারের দ্বিতীয় কাজ ছিল একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র সংস্কারের পথনির্দেশনা দেওয়া। আর এজন্যই ড. মুহাম্মদ ইউনূস সঠিকভাবেই অনেকগুলো কমিশন গঠন করেছিলেন। যেমন সংবিধান সংস্কার কমিশন, নির্বাচন সংস্কার কমিশন ইত্যাদি। এসব কমিশনের মধ্যে দুই-একটি কমিশন বাদে অধিকাংশ কমিশনের ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলো ইতিবাচকভাবে সাড়া দিয়েছে। ইতোমধ্যে সবগুলো কমিশনের সুপারিশকে একত্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করা হচ্ছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস অত্যন্ত সঠিকভাবেই একটি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করেছেন। নির্বাচনের পর যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি না হয়। রাষ্ট্র সংস্কারে ন্যূনতম বিষয়ে যেন আমরা একমত হয়ে এগোতে পারি, সেজন্যই ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছে। এই ঐকমত্য কমিশন সব রাজনৈতিক দলের মতামতের ভিত্তিতে সর্বসম্মতভাবে একটা সুপারিশ করা চূড়ান্ত করবে এবং এই সুপারিশমালাকে বলা হবে ‘জুলাই সনদ’। এই জুলাই সনদে সব রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করবে। এটি হবে একটি ঐতিহাসিক দলিল এবং এই দলিলই হবে আগামী দিনের রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি। সে ক্ষেত্রে আমরা লক্ষ করেছি যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটা ঐক্যের আবহ তৈরি হয়েছে। কিছু কিছু বিষয়ে বিরোধ থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কারের বেশির ভাগ বিষয়ে একমত। কিন্তু ঐকমত্য কমিশনের কারও কারও মধ্যে একধরনের কালক্ষেপণের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এখানে কালক্ষেপণের কোনো সুযোগ নেই। সময় যত গড়াবে সংকট তত গভীর হবে। খুব দ্রুত ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ চূড়ান্ত করা। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে গণমাধ্যম সংস্কার কিংবা নারী সংস্কার, জনপ্রশাসন সংস্কারের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে সংস্কার অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ নয়। এটি নির্বাচিত সরকারের কাজ। এই সংস্কার কমিশনের রিপোর্টগুলো নিয়ে ইতোমধ্যেই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এখনই এসব নিয়ে সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই। মৌলিক যে কয়েকটি রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয় যেমন সংবিধান সংশোধন, নির্বাচন কমিশন সংশোধন সুপারিশে একমত হয়েই ‘জুলাই সনদ’ তৈরি করা যেতে পারে। এটি জুলাই সনদের মূল আকাক্ষার জায়গা।

জুলাই সনদ চূড়ান্ত হওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের একমাত্র কাজ হওয়া উচিত নির্বাচনের একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করা এবং দেশকে নির্বাচনের পথে নিয়ে যাওয়া। কারণ অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা নিয়ে যত কালক্ষেপণ করবে, ততই জনগণের মধ্যে নানা রকম সন্দেহ, অবিশ্বাস তৈরি হবে। জনগণ মনে করবে এই সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে চায়। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও একধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে। যা ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

এ কথা ভুলে গেলে চলবে না। অন্তর্বর্তী সরকার সব রাজনৈতিক দলের সমর্থন নিয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব। রাজনৈতিক দলগুলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করার জন্যই অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছে। কাজেই এই সরকারের প্রধান শক্তি হলো রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন এবং সহযোগিতা। রাজনৈতিক দলগুলো যদি তাদের সমর্থন বা সহযোগিতা না করে তাহলে পরবর্তী সরকার ব্যর্থ হতে বাধ্য। জুলাই বিপ্লবের মূল শক্তি হলো জাতীয় ঐক্য। সব রাজনৈতিক দল তাদের নিজেদের ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে গিয়েছিল। সেই ঐক্য ধরে রাখার দায়িত্ব হলো ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের। আর সে কারণেই অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো উচ্চাশা বা নির্বাচন নিয়ে কালক্ষেপণ করা মোটেও ঠিক হবে না। এর ফলে একদিকে যেমন জন অনাস্থা তৈরি হবে, অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ব্যাপারে নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করবে। ইতোমধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া আমরা লক্ষ করছি। যেমন মানবিক করিডরে ইস্যুতে বিএনপি, জামায়াত তাদের অবস্থান সুস্পষ্ট করেছে। তারা এই করিডর সবার সঙ্গে আলোচনা না করে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রবল বিরোধিতা করবে বলে জানিয়ে দিয়েছে। কাজেই এসব বিতর্কিত বিষয় সামনে এনে জাতীয় ঐক্য যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে অন্তর্বর্তী সরকারকে। বর্তমান বাস্তবতায় একটি খণ্ডকালীন সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে একটি বাজে দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠিত হয়। আর এ কারণেই অন্তর্বর্তী সরকার যদি দীর্ঘদিন থাকে তাহলে তাদের যে বিপুল সমর্থন এবং ঐক্য ছিল, তা তারা হারাতে পারে। জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট হতে পারে।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, দ্রুত নির্বাচন দিয়ে একটা নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আনা উচিত, ফ্যাসিবাদের পুনরুদ্ধার ঠেকানোর জন্য। ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার বিচার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছে। এই নিষিদ্ধের পর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে আমরা প্রতিক্রিয়া লক্ষ করছি। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার পরও ফ্যাসিবাদ নতুনভাবে নানা রকম রকম ষড়যন্ত্র করছে। ভুলে গেলে চলবে না, গত সাড়ে ১৫ বছর দেশে তারা বিপুল পরিমাণ লুটপাট করেছে এবং বিদেশে তাদের বিপুল অর্থ আছে। এসব অর্থ দিয়ে তারা দেশকে অস্থিতিশীল তৈরি করার চেষ্টা করতে পারে।

বিভিন্ন জায়গায় নানা রকম ষড়যন্ত্র হচ্ছে। বিপ্লবের অর্জনকে ধ্বংস করার জন্য নানা রকম চক্রান্তের খবর কান পাতলেই শোনা যায়। মনে রাখতে হবে, নির্বাচন যা পেছাবে তত নিত্যনতুন ষড়যন্ত্র ডালপালা মেলবে। নতুন নতুন সমস্যা তৈরি হবে। একসময় সাধারণ মানুষ এই বিপ্লব সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করতে শুরু করবে। বিপ্লবকে নিয়ে হতাশা প্রকাশ করবে। তখন এই বিপ্লবের অর্জন ব্যর্থ হয়ে যেতে বাধ্য। আমরা কি সেই পথে যাব? আমাদের মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের মানুষ শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রকামী। তারা একটি নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায় এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে দ্রুত নির্বাচন হওয়া এখন সময়ের দাবি। এটাই স্বাভাবিক ছন্দে দেশকে ফিরিয়ে আনার একমাত্র পথ। লেখক : নাট্যকার ও কলাম লেখক

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
মাদকের ট্রানজিট রুট
মাদকের ট্রানজিট রুট
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
সর্বশেষ খবর
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়
সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?
সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল
চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা
ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ
বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি
ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন
নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন
আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়
যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন
চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ
সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার
ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার

৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন
ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপত্তা চেয়ে নারী বাইকারদের র‌্যালি
নিরাপত্তা চেয়ে নারী বাইকারদের র‌্যালি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফিরেছে অপহৃত সাত জেলে
মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফিরেছে অপহৃত সাত জেলে

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

১৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না

নগর জীবন