শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ টা

সিনেমায় বলিউড তারকাদের হিট সংলাপ

‘ইয়ে হাত মুঝে দে দে ঠাকুর’ ... বলিউডের বিখ্যাত ‘শোলে’ ছবিতে গাব্বার সিং-রূপী আমজাদ খানের মুখের এই সংলাপটি এখনো দর্শক ভুলেননি। সংলাপ হচ্ছে একটি ছবির প্রাণ। ছবিতে কোনো তারকার মুখে যদি মন জয় করা সংলাপ থাকে তাহলে সেই সংলাপ দর্শকের মুখে মুখে ফেরে। সিনেমায় তারকাদের মুখের কালজয়ী কিছু সংলাপ  গ্রন্থনা করেছেন  -  আলাউদ্দীন মাজিদ

 

অমিতাভ বচ্চন

কাভি কাভি মেরে দিল মে খায়াল আতা হ্যায়, ইয়ে জিন্দিগি তেরে জুলফো কি নরম ছাঁওমে গুজারনে পাতি, তো শাদাব হো ভি সাকতি থি (সিলসিলা), মেরে পাস মা হ্যায়, তুমহারে পাস কেয় হ্যায়? এবং জিসনে মেরে বাপ কো চোর কাহাথা, পেহলে উসকো সাইন লে আও (দিওয়ার), রিশতে মে তো হাম তুমহারে বাপ লাগতে হ্যায়, নাম হ্যায় শাহেনশা (শাহেনশাহ), ডনকো পাকাড়না মুশকিল নেহি নামোনকিন হ্যায় (ডন)।

 

সালমান খান

একবার জো ম্যাই কমিটমেন্ট কর দি, উসকি বাদ মে খুদ কি ভি নেহি সুনতা (ওয়ান্টেড), সারে দুনিয়া ভি পিয়ার মে পয়দা হোতা হে (তেরে নাম), মুঝে এহসান করনা, কে মুজ পর কই এহসান না কারনা (বডিগার্ড), আবহি তাক সব কো নাহলায়ে হায়ে, আব সব কো ধুঙ্গা (দাবাং), আজকাল দরোজা পর নক করকে এনে কি জামানা নেহি হায়ে, ‘বাবুজি ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’। (ম্যায়েনে পিয়ার কিয়া), মাইনে আবকা আন্তিম সাংস্কার কর চুকা হো (গারভ), আগার তুম মুঝে ইউহি দেখতি রাহি তো পেয়ার হো যায়েগা (হাম দিল দে চুকে সনম), জো জিজাজি কহেঙ্গে আই করুঙ্গা (বন্ধন),

 

শাহরুখ খান

বড়ে বড়ে শহরো মে অ্যাইসি ছোটি ছোটি বাতেঁ হোতি র‌্যাহতি হ্যায় (দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে), প্যায়ার দোস্তি হ্যায়। আগর ও মেরি সবসে আচ্ছা দোস্ত নেহি বান সকতি তো ম্যায় ইসকোভি প্যায়ার কর নেহি সাকতা। কিউঁকি দোস্তি বিনা তো প্যায়ার হোতা হি নেহি (কুচ কুচ হোতা হ্যায়), আগর কাহি কাভি ভি কোয়ি দোস্ত কি জরুরত পড়ে তো বাস ইতনা ইয়াদ রাখনা কি শরহাদ পার এক এইসা শক্স হ্যা জো আপ কি লিয়ে আপনি জান ভি দে দেগা (ভির-জারা), ক্যাহতে হে আগর কিসি চিজকো দিলসে চাহো, তো পুরি কায়ানাত উসসে তুমসে মিলানে কি কোশিশ মে লাগ যাতে হ্যায় (ওম শান্তি ওম), ডোন্ট আন্ডার এস্টিমেট দ্য পাওয়ার অফ আ কমন ম্যান (চেন্নাই এক্সপ্রেস), কি...কি...কি..কিরন (ডর), কাভি কাভি জিতনে কে লিয়ে কুছ হারনা ভি পড়তা অউর হার কর জিতনে ওয়ালে কো বাজিগর ক্যাহতে হ্যায় (বাজিগর), ‘বাবুজি নে কাহা গাঁও ছোড় দো, সব নে কাহা পারো কো ছোড় দো, পারো নে কাহা শরাব ছোড় দো, আজ তুমনে ক্যাহ দিয়া হাভেলি ছোড় দো, এক দিন আয়েগা যব ওহ ক্যাহেঙ্গে, দুনিয়া হি ছোড় দো (দেবদাস)।

 

রাজেশ খান্না

হাম সব তো রঙ্গমঞ্চ কি কাঠপুতলিয়াঁ হ্যায়, জিনকি ডোর উপারওয়ালে সে বান্ধি হুই হ্যায়। কব কৌন উঠেগা কোই নেহি বতা সকতা (আনন্দ), পুষ্পা, আই হেট টিয়ারস... ইনহে পৌঁছ ডালো (অমর প্রেম)।

 

দিলীপ কুমার

কৌন কামবক্ত বরদাস্ত করনে কো পিতা হ্যায়। ম্যাঁয় তো পিতা হুঁ কি বাস শ্বাসে লে সাকু (দেবদাস)

 

মিঠুন চক্রবর্তী

আমার এক কথা একশো কথার সমান (রাবন), সাপের ছোবল আর চিতার খাবোল, যেখানেই পড়বে আড়াই কেজি মাংস তুলে নেবে (চিতা), ‘তুফান বছরে এক-আধবার আসে যখন আসে তখনই প্রলয় ঘটে। আর যখন যায় ভগবানও তার অস্তিত্ব খুঁজে বেড়ায়’ এবং ‘পাবলিকের মার কেওড়াতলার পার’ (তুলকালাম),’ অভিমন্যু নাগ, বালিবোড়াও নয়, জলঢোড়াও নয়, জাত গোখরো এক ছোবলেই ছবি’ (অভিমন্যু), ‘জিনকে ঘর শিশে কে হোতে হ্যায়, ও বেসমেন্ট মে কাপড়া বদলতে হ্যায়’ (গোলমাল থ্রি), ‘আই এম কৃষ্ণান আইয়ার এমএ। নারিয়েল পানিওয়ালা (অগ্নিপথ), ‘শালা মারব এখানে লাশ পড়বে শ্মশানে’ (ফাটাকেস্ট)।

 

আমজাদ খান

‘ঠাকুর ইয়ে হাত মুঝে দে দে...’ এবং ‘কিতনি আদমি থি’ (শোলে), লায়লা ও লায়লা (কোরবানি)।