শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৩ মে, ২০২৫

দেশের স্বার্থ সবকিছুর আগে

খায়রুল কবির খোকন
প্রিন্ট ভার্সন
দেশের স্বার্থ সবকিছুর আগে

রাজনৈতিক নেতা ও জনগণের সম্পর্ক মাছ ও পানির মতো। মাছ যেমন পানি ছাড়া টিকে থাকতে পারে না, তেমনি রাজনৈতিক নেতা যিনি, জনগণের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক না থাকলে রাজনীতিতে টিকে থাকা সম্ভব হয় না। বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে মাইনাস করার জন্য ওয়ান-ইলেভেনের কুশীলবরা লাগাতার চেষ্টা চালিয়েছেন। শারীরিক, মানসিক সব ধরনের নির্যাতন-নিপীড়নের মুখোমুখি হতে হয়েছে দুজনকে। কোনো অবস্থাতেই তাঁদের জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়নি। নির্যাতন-নিপীড়নের ভয়ে তাঁরা আত্মসমর্পণ করেননি। কারাবরণ করেছেন, ওয়ান-ইলেভেনের শাসকদের নানামুখী চাপের মুখেও দেশ ছেড়ে চলে যেতে রাজি হননি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার অন্যায় আবদারেও মাথা নত করেননি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর ওয়ান-ইলেভেনের সময় যে পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয়েছে তার দ্বিতীয় কোনো তুলনা নেই। তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের অপরাধ তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র। তাঁদের রক্তের উত্তরাধিকার। শহীদ জিয়ার আদর্শকে যাঁরা বুকে ধারণ করেন, তাঁদের আস্থা ও ভালোবাসার লক্ষ্যস্থল। তারেক রহমান এমন এক সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আসেন, যে সময়ে তরুণদের সিংহভাগ ছিল রাজনীতিবিমুখ। নিজের ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত স্বার্থ এবং আরাম-আয়েশে জীবন উপভোগেই তারা ছিল বেশি আগ্রহী। তারেক রহমান সে পথে হাঁটেননি। ভোগবিলাসের জীবন উপভোগের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও সে লোভ সংবরণ করেছেন সচেতনভাবে। তিনি তাঁর বাবা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পথ ধরে রাজনীতিতে নামেন। বাবা শহীদ জিয়ার মতো তৃণমূলের মানুষের কাছে জাতীয়তাবাদী রাজনীতি নিয়ে যাওয়ার মিশনে নেতৃত্ব দেন। সত্যিকারের যোগ্য লোকদের বেছে নেন একবিংশ শতাব্দীর যাত্রা শুরুর নির্বাচনে।

২০০১ সালে বিএনপির বিশাল জয়ের পেছনে তারেক রহমানের অবদান অনস্বীকার্য। তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। দলকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মতো তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ইস্পাতকঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। শহীদ জিয়াকে আক্ষরিক অর্থে অনুসরণের চেষ্টা করেছেন তিনি। তার সুফলও মিলেছে দৃষ্টিগ্রাহ্যভাবে। গত দুই যুগে বিএনপির ওপর অনেক ঝড় বয়ে গেলেও এ দল টিকে আছে মাথা উঁচু করে পর্বতসম উচ্চতায়। বিএনপি যে সত্যিকার অর্থে মানুষের হৃদয়রাজ্যে ঠাঁই করে নিয়েছে তার প্রমাণ মিলেছে চিকিৎসা শেষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সময়। দলের পক্ষ থেকে ভিড় না করতে অনুরোধ করা হলেও মানুষের আবেগ থামানো যায়নি। দেশনেত্রীর প্রতি সমর্থকদের শ্রদ্ধা ও আবেগ প্রমাণ করেছে ওয়ান-ইলেভেনের মতো আবার যদি কেউ বিরাজনীতিকরণের ষড়যন্ত্র আঁটে, দেশবাসী তাদেরও ইতিহাসের ডাস্টবিনে বিক্ষিপ্ত করবে।            

আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরা সাধারণত তাদের সন্তানদের রাজনীতিতে আনতে চান না। সন্তানদের রাজনীতিতে এনে তাদের ঝুঁঁকির মুখে রাখতে চান না। এ প্রবণতার কারণে রাজনীতিবিদদের সন্তানরা রাজনীতিবিমুখ হন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ ও দলের প্রয়োজনে নিজে কুলবধূ হয়েও যেমন রাজনীতিতে নেমেছেন, তেমনি পুত্র তারেক রহমানকেও রাজনীতিতে নিয়ে এসেছেন শহীদ জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়ন করতে। দেশ ও জনগণের কল্যাণকে এ ক্ষেত্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।

তারেক রহমান আত্মকেন্দ্রিকতার বদলে নিজেকে গণমানুষের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে গড়ে তুলেছেন। বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে রাজনীতিতে হাতেখড়ি নেন তারেক রহমান। শুরুতেই প্রাধান্য দেন তৃণমূলের রাজনীতিকে। শুরু করেন নিবিড় যোগাযোগ। একবিংশ শতাব্দীর সূচনায় ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিনি রাজনীতিতে পুরোপুরিভাবে জড়িয়ে পড়েন। দলের নির্বাচনি কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

প্রতিপক্ষের স্বরূপ উন্মোচনে তিনি যে গঠনমূলক প্রচারণা শুরু করেন তা ফলপ্রসূ হয়। শহীদ জিয়া তৃণমূলের মানুষের হৃদয় জয় করেন যে কৌশলে, তা রপ্ত করতে তারেক রহমান তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংযোগ স্থাপনকে লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেন। তিনি তাতে সক্ষম হয়েছিলেন বলেই বিএনপি ২০০১ সালের নির্বাচনে অবিস্মরণীয় জয় অর্জন করেছিল।

