শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:১১

ইন্টারভিউ → দীপা খন্দকার

ওয়েব সিরিজ সম্পর্কে ধারণা পাল্টে গেছে

দর্শকনন্দিত অভিনেত্রী দীপা খন্দকার। দীর্ঘদিন ধরেই টিভি, বিজ্ঞাপন ও চলচ্চিত্রে তার সরব উপস্থিতি। চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন। ইদানীং ব্যস্ত রয়েছেন খ- নাটক, ধারাবাহিক ও ওয়েব সিরিজ নিয়ে। সমসাময়িক ব্যস্ততা নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন- পান্থ আফজাল

ওয়েব সিরিজ সম্পর্কে ধারণা পাল্টে গেছে

আজ কোনো শুটিং রয়েছে কি?

হ্যাঁ, আছে। আমি এখন ফেনীতে রয়েছি মাজনুন মিজানের পরিচালনায় একটি নাটকের শুটিংয়ের কাজে। নাটকটির নাম ‘বাড়ী নোয়াখালী’। লিখেছেন আহসান আলমগীর।

 

প্রথমবারের মতো একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করলেন। কাজটি কেমন হলো?

অসাধারণ! ওয়েব সিরিজ সম্পর্কে অনেক ভ্রান্ত ধারণা ও ভীতি ছিল। ভেবেছিলাম ওয়েব সিরিজ মানেই অশ্লীলতা প্রদর্শন। কিন্তু এটি করতে এসে সব ধারণা পাল্টে গেছে। নির্মাতা নূর ইমরান মিঠু ও তার টিম আমাকে অনেক সম্মান দিয়েছেন; সহযোগিতা করেছেন। তাদের সম্মান ও শ্রদ্ধায় আমি খুবই খুশি। আশা করছি, ওয়েব সিরিজ নামে সামনে ভালো কিছু হবে।

 

ওয়েব সিরিজের কাজে দীর্ঘদিন ছিলেন খাগড়াছড়ি-সাজেকের অরণ্যঘেরা পাহাড়ে। ওয়েব সিরিজটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই...

প্রায় ৫ দিন ছিলাম। গল্পটি কিলিং রিলেটেড। দুটি ছেলে-মেয়ের প্রেমের গল্প উঠে আসবে সিরিজে। গল্পে থাকছে প্রেম-ভালোবাসা ও থ্রিলার। আমি একজন এনজিওকর্মী হিসেবে অভিনয় করেছি। যে কিনা ডিভোর্সি। আমি বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করি। একবার ঘুরতে যাই সাজেকে। আমার ছেলে ইয়াশ রোহান। তার গার্লফ্রেন্ড নাজিফা টুসি। ইয়াশ বাবার কাছে থাকলেও কিছু কারণে আমার কাছে আসার জন্য সাজেকের দিকে রওনা দেয়। এদিকে সাজেকে আমার সঙ্গে একটি লোকের অ্যাফেয়ার হয় (মনোজ প্রামাণিক)। যে একজন কিলার! ইয়াশ সাজেকে পৌঁছানোর আগেই আমাকে মেরে ফেলে সেই কিলার।

 

গল্পটি চমৎকার মনে হচ্ছে! কয়টি গ্রুপ থাকছে ওয়েব সিরিজে?

তিনটি। আমি, ইয়াশ, টুসি একটি গ্রুপ। একটি কিলার গ্রুপ (মনোজ) আর অন্যটি ডিবি টিম গ্রুপ। টিম লিডার দোয়েল ম্যাশ। এই গ্রুপে সাদাত রাসেলও রয়েছে।

 

খাগড়াছড়ি-সাজেকে কি এর আগে গিয়েছিলেন?

নাহ্। প্রথমবারের মতো গেলাম। আর বাইরে শুটিং করলাম প্রায় ৮-১০ বছর পর। এত সুন্দর সাজেক-খাগড়াছড়ি! মন ভালো হয়ে গেছে এর নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে। পাহাড়িদের সঙ্গে গল্প করেছি, শুটিং করেছি। একা একা নির্জন স্থানে চেয়ারে বসে চা-কফি নিয়ে অপার সৌন্দর্য উপভোগ করেছি। ভালোই ছিল।

 

বর্তমানে আর কি কাজ নিয়ে ব্যস্ত?

সকাল আহমেদের ‘খানবাড়ি বাড়াবাড়ি’ করেছি। রুলিন রহমানের ‘মায়ার বাঁধন’, সাগর জাহানের ‘আক্কেলগঞ্জ হোম সার্ভিস’ সামনে প্রচার হবে। দুরন্ত টিভিতে ‘মেছো তেতো গেছো ভূত’ করছি। অন্যদিকে সৈয়দ শাকিলের ‘আদালত’ করছি।

 

ভালোবাসা দিবসে নুহাশের একটি কাজ করেছিলেন...

ক্লোজআপ কাছে আসার গল্পে কাজ করেছি। এছাড়াও নুহাশের নির্মাণে ‘ম্যাগি নুডলস’ বিজ্ঞাপন করেছি।

 

নতুন কোনো ছবিতে কাজ করছেন কি?

ভালো গল্প ও চরিত্র হলে কাজ অবশ্যই করব।

 

এত সংগঠন! নাটকের দুরবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব?

আমি আশাবাদী। দেখেন, ৪-৫ বছর আগেও কিন্তু সংগঠনগুলো তেমন করে একটিভ ছিল না। এখন তো কিছু কাজ হচ্ছে। অনেক বিশৃঙ্খলা ও অনিয়ম নিয়ে অ্যাকশন হচ্ছে। সমাধান হচ্ছে।

 


আপনার মন্তব্য