শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২৩:৪২

মিরপুরে বাসচাপায় স্কুলছাত্রের মৃত্যু

বিক্ষোভ অবরোধ তীব্র যানজট

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরে বাসচাপায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাব্বিরের মৃত্যুর প্রতিবাদে প্রায় তিন ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে তার সহপাঠীরা। গতকাল দুপুর থেকে নাহার একাডেমির শিক্ষার্থীরা সাব্বির হত্যার প্রতিবাদে ইসিবি চত্বরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। সহপাঠীদের এ আন্দোলনে মিরপুর থেকে আবদুল্লাহপুর, কাকলী ও বিশ্বরোড পর্যন্ত সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে মিরপুর-১২, কালশী এবং বনানী ফ্লাইওভারে দেখা দেয় তীব্র যানজট। ঘণ্টা তিনেক পর অবরোধ তুলে নেওয়া হলে ওই এলাকায় যান চলাচল ফের স্বাভাবিক হয়। এর আগে শনিবার বিকালে পল্লবী থানার মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনের ২১ নম্বর রোডে চার রাস্তার মোড়ে যাত্রীবাহী প্রজাপতি বাসের চাপায় গুরুতর আহত হয় নাহার একাডেমির ছাত্র সাব্বির (১২)। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন রবিবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এ খবরে গতকাল ইসিবি চত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে তার সহপাঠীরা। এ সময় নাহার একাডেমির শিক্ষার্থীরা সড়কে বসে পড়ে বাসচালকের বিচারের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে। ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ লিখাসহ নানা স্লোগানের প্ল্যাকার্ড হাতে সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে থাকে তারা। খ খ  অবস্থানে তাদের বিক্ষোভে যোগ দেয় আরও কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, নিরাপদ সড়কের দাবিতে এর আগে কয়েকবার আন্দোলন হয়েছে। তবুও সড়কে প্রাণহানি বন্ধ হচ্ছে না। তাহলে এত আশ্বাস, এত আন্দোলনের পরও সড়ক আমাদের জন্য কতটুকু নিরাপদ হয়েছে? ইসিবিতে কর্মরত ট্রাফিকের সার্জেন্ট অনিত্য কুমার জানান, সড়কে শিক্ষার্থীদের অবস্থানে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়। পরে বিকাল পৌনে ৩টার দিকে পুলিশ সড়ক থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেয়। পরে যান চলাচল শুরু হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) শাহেন শাহ মাহমুদ জানান, কিছু সময়ের জন্য নাহার একাডেমির বাচ্চারা অবস্থান নিয়েছিল। পরে তারা রাস্তা ছেড়ে দেয়। পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনার দিনই বাসচালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়।


আপনার মন্তব্য