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পর তারেক রহমানই হলেন একমাত্র রাজনীতিবিদ, যিনি তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনে সফল হন। গণমানুষের জন্য তারেক রহমান যে রাজনীতি শুরু করেন তার যাত্রাপথ কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। অশুভশক্তির ষড়যন্ত্র প্রতিটি মুহূর্তে মোকাবিলা করতে হয়েছে। তাঁর রাজনীতির যাত্রাপথ বাধাগ্রস্ত করতে চলেছে নানা ষড়যন্ত্র। তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হয়েছে। নোংরা রাজনীতির কুশীলবরা তাঁর চরিত্র হননে হেন চেষ্টা নেই, যা করেনি। এক-এগারোর সময় সাঁড়াশি আক্রমণ চালিয়ে বিএনপিকে ধ্বংস করার চেষ্টা চালানো হয়। তারেক রহমানকে অপপ্রচারের শিকার বানানো হয় জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে ধ্বংসের পরিকল্পিত উদ্দেশ্যে। বিরাজনীতিকরণের লক্ষ্য নিয়ে বিদেশি প্রভুর হুকুমে শহীদ জিয়ার পরিবারের সদস্যদের চরিত্রহননে উঠেপড়ে লাগে বিদেশি শক্তির ভাড়াটে কিছু সংবাদমাধ্যম। এ প্রতিকূল অবস্থায়ও তারেক রহমান তাঁর লক্ষ্যে ছিলেন অবিচল। আর সে কারণেই তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছে নির্দয়ভাবে। শারীরিকভাবে পঙ্গু করার চেষ্টা চলেছে সেনাসমর্থিত ওয়ান-ইলেভেনের সুশীল সরকারের সময়ে। একপর্যায়ে জননন্দিত এ নেতাকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। সীমাহীন নির্যাতনের শিকার অসুস্থ তারেক রহমান বিদেশে গিয়েও আদর্শচ্যুত হননি। ওয়ান-ইলেভেনের শাসক কিংবা তাদের দ্বারা ক্ষমতায় আসা গত পৌনে ১৬ বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসকদের কাছে মাথা নত করেননি। বিদেশে থেকেই তিনি জনগণকে সংগঠিত করার চেষ্টা করেছেন। তারুণ্যের  ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা দেখিয়ে দেশের তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। বিদেশে থেকেও তিনি শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অসীম সাহসে লড়াই করে গেছেন বীরের মতো।

বাংলাদেশ এখন এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নিয়ে চলছে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। করিডরের নামে বাংলাদেশকে যারা আরেকটি গাজা উপত্যকা বানানোর চেষ্টা চালাচ্ছে, তাদের কোমরে পুতুল নাচের দড়ি বাধা কি না, জনমনে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশের মানুষ মানবিকতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কাউকে মানবিক সহায়তা দিতে বাংলাদেশের মানুষের আপত্তি নেই। তবে তা হতে হবে দেশবাসীর জ্ঞাতসারে। দেশে যখন কোনো নির্বাচিত সরকার নেই, তখন সরকারের উচিত গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া। কিন্তু মানবিক করিডরের ক্ষেত্রে তা নেওয়া হয়নি। চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবস্থাপনা ভিনদেশিদের কাছে ছেড়ে দেওয়ার কথা হচ্ছে। এর পেছনে কী উদ্দেশ্য জড়িত তা মানুষের কাছে স্পষ্ট নয়। সরকারের অতি উৎসাহী মনোভাবকে প্রসন্ন দৃষ্টিতে দেখার সুযোগ নেই। সরকার পতিত স্বৈরাচারীর দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেছে। আমরাও চাই এ দেশে যেন আর কোনো দিন ফ্যাসিবাদী রাজনীতি মাথা চাড়া না দিয়ে ওঠে। যারা করিডরের কথা বলছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবস্থাপনা বাইরের কারোর কাছে অর্পণের কথা বলছেন, তারা দেশের স্বার্থকে জিম্মি করছেন কি না, সে সন্দেহ দানা বেঁধে উঠছে। দেশবাসী এসব ভ্রান্ত তৎপরতা রুখে দিতে সচেতন হয়ে উঠছে। দেশের যুবসমাজও সোচ্চার হয়ে উঠছে যারা দেশকে ভুলপথে নিয়ে যেতে চান, তাদের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে। এ দেশের মানুষ সংস্কার চায়, সুশাসন চায়, তবে সবকিছু হতে হবে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে অক্ষুণ্ন রেখে। রক্তের বিনিময়ে পাওয়া স্বাধীনতাকে নিয়ে হেলাফেলা করা চলবে না। এ দেশকে আরেকটি গাজা বানানো যাবে না। বাংলাদেশের মাটি কিংবা সমুদ্রসীমা ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র  বা কোনো বিশ্বশক্তির ক্ষমতা দেখানোর ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহৃত হলে জনগণ মেনে নেবে না। আমাদের মধ্যে  রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, তবে সবকিছুর আগে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে।

লেখক : বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব, সাবেক সংসদ সদস্য ও ডাকসুর সাবেক জিএস

এই বিভাগের আরও খবর
মাদকের ট্রানজিট রুট
মাদকের ট্রানজিট রুট
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
জুলাই সনদ নিয়ে কি ঐকমত্য হবে?
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
সর্বশেষ খবর
মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য
মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য

১০ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়
গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়
সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?
সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল
চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা
ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ
বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি
ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন
নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন
আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়
যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন
চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ
সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার
ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন
ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

১৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না

নগর জীবন